কোর্ট ইনসাইড

ওয়াসা এমডির বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

প্রকাশ: ০৩:৪৯ পিএম, ২৩ Jun, ২০২২


Thumbnail ওয়াসা এমডির বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী তাকসিম এ খানসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করেছে ওয়াসা কর্মচারী বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের পক্ষে আবেদন করেন সমিতি।  করা হয়েছে। আবেদনে ১৩২ কোটি টাকা আত্মসাতের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আবেদনে অজ্ঞাতনামাদেরও আসামি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ঢাকা ওয়াসা কর্মচারী বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের পক্ষে আবেদন করেন সমিতির সম্পাদক মো. শাহাব উদ্দিন সরকার। আদালত বাদীর জবানবন্দি নিয়ে পরে আদেশ দেবেন বলে জানিয়েছেন।

মামলার বাদী শাহাব উদ্দিন সরকার গণমাধ্যমে  এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- ঢাকা ওয়াসার প্রকৌশলী শারমিন হক আমীর, সাবেক রাজস্ব পরিদর্শক মিঞা মো. মিজানুর রহমান, প্রকৌশলী মো. আখতারুজ্জামান, রাজস্ব পরিদর্শক মো. জাকির হোসেন, প্রকৌশলী মো. বদরুল আলম, জনতা ব্যাংকের সাবেক ডিজিএম শ্যামল বিশ্বাস, উপ-সচিব শেখ এনায়েত উল্লাহ ও উপ-প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মো. সালেকুর রহমান।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ঢাকা ওয়াসা কর্মচারী বহুমুখী সমবায় সমিতি ১৬ জুলাই ২০১৭ থেকে ৩০ জুন ২০১৮ সাল পর্যন্ত ৯৯ কোটি ৬৫ লাখ ১৯ হাজার ১৭৩ টাকা ঢাকা ওয়াসা থেকে রাজস্ব আদায় কাজ বাবদ পায়। আর ২০১৮ সাল থেকে ২০১৯ অর্থবছরে একই কাজ বাবদ সমিতি আয় করে ৩৪ কোটি ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৭৯০ টাকা।

এর মধ্যে ২০১৭ থেকে ২০১৮ অর্থবছরে সমিতির হিসাবে জমা হয় ১ কোটি ৭৯ লাখ ৫৯ হাজার ৫০৩ টাকা। অবশিষ্ট ১৩২ কোটি ৪ লাখ ১৭ হাজার ৪৬০ টাকা ৬টি ব্যাংক থেকে বিভিন্ন চেকের মাধ্যমে আসামি তাকসিম এ খানের প্রত্যক্ষ মদদে ও নির্দেশে অপর আসামিরা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন। আসামিদের এই আত্মসাতের বিষয়টি সমবায় অধিদপ্তরের অডিট রিপোর্টে প্রমাণিত হয়েছে। এছাড়া সমিতির গাড়িসহ স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি সমিতির হেফাজত থেকে স্থানান্তর করে প্রায় ২০০ কোটি টাকার সমমূল্যের সম্পদ চুরি করে আসামিরা।

আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে বিশ্বাসভঙ্গ করে আত্মসাৎ ও চুরির অভিযোগে দণ্ডবিধির ৩৮০/৪২০/৪০৬/৫০৬/১০৯ ধারায় অভিযোগ আনেন বাদী। মামলাটি আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি অথবা পিবিআইকে তদন্ত করে আসামিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন বাদী শাহাব উদ্দিন সরকার।

ওয়াসা এমডি  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

গ্রামীণ টেলিকমের চাকরিচ্যুত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণের তালিকা দাখিলে হাইকোর্টের নির্দেশ

প্রকাশ: ১২:৫০ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail গ্রামীণ টেলিকমের চাকরিচ্যুত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণের তালিকা দাখিলের নির্দেশ

গ্রামীণ টেলিকমের চাকরিচ্যুত শ্রমিকদের কে কত টাকা ক্ষতিপূরণ পেয়েছে তার তালিকা দাখিল করার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে এ সংক্রান্ত নথিও দাখিল করতে বলা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের একক কোম্পানি বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে গ্রামীণ টেলিকমের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান। শ্রমিকদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী।

তিনি আদালতকে জানান, শ্রমিকরা এ পর্যন্ত গ্রামীণ টেলিকম থেকে ৩৮০ কোটি টাকা পেয়েছেন। বাকি টাকা এখনও পরিশোধ করা হয়নি।

মামলা প্রত্যাহারের শর্তে গ্রামীণ টেলিকমের চাকরিচ্যুত ১৭৬ জন শ্রমিকের পাওনা বাবদ ৪৩৭ কোটি টাকায় সমঝোতা করেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

এর আগে গত ৭ ফেব্রুয়ারি নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ টেলিকমের অবসায়ন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের পক্ষে এ আবেদন দায়ের করা হয়।

আবেদনকারী সংগঠনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গ্রামীণ টেলিকমের কাছে শ্রমিকদের পাওনা আড়াইশ কোটি টাকার বেশি। এই পাওনা টাকার দাবিতে কোম্পানিটির অবসায়ন চাওয়া হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে গ্রামীণ টেলিকমে শ্রমিক ছাঁটাইকে কেন্দ্র করে শ্রমিক অসন্তোষ চলে আসছে। শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন (বি-২১৯৪) সিবিএর সঙ্গে আলোচনা না করেই এক নোটিশে ৯৯ কর্মীকে ছাঁটাই করে গ্রামীণ টেলিকম কর্তৃপক্ষ। গ্রামীণ টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আশরাফুল হাসান স্বাক্ষরিত এক নোটিশের মাধ্যমে এ ছাঁটাই করা হয়। এরপর সেই নোটিশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেন ২৮ জন কর্মী। এই ছাঁটাইকে কেন্দ্র করে ড. ইউনূসকে তলব করেছিলেন হাইকোর্ট। ২০২১ সালের ০৪ এপ্রিল দিয়েছিলেন শ্রমিকদের পুনর্বহালের নির্দেশ।

এছাড়া গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চার জনের বিরুদ্ধে মামলা করে ঢাকার কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তর। ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে এ মামলা করেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক আরিফুজ্জামান। বিবাদীদের আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেছেন আদালত।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন— গ্রামীণ টেলিকমের এমডি আশরাফুল হাসান, পরিচালক নুর জাহান বেগম ও শাহজাহান।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ড. ইউনূসের গ্রামীণ টেলিকম পরিদর্শনে যান। সেখানে গিয়ে তারা শ্রম আইনের কিছু লঙ্ঘন দেখতে পান। এর মধ্যে ১০১ জন শ্রমিক-কর্মচারীকে স্থায়ী করার কথা থাকলেও তাদের স্থায়ী করা হয়নি। শ্রমিকদের অংশগ্রহণের তহবিল ও কল্যাণ তহবিল গঠন করা হয়নি। এছাড়া কোম্পানির লভ্যাংশের ৫ শতাংশ শ্রমিকদের দেওয়ার কথা থাকলেও তা তাদের দেওয়া হয়নি। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে এ মামলা করা হয়।

গ্রামীণ টেলিকম   চাকরিচ্যুত শ্রমিক  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

শিক্ষককে জুতার মালা পরানোর ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে রিট

প্রকাশ: ১২:৩১ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail শিক্ষককে জুতার মালা পরানোর ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে রিট

নড়াইলে কলেজ শিক্ষক স্বপন কুমার বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে গলায় জুতার মালা পরানোর ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে রিট দায়ের করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র। 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পক্ষে অ্যাডভোকেট পূর্ণিমা জাহান এ রিট দায়ের করেন।

এর আগে গত ২৮ জুন ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে নড়াইলের কলেজ শিক্ষক স্বপন কুমার বিশ্বাসের গলায় জুতার মালা পরানোর ঘটনায় রিট আবেদন নিয়ে আসতে বলেছিলেন হাইকোর্ট।

এ বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চের নজরে আনলে আদালত এ পরামর্শ দেন।

আদালতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন নজরে আনেন আইনজীবী পূর্ণিমা জাহান। তখন হাইকোর্ট বলেন, আপনারা রিট আবেদন নিয়ে আসুন। আমরা শুনব।

জানা গেছে, ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সাময়িক বহিষ্কৃত মুখপাত্র নূপুর শর্মার ছবি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নড়াইল সদরের এক কলেজ ছাত্রের পোস্টকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে গত ১৮ জুন কলেজের অধ্যক্ষের গলায় জুতার মালা পরিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় ব্যক্তিদের ভাষ্য, নড়াইল সদরের মির্জাপুর ইউনাইটেড কলেজের ওই ছাত্র ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার পরদিন কলেজে গেলে কিছু মুসলমান ছাত্র তাকে ওই পোস্ট মুছে ফেলতে বলেন। ওই সময় অধ্যক্ষ ওই ছাত্রের ‘পক্ষ নিয়েছেন’ এমন রটনা ছড়িয়ে পড়লে সেখানে উত্তেজনা তৈরি হয়। 

এ সময় উত্তেজিত ছাত্ররা অধ্যক্ষ ও দুজন শিক্ষকের মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে তাদেরও সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে কলেজের কিছু ছাত্র ও স্থানীয় ব্যক্তিরা পুলিশের উপস্থিতিতে স্বপন কুমার বিশ্বাসের গলায় জুতার মালা পরিয়ে দেন।

শিক্ষককে   জুতার মালা  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

যুদ্ধাপরাধ দায়ে ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

প্রকাশ: ১২:২২ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail যুদ্ধাপরাধ দায়ে ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সিলেটের হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার মাওলানা শফি উদ্দিনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ সময় সাব্বির আহমেদকে খালাস দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যদের ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন।

আমৃত্যু কারাদণ্ড পাওয়া তিন আসামি হলেন- মো. তাজুল ইসলাম (৮০), মো. জাহেদ মিয়া (৬২) ও ছালেক মিয়া।

আদালত রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সীমন। আসামিপক্ষে ছিলেন আব্দুস সাত্তার পালোয়ান, গাজী এম এইচ তামিম।

এর আগে গত ২৮ জুন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সিলেটের হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার মাওলানা শফি উদ্দিনসহ পাঁচজনের রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

২০১৮ সালের ২১ মার্চ এ মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন করে তদন্ত সংস্থা। পরে তারা প্রসিকিউটর বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রসিকিউশন এ আসামিদের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে গত ১৭ মে রায়ের জন্য মামলাটি অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল।

আসামিদের বিরুদ্ধে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, আটক, নির্যাতন ও হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধে মোট দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে।


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

বিএসএমএমইউ’র প্রিজন সেল রিসোর্টে পরিণত হয়েছে

প্রকাশ: ১২:১৫ পিএম, ২৯ Jun, ২০২২


Thumbnail বিএসএমএমইউ’র প্রিজন সেল রিসোর্টে পরিণত হয়েছে

ভিআইপি বন্দিরা কারাগারে গেলেই অসুস্থ হয়ে পড়েন উল্লেখ করে দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান বলেছেন, বিএসএমএমইউ’র প্রিজন সেল কক্সবাজারের রিসোর্টে পরিণত হয়েছে।

বুধবার (২৯ জুন) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চে সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদের চিকিৎসার জন্য মেডিকেল বোর্ড গঠনের আবেদনের শুনানিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

খুরশিদ আলম খান বলেন, ভিআইপি বন্দিরা কারাগারে গেলেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। তারা চিকিৎসার জন্য বিএসএমএমইউ’র প্রিজন সেলে আসেন। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, যেন প্রিজন সেল রিসোর্টে পরিণত হয়েছে। এই চর্চা বন্ধ করতেই হবে।

এর আগে, গতকাল (২৮ জুন) ডেসটিনির গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের মামলায় নিম্ন আদালতে ৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত কারাগারে থাকা সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদের চিকিৎসার জন্য মেডিকেল বোর্ড গঠনে আবেদন করা হয়।

গত ৯ জুন হারুন-অর-রশিদের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। ওইদিন আদালতে হারুনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট রবিউল আলম বুদু। দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান।

গত ১২ মে গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের দায়ে ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনকে ১২ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়। কিন্তু একই মামলায় কোম্পানির প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদকে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ‘স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের’ কথা বিবেচনায় নিয়ে আদালত তার সাজা কমিয়ে দেন বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।

প্রিজন সেল   রিসোর্ট  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

পদ্মা সেতু নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজতে কমিশন গঠনে হাইকোর্টের নির্দেশ

প্রকাশ: ০১:১৬ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail পদ্মা সেতু নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজতে কমিশন গঠনে হাইকোর্টের নির্দেশ

পদ্মা সেতু নির্মাণ চুক্তি নিয়ে দুর্নীতির মিথ্যা গল্প সৃষ্টির নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে কমিশন গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদেশে ৩০ দিনের মধ্যে এই কমিশন গঠন করতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। 

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান।

এর আগে গত রোববার (২৬ জুন) পদ্মা সেতু নির্মাণ চুক্তি নিয়ে দুর্নীতির মিথ্যা গল্প সৃষ্টির নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে কমিশন গঠন প্রশ্নে জারি করা রুল শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করা হয়।

২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পদ্মা সেতু নির্মাণ চুক্তি এবং দুর্নীতির মিথ্যা গল্প সৃষ্টির নেপথ্যে প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে তদন্ত কমিশন গঠন করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং দোষীদের কেন বিচারের মুখোমুখি করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

মন্ত্রিপরিষদ, স্বরাষ্ট্র, আইন ও যোগাযোগ সচিব এবং দুদকের চেয়ারম্যানকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

পদ্মা সেতু   ষড়যন্ত্রকারী  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন