কোর্ট ইনসাইড

জি কে শামীমসহ ৭ দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলার রায় আজ

প্রকাশ: ০৮:১৬ এএম, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail জি কে শামীমসহ ৭ দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলার রায় আজ

এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম (জি কে শামীম) ও তার সাত দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলার রায় আজ রোববার। ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শেখ ছামিদুল ইসলামের আদালত দুপুর ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করবেন।

রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর সালাহউদ্দিন হাওলাদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।

মামলার অপর আসামিরা হলেন জি কে শামীমের দেহরক্ষী মো. জাহিদুল ইসালাম, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন, মো. সামসাদ হোসেন, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. মুরাদ হোসেন।

এর আগে গত ২৮ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

জি কে শামীমের অস্ত্র মামলায় তদন্ত সংস্থা র‌্যাব আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর চার্জশিট দাখিল করে। ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি একই আদালত আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে চার্জ গঠন করেন।

প্রসঙ্গত, ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হলে ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিকেতনে শামীমের বাড়ি ও অফিসে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে আটটি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গুলি, ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর এবং নগদ প্রায় এক কোটি ৮১ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা এবং মদ জব্দ করে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও মানিলন্ডারিং আইনে তিনটি মামলা করা হয়।

জি কে শামীম   অস্ত্র মামলা  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

আদালত অবমাননার মামলা থেকে আইজিপি ও স্বরাষ্ট্র সচিবকে অব্যাহতি

প্রকাশ: ১১:৪৮ এএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

এক সাব ইন্সপেক্টরের করা আদালত অবমাননার মামলা থেকে পুলিশ মহাপরিদর্শক ও স্বরাষ্ট্র সচিবকে অব্যাহতি দিলেন আপিল বিভাগ। 

রোববার (৪ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন ৫ সদস্যের আপিল বিভাগ এ রায় দেন।

অব্যাহতি যারা পেলেন তারা হলেন, আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, সিনিয়র সচিব জননিরাপত্তা বিভাগ মো. আমিনুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত আইজিপি প্রশাসন মো. কামরুল আহসান এই তিনজনকে অব্যাহতি দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

আদালত অবমাননা   মামলা   আইজিপি   স্বরাষ্ট্র সচিব  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

জাপার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না জিএম কাদের: চেম্বার আদালত

প্রকাশ: ০৬:২৪ পিএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

জিএম কাদের জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন চেম্বার আদালত। একই সঙ্গে  হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করা হয়েছে। 

বুধবার (৩০ নভেম্বর) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন।

এর আগে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হিসেবে জিএম কাদেরের দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞার আদেশ স্থগিত করেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি রুলও জারি করা হয়। 

এদিন আদালতে জিএম কাদেরের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম। 

গত ৪ অক্টোবর জাতীয় পার্টির বহিষ্কৃত নেতা এবং দলটির সাবেক এমপি জিয়াউল হক মৃধা চেয়ারম্যান হিসেবে জিএম কাদেরের দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে মামলা করেন। পরে ৩১ অক্টোবর ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ আদালত জি এম কাদেরের দলীয় যাবতীয় কার্যক্রমের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন।

পরে শেখ সিরাজুল ইসলাম, কলিম উল্যাহ মজুমদারসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী জিএম কাদেরের পক্ষে আবেদন করেন। আবেদনে জিএম কাদেরের ওপর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রত্যাহার চাওয়া হয়।

জাতীয় পার্টি   জিএম কাদের  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

জাপা’র দায়িত্ব পালনে জিএম কাদেরের বাধা নেই: হাইকোর্ট

প্রকাশ: ০২:৫৭ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদেরের দায়িত্ব পালনে নিম্ন আদালদের যে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ছিল সেটি আগামী ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত করে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে আগামী ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত জিএম কাদেরের দলীয় দায়িত্ব পালনে আর কোনো বাধা রইলো না।

নিম্ন আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে জিএম কাদেরের করা রিভিশন আবেদনের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ আবদুল আউয়ালের একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে এদিন জিএম কাদেরের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম। তিনি হাইকোর্টের আদেশের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাহিদা খাতুন, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল কোহিনুর আক্তার লাকী ও সাবিনা পারভীন।

জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কারের পর গত ৪ অক্টোবর সাবেক এমপি জিয়াউল হক মৃধা জিএম কাদেরের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সেই মামলার আলোকে জিএম কাদেরকে দলীয় কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন আদালত।

৩০ অক্টোবর ঢাকার যুগ্ম জেলা জজ (প্রথম আদালত) মাসুদুল হক এ আদেশ দেন।

১নং প্রতিপক্ষ (জিএম কাদের) ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বরের গঠনতন্ত্রের আলোকে পার্টির কোনো প্রকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করতে পারেন এবং কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করতে না পারে সে মর্মে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন আদালত।

পরে এই আদেশ প্রত্যাহারে জিএম কাদেরের আবেদন গত ১৬ নভেম্বর খারিজ করে দেন একই আদালত।

আইনজীবী শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, এই খারিজাদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজ আদালতে মিস আপিল করেন জিএম কাদের। জেলা জজ এই আবেদন শুনানির জন্য ৯ জানুয়ারি দিন রাখলেন। কিন্তু আমরা ২৪ নভেম্বর দরখাস্ত দিয়ে বললাম ৯ জানুয়ারি রাখাতে, আমাদের ক্ষতি হচ্ছে। কারণ আমাদের ওপর নিষেধাজ্ঞার আদেশ আছে। অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে। তাই আজেকই শুনানি করেন। আমাদের ২৪ তারিখের দরখাস্তটা জেলা জজ রিজেক্ট করে দিলেন। এর বিরুদ্ধে আমরা রিভিশন করেছি। আমরা হাইকোর্টে বলেছি ২৪ তারিখের আদেশটা অবৈধ। কোর্ট রুল দিলেন। আর ৩০ অক্টোববের নিষেধাজ্ঞার আদেশ স্থগিত করেছেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। এরপর বিবাদী জিএম কাদের হাইকোর্ট বিভাগের একটি রিট মামলা বিচারাধীন থাকার পরও জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ওই বছর ২৮ ডিসেম্বর কাউন্সিল করে নিজেকে চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করেন।

গত ৫ মার্চ গাজীপুর মহানগর কমিটির উপদেষ্টা আতাউর রহমান সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক সবুর শিকদার, মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক রফিকুল ইসলাম ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. মো. আজিজকে বহিষ্কার করেন। গত ১৪ সেপ্টেম্বর বাদী মশিউর রহমান রাঙ্গাকে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করেন। অন্যদিকে ১৭ সেপ্টেম্বর অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধাকেও জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কার করেন, যা অবৈধ।


জাপা   জি এম কাদের   হাইকোর্ট  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

বাঁশখালীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, আড়াই লক্ষ টাকা জরিমানা

প্রকাশ: ১০:৪৯ এএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ চাম্বল ও নাপোড়া সীমান্ত ছড়া থেকে অবৈধভাবে বালু ও মাটিকাটায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে একটি স্কেভেটর ও তিনটি ডাম্পার ট্রাক জব্দ করা হয়। বাঁশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্টেট খন্দকার মাহমুদুল হাসান। 

সোমবার  (২৮ নভেম্বর) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাঁশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্টেট খন্দকার মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।

এসময় ভ্রাম্যমান আদালত এর উপস্থিতি টের পেয়ে বালু ও মাটিকাটার সাথে সংশ্লিষ্টরা পালিয়ে যায়। 

বাঁশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্টেট খন্দকার মাহমুদুল হাসান বলেন, চাম্বল ৫ নম্বর ওয়ার্ডের  ছড়া থেকে অবৈধভাবে মাটিকাটার সময় একটি স্ক্যাভেটর  ও তিনটি ড্রাম ট্রাক জব্দ করা হয়। এই সময় মোবাইল কোর্টের উপস্থিতি টের পেয়ে মাটিকাটার সাথে জড়িত লোকজন পালিয়ে যায়। জনস্বার্থে ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় প্রশাসনের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জরিমানা   বালু উত্তোলন  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

জয়পুরহাটে হত্যা মামলায় ৩জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশ: ০৫:৫৬ পিএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

জয়পুরহাট সদরের রশিদার গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে ইউনুস আলীকে হত্যার ঘটনায় মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে জয়পুরহাট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক নুরুল ইসলাম এ রায় দেন।

দন্ডপ্রাপ্তরা হলো, জেলার সদর উপজেলার রশিদার বম্বু গ্রামের মৃত সিরাজ প্রধানের ছেলে মদন (৩৫), বাচ্চা মিয়ার ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৩২) ও আব্দুল মোতালেবের ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৩৮) বলে জানা গেছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়,২০০৯ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি তারিখে জয়পুরহাট সদর উপজেলার বম্বু ইউনিয়নের রশিদ্র বম্বু গ্রামে  মৃত দুদু মিয়ার ছেলে ইউনুস আলী সরকার (৫৩) নিজ বাড়ি থেকে রাতের খাবার খেয়ে গভীর নলকুপে যায়। পরদিন সকালে গভীর নলকুপের দক্ষিণ পার্শ্বে ২০০ গজ দুরে পুকুর পাড়ের বাঁশ ঝাড়েন ভিতরে স্থানীয়রা পানি সেচের ড্রেনে মাথা খুঁশিয়ে রাখা মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা মর্গে পাঠিয়ে দেয়। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আলম সরকার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামী করে সদর থানায় মামলা করেন। পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী  কর্মকর্তা এসআই রফিকুল ইসলাম মামলার তদন্ত শেষে ২০০৯ সালের ৩সেপ্টেম্বর আদালতে ৬জনের নামে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।  এর মধ্যে মদন (৩৫), সাদ্দাম হোসেন (৩২) ও দেলোয়ার হোসেন (৩৮) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আর হাসান আলী (৪৬), বাবু (৪৫)  এবং নাসির উদ্দিন মামলা চলাকালীন সময়ে মারা যায়। দীর্ঘ শুনানি শেষে ২৮ নভেম্বর সোমবার দুপুরে ১৫ জন সাক্ষ্য শেষে এ রায় ঘোষনা দেন।

মামলার আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট আবু কায়ছার।

মামলার বাদী পক্ষের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল বলেন, ‘দীর্ঘ শুনানি  ও ১৫ জনের সাক্ষ্য শেষে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত১ এর  বিচারক নুরুল ইসলাম, ৬জন আসামীর মধ্যে দুজনকে খালাস ও একজনের মৃত্যু হওয়ায় এ হত্যার এই দণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।’

যাবজ্জীবন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন