কোর্ট ইনসাইড

জয়পুরহাটে হত্যা মামলায় ৩জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশ: ০৫:৫৬ পিএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

জয়পুরহাট সদরের রশিদার গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে ইউনুস আলীকে হত্যার ঘটনায় মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে জয়পুরহাট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক নুরুল ইসলাম এ রায় দেন।

দন্ডপ্রাপ্তরা হলো, জেলার সদর উপজেলার রশিদার বম্বু গ্রামের মৃত সিরাজ প্রধানের ছেলে মদন (৩৫), বাচ্চা মিয়ার ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৩২) ও আব্দুল মোতালেবের ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৩৮) বলে জানা গেছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়,২০০৯ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি তারিখে জয়পুরহাট সদর উপজেলার বম্বু ইউনিয়নের রশিদ্র বম্বু গ্রামে  মৃত দুদু মিয়ার ছেলে ইউনুস আলী সরকার (৫৩) নিজ বাড়ি থেকে রাতের খাবার খেয়ে গভীর নলকুপে যায়। পরদিন সকালে গভীর নলকুপের দক্ষিণ পার্শ্বে ২০০ গজ দুরে পুকুর পাড়ের বাঁশ ঝাড়েন ভিতরে স্থানীয়রা পানি সেচের ড্রেনে মাথা খুঁশিয়ে রাখা মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা মর্গে পাঠিয়ে দেয়। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আলম সরকার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামী করে সদর থানায় মামলা করেন। পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী  কর্মকর্তা এসআই রফিকুল ইসলাম মামলার তদন্ত শেষে ২০০৯ সালের ৩সেপ্টেম্বর আদালতে ৬জনের নামে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।  এর মধ্যে মদন (৩৫), সাদ্দাম হোসেন (৩২) ও দেলোয়ার হোসেন (৩৮) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আর হাসান আলী (৪৬), বাবু (৪৫)  এবং নাসির উদ্দিন মামলা চলাকালীন সময়ে মারা যায়। দীর্ঘ শুনানি শেষে ২৮ নভেম্বর সোমবার দুপুরে ১৫ জন সাক্ষ্য শেষে এ রায় ঘোষনা দেন।

মামলার আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট আবু কায়ছার।

মামলার বাদী পক্ষের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল বলেন, ‘দীর্ঘ শুনানি  ও ১৫ জনের সাক্ষ্য শেষে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত১ এর  বিচারক নুরুল ইসলাম, ৬জন আসামীর মধ্যে দুজনকে খালাস ও একজনের মৃত্যু হওয়ায় এ হত্যার এই দণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।’

যাবজ্জীবন  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

ভাষা শহীদদের সম্মানে বাংলায় রায় দিলেন হাইকোর্ট

প্রকাশ: ১২:২৩ পিএম, ০১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

ভাষা শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে ভাষার মাস ফেব্রুয়ারির প্রথম দিনে বাংলা ভাষায় রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ কার্যতালিকায় থাকা ১২ নম্বর রিট মামলায় বাংলায় রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার আগে বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি নাইমা হায়দার বলেন, আজ ১ ফেব্রুয়ারি। ভাষার মাস আজ থেকে শুরু। ভাষা শহীদদের আত্মার প্রতি সম্মান জানিয়ে, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রতি সম্মান জানিয়ে আজকের প্রথম রায়টি বাংলায় ঘোষণা করছি। বিশ্বের সব বাংলা ভাষাভাষিদের প্রতি সম্মান জানিয়ে বাংলায় এ রায় ঘোষণা করছি।

এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত ও রিটের পক্ষে অ্যাডভোকেট মো. শরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

আইনজীবী শরিফুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমাদের মামলাটি অর্পিত সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা। আদালত রুল নিষ্পত্তি করে অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

আদালত বাংলায় দেওয়া রায়ে বলেন, আলোচনা ও আইনজীবীর যুক্তিতর্ক পর্যালোচনান্তে আমরা অত্র মোকদ্দমার গুণাগুণ পর্যালোচনায় প্রবেশ না করে অত্র রুলটি নিম্নলিখিত নির্দেশনাসহ নিষ্পত্তি করতে সম্মত হই।’

নির্দেশনাগুলো হলো

(ক) দরখাস্তকারী অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পণ আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল দায়ের করতে পারবেন।

(খ) দরখাস্তকারী অর্পিত সম্পত্তি আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল দায়ের করতে চাইলে অত্র আদেশ হাতে পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে
আপিল দায়ের করতে হবে।

(গ) অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পণ আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদি মার্জনীয় হবে।

(ঘ) নিম্ন অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পণ ট্রাইব্যুনালে আদেশ আপিল দায়ের পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।

পক্ষগণ আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দখলের বিষয়ে স্থিতাবস্থা বজায় থাকবে। রিট মামলা নিষ্পত্তি করা হলো’।



মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

তারেক-জোবায়দাকে আদালতে হাজির হতে গেজেট প্রকাশ

প্রকাশ: ০৫:৩৬ পিএম, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় পলাতক থাকায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানকে আদালতে হাজির হতে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। 

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রাণালয় থেকে এ গেজেট প্রকাশ করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামান।

গেজেটে বলা হয়েছে, তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। আদালত বিশ্বাস করার যুক্তিসংঘত কারণ রয়েছে যে-তারা গ্রেফতার ও বিচার এড়াতে আত্মগোপনে রয়েছেন। সেজন্য তাদের আগামী ধার্য দিনের (৬ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় তাদের অনুপস্থিতিতে বিচারকার্য সম্পাদন করা হবে। 
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামান তাদের আদালতে হাজির হতে গেজেট প্রকাশ করার আদেশ দেন। একই সঙ্গে এ বিষয় প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৬ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করে দিয়েছেন আদালত। 

এদিন তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাদের কোনো মালামাল পাননি বলে আদালতে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেন। এরপর বিচারক মামলার পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে তাদের আদালতে হাজির হতে বিজি প্রেসের মাধ্যমে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দেন। 

গত বছরের ১ নভেম্বর তারেক ও জোবায়দার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন আদালত। তাদের গ্রেফতার করতে না পারায় পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করে। এরপর পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে আদালত তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসিকে ১৯ জানুয়ারির মধ্যে সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ঘোষিত আয়ের বাইরে চার কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬১ টাকার মালিক হওয়া এবং সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কাফরুল থানায় মামলা করে দুদক। মামলায় তারেক রহমান, জোবায়দা রহমান ও তারেক রহমানের শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুকে আসামি করা হয়। এরপর ২০০৮ সালে এই তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। 

এদিকে মামলা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন জোবায়দা। ওই বছরই এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এর বিরুদ্ধে আপিল করলে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখেন। তবে এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল মামলা বাতিলের আবেদন খারিজ (রুল ডিসচার্জ) করে রায় দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ওই মামলায় আট সপ্তাহের মধ্যে জোবায়দাকে বিচারিক আদালতে উপস্থিত হতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

উচ্চ আদালতের এ খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে ওই বছরই লিভ টু আপিল করেন জোবায়দা। এরপর প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ লিভ টু আপিল খারিজ করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রাখেন।

তারেক রহমান   জোবায়দা রহমান  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

জামিন পেলেন যুবদল সভাপতি টুকু

প্রকাশ: ০৭:৩২ পিএম, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের মামলায় যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) বিচারপতি রেজাউল হকের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

একই সঙ্গে তাদের নিয়মিত জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেছেন আদালত। চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে টুকুর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও জহিরুল ইসলাম সুমন। এই জামিন আদেশের ফলে টুকুর জামিনে মুক্তিতে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।

প্রসঙ্গত, গত বছর ৭ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পর পুলিশের ওপর হামলা, হামলায় পরিকল্পনা ও উস্কানির অভিযোগে গত ৮ ডিসেম্বর পল্টন থানায় মামলায় করে পুলিশ।

বিএনপি   যুবদল   সুলতান সালাউদ্দিন টুকু  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

ইয়াবা পাচার মামলায় ৮ রোহিঙ্গার যাবজ্জীবন

প্রকাশ: ০২:৩০ পিএম, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

কক্সবাজারে ইয়াবা পাচার মামলায় মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশের আশ্রয় নেওয়া ৮ রোহিঙ্গাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-৫ নিশাত সুলতানা এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী ফরিদ উদ্দিন এ তথ্য জানিয়েছেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মিয়ানামারের আকিয়াবের শিবপুরে দইলা, পুত্তু জারিপাড়ার রবি আলম, একই এলাকার আলম, শফিকুল, নূর, নূরে আলম, আলী আহামদ ও নূরুল আমিন। 

মামলা বিবরণে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর টেকনাফ কোস্ট গার্ডের একটি দল সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদ্বীপ সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশে প্রবেশকালে একটি বোটে বিশাল ইয়াবা চালান আটক করে। ওই পাচারকারী বোটে থাকা ৮ জনকে আটক করা হয়। পরে গণনা করে ওই চালানে দুই লাখ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। এই ঘটনায় এম জে উদ্দীন নামের এক কোস্ট গার্ড কর্মকর্তা বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় মামলা দায়ের করেছিলেন। মামলা বিচারিক কার্যক্রম শেষে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় মামলার সব আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।


কক্সবাজার   ইয়াবা পাচার   রোহিঙ্গা   যাবজ্জীবন  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ১ মার্চ

প্রকাশ: ০১:৩৯ পিএম, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ১ মার্চ দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ সোমবার (৩০ জানুয়ারি) ঢাকার বিশেষ আদালত-৬ এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামানের আদালতে মামলাটির অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির জন্য ধার্য ছিল।

এদিন সম্রাট আদালতে উপস্থিত হন। এ সময় তার আইনজীবী এহসানুল হক সমাজি অভিযোগ গঠনে সময়ের আবেদন করেন। এছাড়া চিকিৎসার জন্য সম্রাটের বিদেশে যাওয়ার অনুমতি প্রার্থনা করেন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে শুনানির জন্য ১ মার্চ দিন ধার্য করেন। চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার আবেদনের ওপর শুনানির জন্যও একই দিন ধার্য করেন আদালত।

সংশ্লিষ্ট আদালতে বেঞ্চ সহকারী ফকির মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বিষয়টি জানিয়েছেন।

র‌্যাবের ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর কুমিল্লা থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল হক আরমানকে আটক করা হয়। ওই অভিযানে যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া, বিতর্কিত ঠিকাদার জি কে শামীমসহ মোট ১৩ জন গ্রেফতার হন।

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলায় ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম ও এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ২০২০ সালের ৭ ডিসেম্বর ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্রে সম্রাটের বিরুদ্ধে ২২২ কোটি ৮৮ লাখ ৬২ হাজার ৪৯৩ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলাকালে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর সম্রাটকে কুমিল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। এরপর তাকে যুবলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়ার পর জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ওই বছরের ১২ নভেম্বর সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। তাতে ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক।

গত বছরের ১০ এপ্রিল থেকে ১১ মের মধ্যে চার মামলায় জামিন পান সম্রাট। কারাগারে যাওয়ার ৩১ মাস পর মুক্তি মেলে তার।


সম্রাট   শুনানি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন