কোর্ট ইনসাইড

জামায়াতের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে শুনানি ১৯ নভেম্বর

প্রকাশ: ০২:৪৩ পিএম, ১২ নভেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে দেওয়া নিবন্ধন অবৈধ বলে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির জন্য ১৯ নভেম্বর তারিখ ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ।

প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগ আজ রোববার শুনানির এই তারিখ ঠিক করেন।

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে জামায়াতকে বিরত রাখতে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে এবং জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে রিট আবেদনকারীদের করা আবেদনও সেদিন (১৯ নভেম্বর) শুনানির জন্য থাকছে।

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে জামায়াতকে বিরত রাখতে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে এবং জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে গত জুনে আপিল বিভাগে পৃথক আবেদন করেন তরীকত ফেডারেশনের মহাসচিব সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরীসহ কয়েকজন।

সর্বশেষ ৬ নভেম্বর আবেদন দুটি শুনানির জন্য ওঠে। সেদিন হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে জামায়াতের করা লিভ টু আপিল শুনানির জন্য ১২ নভেম্বর দিন রাখা হয়। এর ধারাবাহিকতায় আজ বিষয়টি শুনানির জন্য কার্যতালিকার ৯ নম্বর ক্রমিকে ওঠে।

লিভ টু আপিলের (জামায়াতের করা আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) পক্ষে নিয়োজিত জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলীর ব্যক্তিগত অসুবিধার জন্য আট সপ্তাহ সময়ের আবেদন দেন আইনজীবী মো. জিয়াউর রহমান।

অন্যদিকে, জামায়াতের বিরুদ্ধে করা আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী তানিয়া আমির ও আহসানুল করিম।

পরে আদালত আগামী রোববার শুনানির দিন ধার্য করেন। জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম গণমাধ্যমকে বলেন, দল হিসেবে জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্ট রায় দেন। একই সঙ্গে আদালত এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সনদ দেন, যা পরবর্তী সময়ে আপিল হিসেবে রূপান্তরিত হয়।

এ ছাড়া হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে জামায়াত আরেকটি লিভ টু আপিল করে। এই লিভ টু আপিল রিডানডেন্ট (প্রয়োজনীয়তা নেই) ঘোষণা করেছেন আপিল বিভাগ। জামায়াতের করা আপিলের সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে জামায়াতকে বিরত রাখতে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে এবং জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে করা আবেদন দুটি ১৯ নভেম্বর একসঙ্গে শুনানির জন্য আসবে।

রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতকে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৯ সালে রিট করেন সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরীসহ ২৫ ব্যক্তি।
রিটের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট রায় দেন হাইকোর্টের তিন সদস্যের বৃহত্তর বেঞ্চ। একই সঙ্গে আদালত এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সনদ দেন। এরপর রায়ের বিরুদ্ধে একই বছর দলটির পক্ষ থেকে লিভ টু আপিল (সিপি) করা হয়।

২০১৮ সালের ৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

‘এক দশক পর সমাবেশের অনুমতি পেল জামায়াত’ ও ‘নিবন্ধন ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জামায়াতে ইসলামীর, এক দশক পর ঢাকায় সমাবেশ’—এমন শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে গত ১০ জুন প্রতিবেদন ছাপা হয়।

এসব প্রতিবেদন যুক্ত করে মিছিল, সভা, সমাবেশসহ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে জামায়াতকে বিরত রাখতে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে এবং জামায়াতের আমির, সেক্রেটারি জেনারেলসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরীসহ অন্যরা পৃথক আবেদন করেন।

 


জামায়াত   নিবন্ধন   অবৈধ   আপিল   শুনানি  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

রোববার সকালেই লিভ টু আপিল দ্রুত শুনানির চেষ্টা

প্রকাশ: ০৪:৫২ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেছেন, কোটা বাতিল চেয়ে লিভ টু আপিল দ্রুত শুনানি করতে সরকারের পক্ষ থেকে আমাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমরা রোববার সকালেই আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল দ্রুত শুনানির জন্য মেনশন করব। আশা করছি জনগুরুত্ব বিবেচনায় আদালত আমাদের আবেদন গ্রহণ করবেন। শুনানিতে আমরা হাইকোর্টের রায় বাতিল চাইব।

বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল দায়ের করেছে দুই শিক্ষার্থী।

বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় দুই শিক্ষার্থীর পক্ষে অ্যাডভোকেট শাহ মঞ্জুরুল হক লিভ টু আপিল দায়ের করেন।

দুই শিক্ষার্থী হলেন-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আল সাদী ভূঁইয়া ও উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থী আহনাফ সাঈদ খান।

গত মঙ্গলবার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল দায়ের করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। লিভ টু আপিলে হাইকোর্টের রায় বাতিল চাওয়া হয়েছে। 


রোববার   সকাল   আপিল   বিভাগ   লিভ   টু   আপিল   দ্রুত   শুনানি   চেষ্টা  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে দুই শিক্ষার্থীর লিভ টু আপিল

প্রকাশ: ০২:৪১ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেছেন দুই শিক্ষার্থী। আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) এই লিভ টু আপিল করা হয়।

আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক দুপুরে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘লিভ টু আপিল দায়ের করা হয়েছে। এতে হাইকোর্টের রায় বাতিল বা সংশোধন চাওয়া হয়েছে। শুনানির বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ শনিবার জানানো হবে।

আন্দোলনের মুখে ২০১৮ সালের কোটাপদ্ধতি বাতিল করে পরিপত্র জারি করে সরকার। সরকারের এই কোটা বাতিলের পরিপত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০২১ সালে রিট করেন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান অহিদুল ইসলামসহ সাতজন। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০২১ সালের ডিসেম্বর রুল দেন হাইকোর্ট। চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত জুন রুল অ্যাবসলিউট (যথাযথ) ঘোষণা করে রায় দেন হাইকোর্ট।

পরে হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন চেম্বার আদালত হয়ে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য ওঠে জুলাই। রিট আবেদনকারীপক্ষ সময় চেয়ে আরজি জানালে সেদিন আপিল বিভাগ শুনানি পিছিয়ে দেন।

পাশাপাশি রাষ্ট্রপক্ষকে নিয়মিত লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করতে বলা হয়। অবস্থায় কোটা পুনর্বহালসংক্রান্ত হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে গত জুলাই আবেদন করেন দুই শিক্ষার্থী।

দুই শিক্ষার্থী রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন শুনানির জন্য ১০ জুলাই আপিল বিভাগে ওঠে। শুনানি শেষে সরকারি চাকরিতে নিয়োগে কোটার বিষয়ে পক্ষগুলোকে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে আদেশ দেন আপিল বিভাগ। কিছু পর্যবেক্ষণ, নির্দেশনাসহ আদেশ দেয়া হয়। এই স্থিতাবস্থা চার সপ্তাহের জন্য উল্লেখ করে আপিল বিভাগ আগামী আগস্ট পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন।


হাইকোর্ট   রায়   বিরুদ্ধে   দুই   শিক্ষার্থী   লিভ   টু   আপিল  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শ্রাবণসহ সাতজন রিমান্ডে

প্রকাশ: ০৬:৪২ পিএম, ১৭ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে লাঠিসোঁটা ও বিস্ফোরকদ্রব্য উদ্ধারের ঘটনায় করা মামলায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণসহ বিএনপির সাত নেতাকর্মীর দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (১৭ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. শান্ত ইসলাম মল্লিক শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী আব্দুস সালাম হিমেল এ তথ্য জানিয়েছেন।

রিমান্ডে যাওয়া অন্য আসামিরা হলেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম (৪৭), তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন (৩০), বিএনপি কর্মী শাহাদাত হোসেন (৩২), মো. টেনু (৩৮), মনির হোসেন (২৫) ও বরকত হাওলাদার (৩৭)।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে এই সাতজনকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। সেখান থেকে ককটেল, অস্ত্র, পেট্রোল লাঠিসোঁটা উদ্ধার করা হয়।

কোটা আন্দোলন ঘিরে সহিংসতায় রাজধানীসহ বিভিন্নস্থানে ছয়জন নিহত হওয়ার রাতেই বিএনপি কার্যালয়ের অভিযান চালানো হয়।

সেখান থেকে ১০০ ককটেল, ৫০০ লাঠি, ৭টি দেশি-বিদেশি অস্ত্র ও চার বোতল পেট্রোল উদ্ধার করেছে ডিবি পুলিশ। এসময় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শ্রাবণসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।



ছাত্রদল   কোটা আন্দোলন   বিএনপি   কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

রাজাকার ছাড়া ৭১ সালের সব নাগরিককে মুক্তিযোদ্ধা ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে রিট

প্রকাশ: ০৬:৪১ পিএম, ১৬ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

১৯৭১ সালে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ চলার সময় পাকিস্তানের পক্ষে সহায়তাকারী রাজাকার বাহিনী ব্যতীত বাংলাদেশের সব নাগরিককে মুক্তিযোদ্ধা ঘোষণা করে নতুনভাবে সবার নামসহ মুক্তিযোদ্ধা তালিকা প্রস্তুত করার নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ এ রিট দায়ের করেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করে এ রিট দায়ের করেন। রিটে বলা হয়, বর্তমানের মুক্তিযোদ্ধা তালিকা বাতিল করে ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের সকল নাগরিকদের মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে ঘোষণা করে নতুনভাবে সকলের নামসহ মুক্তিযোদ্ধা তালিকা করার নির্দেশনা দেওয়া হোক।

রিটকারী আইনজীবী বলেন, সংবিধানে বলা হয়েছে, 'আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা, যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে; আমরা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করিতেছি যে, আমরা যাহাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করিতে পারি এবং মানবজাতির প্রগতিশীল আশা-আকাঙ্ক্ষার সহিত সঙ্গতি রক্ষা করিতে আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করিতে পারি, সেজন্য বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখা এবং ইহার রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধান আমাদের পবিত্র কর্তব্য।’

এখানে ‘আমরা’ শব্দটি চার বার ব্যবহার করা হয়েছে। সুতরাং তখনকার সকল জনগণই মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন মর্মে ঘোষণা আবশ্যক এবং নির্দেশনা প্রয়োজন।


রিট   হাইকোর্ট   সুপ্রীম কোর্ট  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফি নির্ধারণে নীতিমালা করতে রিট

প্রকাশ: ০১:২৯ পিএম, ১৬ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাসিক টিউশন ফি নির্ধারণে নীতিমালার বিষয়য়ে রিট দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (১৫ জুলাই) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. মো. ইউনূস আলী আকন্দ। রিটে শিক্ষা সচিব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

এর আগে, গত ৮ জুলাই এ বিষয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। এ বিষয়ে কোনো সাড়া না পেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, কোনো রকমের যৌক্তিক কারণ ছাড়াই বেসরকারি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে শিক্ষা সেমিস্টার শুরু হওয়ার আগেই প্রতি সেমিস্টারের টিউশন ফি প্রায় লাখ টাকা নেওয়া হয়। এক্ষেত্রে কোনো শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফি জমা না দিতে পারলে তার ওপর প্রতিদিন ১০০ টাকা হিসাবে জরিমানা আরোপ করা হয়। এমনকি এ বিষয়টি কম্পিউটারে লিপিবদ্ধ করে রাখা হয়। বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ৫০ বা ১০০ শিক্ষার্থী ভর্তিতে প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে আট হাজার বা ১০ হাজার টাকা টিউশন ফি নেওয়ার জন্য সরকার ধার্য করে দেয়। কিন্তু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সরকার এ ধরনের কোনো ফি নির্ধারণ করে দেয়নি। এদিকে সরকার সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য টিউশন ফি নির্ধারণ করে দিয়েছে। কিন্তু অগ্রিম জরিমানা নেওয়ার কোনো নীতিমালা বা আইন নেই। এমনকি জরিমানা আদায়ের বিষয়টি  বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন এবং বিধিমালায়ও যেমন নেই ঠিক অনুরূপ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের আইনেও নেই।

নোটিশে আরও বলা হয়, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। এভাবে প্রতি সেমিস্টারে কোটি কোটি টাকা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করে, সংবিধানের প্রস্তাবনা এবং ৮ ও ১৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শিক্ষা খরচ ফ্রি, কিন্তু এখন সংবিধান লঙ্ঘন করে অযৌক্তিকভাবে ওইভাবে ফি আদায় হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকারও নিষ্ক্রিয়।

এতে নোটিশ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের জরিমানার টাকা প্রত্যাহার করা এবং জরিমানা নেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে টিউশন ফি কমিয়ে আনার জন্য অনুরোধ করা হয়। এ বিষয়ে সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাসিক টিউশন ফি নির্ধারণ করার নীতিমালা করে দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ করা হয়। এর ব্যর্থতায় সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।


বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়   ফি   নীতিমালা   রিট  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন