কোর্ট ইনসাইড

কপিরাইট মামলায় আদালতে বাংলালিংকের সিইওসহ ৪ কর্মকর্তা

প্রকাশ: ০৮:৩৭ পিএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail কপিরাইট মামলায় আদালতে বাংলালিংকের সিইওসহ ৪ কর্মকর্তা

কপিরাইট লঙ্ঘনের অভিযোগে নগরবাউলের জেমস ও মাইলসের করা মামলায় বাংলালিংকের সিইওসহ চার কর্মকর্তা আদালতে হাজির হয়েছিলেন। তাদের করা আবেদনে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত জামিন দিয়েছেন আদালত। মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েস এ আদেশ দেন।
ব্যান্ড নগরবাউল ও মাইলসের আটটি গান কপিরাইট লঙ্ঘন করে ১৪ বছর ধরে ব্যবহার করছে মোবাইল অপারেটর কোম্পানি বাংলালিংক। বিভিন্ন সময়ে গানগুলো সরিয়ে নিতে বলা হলেও তারা তা সরায় নি। পরে ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠানটিকে আইনি নোটিশ ও মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমেও গান সরিয়ে নিতে বলা হয়। কিন্তু তাতেও গুরুত্ব দেয়নি বাংলালিংক।
এরই প্রেক্ষিতে গেল ১০ নভেম্বর কপিরাইট লঙ্ঘনের অভিযোগে বাংলালিংকের বিরুদ্ধে মামলা করেন জেমস ও মাইলস ব্যান্ড। আদালত আবেদনটি গ্রহণ করে প্রতিষ্ঠানের পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সমন জারি করে।
মঙ্গলবার সকালে বাংলালিংকের সিইওসহ চার কর্মকর্তা হাজির হন আদালতে। এসময় তারা জামিনের আবেদন করেন। আদালত ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। বাংলালিংকের আইনজীবী জানান, এ সময়ের মধ্যে আপোষ করে তারা আদালতকে অবহিত করবেন। তবে ব্যান্ড দুটির কত টাকা পাওনা সে বিষয়ে আপোষের পরই তা জানা যাবে।
আপোষে নিষ্পত্তি না হলে ৬ ডিসেম্বর আবারো জামিনের মেয়াদ বাড়াতে আবেদন করতে হবে বাংলালিংকের কর্মকর্তাদের।



মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

ঢাকা ওয়াসার এমডির ১৩ বছরের বেতন-ভাতার হিসাব চেয়েছেন হাইকোর্ট

প্রকাশ: ০৬:৫১ পিএম, ১৭ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ঢাকা ওয়াসার এমডির ১৩ বছরের বেতন-ভাতার হিসাব চেয়েছেন হাইকোর্ট

গত ১৩ বছর ধরে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাকসিম এ খানকে কত টাকা বেতন, বোনাস এবং অন্যান্য সুবিধাদি দেওয়া হয়েছে, তার হিসাব চেয়েছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (১৭ আগস্ট) কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল সহ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দ কুমার রায়।

পরে জ্যোতির্ময় বড়ুয়া জানান, ঢাকা ওয়াসার এমডিকে অপসারণে নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং তাকে অপসারণের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

এছাড়া গত ১৩ বছরে কত টাকা বেতন, বোনাস এবং অন্যান্য সুবিধাদি দেওয়া হয়েছে, সেই হিসাব আগামী ৬০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান এই আইনজীবী।


ঢাকা ওয়াসা   বেতন-ভাতা   হাইকোর্ট  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

ঈশা খাঁ ঘাঁটিতে বোমা হামলায় ৫ জেএমবি সদস্যের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশ: ১২:০৩ পিএম, ১৭ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ঈশা খাঁ ঘাঁটিতে বোমা হামলায় ৫ জেএমবি সদস্যের মৃত্যুদণ্ড

চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর ঈশা খাঁ ঘাঁটির ভেতরে মসজিদে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় ৫ জঙ্গিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।  

বুধবার (১৭ আগস্ট) চট্টগ্রামের সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবদুল হালিম এই আদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত জঙ্গিরা হলোঃ আবদুল মান্নান, রমজান আলী, বাবলু রহমান, আবদুল গাফফার ও এম সাখাওয়াত হোসেন।

ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি মনোরঞ্জন দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর ঈশা খাঁ ঘাঁটির ভেতরে জুমার নামাজের সময় পতেঙ্গা মসজিদে মুসল্লিদের ওপর দুটি বোমা (গ্রেনেড) নিক্ষেপ করেন আবদুল মান্নান। এ সময় ভীতসন্ত্রস্ত মুসল্লিরা ছোটাছুটি শুরু করলে হামলাকারী মান্নান ভিড়ের সঙ্গে মিশে যান। কিন্তু তার বাঁ হাতের কবজিতে ইলেকট্রিক সুইচ দেখে মুসল্লিরা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। তখন আবদুল মান্নান আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ ঘটানোর চেষ্টা করে সফল হননি।

পতেঙ্গা মসজিদে হামলার ১০ মিনিট পর ঈশা খাঁ ঘাঁটির আরেকটি মসজিদে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। ওই মসজিদে জুমার নামাজ শুরু হলে রমজান আলী মসজিদের মাঝ বরাবর দুটি বোমা (গ্রেনেড) নিক্ষেপ করে মুসল্লিদের সঙ্গে মিশে যান। পরে তাকেও ধরে ফেলা হয়। ওই দিন দুটি মসজিদে বোমা হামলায় নৌবাহিনীর কর্মকর্তাসহ ২৪ জন মুসল্লি আহত হন।

হামলার ৯ মাস পর ২০১৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর নৌবাহিনীর নেভাল প্রভোস্ট মার্শাল কমান্ডার এম আবু সাঈদ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী ও বিস্ফোরক আইনে চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানায় মামলা করেন। ঘটনার ২২ মাস পর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

গার্ডার দুর্ঘটনায় নিহতদের জন্য ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট

প্রকাশ: ০৯:৫৪ এএম, ১৭ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail গার্ডার দুর্ঘটনায় নিহতদের জন্য ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট

উত্তরায় বিআরটি প্রকল্পের ফ্লাইওভারের গার্ডার চাপায় প্রাইভেটকারে থাকা শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছে। নিহত হওয়া প্রত্যেককে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। 

পাশাপাশি রিটে গত পাঁচ বছরে ফ্লাইওভারের নির্মাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিআরটি কী ধরনের নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে তার একটি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৭ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জাকারিয়া খানের পক্ষে আইনজীবী শাহজাহান আকন্দ মাসুম এ রিট দায়ের করেন।

এর আগে গতকাল (১৬ আগস্ট) এই ঘটনায় আরেকটি রিট দায়ের করা হয়। ওই রিটে ঘটনার তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ও জনগণের চলাফেরায় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা চাওয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাগুফতা আহমেদ এ রিট দায়ের করেন।

স্বরাষ্ট্র সচিব, সড়ক ও জনপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

সোমবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় বিআরটি প্রকল্পের ফ্লাইওভারের গার্ডার চাপায় প্রাইভেটকারে থাকা শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন দুইজন। 

নিহতরা হলেন- আইয়ুব আলী হোসেন রুবেল (৫৫), ফাহিমা আক্তার (৩৮), ঝর্না আক্তার (২৭), ঝর্না আক্তারের দুই শিশু সন্তান জান্নাত (৬) ও জাকারিয়া (৪)। মঙ্গলবার বিকেলে মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

গার্ডার দুর্ঘটনা   ক্ষতিপূরণ   হাইকোর্টে রিট  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

সংসদ এলাকায় স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন নির্মাণ বৈধ

প্রকাশ: ১২:০৮ পিএম, ১৬ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail সংসদ এলাকায় স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন নির্মাণ বৈধ: হাইকোর্ট

জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন নির্মাণকে বৈধ বলে রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

এ বিষয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বাতিল করে মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারপতির আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে এদিন রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার তানজিব উল আলম। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ(এসকে) মোরশেদ।

এর আগে ২০০২ সালে সংসদ ভবন এলাকায় স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হলে ২০০৩ সালে নির্মাণকাজের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস।

রিট আবেদনে বলা হয়, লুই আই কানের মূলনকশা লঙ্ঘন করে সংসদ ভবন এলাকায় এসব আবাসিক ভবননির্মাণ করা হচ্ছে। পরবর্তীতে ২০০৪ সালের ২১ জুন হাইকোর্ট ওই রিট আবেদনের ওপর রায়ে বলেন, সংসদ ভবন এলাকায় স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন নির্মাণ কার্যক্রম অবৈধ। সেইসঙ্গে রায়ে সংসদ ভবন এলাকাকে জাতীয় ঐতিহ্য ঘোষণার নির্দেশ দেন।

তবে হাইকোর্টের ওই রায় স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করেন। আপিলে হাইকোর্টের রায় স্থগিত করা হয়। পরে রাষ্ট্রপক্ষ আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন (লিভ টু আপিল) করলে তা মঞ্জুর করেন আপিল বিভাগ। অবশ্য হাইকোর্টের রায় স্থগিত থাকা অবস্থায় স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন নির্মাণ শেষ হয়ে গেছে। অবশেষে হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি শেষে দেশের সর্বোচ্চ আদালত আজ হাইকোর্টের রায়টি (স্যাটাসাইড) বাতিল করে রায় দেন।

সংসদ এলাকা   স্পিকার   ডেপুটি স্পিকার   বাসভবন  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

সেলিম চেয়ারম্যানকে ৩ সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণ করতে হাইকোর্টের নির্দেশ

প্রকাশ: ০৭:২১ পিএম, ১৪ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail সেলিম চেয়ারম্যানকে ৩ সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণ করতে হাইকোর্টের নির্দেশ

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় চাঁদপুরের বিতর্কিত চেয়ারম্যান সেলিম খানকে তিন সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

রোববার (১৪ আগস্ট) তাকে আগাম জামিন না দিয়ে বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. সেলিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে সেলিম খানের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম। দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ফৌজিয়া আক্তার পপি।

দুদকের আইনজীবী ফৌজিয়া আক্তার পপি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আইনজীবী ফৌজিয়া আক্তার পপি বলেন, সেলিম খান আগাম জামিন আবেদন করেছিলেন। আদালত তাকে জামিন দেননি। তাকে তিন সপ্তাহের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলেছেন। 

আলোচিত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সেলিম খানের বিরুদ্ধে গত ১ আগস্ট মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ৩৪ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে তার বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়। 

দুদকসচিব জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে সেলিম খানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সম্পদ বিবরণী চায় দুদক। সেলিম খান ৬৬ লাখ টাকার সম্পদের হিসাব জমা দেন। কিন্তু দুদকের অনুসন্ধানে তার ৩৪ কোটি ৫৩ লাখ ৮১ হাজার ১১৯ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। অনুসন্ধান কর্মকর্তার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কমিশন সভায় সেলিম খানের বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত হয়।

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত ভূমি অধিগ্রহণের জন্য ১০ নম্বর লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের মেঘনা পাড়ের একটি এলাকা নির্ধারণ করা হয়। ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সেলিম খান। বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ৬২ একর ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু করতে গিয়ে দেখা যায়, চেয়ারম্যান সেলিম খান এবং তার ছেলেমেয়েসহ অন্যান্য জমির মালিকরা অস্বাভাবিক মূল্যে দলিল তৈরি করেছেন। ফলে ওই জমি অধিগ্রহণে সরকারের ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৫৫৩ কোটি টাকায়।

জমির অস্বাভাবিক মূল্য নিয়ে জেলা প্রশাসকের তদন্তে সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থ লোপাট করার পরিকল্পনা ধরা পড়ে। পরে ভূমি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো প্রতিবেদনে বিষয়গুলো উল্লেখ করেন জেলা প্রশাসক। যা নিয়ে সারা দেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

এর আগে চাঁদপুরে ভূমি অধিগ্রহণ সম্পর্কে অসত্য ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য উপস্থাপন করায় চেয়ারম্যান সেলিম খানকে গত ১০ ফেব্রুয়ারি কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় জেলা প্রশাসন।

অপরদিকে কয়েক বছর ধরে চাঁদপুরের নদী অঞ্চল থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে ওই চেয়ারম্যানসহ একটি চক্রের বিরুদ্ধে।

গত ৬ এপ্রিল সেলিম খানের অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ যাচাইয়ে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় কুমিল্লার সহকারী পরিচালক রাফী মো. নাজমুস সাদাতের নেতৃত্বে দুদক এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অনিয়ম-দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুদক।

সেলিম চেয়ারম্যান   হাইকোর্ট  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন