কালার ইনসাইড

শুভ জন্মদিন মিম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১২:১৮ পিএম, ১০ নভেম্বর, ২০১৮


Thumbnail

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। একই সঙ্গে তিনি একজন মডেল, নৃত্যশিল্পী, অভিনেত্রী ও লেখিকা। আজ ১০ নভেম্বর তাঁর জীবনের বিশেষ একটি দিন। ১৯৯২ সালের ঠিক এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন জনপ্রিয় এই তারকা।

মিমের জন্ম রাজশাহী জেলায়। পেশায় শিক্ষক বাবার চাকরীসূত্রে দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় কেটেছে তাঁর শৈশব, কৈশোর। ছোটবেলা কেটেছে ভোলায়। এরপর কুমিল্লায় পেরিয়েছেন স্কুল, কলেজর গণ্ডি। ছোটবেলা থেকেই তিনি একটি সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে বেড়ে উঠেছেন।

শোবিজে আসার ক্ষেত্রে পরিবারের ইতিবাচক সাড়া মিমকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। ২০০৭ সালে ‘লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ের মুকুট লাভ করলে তাঁর জন্য শোবিজের দরজা খুলে যায়। ফলে সুযোগ পেয়ে জান মূল ধারার চলচ্চিত্রে। ওই একই বছরে হুমায়ুন আহমেদ পরিচালিত ‘আমার আছে জল’ ছবির মাধ্যমে তাঁর চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়। এই ছবিতে দর্শক তাঁকে বেশ ভালোভাবে গ্রহণ করে। তখনো পর্যন্ত তিনি ছোট পর্দার কোনো কাজে হাত দেননি। ২০০৯ সালের দিকে তাঁর ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ছবি ‘আমার প্রাণের প্রিয়া’ মুক্তি পায়। এই ছবিতেও তিনি প্রশংসা কুড়ান। এরপর নিয়মিত বিরতিতে ‘জোনাকির আলো’, ‘তারকাঁটা’, ‘পদ্ম পাতার জল’সহ বেশকিছু ছবিতে অভিনয় করেন।

বাংলাদেশ-ভারত যৌথ প্রযোজনার ছবি ‘ব্ল্যাক’ এর মাধ্যমে ওপার বাংলায় পৌঁছে জান মিম। কলকাতার মূল ধারার নির্মাতা রাজা চন্দ’র পরিচালনায় ছবিটি মুক্তি পায় ২০১৫ সালে।

টেলিভিশনে মিম প্রথম পা রাখেন ২০১২ সালে ‘এক হাজার টাকা’ শিরোনামের একটি নাটকের মাধ্যমে। এরপর বেশকিছু নাটক ও টেলিছবিতে কাজ করলেও, তাঁর ভাবনার বেশীরভাগ জায়গা জুড়ে রয়েছে চলচ্চিত্র। এক্ষেত্রে সফলও হয়েছেন তিনি। অভিনয়ের স্বীকৃতি স্বরূপ পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং মেরিল প্রথম আলো পুরস্কারের মতো দেশসেরা স্বীকৃতি।

বাংলা সাহিত্যে স্নাতক সম্পন্ন করা এই অভিনেত্রীর লেখালেখির প্রতিভার বিচ্ছুরণও ঘটেছে। এ পর্যন্ত তাঁর লেখা ‘শ্রাবণের বৃষ্টিতে ভেজা’ ও পূর্ণতা শিরোনামে দুটি উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে।

বাংলা ইনসাইডার/এইচপি/জেডএ



মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়ছে শাকিব খানের!

প্রকাশ: ০৯:৫৯ পিএম, ০৬ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়ছে শাকিব খানের!

যার ছবি মানেই হল ভর্তি দর্শক। যাকে নিয়ে ছবি করার জন্য মুখিয়ে থাকেন চলচ্চিত্র প্রযোজক, নির্মাতারা। যার ছবি দিয়ে তাঁরা স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে পারেন তিনি সুপারস্টার শাকিব খান। শুধু দেখেই নয় দেশের বাইরেও অভিনয় দিয়ে প্রশংসা পেয়েছেন। নানা চড়াই-উৎরাই পর আজ তিনি বর্তমান অবস্থানে। 

দেশ সেরা এই নায়ক বরাবরই কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। আর যার কারণে কাজ নিয়েই সংবাদের শিরোনামে আসেন তিনি। তবে এরমাঝেও ব্যক্তিজীবন সবার সামনে আসায় বেশ বেকায়দায় পড়েছেন তিনি।



ভালোবেসে ঘর বেঁধেছিলেন ঢাকাই সিনেমার দুই শীর্ষ তারকা শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস। সেটা ২০০৮ সালের কথা। তবে বিয়ের খবর টের পায়নি কেউ। দীর্ঘ নয় বছর পর ২০১৭ সালে একটি টিভি চ্যানেলের লাইভে সন্তান আব্রাহাম খান জয়সহ হাজির হন অপু। এরপর জানান, তিনি ও শাকিব বিবাহিত এবং এই সন্তান তাদেরই। ওই ঘটনায় গোটা দেশ তোলপাড় হয়। কিছুদিন পর শাকিব-অপুর সংসারও ভেঙে যায়। 

এরপর নতুন নায়িকা শবনম বুবলীর সাথে কাজ শুরু করেন শাকিব খান। পর পর বেশ কিছু ছবিও করেছিলেন তাঁরা। তখন থেকেই মিডিয়া পাড়ায় কান পাতলেই  তাঁদের মাঝে প্রেমের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিলো। কিন্তু কখনোই তাঁরা বিষয়টি স্বীকার করেনি। 



শাকিব-বুবলী জুটির সর্বশেষ মুক্তি পাওয়া ছবি কাজী হায়াত পরিচালিত ‘বীর’। তবে ছিলেন না ছবিটির প্রচারে। এরপর থেকে নিরুদ্দেশ বুবলী। দশ মাসেরও অধিক সময় ধরে সশীরের কোথাও দেখা মেলেনি বুবলীর। সে সময় অনেকেই বলছিলেন অন্তঃসত্ত্বা বুবলী। করোনাকাল শুরুর আগে থেকেই এই অভিনেত্রী লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যান। এ নিয়ে শুরু হয় ফিসফাস, গুঞ্জন ও বিতর্ক। মা হয়েছেন বুবলী লোকমুখে এমনটাও শোনা যায়। তার সন্তানের বাবা শাকিব খান। ২৫ হাজার মার্কিন ডলার দিয়ে বুবলীকে আমেরিকা পাঠিয়ে দিয়েছেন খান সাহেব। সে সময় শোনা গিয়েছে কন্যাসন্তানের মাও হয়েছেন বুবলী। আবার কেউ কেউ বলছেন, পুত্র সন্তানের মা হয়েছেন বুবলী। তখনও বিষয়টি পরিস্কার করেনি নায়িকা।

অবশেষে ২৭ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) বুবলী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বেবি বাম্পের দুটি ছবি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লিখেন, ‘মি উইথ মাই লাইফ, থ্রো ব্যাক আমেরিকা’। এরপরই রহস্য ডানা বাঁধতে থাকে। সবাই বলাবলি করতে শুরু করেন, তাহলে কি বুবলী সত্যিই মা হয়েছেন?



বিষয়টি পরিস্কার হয় ঠিক দুইদিন পর। বুবলী তাঁর ছেলের ছবি প্রকাশ করেন। ঠিক এর কিছুক্ষন পরেই শাকিব খানও তাঁদের সন্তাদের ছবি প্রকাশ করে ফেসবুকে লিখেন, আমরা চেয়েছিলাম একটি শুভ দিনক্ষণ দেখে আমাদের সন্তানকে সবার সম্মুখে আনতে। তবে আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন। সেই সুখবরটি জানানোর জন্য আর বেশিদিন অপেক্ষা করতে হয়নি। শেহজাদ খান বীর আমার এবং বুবলীর সন্তান, আমাদের ছোট্ট রাজপুত্র। আমার সন্তান আমার গর্ব, আমার শক্তি। আপনাদের সবার কাছে আমাদের সন্তানের জন্য দোয়া কামনা করছি।

একদিন যেতে না যেতেই বুবলী তাঁর ফেসবুকে শাকিব খানের সাথে তাঁর বিয়ে ও সন্তান জন্মদানের তারিখ জানান। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায় শাকিব খানকে নিয়ে।

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী অনেকেই তখন শাকিবের খানের মত একজন সুপারস্টারের এমন কর্মকান্ডের সমালোচনা করে নানা ধরণের স্ট্যাটস দেন। তাঁদের মতে দেশের প্রথম সারির একজন নায়কের কাছ থেকে এসব মানা যায়না। তারকারা একটি দেশকে বহিরবিশ্বে উপস্থাপন করে। তারাই যদি দিনের পর দিন এমন কাজ চালিয়ে যায় তাহলে তরুণ প্রজন্ম কী শিখবে তাঁদের থেকে? এমন প্রশ্ন অনেকেই তুলেছেন। আবার অনেকেই মনে করছেন শাকিব খানের এমন কর্মকান্ডে তাঁর জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়বে। অনেকেই তাঁকে নিয়ে আর কাজ করতে চাইবেন না। ইতোমধ্যমে বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদও প্রকাশ পেয়েছে যে শাকিব খানের নায়িকা হতে কেউ চাচ্ছেন না। তবে কী সত্যই তাঁর জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়ছে?