কালার ইনসাইড

ফের একই ভুল নোবেলের; তীব্র সমালোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৪:৩৩ পিএম, ১৪ জুলাই, ২০১৯


Thumbnail

ভারতীয় টেলিভিশনের গানের প্রতিযোগিতার জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘সারেগামাপা’। এই অনুষ্ঠানটিকে ঘিরে একের পর এক গান গেয়ে আলোচনায় এসেছেন নোবেল মাইনুল আহসান নোবেল। ভক্তদের কাছে তিনি নোবেলম্যন নামে পরিচিত।

এই মঞ্চে জনপ্রিয় গান গেয়ে বাংলাদেশ ও ভারতে প্রচ‌ুর ভক্ত তৈরি হয়েছে তার। এ জনপ্রিয়তা পাওয়ার পেছনে আছে দুই বাংলার সুপারহিট কিছু গান। 

জনপ্রিয় গানগুলো নোবেল নতুন ঢঙ্গে উপস্থাপন করেছেন ‘সারেগামাপা`র মঞ্চে। নোবেল প্রশংসা পেয়েছিলেন প্রিন্স মাহমুদের কথা ও সুরে জেমস’র গাওয়া ‘বাবা’ গানটি গেয়ে। কিন্তু গানটি গাওয়ার সময় প্রিন্স মাহমুদের নাম বলেননি নোবেল। এ কারণে ব্যাপক সমালোচিত হয়েছিলেন তিনি। এরপর অবশ্য ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছিলেন। 

তবে এর পরও নিজেকে শুধরে নেননি নোবেল। একই ভুল করেই চলেছেন বার বার। ‘সারেগামাপা`তে প্রিন্স মাহমুদের কথা ও সুরের তিনটি গান গেয়েছেন। ‘বাবা’, ‘মা’ এবং ‘এত কষ্ট কেন ভালবাসায়’। তিনবারের একবারও গীতিকার বা সুরকার হিসেবে প্রিন্স মাহমুদের নাম উচ্চারণ করেননি তিনি। এত কষ্ট কেন ভালবাসায় গানটি গাওয়ার সময় গানটিকে আর্ক ব্যান্ডের গান বলে উল্লেখ করেছেন নোবেল।

প্রিন্স মাহমুদ একটি স্ট্যাটাসে লিখেছেন, দুঃখিত, এতো কষ্ট কেন ভালবাসায় আর্ক ব্যান্ডের গান না। এটা ১৯৯৮ সালে রিলিজ হওয়া আমার কথা ও সুরে মিক্সড অ্যালবাম ‘শেষ দেখা’তে হাসান গেয়েছিল।” নোবেলের তথ্য ভুল।

প্রিন্স মাহমুদের এই স্ট্যাটাসে কমেন্ট করেছেন সংগীতাঙ্গনের অনেকেই। এত বড় একটা প্ল্যাটফর্মে গাইতে গিয়ে বারবার একই ভুল করায় নোবেলের কঠোর সমালোচনা করেছেন কেউ কেউ। কেউ বলছেন তার এই ভুল ইচ্ছাকৃত। নোবেলকে ধূর্ত বলেও সমালোচনা করেছেন কেউ কেউ।

বাংলা ইনসাইডার/বিকেডি



মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়ছে শাকিব খানের!

প্রকাশ: ০৯:৫৯ পিএম, ০৬ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়ছে শাকিব খানের!

যার ছবি মানেই হল ভর্তি দর্শক। যাকে নিয়ে ছবি করার জন্য মুখিয়ে থাকেন চলচ্চিত্র প্রযোজক, নির্মাতারা। যার ছবি দিয়ে তাঁরা স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে পারেন তিনি সুপারস্টার শাকিব খান। শুধু দেখেই নয় দেশের বাইরেও অভিনয় দিয়ে প্রশংসা পেয়েছেন। নানা চড়াই-উৎরাই পর আজ তিনি বর্তমান অবস্থানে। 

দেশ সেরা এই নায়ক বরাবরই কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। আর যার কারণে কাজ নিয়েই সংবাদের শিরোনামে আসেন তিনি। তবে এরমাঝেও ব্যক্তিজীবন সবার সামনে আসায় বেশ বেকায়দায় পড়েছেন তিনি।



ভালোবেসে ঘর বেঁধেছিলেন ঢাকাই সিনেমার দুই শীর্ষ তারকা শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস। সেটা ২০০৮ সালের কথা। তবে বিয়ের খবর টের পায়নি কেউ। দীর্ঘ নয় বছর পর ২০১৭ সালে একটি টিভি চ্যানেলের লাইভে সন্তান আব্রাহাম খান জয়সহ হাজির হন অপু। এরপর জানান, তিনি ও শাকিব বিবাহিত এবং এই সন্তান তাদেরই। ওই ঘটনায় গোটা দেশ তোলপাড় হয়। কিছুদিন পর শাকিব-অপুর সংসারও ভেঙে যায়। 

এরপর নতুন নায়িকা শবনম বুবলীর সাথে কাজ শুরু করেন শাকিব খান। পর পর বেশ কিছু ছবিও করেছিলেন তাঁরা। তখন থেকেই মিডিয়া পাড়ায় কান পাতলেই  তাঁদের মাঝে প্রেমের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিলো। কিন্তু কখনোই তাঁরা বিষয়টি স্বীকার করেনি। 



শাকিব-বুবলী জুটির সর্বশেষ মুক্তি পাওয়া ছবি কাজী হায়াত পরিচালিত ‘বীর’। তবে ছিলেন না ছবিটির প্রচারে। এরপর থেকে নিরুদ্দেশ বুবলী। দশ মাসেরও অধিক সময় ধরে সশীরের কোথাও দেখা মেলেনি বুবলীর। সে সময় অনেকেই বলছিলেন অন্তঃসত্ত্বা বুবলী। করোনাকাল শুরুর আগে থেকেই এই অভিনেত্রী লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যান। এ নিয়ে শুরু হয় ফিসফাস, গুঞ্জন ও বিতর্ক। মা হয়েছেন বুবলী লোকমুখে এমনটাও শোনা যায়। তার সন্তানের বাবা শাকিব খান। ২৫ হাজার মার্কিন ডলার দিয়ে বুবলীকে আমেরিকা পাঠিয়ে দিয়েছেন খান সাহেব। সে সময় শোনা গিয়েছে কন্যাসন্তানের মাও হয়েছেন বুবলী। আবার কেউ কেউ বলছেন, পুত্র সন্তানের মা হয়েছেন বুবলী। তখনও বিষয়টি পরিস্কার করেনি নায়িকা।

অবশেষে ২৭ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) বুবলী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বেবি বাম্পের দুটি ছবি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লিখেন, ‘মি উইথ মাই লাইফ, থ্রো ব্যাক আমেরিকা’। এরপরই রহস্য ডানা বাঁধতে থাকে। সবাই বলাবলি করতে শুরু করেন, তাহলে কি বুবলী সত্যিই মা হয়েছেন?



বিষয়টি পরিস্কার হয় ঠিক দুইদিন পর। বুবলী তাঁর ছেলের ছবি প্রকাশ করেন। ঠিক এর কিছুক্ষন পরেই শাকিব খানও তাঁদের সন্তাদের ছবি প্রকাশ করে ফেসবুকে লিখেন, আমরা চেয়েছিলাম একটি শুভ দিনক্ষণ দেখে আমাদের সন্তানকে সবার সম্মুখে আনতে। তবে আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন। সেই সুখবরটি জানানোর জন্য আর বেশিদিন অপেক্ষা করতে হয়নি। শেহজাদ খান বীর আমার এবং বুবলীর সন্তান, আমাদের ছোট্ট রাজপুত্র। আমার সন্তান আমার গর্ব, আমার শক্তি। আপনাদের সবার কাছে আমাদের সন্তানের জন্য দোয়া কামনা করছি।

একদিন যেতে না যেতেই বুবলী তাঁর ফেসবুকে শাকিব খানের সাথে তাঁর বিয়ে ও সন্তান জন্মদানের তারিখ জানান। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায় শাকিব খানকে নিয়ে।

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী অনেকেই তখন শাকিবের খানের মত একজন সুপারস্টারের এমন কর্মকান্ডের সমালোচনা করে নানা ধরণের স্ট্যাটস দেন। তাঁদের মতে দেশের প্রথম সারির একজন নায়কের কাছ থেকে এসব মানা যায়না। তারকারা একটি দেশকে বহিরবিশ্বে উপস্থাপন করে। তারাই যদি দিনের পর দিন এমন কাজ চালিয়ে যায় তাহলে তরুণ প্রজন্ম কী শিখবে তাঁদের থেকে? এমন প্রশ্ন অনেকেই তুলেছেন। আবার অনেকেই মনে করছেন শাকিব খানের এমন কর্মকান্ডে তাঁর জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়বে। অনেকেই তাঁকে নিয়ে আর কাজ করতে চাইবেন না। ইতোমধ্যমে বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদও প্রকাশ পেয়েছে যে শাকিব খানের নায়িকা হতে কেউ চাচ্ছেন না। তবে কী সত্যই তাঁর জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়ছে?