ঢাকা, সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

‘বালা’র রিভিউয়ে আয়ুষ্মানের বাজিমাত

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮ নভেম্বর ২০১৯ শুক্রবার, ০৮:১৫ পিএম
‘বালা’র রিভিউয়ে আয়ুষ্মানের বাজিমাত

‘ভিকি ডোনার’ ছবি নিয়ে বলিউডে পথ চলা শুরু। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি বর্তমানে বলিউডের জনপ্রিয় নায়ক আয়ুষ্মান খুরানা। টানা ৬টি সাকসেসফুল ফিল্ম দেওয়া আয়ুষ্মান খুরানার পরবর্তী ছবি বালা রিলিজ পেয়েছে আজ।

ছবিটি রিলিজের প্রথম দিনেই ভক্তদের মনে জায়গা করে নিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে এই ছবিটিও আয়ুষ্মানের অন্য ছকবি গুলোর মতো ব্যবসা সফল হবে। ছবিটির রিভিও সুপার পজিটিভ। জনপ্রিয় কিছু সাইট থেকে প্রাপ্ত বালা মুভির রিভিও-

১.টাইমস অফ ইন্ডিয়া-৪/৫

২.স্পটবয়-৪/৫

৩.কইমই-৪/৫

৪.দেশি মার্টিনি-৪.৫/৫

৫.জুম-৪/৫

৬.পিপিং মুন-৪/৫

৭.পপ ডাইরিজ-৪/৫

৮.ইন্ডিয়া ফোরামস-৪/৫

৯.ইন্ডিয়া টুডে-৪/৫

১০.ইন্ডিয়া টিভি-৪/৫

১১.গ্লামশাম-৪/৫

১২.ফিল্মফেয়ার -৩.৫/৫

১৩.বলিউড লাইফ-৩.৫/৫

১৪.বলিউড হাংগামা-৩.৫/৫

১৫.ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-৩.৫/৫

১৬.ডেকান ক্রনিকল-৩.৫/৫

১৭.ফিল্মি কারি-৪.৫/৫

বালা ছবিতে মূলত মাথার চুল পড়া নিয়ে গল্প লেখা হয়েছে। ছবিতে আয়ুষ্মান খুরানার নামই বালা। যুবক বয়সে তার মাথায় টাক পড়ে গিয়েছে। টাকের জন্য চাকরির জায়গায় অনেক অপমানিত হতে হয় তাকে। মনে মনে সে একজনকে ভালবাসে। কিন্তু বলতে পারে না। স্রেফ টাক নিয়ে সমস্যার কারণে। বালা খুব ভালভাবেই জানে যতই সে চার্মিং হোক, রূপের কারণে সর্বত্র অপমানিত হতে হবে তাকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত উপায় বেরোয়। উইগ পরে টাক লুকোয়। আর চরিত্রগত বাকি বৈশিষ্ট্য তো বালাকে অন্যদের থেকে একধাপ এগিয়েই দেয়। কিন্তু বিয়ে টেকে না। টাকের কারণেই প্রথম রাতে বউ ছেড়ে চলে যায়। তবে ‘বালা’ শুধু টাকের সমস্যার কথাই বলেনি। ছবিতে উঠে এসেছে বর্ণবৈষম্যের কথাও। বারবার ঘুরেফিরে এসেছে কালো-ফর্সার দড়ি টানাটানি খেলা। আর এখানেই ক্লিশে গল্প থেকে অনেকটা আলাদা ‘বালা’। ‘উজড়া চমন’ গল্পে চিত্রনাট্যে যেমন ধার ছিল না, ধার ছিল না অভিনয়েও। কিন্ত ‘বালা’ বোনাস পয়েন্ট নিয়ে এই দু’টো বিভাগেই পাশ করে গিয়েছে।

ছবিতে দুই নায়িকা ইয়ামি গৌতম ও ভূমি পেডনেকর নিজের নিজের চরিত্রে ভাল। ইয়ামির অবশ্য টিকটক করা ছাড়া আর রূপ দেখানো ছাড়া কিছু করার ছিল না। কিন্তু শ্যামাঙ্গী লতিকার চরিত্রে ভূমির অভিনয় প্রশংসাযোগ্য। কার্যত বালাকে আয়না ধরানোর কাজটা করে লতিকাই। বলে, খুঁত তো তার মধ্যেও আছে। বালা না হয় যুবক বয়স পর্যন্ত হিরোগিরি করে বেড়িয়েছে। তখন তো আর টাকের জন্য হাসির খোরাক হতে হয়নি তাকে। কিন্তু লতিকাকে ছোট থেকে গায়ের রং নিয়ে সর্বত্র তামাশা করা হয়। এখানেই ‘বালা’র সার্থকতা। টাকের সমস্যার সঙ্গে সঙ্গে বর্ণবৈষম্যের কথাও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে ছবিটি।

আয়ুষ্মান, ভুমি,ইয়ামি সহ ছবির সব সাপোর্টিং কাস্ট অসাধারণ পারফরম্যান্স দিয়েছে। এছাড়াও স্ত্রী এর পর অমর কৌশিক এর ডিরেকশনও নজর করেছে। পরিশেষে বলবো প্রিয় অভিনেতা আয়ুষ্মান যেনো দর্শক এর ভরসার প্রতিক হয়ে উঠছেন। হয়তো আয়ুষ্মান এর ২য় ডাবল ডিজিট ওপেনিং হতে যাচ্ছে বালা।

বাংলা ইনসাইডার