ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২০, ১৮ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Bangla Insider

কেমন কাটছে তারকাদের ঈদ?

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ মে ২০২০ সোমবার, ০১:৪০ পিএম
কেমন কাটছে তারকাদের ঈদ?

সময় যেন থমকে গেছে করোনায়। নিজেকে এবং অন্যদের সুস্থ রাখতে ঘরে অবস্থান করছে এখন সবাই। করোনার ত্রাসে পুরো দেশ কাঁপছে। আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশই বেড়ে চলেছে।

যদিও সংক্রমণ রুখতে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে জারি হয়েছে লকডাউন। সরকারের পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন তারকারা।তারকারাও নিজেদের মতো করে সোশাল মিডিয়ায় সচেতনতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা জারি রেখেছেন। আর এই করোনাকালেই শুরু হলো রমজান মাস। পুরো মাস জুড়েই ঘরেই অবস্থান নিয়েছিল তারকারা। যাননি ঘরের বাহিরে করেননি শুটিং। এবার ঈদ কাটছে ঘরে বসে। কেমন কাটছে ঘরে বসে ঈদ....

শাকিল খান

সব ঈদের চেয়ে এই ঈদটা তো একদম ব্যতিক্রম। করোনা এবং দুইদিন আগে হয়ে গেলো প্রাকৃতিক দুর্যোগ আম্ফান। কারোরই তো মনের অবস্থা ভালো নয়। মানুষের এতো হাহাকার কষ্ট। এর মধ্যে ঈদটা তো কারোরই ভালো যাবে না। আমরাও তো এই অবস্থায় তাদের কষ্ট দেখে নিজেদের ধরে রাখতে পারছি না। তাই এবারের ঈদে বাড়তি কোনো আয়োজন নেই। বাসায় আছি সকাল থেকে। বাচ্চাদের সাথেই দুষ্টমি আর ঘরের রান্না খেয়েই ঈদ চলে যাচ্ছে।

জিয়াউল ফারুক অপূর্ব

এখন তো সবার মাঝেই একটা ভয় কাজ করছে। চাপা আতঙ্ক রয়েছে। ঈদ মানে খুশি কিন্তু সেই খুশি কি সবার মনে এখন আছে? একটা ভয় চেপে আছে মাথার উপর। আসলে এটা আমাদের নতুন একটা অভিজ্ঞতা সবার জন্যই। এবার বাসাতেই আছি।

স্বাভাবিকভাবেই বাসায় কোনো আত্মীস্বজন আসেনি। আমিও কোথাও যাবো না। বন্ধুদের সাথে দেখা হবে না। আসলে কেমন যে ঈদ হচ্ছে জানি না। বাসায় বাবা মায়ের সঙে্গে আছি। বিকালে আয়াশের সঙ্গে দখা হবে।তখন হয়তো ঈদটা অন্যরকম হবে।

সম্রাট

আমাদের সময়টা এখন খুবই খারাপ যাচ্ছে। এই মুহূর্তে ঈদ আনন্দ আয়োজন কারোর মাথাতেই নেই। লকডাউনের আগে থেকেই আমি বাসায় এবং মার্কেটের কাজ শেষ করেছি। আজ সারাদিন ধরেই বাসায় আছি। পরিবারের সাথে, বাচ্চাদের সাথেই সময় কেটে যাচ্ছে। আম্মা বাসায় আছেন। তিনি সবার জন্য সুন্দর সুস্বাদু মজার রান্না করেন। তাই খাই এছাড়া বাহিরে যাচ্ছি না। বাসায় আছি। ভাইয়ারা সবাই বাসায় আছেন। বাবাকে স্বাভাবিকভাবেই মিস করছি সবাই। কিন্তু এভাবেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে, এগিয়ে যাওয়ার নিয়ম।

আব্দুন নূর সজল

সবার মনের অবস্থা খুব একটা তো ভালো নয়। এবারের ঈদ ঘরবন্দি ঈদ আমাদের সবার।আর বাহিরে যাওয়ার কোনো প্ল্যান নাই। ঘরের সবার সাথেই আছি এবং চেষ্টা করবো কাছের যারা আছে তাদের সাথে যোগাযোগ করার।এভাবেই দিনটি কেটে যাচ্ছে।এবং সময় কাটানোর জন্য এবারে একটি মিষ্টি জাতীয় খাবার রান্না করার চেষ্টা করলাম (হাসি দিয়ে)। জানি ভালো কিছু হয়নি আসলে মাকে সাহায্য করাটাই বিষয় ছিল।

জায়েদ খান

এবারে ঈদ মনে হচ্ছে না। নতুন কোনো জামা কাপড় নেইনি এবং পরিবারের কারোর জন্যই নয়। বাসায় নামাজ পড়লাম ও শিল্পীদের খোঁজ নিলাম সকাল থেকেই। বাবা মা একটু দূরে আছেন তাদের সাথে কথা বলবো। আমি এই প্রথম বাবা মা ছাড়া ঈদ করছি। সব কিছু মিলিয়ে ঈদটা আমার কাছে নিরানন্দের। প্রতিবছর গ্রামের বাড়ি পিরোজপুর গিয়ে ঈদ করার চেষ্টা করি। এবার গ্রামে যেতে পারিনি। এফডিসির অনেক শিল্পীর ঈদের ব্যবস্থা করেছি সেটা ভালো লেগেছে।

চম্পা

কিছুই করার নেই। ঘরের মধ্যেই বসে আছি নামাজ পরবো কিছুক্ষণ পরে। কোথাও যাবো না। আর আমার বাসায়ও কেউ আসবে না। অনেকদিন ধরেই আমিও কোথাও যাইনি। আমার বাসায় কেউ আসেনি লকডাউন মানুষের জীবন বিপর্যয় এই মুহূর্তে কি আনন্দ ভালো লাগে।পরিবারের সাথেই ঈদ কাটছে।বিকালে ববিতা আপার বাসায় যেতে চাচ্ছি। তার বাসায় আরো অনেকেই আসে দেখা করার জন্য। সেখানে বেশ ভালো মজা হবে। 

আমিন খান

রমজান মাসে যে রান্না করা শিখছি সকাল বেলা থেকেই সেটা শুরু করেছি (হাসি দিয়ে)।নামাজ পড়লাম। সারাদিন থাকবো বাসাতেই। পরিবারের সাথেই কাটবে এবারের ঈদ আমার। খাওয়া, আড্ডা আজ সারাদিন বাসায়। আমার বাচ্চা ভালো বলছে যে আমার বেডরুম তুমি এসো তোমার বেডরুমে আমি যাবো। আমি তোমার গেস্ট তুমি আমার গেস্ট(হাসি দিয়ে)। এভাবেই দুষ্টমি আর আড্ডাতে কেটে যাচ্ছে ঈদ আমাদের।

সাইমন সাদিক

এবারের ঈদ তো একদমই আলাদা। তবে প্রতিবারের মতো ভিন্ন। আমি আমার গ্রামের বাড়িতে আসছি। এখানেই পরিবারের সাথে ঈদ করবো। এবার তো অনেক বিধিনিষেধ থাকছে করোনার কারণে। যদিও আমাদের এলাকাতে এতটা এফেক্টেট না। তারপরও সাবধানতা অবলম্বন করতেই হচ্ছে। একটু মন খারাপ যে শোলাকিয়া তে জামাত হলো না। আমি তো ওই এলাকার মানুষ। পরিবারের সকলের সঙ্গে আছি। গ্রামের আশেপাশের মানুষের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ভালো লাগছে আবার ভীতিকর পরিবেশও বলা যায়। 

পূর্ণিমা

মানুষের মনে ঈদের সেই আমেজটা নেই। সারা পৃথিবীরই একই অবস্থা।এবারের ঈদ চার দেয়ালের মধ্যে পরিবারকে নিয়ে ঈদ কাটবে। বিশেষ কোনো আয়োজন নেই। বাইরে কোথাও যাচ্ছিনা। সবাইকে বলবো ঘরেই থাকুন, পরিবারের সাথে থাকুন। আমি ঘরেই আাছি। কোন বন্ধুদের দাওয়াতও করিনি। আসলে এখন যে অবস্থা, পরিবারেরর সেফটির জন্য সামাজিকতা বজায় রাখা সম্ভব নয়। এটা অনেকে আবার বুঝেও না। 

বাংলা ইনসাইডার