ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ১৪ কার্তিক ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

তিন বছর পর বিয়ে করবো: মেহ্জাবীন

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০২০ শুক্রবার, ০৩:৩২ পিএম
তিন বছর পর বিয়ে করবো: মেহ্জাবীন

তিন বছর পর বিয়ে করবেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহ্জাবীন চৌধুরী। সম্প্রতি গণমাধ্যমে তার বর্তমান ব্যস্ততা ও ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে জানতে চাইলে একথা বলেন।  তিনি বলেন, সহকর্মীরা তার বিয়ের দাওয়াত পাবেন তিন বছর পর। আপাতত নাটকের শুটিং চলছে পুরোদমে। ভালোবাসা দিবস সামনে রেখে বেশ কিছু নাটকের কাজ করছেন তিনি।

১ অক্টোবর মুক্তির পর থেকেই ইউটিউবে ট্রেন্ডিংয়ে উঠে এসেছে মেহ্জাবীন চৌধুরীর অভিনীত ‘জন্মদাগ’। ১২ দিনে চ্যানেল আইয়ের ইউটিউব চ্যানেল থেকে নাটকটি দেখা হয়েছে ১৭ লাখ ৩৫ হাজারবার। ‘জন্মদাগ’ নিয়ে তিনি বলেন, ভিকি জাহেদের কাজ আমার খুবই পছন্দের। তিনি যখন গল্পটা শোনালেন, সবাই ভেবেছি, দর্শক দেখুক বা না দেখুক, আমরা নিজেদের সেরাটা দিয়ে নাটকটি বানাব। দর্শক সাধারণত রোমান্টিক বা কমেডি নাটক পছন্দ করেন। এ ধরনের ডার্ক থ্রিলার–জাতীয় নাটক দর্শকের ভালো লেগেছে দেখে আমাদেরও ভালো লাগছে।

বাংলাদেশের নাটক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের নাটক প্রতিদিন উন্নতি করছে। এখন আর বাংলাদেশি নাটকের দর্শক বাংলাদেশের সীমানায় সীমাবদ্ধ নেই। তাই আমরা এখন কোনো লিমিটেড জোনে কাজ করছি না। তবে এটা সত্যি যে সীমাবদ্ধতার কোনো সীমা নেই। বলতে গেলে বাংলাদেশের নাটক কেবল ভালোবাসার ওপর ভর করে নির্মিত হয়। না হলে দুনিয়ার কোথাও দুই দিনে একটি নাটকের ২৪ থেকে ৩০টি সিকোয়েন্স করা সম্ভব নয়। এত অল্প বাজেটে কাজ হয়, যেটা ভাবনারও বাইরে। বিশ্বের সবচেয়ে দক্ষ নির্মাতাকেও যদি আমাদের একটা গল্প দিয়ে নাটক পরিচালনা করতে বলা হয়, তিনি বাজেট শুনে দৌড়ে পালাবেন।

নারীর ওপর নিপীড়নবিরোধী আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমার বড় হওয়া একটি আরব দেশে। সেখানে ইভ টিজিং বা নারী নির্যাতনের জন্য দ্রুততম সময়ে কঠিন শাস্তি কার্যকর হয়। তাই সেখানকার পরিস্থিতি বেশ নিরাপদ। আমার মনে হয়, অনেক আগে থেকেই নারীদের যেকোনো নির্যাতনের বিষয়ে ভোকাল হওয়া উচিত ছিল। পরিবার বলেছে, ‘ওই রাস্তা দিয়ে গেলে বখাটেরা টিজ করে। তাহলে আর ঘর থেকে বের হওয়ার দরকার নেই।’ কী অদ্ভুত কথা! ঘর থেকে বের হওয়া আমাদের সবার অধিকার। প্রত্যেক মানুষকে পৃথিবীতে একটা উদ্দেশ্য নিয়ে পাঠানো হয়েছে। কিছু হওয়ার জন্য, করার জন্য বা কোথাও ভূমিকা রাখার জন্য। এখন একজন মানুষ যদি ঘর থেকেই বের হতে না পারে, তাহলে সেই উদ্দেশ্য কীভাবে সফল হবে? মানুষ হিসেবে সবার সমান অধিকার। এখানে কোনো নারী–পুরুষ নেই। মানুষকে ছেলে বা মেয়ে হিসেবে কাউন্ট করা বন্ধ করতে হবে। চুপ থাকার সংস্কৃতিতে ফুলস্টপ টানতে হবে। আর এখন তো দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে, এখন আমাদের সরব হওয়া ছাড়া উপায় নেই। অন্যায়ের প্রতিবাদ করা ছাড়া কোনো বিকল্প রাস্তা নেই। আন্দোলন চলছে। সরকারও আইন পরিবর্তনের বিষয়ে কথা বলছে। একটা ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আমার বিশ্বাস। আর ১০ বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছি। আমার সৌভাগ্য যে আমার কোনো খারাপ অভিজ্ঞতা হয়নি।

বড় পর্দায় কাজ করা নিয়ে বলেন, ছোট পর্দা বড় পর্দা বলে আলাদা কিছু নেই। পর্দায় থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই বড় পর্দা নিয়ে আলাদা কোনো ভাবনা নেই। আর এখন করোনা পরিস্থিতিতে তো কবে হল খুলে আবার সব স্বাভাবিক হবে, তার ঠিক নেই।