ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১, ৩ আষাঢ় ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

চলচ্চিত্র নির্মাণে নারী নির্মাতা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮ মার্চ ২০২১ সোমবার, ০২:০৯ পিএম
চলচ্চিত্র নির্মাণে নারী নির্মাতা

দেশের সকল অবকাঠামোগত উন্নয়নে নারীদের অবদান অনস্বীকার্য। তেমনি চলচ্চিত্র নির্মাণেও পিছিয়ে নেই তারা। অনেক নারী নির্মাতার হাত ধরেই বাংলা চলচ্চিত্র সমৃদ্ধ হয়েছে। দর্শক পেয়েছেন নতুন নতুন চলচ্চিত্রের স্বাদ। দেশের প্রথম নারী চলচ্চিত্র পরিচালকের নাম বললে সবার আগে আসে রেবেকার নাম। ১৯৭০ সালে তিনি নির্মাণ করেন `বিন্দু থেকে বৃত্ত` চলচ্চিত্র। এরপর জাহানারা ভূঁইয়া নির্মাণ করেন `সিঁদুর যাবে না মুছে` সিনেমাটি। এছাড়া অনেক নারী পরিচালকই বেশিরভাগ নির্মাণের আগে চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ছিলেন, পরে নির্মাতা হিসেবে নিজের আত্মপ্রকাশ ঘটান। এই তালিকায় আছেন, রোজী আফসারী, সুজাতা, সুচন্দা, কবরী, মৌসুমী, সামিয়া জামানসহ অনেকেই। এ ছাড়া সরাসরি চলচ্চিত্র নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত আছেন নারগিস আক্তার, শামীম আখতার, ফৌজিয়া খানসহ বেশ ক`জন। কিন্তু নারী নির্মাতারা নির্মাণে সফলতা পেলেও নির্মাণ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিয়মিত হতে পারছেন না।

প্রযোজক বা পরিবেশকদের অসযোগিতা এবং আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী না হওয়ায় কেউই টিকে থাকতে পারেন না এমনটা বলেছেন অনেক নারী নির্মাতারা। তাদের অভিযোগ নারী নির্মাতাদের ওপর কোনো এক অজ্ঞাত কারণে প্রযোজকেরা আস্থা রাখতে পারেন না। বিশ্বাস করেন না। একজন পুরুষ নির্মাতা যেভাবে একটা প্রডাকশন শেষ করেন নারী নির্মাতারা সেভাবেই করেন। কিন্তু আলাদা করে কেন দেখেন এটা ঠিক বুঝে উঠতে পারেন না তারা। তবে তাদের ধারণা এটা পুরোটাই আসলে দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপার। তবুও থেমে যান নি নারীরা। এগিয়ে এসেছেন নতুন উদ্দ্যমে। সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধের সত্য ঘটনা অবলম্বনে অভিনেত্রী রোজিনা নির্মাণ করছেন চলচ্চিত্র `ফিরে দেখা`। ১৪ বছর পর তিনি আবার ফিরেছেন অভিনয়ে, সঙ্গে নির্মাতা হয়ে।

তবে এসব সংকটের মধ্যেও অনেক নারী নির্মাতা এগিয়ে আসছেন। ঝুঁকি নিয়ে নিয়মিত কাজ করছেন। এ তালিকায় রয়েছেন- ক্যাথরিন মাসুদ, মেহের আফরোজ শাওন, রুবাইয়াত হোসেন, শাহনেওয়াজ কাকলী, রওশন আরা নিপা, জেসমিন আক্তার নদী, তানিয়া আহমেদসহ অনেকেই। তাদের দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে এগিয়ে আসুক দেশের নতুন নারী নির্মাতারা,সমৃদ্ধ হোক দেশীয় চলচ্চিত্র এমনটাই প্রত্যাশা সবার।