ঢাকা, সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

নৈসর্গিক সৌন্দর্যের দেশ ব্রাজিল

ফিচার ডেস্ক
প্রকাশিত: ২২ জুন ২০১৮ শুক্রবার, ০৯:১৬ পিএম
নৈসর্গিক সৌন্দর্যের দেশ ব্রাজিল

শুরু হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপ। তর্ক-বিতর্ক থেকে শুরু করে হার-জিতের লড়াই চলছে। তার উপর আজ আবার ব্রাজিলের ম্যাচ। এমন জমকালো মুহূর্তে একজন ব্রাজিলীয়ান সমর্থক হিসেবে দলের পাশাপাশি জেনে নিতে পারেন দেশটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য কেমন? এটা জানার পর, আপনার ভ্রমণের তালিকায় ব্রাজিল হতে পারে একটি অনন্য অভিজ্ঞতা। পাহাড়, জলপ্রপাত, সমুদ্র, স্থাপত্য- কী নেই এখানে? তাহলে চলুন এক নজরে দেখে নেই ব্রাজিলের নৈসর্গিক সৌন্দর্য-

ইগাজু ফলস

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সীমান্তে অবস্থিত ইগাজু ফলস এক অবিশ্বাস্য সৌন্দর্যের আঁধার। ‘ইগাজু ফলস‘ দেখতে সারা বিশ্ব থেকে ব্রাজিলে আসেন পর্যটকরা। এই জলপ্রপাত ২৭৫ টি আলাদা জলপ্রপাত ও ঝর্ণার মিলনে তৈরি হয়েছে। এর উচ্চতা ৮০ মিটার এবং প্রস্থ মিটার। এটি প্রাকৃতিক সপ্তমাশ্চর্যের একটি। ইগাজু আফ্রিকার ভিক্টোরিয়া ফলস এবং আমেরিকার নায়াগ্রা থেকেও বিস্তৃত।

দ্যা ব্রাজিলিয়ান মালদিভস

পৃথিবীর সবচেয়ে নীল আর সবুজ জলের সাথে দেখা এখানেই যেতে হবে আপনাকে। কাঠের খুটিতে বাঁধা দোলনায় শুয়ে উপভোগ করতে পারবেন সমুদ্রের সৌন্দর্য। কাছেই আছে চমৎকার বালিয়াড়ি আর পাথুরে বীচ। ব্রাজিল ভ্রমণে গেলে প্রথমেই এখানে যাওয়া উচিত।

অরলিন্ডার হিস্টোরিক সেন্টার

ব্রাজিলের পারনাম্বুকোর অরলিন্ডা একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন সমৃদ্ধ জায়গা। ১৯৩০ সালে মেজর মনুমেন্ট জাতীয় ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এখানে ইতিহাসের নানা বিষয় সংরক্ষণ শুরু হয়।

রিও গ্রান্ডে ডু নর্টে

ব্রাজিলে সমুদ্রসৈকতের সংখ্যা ১২টির অধিক। তবে রিও গ্রান্ডে ডু নর্টে অন্যান্য বীচের মত শুধু সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত বা সার্ফিং গেটওয়ে নয়। আরও বেশি কিছু। এটি বিখ্যাত এর বালুকাবেলার জন্য। এখানে পাওয়া যায় চমৎকার সব লবণ দিয়ে তৈরি পণ্যসামগ্রী। এখানে আছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্যাশিও বৃক্ষ। এলাকাটিকে বলা হয় ব্রাজিলের বাহু, যা আটলান্টিক সমুদ্রতীরে একটি রোমাঞ্চকর আবহ তৈরি করেছে।

চাপাদা দাইমান্তিনা

ব্রাজিলে অবস্থিত এই জায়গাটির কথা অনেকেই জানে না। এটি ব্রাজিলের মধ্য পশ্চিমে অবস্থিত, ঐতিহাসিক সালভাদর থেকে মাত্র কয়েক ঘন্টার দূরত্বে বাহিয়া রাজ্যে এর অবস্থান। এখানে দেখবেন পর্বতচূড়া যা মাইলের পর মাইল বিস্তৃত। অবাস্তব স্বচ্ছ নীল গুহা কমপ্লেক্স যা প্রলুব্ধ করবে এর মধ্যে চড়ে বেড়াতে।

সালভাদর

আমেরিকার প্রাচীনতম শহর সালভাদর। দূর্ভাগ্যজনক ভাবে এটিই প্রথম দাস বাণিজ্যের স্থান। মাইকেল জ্যাকসনের মিউজিক ভিডিও চিত্রিত হওয়ার পর এখানকার ঐতিহাসিক পিবল স্ট্রীট বিখ্যাত হয়ে যায়। ভ্রমণে আরও দেখতে পারেন এখানকার ঔপনিবেশিক স্থাপত্যগুলো এবং উজ্জ্বল রংয়ের বিভিন্ন দালান-কোঠা। তাছাড়া পথে বেড়াতে বেড়াতে লেকার্ডা এলেভেটরটিও অবশ্যই দেখে আসবেন।

ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার

ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় পর্যটক আকর্ষণ হলো ‘ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার’। যীশু খৃষ্টের এই ভাস্কর্যটি রিও ডি জেনারিও তে অবস্থিত। এটির দৈর্ঘ্য ৯৮ ফুট এবং বিশ্বের ২য় দীর্ঘ ভাস্কর্য এটি। সকল পর্যটক ভাস্কর্যটির শীর্ষে উঠেতে পারেন এবং এখান থেকে রিও ডি জেনারিওর সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে পারেন।

 

বাংলা ইনসাইডার/ বিপি

বিষয়: ব্রাজিল