ইনসাইড আর্টিকেল

ইতিহাসের এই দিনে: ২৫ জুন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৯:৩২ এএম, ২৫ Jun, ২০১৮


Thumbnail

একটি দিন ২৪ ঘণ্টা। ১৪৪০ মিনিট। ৮৬ হাজার ৪০০ সেকেন্ড। সময়ের হিসেবে অতি অল্প সময়। আবার একটি ঘটনার জন্য যথেষ্ট সময়। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছেঅনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। ইতিহাসের কৌতুহল উদ্দীপক ও উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলোকে স্মরণের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলা ইনসাইডার। ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার কথা জানালাম:

আজ ২৫ জুন ২০১৮, সোমবার, ১১ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ। গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ১৭৬ তম দিন। এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘটনা।

ঘটনাবলী

১৫২৯ - বঙ্গ বিজয়ের পর মোগল সম্রাট বাবর আগ্রা প্রত্যাবর্তন করেন।

১৮৯১ - ভারতীয় সংবাদপত্রের ওপর ব্রিটিশরাজ সেন্সর আরোপ করেন।

১৯৩২ - ভারত ও ইংল্যান্ডের মধ্যে সর্বপ্রথম টেস্ট ক্রিকেট খেলা শুরু হয়।

১৯৫০ - উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনী দক্ষিণ কোরিয়া আক্রমণ করলে কোরিয়ায় যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৭৮ - নেদারল্যান্ডকে হারিয়ে (৩-১) আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ ফুটবলে জয়ী হয়।

১৯৯১ - ক্রোয়েশিয়া ও স্লোভেনিয়া যুগোস্লাভিয়া থেকে বের হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে।

জন্মদিন

জর্জ অরওয়েল (১৯০৩ - ১৯৫০)

এরিক আর্থার ব্লেয়ার একজন কালোত্তীর্ণ ইংরেজ সাহিত্যিক ও রাজনৈতিক লেখক। অবিভক্ত ভারতের বাংলা প্রদেশের মতিহারিতে জন্ম হয়েছিল তাঁর। বিশ্ব সাহিত্য অঙ্গনে তিনি জর্জ অরওয়েল ছদ্মনামে সমধিক পরিচিত। তাঁর দুটি উপন্যাস ‘এনিমেল ফার্ম’ ও ‘নাইন্টিন এইটি ফোর্‘ বিংশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থের তালিকায় স্থান পেয়েছে। তিনি আজীবন স্বৈরাচার ও একদলীয় মতবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন।

ইয়ান মার্টেল (১৯৬৩ – বর্তমান)

ইয়ান মার্টেল হলেন বুকার পুরস্কার বিজয়ী একজন কানাডীয় সাহিত্যিক। তিনি বিশ্বের নানা দেশ ভ্রমণ করেছেন। ইরান, তুরস্ক এবং ভারতে বেশ কিছুটা সময় থেকেছেনও। ট্রেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার পর ২৭ বছর বয়সে তিনি লেখালেখিকে পেশা হিসাবে বেছে নেন। নানা দেশের নানা রকম ঐতিহ্যের সাথে পরিচয় তাঁর লেখাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।

মৃত্যুবার্ষিকী

নিকোলাই সের্গেইয়েভিচ (১৮৯০ - ১৯৩৮)

নিকোলাই সের্গেইয়েভিচ ত্রুবেৎস্কোয় ছিলেন একজন রুশ ভাষাবিজ্ঞানী ও চেকোস্লোভাকিয়ার প্রাহা (প্রাগ) শহরে অবস্থিত সাংগঠনিক ভাষা বিজ্ঞান ধারার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তাঁকে রূপধ্বনিতত্ত্বের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।

সুধীন্দ্রনাথ দত্ত (১৯০১ - ১৯৬০)

সুধীন্দ্রনাথ দত্ত বাংলা ভাষার একজন প্রধান আধুনিক কবি। বিংশ শতকের ত্রিশ দশকের যে পাঁচ জন কবি বাংলা কবিতায় রবীন্দ্র প্রভাব কাটিয়ে আধুনিকতার সূচনা ঘটান তাদের মধ্যে সুধীন্দ্রনাথ অন্যতম। তাকে বাংলা কবিতায় ধ্রুপদী রীতির প্রবর্তক বলা হয়।

মাইকেল জ্যাকসন (১৯৫৮ – ২০০৯)

মাইকেল জোসেফ জ্যাকসন একজন মার্কিন সঙ্গীতশিল্পী, নৃত্যশিল্পী, গান লেখক, অভিনেতা, সমাজসেবক এবং ব্যবসায়ী। পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সবচেয়ে বহুল বিক্রিত এলবামের সঙ্গীত শিল্পীদের মধ্যে তিনি অন্যতম। জ্যাকসন পরিবারের ৮ম সন্তান মাইকেল মাত্র ৫ বছর বয়সে ১৯৬৩ সালে পেশাদার সঙ্গীত শিল্পী হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেন। সঙ্গীত, নৃত্য এবং ফ্যাশন জগতসহ ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষাপটে চার দশকেরও অধিককাল ধরে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বৈশ্বিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন।

বাংলা ইনসাইডার/ বিপি/জেডএ



মন্তব্য করুন


ইনসাইড আর্টিকেল

শহীদ আসাদ দিবস আজ

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ২০ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

আজ  বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) শহীদ আসাদ দিবস। ১৯৬৯ সালের এই দিনে পাকিস্তানি স্বৈরশাসক আইয়ুব খান সরকারের বিরুদ্ধে গণআন্দোলনকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনের সড়কে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অকুতোভয় এই ছাত্রনেতা। সেই থেকে দিনটি শহীদ আসাদ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। এই দিনটি বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ  দিন।

 পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের নেতা ছিলেন শহীদ আসাদ। পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র এবং 
তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের (মেনন গ্রুপ) কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঢাকা হল শাখা সভাপতি ছিলেন। 

এই ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান শহীদ হওয়ার পর তিন দিনের শোক পালন শেষে, ওই বছরের ২৪ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের ছয় দফা ও ছাত্রদের ১১ দফার ভিত্তিতে সর্বস্তরের মানুষের বাঁধভাঙা জোয়ার নামে ঢাকাসহ সারা বাংলার রাজপথে। সংঘটিত হয় উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান। পতন ঘটে আইয়ুব খানের। আরেক স্বৈরশাসক ইয়াহিয়া খান ক্ষমতায় বসে সাধারণ নির্বাচনের ঘোষণা দেন।

সত্তর সালের সেই অভূতপূর্ব নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। কিন্তু ইয়াহিয়া ক্ষমতা না ছাড়াতে নানা টালবাহানা শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় একাত্তর সালে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী শহীদ আসাদ এদেশের গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষের মাঝে চির জাগরুক থাকবেন। তার আত্মত্যাগ ভবিষ্যতেও আমাদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে পথ দেখাবে।

তিনি আরও বলেন, ঊনসত্তরের গণআন্দোলনে শহীদ আসাদের আত্মত্যাগ আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করে। স্বাধিকারের দাবিতে সোচ্চার সব শ্রেণি পেশার মানুষ জেল-জুলুম উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে আসে। পর্যায়ক্রমে আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর আকার ধারণ করে।  সে দিনের সেই আন্দোলন পরবর্তীতে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

শহীদ আসাদের পুরো নাম আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান আসাদ। ১৯৪২ সালে নরসিংদী জেলায় তার জন্ম। ছাত্রনেতা আসাদ তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগে স্নাতকোত্তর শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। আসাদ ছাত্র রাজনীতিতে অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন।

শহীদ আসাদ দিবস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড আর্টিকেল

অনলাইন উপর্জনই হতে পারে টেকসই কর্মক্ষেত্র

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বর্তমান কাজের নতুন নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে অনলাইন। ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে উপার্জন করার সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে। আর তাই ঘরে বসেই ইন্টারনেট ব্যাবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন ভাবে বা উপায়ে উপার্জন করছে অনেকে। কিন্তু অনলাইনে যেমন উপার্জন করার বিভিন্ন মাধ্যম রয়েছে ঠিক তেমনি রয়েছে ফাঁদে ফেঁসে যাওয়ার ভয়। তাই অনলাইনে উপার্জন করার জন্য বাছাই করুন সঠিক প্ল্যাটফর্মটি।
তাই অনলাইনের মাধ্যমে উপার্জন করার ইচ্ছে বা আগ্রহ থাকলে , আমাদের আজকের প্রতিবেদনটি আপনার জন্য।

চলুন তাহলে আজ দেখে নেই অনলাইনে উপার্জন করার প্ল্যাটফর্মগুলো-

 ফ্রিল্যান্সিং:

এখনকার সময়ে খুব জনপ্রিয় উপার্জন করার অনলাইন প্ল্যাটফর্ম হলো ফ্রিল্যান্সিং। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কাজ করিয়ে নেওয়াটাই ফ্রিল্যান্সিং। এছাড়াও বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সারদের দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে ফ্রিল্যান্স কাজের সুযোগ দেয় কয়েকটি ওয়েবসাইট। এসব সাইটের মধ্যে ফাইভার ডটকম, আপওয়ার্ক ডটকম, ফ্রিল্যান্সার ডটকম ও ওয়ার্কএনহায়ার ডটকমে ফ্রিল্যান্সিং কাজ পাওয়া যায়। 
ফ্রিল্যান্সিং কাজ করতে হলে আপনাকে বেশ দক্ষ এবং অভিজ্ঞ হতে হবে । তাহলে আপনাকে জানতে হবে ফ্রিল্যান্সিংয়ে কি কি কাজ করতে হয়। ফ্রিল্যান্সিং কাজ গুলো হলো: ওয়েব ডিজাইনিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন, লেখা-লেখি বা অনুবাদ, গ্রাহক সেবা বিক্রয় ও বিপণন, ব্যবসা সেবা ইত্যাদি।

উপরোক্ত কাজ গুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আপনাকে দিবে। আপনি কাজ গুলো করে দিতে পারলেই অনলাইন থেকে আয় করা সম্ভব। তাই আপনি যে কাজে বেশি দক্ষ এবং অভিজ্ঞ সেই কাজটাই করুন।

 ইউটিউব:

অনলাইনে উপার্জনের আরেকটি প্ল্যাটফর্ম হলো ইউটিউব। ভিডিও কনটেন্ট এর জনপ্রিয়তার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ইউটিউবের জনপ্রিয়তা। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে উপার্জন করা কারোরই অজানা নেই।  নিজের ইউটিউব চ্যানেল খুলে তাতে ভিডিও আপলোড করে সেখান থেকে আয় করতে পারেন। আপনার চ্যানেল কোন ক্যাটাগরির এবং তাতে কোন ধরনের ভিডিও রাখবেন, তা আগেই ঠিক করে রাখুন। যে বিষয়ে মানুষের আগ্রহ বেশি, সেই বিষয়ে ভিডিও না রাখলে মানুষ তা দেখবে না। ভিডিও না দেখলে আয় হবে না। চ্যানেলের সাবসক্রাইবার ও ভিডিও দেখার সময় বাড়লে আয়ের সম্ভাবনা বাড়বে। প্রতি হাজার ভিউয়ের হিসাবে গুগল থেকে অর্থ পাবেন।

তবে আপনার ইউটিউব চ্যানেলের মনিটাজেশন প্রক্রিয়া চালু হওয়ার পর  আপনার ইউটিউব চ্যানেল থেকে উপার্জন করতে পারবেন। আপনার চ্যানেলের মনিটাজেশন প্রক্রিয়া চালু হলে আপনার আপলোড করা ভিডিওতে এড দেখাবে। সেই এডের উপর ভিত্তি করে আপনি এডসেন্সের একাউন্টে টাকা জমা হবে। 

 ব্লগিং: 

অনেকেরই লেখালেখির অভ্যাস আছে। এই অভ্যাসটা যদি পেশাগত কাজে লাগাতে পারেন, তবে অনলাইনে আয় করতে পারবেন। ব্লগিং করেও আয় করার সুযোগ আছে। দুই উপায়ে ব্লগ থেকে আয় করা যায়। একটি হচ্ছে নিজের ব্লগ সাইট তৈরি। ওয়ার্ডপ্রেস বা টাম্বলার প্ল্যাটফর্মে বিনা মূল্যে ব্লগ শুরু করতে পারেন। আবার চাইলে নিজে ডোমেইন হোস্টিং কিনে ব্লগ চালু করতে পারেন। 

তবে নিজে ব্লগ চালু করতে গেলে কিছু বিনিয়োগ করার দরকার হবে। ডোমেইন, হোস্টিং কিনতে হবে। নিজের ব্লগ শুরু করাটাই ভালো। কারণ, এতে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী অনেক পরিবর্তন করার সুযোগ আছে। বিজ্ঞাপন, ফেসবুকের ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল, পণ্যের পর্যালোচনা প্রভৃতি নানা উপায়ে ব্লগ থেকে আয় করতে পারেন। কিন্তু ব্লগ লিখে আয় করতে গেলে তাড়াতাড়ি আয় আসবে না। এর জন্য প্রচুর সময় ও ধৈর্য থাকতে হবে। অনেকের ব্লগ থেকে আয় করতে কয়েক বছর পর্যন্ত লেগে যায়। ব্লগে নিয়মিত কনটেন্ট আপডেটসহ তা সক্রিয় রাখতে কাজ করে যেতে হয়।

কনটেন্ট রাইটিং: 

যারা লেখালেখিতে ভালো এবং একাধিক ভাষায় সাবলীল লিখতে পারেন, তাঁদের কাজের জন্য বসে থাকতে হয় না। অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে কাজ করে বা লিখে দক্ষতা অর্জন করতে পারেন। আর্টিকেল লেখার মানের ওপর ভিত্তি করে আয় আসে। কাজদাতা নির্দিষ্ট নীতি মেনে লেখার জন্য বলতে পারেন। নির্দিষ্ট বিষয় ধরে নিজের দক্ষতা বাড়াতে পারলে আয়ের ধারা বেড়ে যায়।

অনুবাদ:

ইংরেজির পাশাপাশি অন্য কোনো ভাষা ভালোভাবে জানা থাকলে সেই দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারেন। বেশ কিছু ওয়েবসাইট আছে যেখানে বিভিন্ন ডকুমেন্ট অনুবাদ করে আয় করতে পারেন। যাঁদের স্প্যানিশ, ফ্রেঞ্চ, আরবি, জার্মানসহ অন্যান্য ভাষা জানা আছে এবং এগুলো থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ বা ইংরেজি থেকে এসব ভাষায় অনুবাদ করতে পারলে ভালো আয় করতে পারবেন। অনেক সময় কাজদাতারা নিজে সময়ের অভাবে অনুবাদের কাজ ফ্রিল্যান্সারদের দিয়ে করিয়ে নেন। ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে এ ধরনের কাজ পাবেন।

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম:

ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট এখন আর শুধু বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য নয়। এগুলো কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারেন।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ডের পক্ষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়া পরিকল্পকদের প্রচুর অর্থ দেওয়া হয় তাদের ব্র্যান্ডের প্রচার করার জন্য। অনলাইনে গ্রাহক টানা, প্রচার করার জন্য অবশ্য সৃজনশীলতা দরকার। বিভিন্ন পোস্ট তৈরি, ভিডিওর মাধ্যমে ফেসবুক বা অন্যান্য মাধ্যমে প্রকাশ করে তা ভাইরাল করতে পারলে ভালো অর্থ আসে। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফ্যান-ফলোয়ার তৈরিসহ তাঁদের ধরে রাখতে প্রচুর ধৈর্য ও প্রাসঙ্গিক বিষয় হওয়া জরুরি।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড আর্টিকেল

১৮ জানুয়ারি ১৯৭২: বঙ্গবন্ধুর ক্যান্টনমেন্ট পরিদর্শন

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ১৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিজ বাসবভন থেকে গ্রেফতার করেন। তারপর তাঁকে এক সপ্তাহ ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে আটকে রাখেন। পাকিস্তানের বন্দীদশা থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের ১৮ জানুয়ারি সেই ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট পরিদর্শনে যান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধু ক্যান্টনমেন্ট পরিদর্শনের সময় মিত্রবাহিনীর হাতে যুদ্ধবন্দি সৈনিক ও কর্মকর্তার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। ক্যান্টনমেন্টে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর পদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে ৭৫ মিনিট কথা বলেন। 

ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের মিত্রবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের সদর দফতরে তাদের সঙ্গে আলাপ করেন। তাদের কুশল জানতে চাওয়া হলে কর্মকর্তারা ভালো আছেন জানান। এরপর আলাদা করে সবাইকে একে একে ঘরে নিয়ে পৃথক পৃথকভাবে কথা বলেন। 

১৯৭১ সালের সেই ২৫ মার্চ রাত, যাকে কালরাত বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। সেদিন রাতে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীরা সকল ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে বাঙালি ধ্বংসযজ্ঞে নামে। বিশ্বের নৃশংসতম গণহত্যা শুরু হয় ২৫ মার্চের মধ্যরাতে। বাঙালিদের ওপর ভয়ংকর হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে হানাদার বাহিনীরা।

বাংলা যখন ঘুমে আচ্ছন্ন তখনই পাকিস্তানিরা অতর্কিতে হামলা চালায় বাঙালির ওপর। হঠাৎ করেই যেন ঢাকার আকাশে-বাতাস গর্জে ওঠে রাইফেল, মেশিনগান আর মর্টারের গুলিতে। হত্যাযজ্ঞ চলে রাজারবাগ পুলিশ লাইন, পিলখানা ইপিআর সদর দফতর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে। এমনকি স্বাধীনতার পক্ষে থাকা গণমাধ্যমগুলোও রেহায় পায়নি জল্লাদ ইয়াহিয়ার পরিকল্পনা থেকে। এক এক করে সকল গণমাধ্যমগুলো যেমন: দৈনিক ইত্তেফাক, দৈনিক সংবাদ ও জাতীয় প্রেস ক্লাবও ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীরা। এই রাতেই ১টার পর পাকিস্তানের সেনারা ট্যাংক আর সাঁজোয়া যান নিয়ে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

সেই ভয়াল রাতে কত বাঙালিকে প্রাণ দিতে হয়েছিল পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে। এ নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায় না। তবে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি মর্নিং হেরাল্ড পত্রিকার ভাষ্য, কেবল ২৫ মার্চ রাতেই বাংলাদেশে প্রায় একলক্ষ মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল। এছাড়াও খোদ পাকিস্তান সরকার প্রকাশিত দলিলেও কিছু তথ্য পাওয়া যায়। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তারা যে শ্বেতপত্র প্রকাশ করেছিল, তাতে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ১ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ রাত পর্যন্ত এক লাখেরও বেশি মানুষের জীবননাশ হয়েছিল।

বঙ্গবন্ধু   ক্যান্টনমেন্ট পরিদর্শন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড আর্টিকেল

যে বিষয়গুলি কর্মক্ষেত্রে আপনাকে এগিয়ে রাখবে

প্রকাশ: ০৮:৩১ এএম, ১৭ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ক্যারিয়ারে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আপনাকে অধিক দক্ষশীল হতে হবে, নিজেকে সানের দিকে ধাক্কা দিতে হবে। নতুন কিছু শেখার প্রতি আগ্রহ থাকতে হবে এবং শেখার পাশাপাশি অনুশীলন করা গুরুত্বপূর্ন ক্যারিয়ারের জন্য। অনুশীলনের মাধ্যমে নিজের সূক্ষ্ম ক্ষমতা গুলি ধীরে ধীরে আরও উন্নত করতে হবে।

আমাদের আজকের প্রতিবেদন ক্যারিয়ার নিয়ে। নিজের ক্যারিয়ার গঠনে যে দক্ষতা গুলি থাকা বেশি প্রয়োজন-

কম্পিউটারে দক্ষ হতে হবে:

বর্তমানে কর্মক্ষেত্র বা কর্ম ক্ষেত্রের বাইরে সকল যায়গাতেই কম্পিউটারের বিস্তার ব্যাপক। তাই বর্তানের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে কম্পিউটারের দক্ষতা খুব বেশি প্রয়োজন। তাই আপনাকে কম্পিউটারে দক্ষ হতেই হবে।

তাহলে কম্পিউটারে দক্ষ হতে হলে কি শিখবেন আপনি? চলুন তাহলে জেনে নেই । যেমন- দ্রুত টাইপ করা, মাইক্রোসফট অফিসের যত সব কাজ শেখা। এছাড়াও বিভিন্ন ওয়েব দক্ষতা,সোশ্যাল মিডিয়ার যতসব কাজ আছে সব শিখে নিতে পারবেন।

আপনাকে এটাও জানতে হবে কিভাবে কম্পিউটারে ফাইল গুছিয়ে রাখতে হয় এবং কিভাবে সফটওয়ার আর হার্ডওয়ার কাজ করে তা জানা।

ডাটা ব্যবস্থাপনা:

ডাটা সংরক্ষণ করা ব্যবসার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন। কারণ ব্যবসায় কয়েক হাজার টন ডাটা থাকে। কিছু কিছু সময় আপনাকে এসব তথ্য সংরক্ষণ আর গুছিয়ে রাখতে ডাটা এন্ট্রির কাজ জানতে হবে।  আপনাকে অবশ্যই বিভিন্ন বিশ্লেষণের মাধ্যমে ফলাফল বের করা,গাইডলাইন বোঝা, এদের রিভিউ দেওয়া, সময়ের কাজ সময়ে করে রিপোর্ট তৈরি করা। সব কিছু জানতে হবে।

রিসার্চ করা:

রিসার্চ করার দক্ষতা চাকরির ক্ষেত্রে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আপনি যদি কোন কোম্পানি চাকরি করতে বা ইন্টারভিউ দিতে যান, তাহলে আপনাকে সেই কোম্পানি সম্পর্কে রিসার্চ করতে হবে অবশ্যই। আপনি যে কোম্পানির হয়ে চাকরি চাচ্ছেন সে কোম্পানি সম্পর্কে সকল ইনফরমেশন একত্রিত করতে, এবং কোথা থেকে শুরু করবেন তার জন্য সঠিক প্লান বানাতে এটা অনেক বেশি সাহায্য করে। এছাড়া আপনি চাকরি করেন আর না করেন সেটা পরের ব্যাপার যদি কোন কোম্পানিতে ইন্টারভিউও দিতে যান তাহলেও আপনার সেই কোম্পানি সম্পর্কে রিসার্চ করে যেতে হবে। 

আর্থিক পরিকল্পনা:

আর্থিক খাতে এমন অনেক গুলো হার্ড স্কিল আছে যেগুলো অর্জন করা অনেক জরুরী যেমন- হিসাবরক্ষণ,বাজেটিং,আর্থিক পরিকল্পনা,নগদ প্রবাহ পরিকল্পনা এবং আর অনেক কিছু। সব বিষয় আপনার অধিক দক্ষতার প্রয়োজন নেই, অল্প কিছু জানা থাকলেই হবে। এই কাজ গুলো আপনি যদি চর্চায় থাকেন তাহলে এমনি এমনি অভিজ্ঞ হয়ে যাবেন। স

সুতরাং আপনি যে কর্মক্ষেত্রেই কাজ করতে যান না কেনো আপনার দক্ষতার প্রয়োজন হবে এবং উপরে উল্লেখিত দক্ষতা গুলি সকল ধরনের চাকরি বা ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রয়োজন পড়বে এবং ক্যারিয়ার এর উন্নতির জন্য আপনার উক্ত দক্ষতা গুলি দরকার পরবে বেশি।

কর্মক্ষেত্র   চাকরি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড আর্টিকেল

কিংবদন্তী কমিউনিস্ট নেতা জ্যোতিষ বসুর মৃত্যুবার্ষিকী

প্রকাশ: ০৮:২০ এএম, ১৭ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

এই রাজনীতিবিদ জ্যোতিষ বসু ২০১০ সালে ১৭ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন। এক শিক্ষিত উচ্চবিত্ত পরিবারে তাঁর জন্ম। বাবা নাম নিশিকান্ত বসু এবং মায়ের নাম হেমলতা বসু। এই কিংবদন্তির বাবা পেশায় ডাক্তার ছিলেন। ডাক্তার নিশিকান্ত বসু ও হেমলতা বসুর তৃতীয় সন্তান জ্যোতিষ বসু।  জন্মের পর তাঁর নাম রাখা হয় জ্যোতিকিরণ বসু। স্কুলে ভর্তির সময় তাঁর নাম থেকে 'কিরণ' শব্দটি ছেঁটে দেওয়া হয়। কিন্তু মেধা ও কৃতিত্বের কারণে কিরণ শব্দটি তাঁর জীবনেরই সমার্থক হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাঁর ডাকনাম 'গনা'। জ্যোতি বসু ১৯১৪ সালের ৮ জুলাই কলকাতার হ্যারিসন রোডের একটি বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।

তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু হয় ১৯২০ সালে। ছয় বছর বয়সে ধর্মতলার লোরেটো স্কুলে ভর্তি হন তিনি। চার বছরের লোরেটো স্কুলের শিক্ষাজীবন তিনি ৩ বছরে শেষ করেন। ১৯২৫ সালে দ্বিতীয় শ্রেণিতে সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলে ভর্তি হন তিনি। এই স্কুল থেকেই সিনিয়র কেমব্রিজ (নবম শ্রেণি) পাস করেন তিনি। এস.এস.সি পাশ করার পর তিনি ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যে সাম্মানিক (অনার্স) সহ প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হন। স্নাতক সম্পন্ন করার পর ১৯৩৫ সালে আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষার্থে তিনি যুক্তরাজ্যে গমন করেন। মিডল টেম্পলে ব্যারিস্টারি পাঠ ও যোগ্যতা অর্জনের পর ১৯৪০ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি তিনি ভারতে প্রত্যাবর্তন করেন তিনি।

লন্ডনে আইন পড়তে এসে রাজনীতিতে তার দীক্ষা হয়। ইউনিভার্সিটি কলেজ অব লন্ডনে আইন পড়তে পড়তেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন, আইন নয় রাজনীতিই হবে জীবনের ব্রত। ১৯৪৬ সালে মাত্র বত্রিশ বছর অবিভক্ত বাংলার শেষ প্রাদেশিক আইনসভায় নির্বাচিত হন জ্যোতি বসু। এই সময় থেকেই আইনসভায় বিরোধী নেতার ভূমিকা পালন করতে করতেন তিনি। স্বাধীনতার পূর্বে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, তেভাগা আন্দোলন ও বঙ্গবিভাগ নিয়ে আইনসভায় বিভিন্ন আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন তিনি।

৯৬০-এর দশকে জ্যোতি বসুর ওপর বেশ কয়েক বার হামলা হয়। ১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে মে দিবসের আগের দিন বরাননগরে এক শ্রমিক সমাবেশে যাওয়ার পথে কংগ্রেসের পতাকা হাতে একদল সন্ত্রাসী তার গাড়ীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দের ৩য় সাধারণ নির্বাচনের প্রচারের কাজে কাকদ্বীপ যাওয়ার পথে শতখানেক লোক তার পথ আগলে হামলা করে। ১৬ ফ্রেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি বরাননগর এলাকা থেকে ধীরেন্দ্রনাথ চ্যাটার্জিকে পরাজিত করে বিধানসভার সদস্য হলেন;এবং বঙ্গবিধানসভায় বিরোধীয় দলীয় নেতাও হলেন তিনি।

স্বাধীনোত্তর পশ্চিমবঙ্গে খাদ্য আন্দোলন, শিক্ষক আন্দোলন, বন্দী-মুক্তি, কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত আন্দোলনের পুরোভাগে থাকেন জ্যোতি বসু। এই সময় একাধিকবার বিভিন্ন কারণে কারারুদ্ধও হতে হয় বসু সহ তৎকালীন শীর্ষস্থানীয় বিরোধী নেতাদের। তার মৃত্যু উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গে ১৮ জানুয়ারি ২০১০ সোমবার সরকারি ছুটি পালিত হয়।

তাঁর মৃত্যুর পর বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানকে আহ্বায়ক করে বাংলাদেশে ২০১ সদস্যবিশিষ্ট "কমরেড জ্যোতি বসু স্মরণে নাগরিক পর্ষদ" গঠন করা হয়।

জ্যোতিষ বসু   কমিউনিস্ট  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন