ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২০, ১৯ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

স্মৃতিতে স্বাধীনতা

ফিচার ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৬ মার্চ ২০১৭ রবিবার, ০৮:৩৮ এএম
স্মৃতিতে স্বাধীনতা

আমাদের শ্রেষ্ঠ অর্জন স্বাধীনতা। এই অর্জন একদিনের নয়। দীর্ঘ নয় মাসের যুদ্ধের বিনিময়ে পেয়েছি এই স্বাধীনতা। তবে বিনিময়ে ঝরাতে হয়েছে লাখো প্রাণ। সেই সব সূর্য সন্তানদের স্মৃতিকে চির জাগ্রত রাখতে দেশের বিভিন্ন স্থানে তৈরি করা হয়েছে স্মৃতিসৌধ ও ভাস্কর্য।

জাতীয় স্মৃতিসৌধ
ঢাকা থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে সাভারের নবীনগরে নির্মিত হয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ। এর স্থপতি সৈয়দ মঈনুল হোসেন। জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা ১৫০ ফুট। ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রথম বিজয় দিবসে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৮২ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

অপরাজেয় বাংলা
এই ভাস্কর্যটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন চত্ত্বরে অবস্থিত। ভাস্কর্যটির স্থপতি সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।

সাবাশ বাংলাদেশ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মতিহার চত্বরে অবস্থিত `সাবাশ বাংলাদেশ`। শিল্পী নিতুন কুন্ডু বিনা পারিশ্রমিকে এই ভাস্কর্য নির্মাণ করেন। ১৯৯২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি শহীদ জননী জাহানারা ইমাম এটি উদ্বোধন করেন।

মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ, মেহেরপুর
১৯৮৭ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের মুজিবনগর নির্মাণ করা হয় এ স্মৃতিসৌধ। এই স্মৃতিসৌধটির নকশা করেন স্থপতি তানভীর করিম। এখানেই ১৯৭১ সালের অর্ন্তবর্তীকালীন সরকার শপথ গ্রহণ করেছিল। তখন এই জায়গাটির নাম ছিল বৈদ্যনাথতলা।

রায়েরবাজার বধ্যভূমি
ঢাকার মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজারে রয়েছে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ। এর স্থপতি ফরিদ উদ্দীন আহমেদ। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানিরা দেশের বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করে। এই নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড স্মরণীয় করে রাখার জন্য এখানে এই স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।

জাগ্রত চৌরঙ্গী
গাজীপুরে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য জাগ্রত চৌরঙ্গী। এটি ১৯৭১ সালে নির্মিত হয়। এর স্থপতি আব্দুর রাজ্জাক।

শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ
ময়মনসিংহের সম্ভুগঞ্জে অবস্থিত শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ। এটি ৫০ ফুট উঁচু। একটি রাইফেলের বেয়োনেটে ফুটন্ত শাপলা দিয়ে এটি তৈরি করা হয়েছে।

স্মৃতি অম্লান
রাজশাহী শহরে অবস্থিত মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধ স্মৃতি অম্লান। ১৯৯১ সালের ২৬ মার্চ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। স্মৃতি অম্লানের স্থপতি রাজিউদ্দিন আহমদ।


বাংলা ইনসাইডার/আরকে


বিষয়: মার্চ