ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৪ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Bagan Bangla Insider

`রাশিয়া মে রিকগনাইজ বাংলাদেশ`

ফিচার ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৬ মার্চ ২০১৭ রবিবার, ১০:০৪ এএম
`রাশিয়া মে রিকগনাইজ বাংলাদেশ`

পাকিস্তানের পূর্ব অংশে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার অনেক আগেই আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশ নামে একটি নতুন দেশ জন্ম নিতে যাচ্ছে - এমন ধারণা তৈরি হয়েছিল।

আমেরিকার সাপ্তাহিক টাইম ম্যাগাজিন ১৯৭১ সালের ১৫ মার্চ ‘পাকিস্তান, জিন্নাহ’স ফেইডিং ড্রিম’ শিরোনামে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে।

এতে টাইমস’র করেসপন্ডেন্ট ড্যান কগিং মার্চের প্রথম সপ্তাহের গোলযোগপূর্ণ সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেয়া একটি সাক্ষাৎকার অন্তর্ভুক্ত করেন।

এই রিপোর্টে বলা হয়, “...গম উৎপাদক পশ্চিম পাকিস্তানে লম্বা উজ্জ্বল চামড়ার লোক এবং চাল উৎপাদক পূর্ব পাকিস্তানের খাটো-কালো চামড়ার লোকদের মধ্যে বিভাজন আশঙ্কাজনক পরিণতির দিকে এগোচ্ছে...।”

‘বঙ্গবন্ধুকে অপ্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক নেতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে ম্যাগাজিনটিতে বঙ্গবন্ধুর উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের অটল অবস্থান নিঃশেষ হয়ে গেছে..., সমাধানের কোন আশাই আর দেখা যাচ্ছে না।’

রিপোর্টে পশ্চিম পাকিস্তানী সামরিক জান্তাদের উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধুর উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘আই উইল ব্রেক দেম অ্যান্ড ব্রিং দেম টু দেয়ার নীজ’ এ ধরনের বিবৃতি সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণার দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

এমনকি নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর পাকিস্তানী শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর বর্বর হামলার মধ্যে দিয়ে শুরু হওয়া নয় মাসব্যাপী যুদ্ধের প্রথম দিকেই সুপার পাওয়ার সোভিয়েত ইউনিয়নের মতো বিশ্বশক্তি স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশের পক্ষে সমর্থন ও সহযোগিতা দেয়।

ব্রিটিশ নিউজ পেপার অবজারভারে ১৯৭১ সালের ২৮ মার্চ প্রকাশিত এক রিপোর্টের শিরোনাম ছিল ‘রাশিয়া মে রিকগনাইজ বাংলাদেশ।’

ঢাকায় আমেরিকান কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল আর্থার কে ব্লাডের যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে দেয়া গোপন রিপোর্ট ১৯৭১ সালের এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে ফাঁস হয়। এতে বলা হয়, পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতা অনিবার্য। ঐক্যবদ্ধ পাকিস্তানের ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে অর্থনৈতিক স্বায়ত্বশাসনের জন্য এই আন্দোলনের সূচনা ঘটে।


বাংলা ইনসাইডার/আরএস


বিষয়: মার্চ