ঢাকা, রোববার, ২০ অক্টোবর ২০১৯, ৪ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস: এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ

শাহরিনা হক
প্রকাশিত: ১১ জুলাই ২০১৯ বৃহস্পতিবার, ০৮:০৬ এএম
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস: এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ

জনসংখ্যা একটি দেশের জন্য সম্পদ। দেশকে সবার সামনে দাঁড় করিয়ে তোলার জন্য একটি শক্তিশালী জনসংখা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। এই জনসংখ্যাকে আরও বেশি শক্তিশালী করে তুলতে এবং বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধানের পথ বাতলাতে সারাবিশ্বে পালিত হয় জনসংখ্যা দিবস।

আজ বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। ১৯৯০ সালের ১১ জুলাই প্রথমবার ৯০টি দেশে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তারই ধারবাহিকতায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ বছর বাংলাদেশ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালন করেছে।

এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে- ‘জনসংখ্যা ও উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ২৫ বছর: প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়ন।’

আগামী ১২-১৪ নভেম্বর কেনিয়ার নাইরোবিতে অনুষ্ঠিত হবে ‘নাইরোবি সামিট’। এই সামিটের সামগ্রিক প্রতিপাদ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবারের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় নির্ধারিত হয়েছে।

এরই মধ্যে গতকাল দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজন হয় এক সংবাদ সম্মেলনও হয়েছে। সেখানে উঠে এসেছে দেশের জনসংখ্যা বিষয়ক বিভিন্ন বিষয়াদি। স্বল্পোন্নত দেশগুলোয় ৯৪ সালে যেখানে মাত্র ১৫ শতাংশ নারী আধুনিক পরিবার পরিকল্পনা ব্যবহার করতো, বর্তমানে তা বেড়ে ৩৭ শতাংশ হয়েছে। বাংলাদেশে এ হার বর্তমানে ৬১ দশমিক ৬ শতাংশ। বাংলাদেশে গর্ভকালীন বা প্রসবকালে মাতৃমৃত্যু হার বর্তমানে ১ দশমিক ৬৯ শতাংশ। ২০০৪ সালে এ হার ছিল ৩ দশমিক ২০ শতাংশ। ২৫ বছর আগে স্বল্প আয়ের দেশে একজন নারী কমপক্ষে ৬টি সন্তান জন্ম দিতো। বর্তমানে তা চারের নিচে নেমে এসেছে। বাংলাদেশে এ হার বর্তমানে ২ দশমিক ৫ শতাংশ।

এই সব অর্জন সত্ত্বেও কায়রোর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এগিয়ে যেতে হবে এবং সেইসঙ্গে গতিশীলতা বাড়াতে হবে। তা করতে তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সেগুলো হলো- পরিবার পরিকল্পনার তথ্য ও সেবার অপূর্ণ চাহিদার হার শূন্যের কোটায় নিয়ে আসা; কোনও নারী সন্তান জন্মদানকালে মারা যাবে না, অর্থাৎ প্রতিরোধযোগ্য মাতৃমৃত্যুর হার শূন্যে নামিয়ে আনা; মেয়ে ও নারীর প্রতি সহিংসতা ও যৌন হয়ারানির প্রবণতা বন্ধ হওয়া।