ঢাকা, সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ২ পৌষ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

শিশুরা থাক নিরাপদে, হয়ে উঠুক আগামীর কর্ণধার

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ নভেম্বর ২০১৯ বুধবার, ১১:৩৭ এএম
শিশুরা থাক নিরাপদে, হয়ে উঠুক আগামীর কর্ণধার

`শিশুরাই দেশ ও জাতির ভবিষ্যতের কর্ণধার`, `শিশুদের হাতেই আগামীর পৃথিবীর ভার` এই কথাগুলো আমরাই শুনে আসছি সেই ছেলেবেলা থেকে। কথাগুলো চিরন্তন সত্যি। শিশুদের অধিকার নিশ্চিত করা, তাদের জন্য বাসযোগ্য একটি পৃথিবী গড়ে তোলার জন্য একটি দিবস উদযাপন করা যেতেই পারে অন্যান্য সব দিবসগুলোর মতো। দেশে জাতীয় শিশুদিবস পালিত হয় ১৭ মার্চ, বিশ্বে শিশুদিবস পালিত হয় অক্টোবরের দ্বিতীয় সোমবার। আর জাতিসংঘ সার্বজনীন শিশু দিবস পালনের ঘোষণা দেয় ২০ নভেম্বর, সেই ১৯৫৪ সাল থেকে।

কারণ শিশুদেরকে আদর্শ মানুষ হিসেবে, শিক্ষিত নাগরিক হিসেবে এবং জাতির কর্ণধার হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিটি বাবা-মা প্রতিটি দিনই চেষ্টা করে থাকেন। বাবা-মা ও অভিভাবকের পাশাপাশি বিভিন্ন সংগঠনও শিশুদেরকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। তাদের এ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই প্রতি বছরের একটি দিনকে বিশ্ব শিশু দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে ।

বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকই শিশু। এই শিশুরাই বিশ্বের ভবিষ্যতের প্রতিনিধিত্ব করে। শিশুদের সংরক্ষণ, কল্যাণ ও শিক্ষার উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার জন্যে পৃথিবীর অধিকাংশ দেশ ও আন্তর্জাতিক সংগঠন ধারাবাহিক ব্যবস্থা নিয়েছে। কিন্তু তারপরও ফুলের মতো শিশুরা স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠতে পারছে না।

পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, গত কয়েক বছরের যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের সংখ্যা- ক্ষতিগ্রস্ত সৈনিকদের চেয়েও বেশি। কেবল যুদ্ধই যে শিশুদের ভালভাবে বেড়ে উঠার পথে বাধার সৃষ্টি করছে তাই নয়, দারিদ্র্য, পুষ্টিহীনতা ও প্রাণঘাতী রোগ শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত করছে।

বিশ্বব্যাপী শিশুদের সম্মান করতে, শিশু দিবস পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন সময় পালিত হয়ে থাকে। শিশু দিবসটি প্রথমবার তুরস্কে পালিত হয়েছিল সাল ১৯২০ সালের ২৩ এপ্রিলে। বিশ্ব শিশু দিবস নভেম্বর ২০শে উদযাপন করা হয়, এবং আন্তর্জাতিক শিশু দিবস ১ জুন। তবে বিভিন্ন দেশের নির্দিষ্ট দিন আছে; যেদিনে তারা শিশু দিবসটিকে উদযাপন করার।

এই বিশ্ব শিশুর জন্য বাসযোগ্য হোক। তাদের ভবিষ্যত নিরাপদ এবং সুন্দর হোক। তারা আমাদের বোঝা নয়, তারা আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ হয়ে গড়ে উঠুক। বিশ্ব শিশু দিবসে এই হোক আমাদের প্রার্থনা।

 

বাংলা ইনসাইডার/এসএইচ