ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৩ আশ্বিন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

দুধ উৎপাদনে ভারতের বিশ্বসেরা হওয়ার ইতিকথা এবং বাংলাদেশ

অর্চি হক
প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ রবিবার, ০২:০২ পিএম
দুধ উৎপাদনে ভারতের বিশ্বসেরা হওয়ার ইতিকথা এবং বাংলাদেশ ড. ভার্গিস কুরিয়েন

সালটা ১৯৪৯। ভারতের গুজরাটের কয়রা জেলার আনন্দ এলাকায় কৃষক নেতা ত্রিভুবন দাশ প্যাটেলের সঙ্গে ছয় মাসের চুক্তিতে দুধের সমবায়ে কাজ শুরু করেন ২৮ বছরের এক যুবক। যার নাম ভার্গিস কুরিয়েন। চুক্তির মেয়াদ শেষ হতেই তার ব্যাগ গুছিয়ে ভারতের বাণিজ্য নগরী মুম্বইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার কথা। তখন ত্রিভুবন দাস তাকে অনুরোধ করেন আরও কয়েকটা দিন সেখানে থেকে যেতে, যাতে সমবায়টা আরও একটু মজবুত হয়। ঝা চকচকে মুম্বই নগরীর হাতছানি থাকা স্বত্ত্বেও কৃষক নেতার অনুরোধ ফেরাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন যুবক ভার্গিস কুরিয়েন। আর তার পরের ঘটনা ইতিহাস হয়ে আছে। দুধ উৎপাদনে ভারতকে বিশ্বের শীর্ষস্থানে পৌঁছে দিয়েছেন এই ভার্গিস কুরিয়েন। তবে এই সাফল্যটা খুব সহজে এসে ধরা দেয় নি। এজন্য তাকে পাড়ি দিতে হয়েছিল একটা দীর্ঘ পথ।

১৯২২ সালের ২ নভেম্বর কেরালার ক্যালিকট (বর্তমানে কোজিকোড) এর একটি সিরিয়ান খ্রিস্টান পরিবারে জন্মেছিলেন ভারতের দুধ বিপ্লবের জনক কুরিয়েন। তার বাবা পুতেনপাড়কল কুরিয়েন ছিলেন ব্রিটিশ কোচিনের সিভিল সার্জন এবং মা একজন উচ্চ শিক্ষিত নারী ছিলেন। ভার্গিস কুরিয়েন মাদ্রাজের লয়োলা কলেজ থেকে  পদার্থবিদ্যায় বি.এসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি সরকারী বৃত্তি নিয়ে আমেরিকা গিয়েছিলেন যেখানে তিনি মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং (ডিস্টিনেশন) -এ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পড়াশোনা শেষ করে তিনি ভারতে ফিরে আসেন এবং ১৯৪৯ সালের ১৩ মে গুজরাটের কয়রা জেলার আনন্দ অঞ্চলে চলে যান। আনন্দ পৌঁছে তিনি দেখতে পেলেন যে "পেস্টনজি এডুলজি" নামে পরিচিত চতুর এক ব্যবসায়ী দুধ উৎপাদনকারী কৃষকদের শোষণ করছে। সে সময় কৃষকদের নেতা ছিলেন ত্রিভুবনদাস প্যাটেল। তিনি কায়রা জেলা সমবায় দুধ উত্পাদক ইউনিয়ন লিমিটেড (কেডিসিএমপিএল) নামে দুধ সমবায় আন্দোলন শুরু করেছিলেন। এই সমবায়েই যোগ দেন যুবক ভার্গিস কুরিয়েন। আর এই সমবায়ই পরবর্তীতে "আমুল" নাম ধারণ করে, যে নামটার সঙ্গে আমরা সকলেই পরিচিত। এই আমুলের মাধ্যমেই ড. কুরিয়েন ভারতকে দুধের ঘাটতি দেশ থেকে বিশ্বের বৃহত্তম দুধের উত্পাদকে পরিণত করেন।  তাঁর অনুপ্রেরণামূলক নেতৃত্বে অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান জিসিএমএমএফ (গুজরাট সমবায় মিল্ক বিপণন ফেডারেশন লিমিটেড) এবং এনডিডিবি (জাতীয় দুগ্ধ উন্নয়ন বোর্ড ) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যা সারা দেশে দুগ্ধ সমবায় আন্দোলন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

আমুলের সূচনা

ভারতের গুজরাটে পলসন ডেইরি গ্রাহকদের কাছে মানসম্পন্ন দুগ্ধজাত পণ্য সরবরাহ করতো। তাদের পণ্যের মান ভালো হলেও কৃষকদের তারা শোষণ করছিল। ভারতের নেতা সরদার প্যাটেল এই অঞ্চলের কৃষকদের সাথে নিয়ে অসহযোগ আন্দোলন শুরু করেন। দুধ উত্পাদক ইউনিয়ন লিমিটেড (কেডিসিএমপিএল) নামে দুধ সমবায় আন্দোলন গড়ে তোলেন তিনি। ১৯৪৯ সালে এই আন্দোলনের অংশ হয়ে যান ভার্গিস কুরিয়েন। তারা কৃষকদের কাছ থেকে দুধ সংগ্রহ করতেন এবং কৃষকদের দুধের গুণমান অনুযায়ী তাদের যথাযথ মূল্য প্রদান করতেন। কুরিয়েন কেডিসিএমপুল- কে একটি অনন্য নাম দিতে চেয়েছিলেন যা সহজেই উচ্চারণ করা যায় এবং ইউনিয়নের বৃদ্ধিতেও সহায়তা করতে পারে। বিভিন্ন কর্মচারী ও কৃষকদের কাছ থেকে উপযুক্ত নামের জন্য পরামর্শ চাওয়া হয়েছিল। এক মান নিয়ন্ত্রণের তত্ত্বাবধায়ক "আমুল" নামটি সুপারিশ করেছিলেন যা সংস্কৃত শব্দ থেকে উদ্ভূত যার অর্থ অমূল্য। নামটি মনে ধরে যায় কুরিয়েনের। এভাবেই শুরু হয় আমুলের।

সমবায় মডেল পরিচালনা

আমুল অনেকগুলো সমবায় সমিতি গঠন করেছিল। এই সমবায় সমিতিগুলো দিনে দু`বার গ্রামের কৃষকদের কাছ থেকে দুধ সংগ্রহ করত। দুধে ননির পরিমাণ অনুসারে কৃষকদের অর্থ প্রদান করা হতো। সামগ্রিক প্রক্রিয়া বৃদ্ধির জন্য স্ট্যান্ডার্ড ফ্যাট মাপার যন্ত্র, পরীক্ষা, কৃষকদের শিক্ষিত করা ইত্যাদি কার্যক্রমও নেওয়া হয়েছিল। একই দিনে দুধের ক্যান নিকটস্থ দুধ চিলার ইউনিটে পাঠানো হতো। ক্যানগুলো সেখানে কয়েক ঘন্টার জন্য স্টোরেজে রাখা হতো। তারপরে সেগুলো পাস্তুরাইজেশনের জন্য এবং শেষ পর্যন্ত কুলিং এবং প্যাকেজিং ইউনিটে স্থানান্তর করা হতো। এর পরে দুগ্ধ পাইকারি সরবরাহকারী এবং তারপরে খুচরা বিক্রেতাদের এবং শেষ পর্যন্ত দু` স্তরের বিতরণ বিপণন চ্যানেল অনুসরণ করে গ্রাহকের কাছে সরবরাহ করা হতো। এই সাপ্লাই চেইনটি পুরোপুরি ড. কুরিয়েন এবং ত্রিভুবনদাস প্যাটেল ডিজাইন করেছিলেন। এই ডিজাইনের ফলশ্রুতিতেই তাদের সমবায় ব্যবস্থার উন্নতি অব্যাহত ছিল এবং ১৯৬০ এর শেষের দিকে আমুল গুজরাটে সাফল্যের এক অনন্য গল্পে পরিণত হয়।

অপারেশন ফ্লাড: ভারতে শ্বেত বিপ্লব

১৯৬৪ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রীকে আমুলের নতুন গবাদিপশু খাওয়ার উদ্বোধনের জন্য আনন্দে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। দিনের শেষে তার ফিরে আসার কথা ছিল। কিন্তু আনন্দ পৌঁছে তিনি সমবায়ের সাফল্য সম্পর্কে জানতে সেদিন সেখানে থেকে যান। তিনি ড. কুরিয়ানের সাথে সমবায় পরিদর্শন করেছিলেন এবং আমুল কৃষকদের কাছ থেকে যে দুধের স্যুটিং করছিল এবং একই সাথে তাদের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতিতে সহায়তা করেছিল, সেই প্রক্রিয়া দেখে তিনি মুগ্ধ হন। পরে তিনি দিল্লিতে ফিরে আসেন এবং ড. কুরিয়েনকে সারা দেশে আমুল প্যাটার্নটির অনুরূপ তৈরি করতে বলেন। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ ১৯৬৫ সালে ভারতে জাতীয় দুগ্ধ উন্নয়ন বোর্ড (এনডিডিবি) তৈরি হয়েছিল। ড. কুরিয়েন এনডিডিবি-এর দায়িত্ব নেন এবং আনন্দের কাজের সামগ্রিক প্যাটার্নটি দেশের অন্যান্য অঞ্চলে পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু করেন। এই সময়ের মধ্যে দুধের সরবরাহ দ্রুত হারে বাড়ছিল। ভারত সহজেই শ্রীলঙ্কার মতো দুধের সবচেয়ে বড় আমদানিকারী দেশ হয়ে উঠতে পারত, যদি ভারত সরকার এবং এনডিডিবি কর্তৃক সেই সময় পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নেওয়া না হত। সে সময় এনডিডিবি অর্থ সংস্থান নিয়ে সমস্যায় পড়েছিল। এটি মোকাবেলায় এনডিডিবি বিনা শর্তে অনুদানের জন্য বিশ্বব্যাংককে অনুরোধ করে। বিশ্ব ব্যাংক অর্থ সহায়তা নিয়ে তারা আমুলের আদলে সারা ভারতে ‘অপারেশন ফ্লাড’ শুরু করে। ড. কুরিয়েন এখানেও সফল হন। অপারেশন ফ্লাডের আওতায় ভারতে প্রায় ০.১ মিলিয়ন সমবায় এবং ৫ মিলিয়ন দুধ উত্পাদক যুক্ত হয়। তারা তরল দুধ উৎপাদনের পাশাপাশি গুঁড়ো উৎপাদন, বিভিন্ন ধরণের দুগ্ধজাতীয় পণ্য, গবাদি পশুদের স্বাস্থ্যের উপর জোর দেওয়া এবং ভ্যাকসিনের বিকাশ ইত্যাদি কাজকেও এগিয়ে নেন। ১৯৭৩ সালে ড. কুরিয়েন জিসিএমএমএফ (গুজরাট সমবায় দুধ বিপণন ফেডারেশন) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ভারতের পাশাপাশি বিদেশেও আমুলকে ব্র্যান্ড হিসাবে পরিচিত করতে আমুলের একটি পৃথক বিপণন ইউনিট গড়ে তোলা হয়েছিল। এই সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ, আমুল বর্তমানে ১৫ মিলিয়ন দুধ উত্পাদকের একটা সমিতি, যার ফলে আজ ভারত বিশ্বের বৃহত্তম দুধ উত্পাদনকারী দেশ হয়ে উঠেছে।

https://www.banglainsider.com/media/PhotoGallery/2018October/520200913081308.PNG

                                                              গ্রাফ- ভারতে দুধের উৎপাদন

আনন্দ প্যাটার্ন


সমবায় প্রচেষ্টার মাধ্যমে কৃষকের বেশি লাভ ও উত্পাদনশীলতা আনন্দ প্যাটার্নের বৈশিষ্ট্য। আনন্দ প্যাটার্নটি সফল হয়েছে কারণ এতে সমবায়র মাধ্যমে লোকেরা তাদের নিজস্ব বিকাশে জড়িত যেখানে পেশাদাররা নির্মাতাদের দ্বারা নির্বাচিত নেতাদের কাছে দায়বদ্ধ, প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামো - গ্রাম সমবায়, দুগ্ধ এবং গবাদি পশু, রাজ্য এবং জাতীয় বিপণন - কৃষকদের মালিকানাধীন এবং নিয়ন্ত্রিত। আনন্দ প্যাটার্ন সমবায়র ক্রমান্বয়ে সরাসরি ভোক্তাদের সাথে সংযুক্ত হয়।

ভারতের দুগ্ধ পরিকল্পনা

এনডিপি-১

জাতীয় দুগ্ধ পরিকল্পনা - প্রথম পর্ব (এনডিপি-১) ২০১১-১২ থেকে ২০১৮-১৯ সালের জন্য ভারতের একটি কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ) ঋণ হিসাবে ১৫৮৪৮ কোটি, সরকার ১৬৬ কোটি টাকা, মোট ২২২২ কোটি টাকা বিনিয়োগের মাধ্যমে এনডিপি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ইন্টারন্যশনাল ডেভলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক পর্ষদ ১৫ মার্চ, ২০১৩ এবং পশুপালন, গবাদিপশু ও মৎস্য বিভাগ, (ডিএডিএফ) সরকারকে ৩৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে।

প্রকল্পের অঞ্চল

এনডিপি ১৮ টি বড় দুধ উত্পাদনকারী রাজ্য, যথা: অন্ধ্র প্রদেশ, বিহার, গুজরাট, হরিয়ানা, কর্ণাটক, কেরল, মধ্য প্রদেশ, মহারাষ্ট্র, ওড়িশা, পাঞ্জাব, রাজস্থান, তামিলনাড়ু, উত্তর প্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, তেলেঙ্গানা, উত্তরাখণ্ড, ঝাড়খণ্ড এবং ছত্তিশগড়, নিয়ে করা হয়েছে। ভারতে দুধ উৎপাদনের ৯০% বেশি এসব জায়গা থেকেই আসে।

এবার আমরা আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটের দিকে যদি একটু তাকাই, তাহলে দেখতে পাবো যে, বাংলাদেশে গবাদি পশুর মধ্যে রয়েছে- গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া। এই চার ধরনের পশু গুনমান সমৃদ্ধ দুধ দিলেও ছাগল, ভেড়ার দুধ আমাদের বাজারজাত হয় না। মাংসের ক্ষেত্রেও দেখা যায় যে, শুধু গরুর মাংসটাই প্রাধান্য পায়। দেশের অর্থনীতিতেও আমাদের গবাদি পশুর ভূমিকা রয়েছে।

https://www.banglainsider.com/media/PhotoGallery/2018October/220200913081601.PNG

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গবাদি পশুর ভূমিকা

বাংলাদেশে বর্তমান জনসংখ্যা হিসেবে মাথাপিছু দুধের চাহিদা আমরা যদি দিনে ২৫০ মিলিলিটার করে ধরি, তাহলে আমাদের বছরে ১৫২ লক্ষ মেট্রিক টন দুধের প্রয়োজন হয়। আমাদের অভ্যন্তরীন উৎপাদন হলো ১০৬ লক্ষ মেট্রিক টন। তার মানে এখনও আমাদের বড় একটা অংশ ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। আর আমরা যদি গুড়ো দুধের কথা বিবেচনা করি, তাহলে দেখবো যে, দেশের চাহিদার প্রায় পুরোটাই আনা হচ্ছে বিদেশ থেকে। আর শিশুদের যে দুধটা খাওয়ানো হচ্ছে, সেটা বিদেশ থেকেই আসছে। দুগ্ধজাত বিভিন্ন পণ্যের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। অর্থাৎ এসব পণ্যের জন্য আমাদের বিদেশের দিকেই তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে। 

https://www.banglainsider.com/media/PhotoGallery/2018October/sabb20200913082937.jpgআমরা যদি একটু উদ্যোগী হই, তাহলে এসব পণ্য বিদেশ থেকে না এনে, অভ্যন্তরীন উৎস থেকেই এর চাহিদা মেটানো সম্ভব। তবে এক্ষেত্রে কিছু সমস্যা রয়েছে। যেমন- দেশে অনেক মানুষই দেশের পণ্যের প্রতি আস্থা রাখতে পারেন না, চাহিদার তুলনায় আমাদের উৎপাদন কম, বিপণন কার্যক্রম নেই বললেই চলে। অর্থাৎ এক্ষেত্রে আমরা মূল কাজ হলো-

প্রথমত; দুধের উৎপাদন বাড়ানো

দ্বিতীয়ত; উৎপাদিত পণ্যের বহুমুখীকরণ

তৃতীয়ত; মান ধরে রাখা এবং আস্থা অর্জন (বিএসটিআইসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার অনুমোদন এক্ষেত্রে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিষয়।)

চতুর্থত; প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের ব্যবস্থা করা


আশার কথা হলো, বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই খাতের উন্নয়নে কাজ শুরু করেছে। বাংলাদেশ মৎস্য ও প্রানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রানিসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়নে দি লাইভস্টক এন্ড ডেইরি ডেভলপমেন্ট প্রজেক্ট-(এলডিডিপি) এর কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এই খাতে বড় বিনিয়োগ পরিকল্পনাও করা হয়েছে। নিষ্ঠার সাথে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থেকে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারলেই আগামী দিনে বাংলাদেশই হয়তো হয়ে উঠবে ডেইরি শিল্পে রোল মডেল রাষ্ট্র।