ঢাকা, সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ , ৯ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

এইডস প্রতিষেধক আবিষ্কারে নতুন সম্ভাবনা!

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯ জুলাই ২০১৮ সোমবার, ০৫:৪০ পিএম
এইডস প্রতিষেধক আবিষ্কারে নতুন সম্ভাবনা!

এতদিন এইচআইভি ভাইরাসের প্রতিষেধক আবিস্কার সম্ভাবনা ছিল অনেকটাই অন্ধকারে। তবে অতি সম্প্রতি এইচআইভির কার্যকর প্রতিষেধক ওষুধ তৈরির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এটি এমন একটি চিকিৎসাপদ্ধতি যা এইচআইভি ভাইরাস সংক্রমণের বিরুদ্ধে যুগান্তকারী আশা করা হচ্ছে।

এর মাধ্যমে মানবদেহে এইচআইভি ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সম্ভব বলে মনে করছেন গবেষকরা। তারা ৩৯৩ জনের ওপর এই পরীক্ষা চালান, যাদের বয়স ছিল ১৮ থেকে ৫০ বছর। ল্যানসেট এর একটি গবেষণায় দেখা গেছে, এই চিকিৎসা দেহে এইচআইভি প্রতিরোধকারী ব্যবস্থা করবে। এই ভাইরাসের মতোই আরেকটি ভাইরাস আক্রান্ত বানরের ওপর এই চিকিৎসা করা হলে তারা সুফল পেয়েছেন। তবে মানুষের আরোগ্য লাভের জন্য আরও সময় লাগবে।

`প্রেপ` বা `প্রি এক্সপোজার প্রোফাইল্যাক্সিস` নামের এই ওষুধটি এইচআইভি সংক্রমণ রোধে কার্যকর হবে। একদম নিয়মিত সেবন করতে হয় এটি। অর্থাৎ আক্রান্ত হওয়ার আগেই নিয়মিত এই ওষুধ গ্রহণ করলে এইচআইভি সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকে না।

এইচআইভি ভাইরাস দেহে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় মানিয়ে যায় বলে প্রতিষেধক খুব একটা কাজে দিতো না। এর আগেও এইচআইভি ভাইরাসের বিভিন্ন প্রজাতির প্রতিষেধক তৈরির চেষ্টা হলেও এই `মোজাইক` প্রতিষেধক এইচআইভি`র বিভিন্ন সংক্রমণ রোধে কার্যকর হবে।

যাদের ওপর গবেষণা চালানো হয়, তাদের ৪৮ সপ্তাহের মধ্যে ৪টি প্রতিষেধক দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট সময় শেষে প্রত্যেকের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাতেই এইচআইভি প্রতিরোধক তৈরি হয় এবং প্রতিষেধক নিরাপদ হিসেবে প্রমাণিত হয়।

এই গবেষণার শীর্ষ গবেষক ও হার্ভার্ড মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড্যান বারোখ বলেন এই গবেষণার ফল সতর্কতার সঙ্গে ব্যাখ্যার প্রয়োজন। তিনি জানান, প্রতিষেধকের মাধ্যমে সবার দেহে এইচআইভি প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হলেও এই ভাইরাসের আক্রমণ ও সংক্রমণ রোধে এই প্রতিষেধক যথেষ্ট কিনা তা এখনো নিশ্চিত নয়।


সূত্র: বিবিসি

বাংলা ইনসাইডার/এসএইচ/জেডএ