ঢাকা, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ৫ কার্তিক ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

সর্দি জ্বর হলেই আতংকিত হবেন না

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ রবিবার, ১০:০০ এএম
সর্দি জ্বর হলেই আতংকিত হবেন না

একটু গা গরম হলেই যেন ভয় বা দুশ্চিন্তা কাজ করে। সেইসাথে সর্দি, কাশি কিংবা গলাব্যথা থাকলে তো কোন কথাই নেই। করোনা আতঙ্কে মানুষ যেন ভুলেই গেছে সাধারন ইনফ্লুয়েঞ্জার কথা। ষড়ঋতুর এই দেশে মৌসুমি বায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সর্দি, জ্বর অনেকটা নিয়ম করেই আসে। মাস খানেকের বেশি সময় ধরে বিরতি দিয়ে বৃষ্টি আর ভ্যাপসা গরম চলছে। আর এতে করে শরীরও যেন বিমাতাসুলভ আচরণ করছে। সর্দি, কাশি কিংবা জ্বরে ভুগছে বেশিরভাগ মানুষ। আর করোনার এই সময়ে এই সমস্ত উপসর্গ নিয়ে অস্বস্তি আর বিড়ম্বনারও শেষ নেই। কিন্তু জ্বর, সর্দি হলেই আতংকিত হওয়ার কিছু নেই।

ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের সংক্রমণ হলে হালকা থেকে মাঝারি জ্বরের সঙ্গে গা ম্যাজ ম্যাজ, একটু সর্দি ভাব, কখনো নাক দিয়ে পানি পড়া বা নাক বন্ধের মতো উপসর্গ থাকে। কাশিও হতে পারে। তবে তা এমন যাতে মনে হয়, কফ তোলার জন্য কাশছে, কিন্তু কফ উঠছে না। এ অবস্থায় খুব একটা চিন্তার কিছু নেই, বলে জানান একজন চিকিৎসক। তিনি বলেন, এই সময়ে আমরা সাধারণত ঘরে বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়ে থাকি। সেইসাথে গরম পানির ভাপ, হালকা খাবার ও পর্যাপ্ত তরল খাবার গ্রহণের কথা বলি। আর জ্বর বাড়লে প্যারাসিটামল ও মাল্টি ভিটামিনও খেতে পারে।

তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই মাস্ক পরে বাড়ির অন্যদের থেকে দূরে থাকতে হবে বলে জানান তিনি। কারণ ইনফ্লুয়েঞ্জার কারণে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ফলে পরিবারের অন্য কারও সূত্রে করোনা ঘরে এলে সবার প্রথমে তা রোগীর শরীরে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। তার মতে, ইনফ্লুয়েঞ্জার জ্বর ও কষ্ট মোটামুটি দুই-তিন দিন থাকে। তার পর কমে যায় বা কমতে শুরু করে। কিন্তু যদি তা না হয়, চার-পাঁচ দিন পরও জ্বর থাকে ও জ্বর বাড়তে শুরু করে, রোগী দুর্বল হয়ে পড়েন কিংবা ডায়রিয়া, সর্দি কমে গিয়ে শ্বাসকষ্ট বা কাশির মাত্রা বাড়তে থাকে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে কোভিডের পরীক্ষা করা উচিত।