ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২১, ৬ মাঘ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

করোনায় হৃদরোগ: যা জানা প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি ২০২১ বৃহস্পতিবার, ০৩:৩৮ পিএম
করোনায় হৃদরোগ: যা জানা প্রয়োজন

যেকেোনো বয়সের মানুষ কোভডি-১৯ এ আক্রান্ত হতে পারে। তবুও যাদের হৃদরোগ,   শ্বাসকষ্ট, কিডনি রোগ, ডায়াবেটিস ইত্যাদির মতো র্দীঘময়োদি রোগ আছে তাদের মধ্যে রোগটি একটু বেশি ভীতির সঞ্চার করছে। যারা এই রোগে মারা গেছেন, তাঁদের অনেকেইে আক্রান্ত ছিলেন হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, সিওপিডি, ডায়বেটিস ইত্যাদির মতো ক্রনিক রোগে।    

বাংলাদেশে কোভডি-১৯ রোগে প্রথম মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তি ছিলেন হৃদরোগী, যার হার্টের করোনারি ধমনিতে রিং পরানো ছিল।  

গবষেণায় দখো গেছে, করোনাভাইরাসের কারণে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে হৃদপিণ্ডে নানা জটিলতা দেখা দেয়। যাদের আগে হৃদরোগ ছিল না তাদের নতুন করে হৃদরোগ হতে পারে। আবার যাদের আগে থেকে হৃদরোগ ছিল তাদের দেখা দিতে পারে নতুন  জটিলতা। করোনাভাইরাস হৃদপিণ্ডের সাথে সর্ম্পকতি ধমনি ও শিরায় রক্ত জমাট বেঁধে মারাত্মক ধরণের জটলিতা তৈরি করে যা থেকে মৃত্যু র্পযন্ত হতে পারে। তবে সঠিকভাবে চিকিৎসা নিলে এবং সময় মতো হাসপাতালে র্ভতি হলে মৃত্যুঝুঁকি হ্রাস পায়।     

করোনাভাইরাস সংক্রমণে র্হাট অ্যাটাক   

প্রথমে ধারণা করা হতো, করোনাভাইরাস মূলত ফুসফুসে বেশি ক্ষতি করে, কিন্তু   নতুন গবষেণায় দেখা গেছে, এই ভাইরাস হার্টে মাংসপেশিতে ক্ষতি করতে পার। যে সকল কোভডি-১৯ রোগী ভন্টেলিটের সার্পোটে থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করছেন, তাদের প্রতি পাঁচজনে একজনের র্হাট অ্যাটাক হয়েছিল এবং ফুসফুসে শ্বাসকষ্ট ছাড়াই তাদরে মৃত্যু হয়েছিল।    

র্হাট করোনারি ধমনরি মাধ্যমে পুষ্টি পায়। এই করোনারি ধমনি যদি র্চবি দিয়ে আংশকি ব্লক থাকে, করোনার প্রভাবে তা শতকরা একশভাগ ব্লক হয়ে র্হাট অ্যাটাক হতে পারে।   

এমনকি কার্ডিয়াক অ্যারস্টে হয়ে মৃত্যু র্পযন্ত হতে পারে। এসব রোগীর শ্বাসকষ্টের সঙ্গে বুকে ব্যথাও হতে পারে তবে রোগী যদি র্দীঘময়োদি অনয়িন্ত্রতি ডায়াবেটিসের   রোগী হয়ে থাকেন, সে ক্ষেত্রে বুকে ব্যথা নাও থাকতে পারে।

করোনার প্রভাবে অনয়িমতি হৃৎস্পন্দন

র্হাট ফেইলিউর দুই ধরনরে হতে পারে একটি হলো ক্রনকি র্হাট ফেইলিউর, যা আগে থেকেই রোগীর ছিল। এ ধরনরে রোগীর র্হাটরে র্কাযক্ষমতা স্বাভাবকিরে চয়েওে কম থাকে। অনকে রোগী বলে থাকনে, র্হাট র্দুবল। এটি র্হাট আকারে ইকোর্কাডওিগ্রাফ, বুকের ইসিজি ও এক্সে করতে জানা যাতে পারে। এ ধরনের রোগীদের র্হাট বড়  আকারে বড় হয়ে সংকোচন-প্রসারণ ক্ষমতা কমে যায়। আর অ্যাকউিট র্হাট ফেইলিউর হঠাৎ করইে হতে পারে। র্হাটকে সংকোচন-প্রসারণ-ক্ষমতা লোপ পেয়ে রোগীর শ্বাসকষ্ট হতে পারে।   

উচ্চ রক্তচাপ ও করোনাভাইরাস

যারা উচ্চ রক্তচাপ রোগে ভুগছেন, তাঁদরে ঝুঁকি আছে করোনাভাইরাস। চীনের একটি গবষেণায় দখো গেছে, কোভিড-১৯ রোগে মৃত্যুবরণকারী অনকেইে উচ্চ রক্তচাপে ভুগছলিনে। তাই যাদরে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়বেটিসের মতো র্দীঘময়োদি রোগ আছে অথবা পরিবারে এ ধরনরে রোগরে ইতিহাস আছে। তাদের সচতেন থাকতে হবে। রক্তচাপ স্বাভাবকি রাখতে হবে এবং রক্তে র্শকরার মাত্রা সুনয়িন্ত্রতি রাখতে হবে।

করোনা প্রতিরোধে সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। চিকিৎসকের পরার্মশ মেনে   চললে যাপিত জীবনে ছন্দপতন হবে না। জীবনকে জয়ী করতে করোনাকে পরাজিত করতে হবে।   

ল্যাবএইডে কার্ডিয়াক স্ক্রিনিংয়ের সকল ব্যবস্থা রয়েছে। এখান থেকে রোগীরা চাইলেই স্বল্পমূল্যে সকল রকম পরীক্ষা এবং বিশেষজ্ঞরা ডাক্তারের সহয়তা নিতে পারবেন। 

করোনা প্রতিরোধে সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললে যাপিতজীবনে ছন্দপতন হবে না। জীবনকে জয়ী করতে করোনাকে পরাজিত করতে হবে।