ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

ই-বর্জ্য হতে পারে ধাতুর খনি

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯ জুলাই ২০১৮ সোমবার, ০৩:৫৫ পিএম
ই-বর্জ্য হতে পারে ধাতুর খনি

বর্তমানে প্রযুক্তির যুগে আমরা সবক্ষেত্রে এগিয়ে গেছি এটা সত্য। কিন্তু প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত যাবতীয় যন্ত্র এবং তা থেকে নির্গত বর্জ্য আমাদের পরিবেশের জন্য কতটা সহনশীল তা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন সময়ে।

তবে এই প্রযুক্তি পণ্যও ভবিষ্যতের দুষ্প্রাপ্য ধাতুর উৎস হতে পারে বলে আশাপ্রকাশ করা হচ্ছে। খনি থেকে সরাসরি আকর উঠিয়ে তা শোধনের চেয়ে অনেক দ্রুত ও কম খরচে পুরাতন কম্পিউটার, মোবাইল ও অন্যান্য ইলেক্ট্রনিকস থেকে সীসা, ইরিডিয়াম, প্লাটিনাম এমনকি স্বর্ণও পাওয়া সম্ভব।

তবে এসব ধাতুর চেয়ে বাতিল পণ্য থেকে অ্যালুমিনিয়াম আর তামা পুনরুদ্ধার করা আরও বেশি প্রয়োজন। এমনিতেই খনিতে প্রতিদিন আকরের পরিমাণ কমেই যাচ্ছে। যদি এসব ধাতুর সঙ্গেই সেগুলো মাটিচাপা দেয়া হয়, তাহলে খুব দ্রুতই বিশ্বে ধাতুর ঘাটতি দেখা দেবে বলে জানা গেছে।

অস্ট্রেলিয়ার ম্যাক্যারে বিশ্ববিদ্যালয় এবং চীনের সিংঘুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে এটা নিয়ে গবেষণা চলছে। তাদের দাবি, ই-বর্জ্য বা বাতিল ইলেক্ট্রনিক্স থেকে ধাতু পুণরুদ্ধারে সরাসরি আকর শোধনের চেয়ে ১৩ ভাগ কম অর্থ ব্যয় হবে।

বর্তমানে ক্রমবর্ধমান ই-বর্জ্যের পরিমাণ অনেকটাই আশঙ্কাজনক। ২০১৬ সালে উৎপাদিত হয়েছে ৪ কোটি ৫০ লাখ টন ই-বর্জ্য। এই অবস্থা চলতে থাকলে আগামী ২০২১ সালে তা ৫ কোটি টন ছাড়িয়ে যাবে। তবে ই-বর্জ্য শোধনের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হলে বিশ্ব লাভবান হবে এতে সন্দেহ নেই। সেই সঙ্গে জলবায়ু দূষণের প্রকোপ কমবে।


বাংলা ইনসাইডার/এসএইচ/জেডএ