ঢাকা, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বছর মাতিয়েছে যে ৫ গেম

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ মঙ্গলবার, ০২:৫১ পিএম
বছর মাতিয়েছে যে ৫ গেম

একটা সময়ে মুঠোফোন মানেই বুঝতাম শুধু ফোন দেওয়া আর মেসেজ দিতে পারলেই যথেষ্ট। কিন্তু দিন বদলের সঙ্গে সঙ্গে মুঠোফোনের ধারণা পাল্টে এখন সেটা স্মার্টফোনকেন্দ্রিক হয়ে যাচ্ছে। ফোন এখন আর শুধু কথা বলা বা মেসেজ পাঠানোর জন্যই ব্যবহৃত হয় না। সব ধরনের ব্যবহারই হচ্ছে এখন স্মার্টফোনে। স্মার্টফোনের এতো জনপ্রিয়তার আরেকটি কারণ হলো গেম খেলা। সব বয়সীদের জন্য গেম খেলা একটি চরম চিত্তাকর্ষকও বটে। তাই এখন সব স্মার্টফোন নির্মাতা কোম্পানিগুলো গেমিং ফিচারে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে। আর গেমিং প্রতিষ্ঠানগুলোও এখন নিত্যনতুন অভিনব সব গেম নিয়ে ধামাকা দিচ্ছে প্রতিবছরে। এই বছরে কোন গেমগুলো বেশি ধামাকা দিয়েছে, তা নিয়ে থাকছে আজকের প্রতিবেদন-

 

পাবজি মোবাইল

চীনা প্রতিষ্ঠান টেনসেন্টের পাবজি মোবাইল গেম বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় গেমের জায়গা দখল করে নিয়েছে। জনপ্রিয়তার সঙ্গে গেমের আয়ও বেড়ে গেছে অনেক বেশি। সেন্সর টাওয়ারের তথ্যানুসারে, চলতি বছরে পাবজি মোবাইলের আয় ৬৫২ শতাংশ বেড়েছে। গেমটি ২ গিগাবাইট র‌্যামের চেয়ে কম র‌্যামযুক্ত ডিভাইসগুলোর জন্যও তৈরি হয়েছে। বর্তমানে কোম্পানি ‘পাবজি মোবাইল লাইট’ নামে লাইট সংস্করণও এনেছে।

ফ্রি ফায়ার

ফ্রি ফায়ার একটি মোবাইল ব্যাটল রয়্যাল গেম। নভেম্বর মাস পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী এক বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে এটি। ১০ মিনিটের গেমটি ৫০ জন প্লেয়ার একসঙ্গে খেলতে পারে। যেখানে সবাইকে একটি দ্বীপে ছেড়ে দেওয়া হবে এবং একে অপরের কাছ থেকে নিজেকে বাঁচাতে হবে।

কালার বাম্প থ্রিডি

কালার বাম্প থ্রিডি হল একটি দক্ষতাভিত্তিক গেম। রয়্যাল গেমার্স কালার বাম্প থ্রিডি তৈরি করেছে। এই দুর্দান্ত আর্কেড গেমটি বেশিরভাগ ব্রাউজারে চালানোর জন্য ওয়েবজিএল ব্যবহার করে। এটি গত বছরের ডিসেম্বরে উন্মোচন করা হয়েছে।

ফান রেস থ্রিডি

এটি একটি বিখ্যাত অ্যান্ড্রয়েড প্যাকেজ গেম। প্রতিটি রেস বা লেভেল তিনটি ল্যাপ নিয়ে গঠিত। প্লেয়ার প্রতিযোগিতায় তিনজন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। গেমটি এই দশকের সবচেয়ে বেশি ডাউনলোড হওয়া গেমের মধ্যে একটি।

সাবওয়ে সার্ফারস

এটি একটি রানার মোবাইল গেম। ২০১২ সালে গেমটি বাজারে ছাড়া হয়। অ্যাপ আনিয়ার তথ্যমতে, গেমটি এখন পর্যন্ত ২৭০ কোটিবার ডাউনলোড হয়েছে। এটি অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস, কিন্ডল এবং উইন্ডোজ ফোন প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যায়।

বাংলা ইনসাইডার/এসএইচ