ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২০, ২৩ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

চীনে অফিস বন্ধ করছে গুগল

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩০ জানুয়ারি ২০২০ বৃহস্পতিবার, ১০:২১ এএম
চীনে অফিস বন্ধ করছে গুগল

চীনে করোনাভাইরাসের প্রকোপ ক্রমেই বেড়ে চলেছে। এরই মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৭০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। স্বভাবতই চীনের ওপর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে অনেক দেশ এবং প্রতিষ্ঠান। এবার সার্চ জায়ান্ট মার্কিন বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি গুগল সাময়িক সময়ের জন্য চীনে সব অফিস বন্ধ করে দিচ্ছে। করোনাভাইরাস প্রাণঘাতী রূপ ধারণ করায়ই গুগল এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

চীনের মূল ভূখণ্ড, হংকং এবং তাইওয়ানে অবস্থিত গুগলের সব অফিস বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। শুধু গুগল নয় আরও অনেক প্রতিষ্ঠানই চীনে তাদের কার্যক্রম গুটিয়ে আনছে বা সাময়িক সময়ের জন্য সব কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে।

এর আগে চীনে একটি স্টোর বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বহুজাতিক প্রযুক্তি সংস্থা অ্যাপল। একই সঙ্গে চীন ভ্রমণের ক্ষেত্রেও সতর্ক করেছে প্রতিষ্ঠানটি। অ্যাপল জানিয়েছে, চীনে তাদের ভোক্তা সংখ্যা কমে গেছে। লোকজন এখন বাড়ির বাইরে বের হচ্ছে না। এছাড়া কর্মীদের এই ভাইরাসে আক্রান্তের সম্ভাবনা থাকায় তারা স্টোর বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে ভ্রমণের ক্ষেত্রেও সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে।

উহান এবং চীনের অন্যান্য শহরে যেখানে নিজেদের কর্মীরা রয়েছে তাদের মধ্যে কেয়ার কিট সরবরাহ করছে অ্যাপল।

অপরদিকে, অপ্রয়োজনে চীন ভ্রমণে কর্মীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। প্রতিষ্ঠানটির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, নিজেদের কর্মীদের ভাইরাসের প্রকোপ থেকে রক্ষা করতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে যেসব কর্মী বর্তমানে চীনে অবস্থান করছেন তাদের বাড়িতে বসেই কাজ করতে বলেছে ফেসবুক। প্রতিষ্ঠানটির মুখপাত্র বলেন, আমাদের কর্মীদের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে আমরা এই পদক্ষেপ নিয়েছি।

এই ভাইরাস বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। কারণ এ বিষয়ে এখনও ভালোভাবে জানা সম্ভব হয়নি। বিশেষ করে এ ভাইরাস কতটা বিপজ্জনক এবং এটা একজন থেকে আরেকজনের শরীরে কীভাবে ছড়িয়ে পড়ছে এ বিষয়গুলো এখনও পরিষ্কার নয়।

এখন পর্যন্ত এটা জানা সম্ভব হয়েছে যে, এ ভাইরাস থেকে নিউমোনিয়া হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই এটা অনেক ভয়াবহ হতে পারে। অপরদিকে, করোনাভাইরাস সংক্রমণের ক্ষমতা আরও প্রবল হচ্ছে এবং সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছে চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন।

 

বাংলা ইনসাইডার/এসএইচ