ইনসাইড আর্টিকেল

বয়সে ছোট পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন নারীরা, যা বলছে সমীক্ষা

প্রকাশ: ০১:৩৭ পিএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail বয়সে ছোট পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন নারীরা, যা বলছে সমীক্ষা

বয়সে ছোট পুরুষদের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছেন মধ্য বয়স্ক নারীরা। মধ্যবর্তী বয়সে দাঁড়িয়ে একঘেয়েমি দূর করতে পরকীয়ার সম্পর্কে সমাজের চিরাচরিত নিয়মকে উপেক্ষা করছেন তারা। ৪০ বছর ছুঁইছুঁই বয়সী নারীদের ক্ষেত্রে এমন মানসিকতা বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। 

বয়সের এই মধ্যগগনে এসে বয়সে ছোট পুরুষের প্রতি নারীদের প্রেমে পড়ার পেছনে কিছু কারণ বের হয়ে এসেছে সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায়। সমীক্ষা বলছে, শুধু একঘেয়েমি দূর করাই মূল লক্ষ্য নয়। জীবনের ফেলে আসা দিনগুলোতে পৌঁছে যেতেই কম বয়সী পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান তারা।

কম বয়সী পুরুষের প্রতি প্রেমে জড়ানোর পেছনে যে কারণগুলো কাজ করে তার পেছনে রয়েছেন, 

১. আত্মবিশ্বাস বাড়াতে বয়সে ছোট পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িত হন অনেকে। বয়সের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নিজের সঙ্গীকে সন্তুষ্ট করতে পারার আনন্দ ভোগ করেন তারা। 

২. শুধু মানসিক চাপ দূর করতেই না, শারীরিক সম্পর্কও নারীদের এখানে ক্ষেত্রে একটি বিষয়। 

৩. বয়সে ছোট পুরুষের উদ্দীপনা ভীষণ পছন্দ করেন মহিলারা। সাময়িকভাবে জড়িত হলেও, এমন ব্যক্তিত্বের পুরুষ পছন্দ বয়সে বড় নারীদের। 

৪. কমবয়সী পুরুষের শারীরিক গঠন এবং ব্যক্তিত্বও আকৃষ্ট করে বয়সে বড় মহিলাদের। 

পরকীয়া   প্রেম   সম্পর্ক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড আর্টিকেল

কোথায় দেখতে যাবেন চোখ ধাঁধানো ‘রংধনুর গ্রাম’?

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ২৩ মে, ২০২২


Thumbnail কোথায় দেখতে যাবেন চোখ ধাঁধানো ‘রংধনুর গ্রাম’?

তাইওয়ানের তাইচুংয়ের নানতুন জেলার ‘রেইনবো ভিলেজ’। সাধারণ আট দশটা গ্রামের মত না এই গ্রাম। প্রথম দেখাতেই আপনি রীতিমতো খুশি হয়ে উঠবেন, প্রেমে পড়ে যাবেন। 

রংধনুর সাত রঙে রাঙানো এক গ্রাম। যার সৌন্দর্য দেখে আপনি হবেন বিমোহিত। এমনো সুন্দর কোনো গ্রাম হয় কি না, ভেবে অবাক হবেন! 



ফরাসি শিল্পী হেনরি এমাইল বেনোইট ম্যাটিস একবার বলেছিলেন, ‘রঙের প্রধান কাজটিই হলো অভিব্যক্তি প্রদর্শন করা’ রং দেখলে সবার মনই আনন্দে ভরে ওঠে।

এটিই হয়তো বিশ্বের একমাত্র গ্রাম, যেখানকার ঘর-বাড়ি, দেওয়াল, রাস্তা সবই শিল্পীর তুলিতে আঁকা হরেক রং দিয়ে। এই গ্রামে ঢুকলেই মনে হবে অজানা পৃথিবীতে পা রেখেছেন।

হুয়াং ইউং ফু নামক একজন প্রাক্তন সৈনিক তার সাজানো গোছানো বাড়িটি ডেভেলপারদের কাছে হারাতে বসেছিলেন। ওই গ্রামের প্রায় সবাই ডেভেলপারদের কাছে নিজেদের ঘরগুলো বিক্রি করে সেখান থেকে চলে যান। গ্রামটি জনশূন্য হয়ে পড়ে।

হুয়াং ইউং ফুর বাড়ির পাশের ১১টি বাড়ি পরিত্যক্ত হয়ে যায়। এ সময় মনের অজান্তেই ভালো লাগা থেকে তিনি নিজ বাড়ির আসবাবপত্রে ছবি আঁকা শুরু করেন।



তারপরে শিল্পকর্মটি এক দেওয়াল থেকে অন্য দেওয়ালে ছড়িয়ে পড়ে। তারপর প্রতিবেশীদের পরিত্যক্ত বাড়িতেও আঁকাআঁকি শুরু করেন তিনি।

একবার কাছের এক বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র তার শিল্পকর্ম দেখে ছবি তোলে। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবিগুলো শেয়ার করে। মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। দেশ দেশান্তরে ছড়িয়ে পরে গ্রামের নাম। এরপর গ্রামের নাম দেওয়া হয় ‘রেইনবো ভিলেজ’।

এখন হুয়াং ইউং ফু রেইনবো দাদু নামেই পরিচিত সবার কাছে। তার বয়স এখন ১০০ এর কোঠায়। স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে তিনি এখন আর রেইনবো গ্রামে বসবাস করছেন না। যদিও রেনবো ভিলেজটি এখন সম্পূর্ণভাবে দখলমুক্ত।