ইনসাইড আর্টিকেল

আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮:০১ এএম, ১৬ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

আজ আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস। ইউনেস্কো ঘোষিত এই দিবস পালনের লক্ষ্য হচ্ছে, বহুমুখী সমাজে সহনশীলতা শিক্ষার মাধ্যমে পৃথিবীর সব মানুষের সুষম ও শান্তিপূর্ণভাবে জীবনযাপন নিশ্চিত করা।

ইউনেস্কোর উদ্যোগে ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সিদ্ধান্ত নেয়, ১৯৯৫ সাল থেকে ‘আন্তর্জাতিক সহনশীলতা বর্ষ’ উদযাপন করা হবে। ১৯৯৬ সালের ১৬ নভেম্বর ইউনেস্কোর ২৮তম অধিবেশনে ‘সহনশীলতার মৌলিক নীতি ঘোষণা’ গৃহীত এবং প্রতিবছরের ১৬ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

ইউনেস্কো মনে করে, মানব সমাজ স্বাভাবিকভাবেই বৈচিত্র্যময় এবং এ বৈচিত্র্যময় পৃথিবীতে ভিন্ন মত ও সম্প্রদায়ের মধ্যে ভাবের আদান-প্রদান ও সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে মানুষের মধ্যে সহনশীল মনোভাব প্রয়োজন। সমাজে বিভিন্ন ধর্ম, ভাষা, সংস্কৃতি ও জাতিসত্তার উপস্থিতি সংঘাতের পথকে প্রশস্ত করে না। বরং সহনশীল পরিবেশ এ সামাজিক বাস্তবতাকে সঠিক পথে পরিচালনার মাধ্যমে সমাজের অন্তর্নিহিত সক্ষমতা বাড়ায়।

সহনশীলতার মৌলিক নীতি ঘোষণায় বলা হয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে সহনশীলতাকে বাস্তবায়ন করা। সহনশীলতা হচ্ছে সবার অর্থনৈতিক ও সামাজিক মর্যাদাকে উন্নত করার অপরিহার্য নীতি।’

প্রসঙ্গত, করোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দিবসটি পালন উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলো নানা কর্মসূচি নিয়েছে।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড আর্টিকেল

তরুণ প্রজন্মের আগ্রহ 'সিনেমায়'


Thumbnail তরুণ প্রজন্মের আগ্রহ 'সিনেমায়'

প্রতি বছরই অসংখ্য সিনেমা বানানো হয় দেশ-বিদেশ জুড়ে। রেটিং স্কেলের হিসেবে কিছু সিনেমা ভালো আবার কিছু সিনেমা চলনসই হিসেবে দর্শক মনে জায়গা করে নেয়। কিছু কিছু সিনেমা আবার মন-মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলে যায় অনেকখানি। সব বয়েসের মানুষের সিনেমা প্রীতি এসকল কারণে যেন দিন দিন বেড়েই চলেছে। তবে ইতোমধ্যে এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, বর্তমান তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সিনেমা নিয়ে আগ্রহ ব্যাপক।

সময়ের সাথে বদলে যাচ্ছে স্থান, প্রেক্ষাপট, মানুষের চাহিদা, রুচিবোধ। বর্তমান সময় অনুযায়ী তরুণ প্রজন্মের বিশাল আগ্রহের জায়গা হিসেবে কাজ করেছে বিনোদনের এই অংশ "সিনেমা" সিনেমা কেউ দেখতে ভালোবাসেন, আবার কেউ বানাতে। তবে এই সিনেমা বানানোর জন্যও অনেক সিনেমা দেখা প্রয়োজন বলে দাবি করেছেন আগ্রহীদের প্রায় সকলেই। ভালো মানের সিনেমা বলতে তাদের কাছে "গল্প"। গল্পের সঠিক, যথাযথ প্রয়োগ, ফুটিয়ে তুলা যেন বেশি প্রাধান্য পায় এই নিয়ে মনোযোগী তারা। শুরু থেকে শেষ অবদি গল্পের ধারা বজায় রাখা, চরিত্র ফুটিয়ে তুলা এই বিষয় বিবেচনা করছেন তরুণ দর্শকরা।

আজ থেকে এক দশক আগেও এমন আগ্রহ দেখতে পাওয়া যেত কিনা তা নিয়ে সন্দিহান। তবে সময়ের সাথে সাথে ভালো মানের সিনেমা যেমন তৈরি হচ্ছে তেমন মানুষের আগ্রহ বাড়ছে বিনোদনের এই অংশে। অনেকের আগ্রহ এতটাই যে ভবিষ্যতে তৈরি করতে চান নিজের সিনেমা। সাধারণ মানুষের মনের ভাষা প্রকাশ করার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে যেন আজকাল বিবেচিত হচ্ছে সিনেমাকে। গল্প যেমন মানুষের জীবনে প্রভাবিত করে, তেমনি অনেক সিনেমা আবার তৈরি করা হচ্ছে অনেক সিনেমা সত্য ঘটনার অবলম্বনে।

শুধুমাত্র গল্প না, সেই গল্পে থাকা চরিত্র, গান, সংলাপ সব কিছু মিলে তৈরি করা হয় এই চিত্র। গতানুগতিক ধারার বাইরে তৈরি সিনেমাও আজকাল সমাদৃত হচ্ছে মানুষের মধ্যে। তবে পছন্দের ভিত্তিতে মানুষের সিনেমার ক্ষেত্রেও পছন্দের ভিন্নতা লক্ষ্য করা যায়। কেউ অ্যাকশন পছন্দ করে, আবার কেউ থ্রিলার, কেউ ড্রামা পছন্দ করে তো কেউ হরোর। কারো কাছে আবার বায়োগ্রাফি অধিক প্রাধান্য পায়৷ জনরা যাই'ই হোক, পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো সিনেমা দেখতে বসে দর্শক কতখানি সন্তুষ্ট হতে পারছেন সেটাই বড় কথা।

তবে নতুন প্রজন্মের কাছে সাইকোথ্রিলার, অ্যাকশন, আর্টফিল্ম বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সেসব জনপ্রিয়তার ক্ষেত্রেও কাজ করে প্রিয় পরিচালক, সিনেমার গল্প, সজ্জা,  চরিত্রের গঠন থেকে শুরু করে অভ্যন্তরীণ নানা খুটিনাটি।

দেশের বর্তমান পরিচালকদের তৈরি অনেক সিনেমা এবং কাজ গৃহীত হচ্ছে সাধারণ মানুষের কাছে। অনেক তরুণ প্রজন্ম অধির আগ্রহে দেশে তৈরি সিনেমা নিয়ে আশাবাদী। তবে কর্মাশিয়াল সিনেমার অনেক ক্ষেত্রে এখনো আরো দক্ষ ইউনিট দরকার বলে ধারণা তাদের। তাছাড়া যেকোনো গতানুগতিক ধারার বাইরে গল্পের প্রবাহ নতুন প্রজন্মের দর্শকদের বেশি আকৃষ্ট করে। নতুন ধারার যেকোনো গল্পই এখন পর্যন্ত বেশ সুন্দরভাবে গৃহীত হয়েছে। "সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার" জনরা নিয়ে দেশে আরো কাজ করা উচিত বলে জানান অনেকেই।

সিনেমা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড আর্টিকেল

আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস আজ

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ১৫ মে, ২০২২


Thumbnail আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস আজ

আমাদের জীবনের একটি বিশাল অংশ হলো পরিবার। আমরা পৃথিবীতে ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকে বেড়ে উঠা সর্বক্ষেত্রেই পরিবারের অবদান অপরিসীম। পরিবারের প্রতি দায়িত্ববোধ কেমন হওয়া উচিত, পারিবারিক বন্ধন ও পরিবারের গুরুত্ব সম্পর্কে ধারণা এবং বাস্তবিক অর্থে পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা এসব কিছুর প্রতি সাধারন জ্ঞ্যান অর্জন করার প্রথম মাধ্যম পরিবার। আর পরিবারের সকল দিক  প্রদর্শনের জন্য একটি দিন বিশ্বব্যাপী পালিত হয়, যা “বিশ্ব পরিবার দিবস “ নামে পরিচিত। আজ ১৫ মে সেই বিশ্ব পরিবার দিবস।

১৭৫০ থেকে ১৮৫০ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ড এবং আমেরিকায় শিল্প বিপ্লব ঘটতে থাকে। শিল্প প্রসারের কারণে পশ্চিমা দেশগুলোর যুব সমাজ অর্থ উপার্জনে ঝুঁকে পড়েন। এতে পরিবারের প্রতি তাদের আগ্রহ কমে যায়। অনেকেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় পরিবার থেকে। কাজ এবং অর্থের প্রয়োজনে যে যেখানে পারছে ছোট ছোট পরিবার গড়ে তুলেছে। এভাবেই ভেঙে গেছে অনেক যৌথ পরিবার।

পরে, সামাজিক উন্নয়ন কমিশনের ৩০তম অধিবেশন অধিবেশন গঠনের সুপারিশের ভিত্তিতে এই সংসদটি সমস্ত রাজ্যকে পরিবারের একটি আন্তর্জাতিক বছরের সম্ভাব্য ঘোষণার বিষয়ে তাদের মতামত জানাতে এবং তাদের মতামত ও প্রস্তাব দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিল।

পরিষদ সেক্রেটারি-জেনারেলকে তার ৩০তম তৃতীয় অধিবেশনে সাধারণ পরিষদকে এমন একটি বছরের সম্ভাব্য ঘোষণার বিষয়ে সদস্য দেশগুলোর মতামত এবং প্রস্তাবগুলোর ভিত্তিতে এবং পরিস্থিতি উন্নয়নের জন্য অন্যান্য উপায় ও উপায়ের ভিত্তিতে একটি বিস্তৃত প্রতিবেদন দাখিলের অনুরোধ জানায় এবং পরিবারের মঙ্গল এবং সামাজিক অগ্রগতি এবং বিকাশের বিশ্বব্যাপী প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার।

১৯৮৯ সালের ৯ই ডিসেম্বর ৪৪/৮২ এর রেজুলেশনে, সাধারণ পরিষদ ১৯৮৯ সালে এক প্রস্তাবে ১৯৯৩ সালকে বিশ্ব পরিবার বর্ষ হিসেবে অনুমোদন করে এবং ১৫ মে’কে বিশ্ব পরিবার দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

ইসলামের দৃষ্টিতে পরিবার সমাজের ভিত্তিমূল। হিন্দু ধর্ম মতে, পরিবার হচ্ছে একটি মন্দিরের মতো, যেখানে দেবতা স্বরূপ বাবা-মা বাস করে। আন্তর্জাতিক পরিবার দিবসে বিশ্বের প্রতিটি পরিবারের বন্ধন দৃঢ় হোক এবং পরিবারের প্রতিটি সদস্যের মধ্যে পারস্পরিক ভালবাসা ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পাক এবং পৃথিবীর সকল পরিবার সুখী হোক এই প্রত্যাশা আজকের দিনে।

আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস   পরিবার দিবস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড আর্টিকেল

১৪ ই মে, ৩৮ পা রাখলেন মার্ক জুকারবার্গ


Thumbnail ১৪ ই মে, ৩৮ পা রাখলেন মার্ক জুকারবার্গ

বর্তমানে "ফেসবুক" অ্যাপের নাম শুনেননি এমন মানুষের সংখ্যা কম। দেশ, বিদেশ এর সর্বত্র ফেসবুক এখন পরিচিত নাম এবং যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। এই ফেসবুক অ্যাপ এর প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ এর জন্মদিন আজ। 

জুকারবার্গ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন৷  যেখানে তিনি তার রুমমেট এডুয়ার্ডো সাভারিন, অ্যান্ড্রু ম্যাককলাম, ডাস্টিন মস্কোভিটজ এবং ক্রিস হিউজের সাথে ফেব্রুয়ারী ২০০৪ সালে ফেসবুক চালু করেন। মূলত কলেজ ক্যাম্পাস নির্বাচন করার জন্য চালু করা হয়েছিল এই সাইটটি, তবে সাইটটি দ্রুত প্রসারিত হয়েছিল এবং শেষ পর্যন্ত ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে পরবর্তীতে ক্যাম্পাসের বাইরেও। ২০১২ সালের মধ্যে প্রায় এক বিলিয়ন ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছেছিল "ফেসবুক"। জুকারবার্গ মে ২০১২ সালে সংখ্যাগরিষ্ঠ শেয়ারের সাথে কোম্পানিটিকে জনসাধারণের কাছে পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছিলেন।  ২০০৭ সালে, ২৩ বছর বয়সে, তিনি বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ স্ব-নির্মিত বিলিয়নেয়ার খেতাব অর্জন করেছেন। সর্বকনিষ্ঠ উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি অর্জন করেছেন অনেক আন্তজার্তিক পুরুষ্কার।   এই বছরের মার্চ পর্যন্ত, ফোর্বসের রিয়েল টাইম বিলিয়নেয়ার্স অনুসারে জাকারবার্গের মোট সম্পদ ছিল ৭৪.৫ বিলিয়ন। 

জুকারবার্গ মিডল স্কুল থেকেই কম্পিউটার ব্যবহার এবং সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এর কাজ শুরু করেন। পরবর্তী বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে, তিনি একটি প্রোগ্রাম তৈরি করেছিলেন যা তার বাড়ির এবং তার বাবার ডেন্টাল অফিসের মধ্যে থাকা সমস্ত কম্পিউটার একে অপরের সাথে যোগাযোগ করার অনুমতি দেয়। জুকারবার্গের বিশ্ববিদ্যালয়ের বছরগুলিতে, তিনি সিনাপস মিডিয়া প্লেয়ার নামে একটি মিউজিক প্লেয়ার তৈরির জন্য কাজ করেছিলেন। ডিভাইসটি ব্যবহারকারীর শোনার অভ্যাস শেখার জন্য মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে, যা স্ল্যাশডট এ পোস্ট করা হয়েছিল এবং PC ম্যাগাজিন থেকে ৫ এর মধ্যে ৩ রেটিং পেয়েছিল। একটি নিউ ইয়র্কার প্রোফাইল সম্পাদনা এক বিবৃতিতে জুকারবার্গ সম্পর্কে জানিয়েছিলেন: "কিছু বাচ্চা কম্পিউটার গেম খেলেছে। মার্ক সেগুলি তৈরি করেছে।" অর্থাৎ,  শুরু থেকেই ওয়েব ভিত্তিক কাজ এবং সাইট তৈরি নিয়ে মার্কের আগ্রহ ছিল অপরিসীম। তিনি তার বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শুরুর আগ থেকেই নানা ধরণের সাইট তৈরি নিয়ে অনুধাবন করেছিলেন। 

দ্য নিউ ইয়র্কার উল্লেখ করেছে যে জুকারবার্গ ২০০২ সালে হার্ভার্ডে ক্লাস শুরু করার সময়, তিনি ইতিমধ্যে "প্রোগ্রামিং প্রডিজি হিসাবে খ্যাতি" অর্জন করেছিলেন। তিনি মনোবিজ্ঞান এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান অধ্যয়ন করেছিলেন এবং আলফা এপসিলন পাই এবং কার্কল্যান্ড হাউসের অন্তর্গত ছিলেন। তার দ্বিতীয় বছরে, তিনি কোর্সম্যাচ নামে একটি প্রোগ্রাম লিখেছিলেন, যা ব্যবহারকারী অন্যান্য শিক্ষার্থীদের পছন্দের উপর ভিত্তি করে ক্লাস নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিতে এবং তাদের অধ্যয়ন এর জন্য "গ্রুপ" গঠনে সহায়তা করার অনুমতি দেয়। অল্প সময়ের পরে, তিনি একটি ভিন্ন প্রোগ্রাম তৈরি করেন যাকে তিনি প্রাথমিকভাবে ফেসম্যাশ নামে ডাকেন যা শিক্ষার্থীদের পছন্দের ফটো থেকে সেরা চেহারার ব্যক্তি নির্বাচন করতে দেয়। এই বিষয়ে এক ইন্টারভিউ তে মার্ক জুকারবার্গের রুমমেট অ্যারি হাসিট বলেছিলেন, "আমাদের কাছে ফেস বুক নামে বই ছিল, যেটিতে ছাত্রদের আস্তানায় বসবাসকারী প্রত্যেকের নাম এবং ছবি অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রথমে, তিনি একটি সাইট তৈরি করেন এবং দুটি ছবি বা দুটি পুরুষ এবং দুটি মহিলার ছবি রাখেন। সাইটের ভিজিটরদের বেছে নিতে হয়েছিল কে "উত্তম" এবং ভোটের ভিত্তিতে একটি র‌্যাঙ্কিং হবে।" সাইটটি সপ্তাহান্তে বেড়েছে, কিন্তু পরের সপ্তাহের সোমবার সকালের মধ্যে কলেজটি এটি বন্ধ করে দিয়েছে, কারণ এর জনপ্রিয়তা হার্ভার্ডের নেটওয়ার্ক সুইচগুলির একটিকে অভিভূত করেছে এবং শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেট অ্যাক্সেস করতে বাধা দিয়েছে। এছাড়া অনুমতি ছাড়াই তাদের ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিলেন অনেকে। 

কিন্তু পরবর্তীতে ওই সেমিস্টারেই এই সাইটের ব্যবহার শুরু হয়েছিল বিস্তরভাবে। যা ক্যাম্পাসের এরিয়ার বাইরের মানুষের হাতেও পৌঁছে। যেহেতু এই সাইটিতে ছবি ব্যবহার করা হতো, এজন্য এর নামকরণ করা হয় ফেসবুক। যা বছর খানেকের মধ্যে পৃথিবীর সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছিল এক অদ্ভুত গতিতে। বিশ্বব্যাপী এর প্রসার যে কেবল মানুষের জ্ঞানের পরিধি বাড়িয়েছে তা নয় সাথে সাথে কাজের সন্ধান আর যোগাযোগ এর মান বাড়িয়ে দিয়েছে শতগুণ। এখন দূরত্ব, সময় এসব কিছুই যেন আর বাঁধা হতে পারে না। 

ফেসবুক অ্যাপটি নীল হওয়ার কারণ হিসেবে জানতে চাইলে জুকারবার্গ দ্য নিউ ইয়র্কার কে জানান, জুকারবার্গ লাল-সবুজ কালারব্লাইন্ড, যার মানে তিনি যে রঙটি সবচেয়ে ভালো দেখতে পারেন তা হল নীল। তাই তিনি ফেসবুক অ্যাপটিতে নীল সাদা রঙ এর আধিক্য বেশি। "নীল আমার জন্য সবচেয়ে সুন্দর  রঙ," এই কথাটি তিনি জানিয়েছিলেন ম্যাগাজিনকে। 

বর্তমান অবস্থা অনুযায়ী, ২০২১ সালের অক্টোবরে, ফেসবুক ঘোষণা করেছিল যে তারা পুনরায় ব্র্যান্ডিং করছে। তার মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরে, জুকারবার্গ ঘোষণা করেন ফেসবুকের নতুন নাম হবে "মেটা", এই শব্দ গ্রীক অর্থ "বিয়োন্ড" এবং পরবর্তী প্রজন্মের "মেটাভার্স" ইন্টারনেট তৈরি করার তাদের পরিকল্পনা থেকে অনুপ্রাণিত। বর্তমান অবস্থাকে ছাড়িয়ে আরো উন্নতর কিছু তৈরি করার এবং সর্বোচ্চ ভালো সুবিধা দেওয়ার তাগিদেই ফেসবুকের এই নামকরণ করার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। 

শুরু থেকেই ভালোমন্দ,  জল্পনা কল্পনা, নানা কিছুর পর্যায় পার করেও ফেসবুক এখনো মানুষের প্রাত্যহিক জীবনে ব্যবহার করা সর্বোচ্চ সময়ধারী সাইট। ফেসবুকে হয়ে থাকা বিভিন্ন দূর্ঘটনা এবং অপরাধ মুক্ত সুরক্ষিত সাইট করার পরিকল্পনা ব্যক্ত করেন মার্ক।

মার্ক জুকারবার্গ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড আর্টিকেল

কম খরচে ঘুরে আসুন মেঘের রাজ্য মেঘালয় থেকে

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ১৩ মে, ২০২২


Thumbnail কম খরচে ঘুরে আসুন মেঘের রাজ্য মেঘালয় থেকে

মেঘের রাজ্য খ্যাত মেঘালয়। সব সময়ই যেনো সেখানে মেঘেরা খেলা করে। শুরু মেঘই যে আছে তাই নয়, আপনার দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য রয়েছে ঝর্ণা এবং মেঘালয়ের অপরূপ সৌন্দর্য। এর কারণেই ঘুরে আসতে পারেন ভারতের মেঘালয়ের শিলং, চেরাপুঞ্জি, ডাউকি থেকে। কম খরচে এসব জায়গা ঘুরে আসতে আজ রয়েছে আমাদের কিছু টিপস। মেঘালয় বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাজ্য হওয়ায় যাতায়াত ভাড়া, থাকা-খাওয়ার খরচ বেশ কম। চলুন তাহলে জেনে নিই মেঘলায়ে যেতে খরচ কেমন, কিভাবে যেতে হবে, থাকবেন কোথায়, খাবেন কি, পাসপোর্ট, ভিসা, যাতায়াত ভাড়া, বর্ডার ইমিগ্রেশন ও দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে,

পাসপোর্ট ও ভিসা

বিদেশ ভ্রমণের জন্য বৈধ পাসপোর্ট ও সংশ্লিষ্ট দেশের ভিসা থাকা আবশ্যক। তাই আপনার যদি পাসপোর্ট না থাকে তাহলে পাসপোর্ট করে নিন। ভারতীয় ভিসার আবেদন করার সময় ভিসা এপ্লিকেশনের পোর্ট অব এন্ট্রি-এক্সিট অবশ্যই ‘BY ROAD DAWKI’ সিলেক্ট করুন।

ভ্রমণ কর/ট্রাভেল ট্যাক্স

স্থলপথে ভ্রমণ করের পরিমাণ ৫০০ টাকা। যা আগেই নির্ধারিত ব্যাংক বা বর্ডারে সোনালী ব্যাংকের বুথে জমা দিতে পারবেন। 

ইমিগ্রেশনে যা করতে হবে

ডাউকি বর্ডারের বাংলাদেশ ইমিগ্রেশনে অন্যান্য বর্ডারের তুলনায় সহজ ও ভিড় কম থাকে। প্রথমেই ইমিগ্রেশনের কাজ সম্পন্ন করতে লাইন ধরে পুলিশের কাছ থেকে একটা বহিরাগমন কার্ড (Departure Card) সংগ্রহ করে পূরণ করে পাসপোর্টসহ জমা দিন।

ইমিগ্রেশন শেষ করে কাস্টমস অফিসে গিয়ে এন্ট্রি করতে হবে। এখানে ভ্রমণ করের রশিদ জমা দিতে হবে। কাস্টমসের কাজ শেষ হলে বিজিবি নাম এন্ট্রি করবে তাদের নির্ধারিত খাতায়। 

বাংলাদেশ অংশের কাজ শেষ হয়ে গেলে ভারতের অংশে ঢুকতেই বিএসএফ পাসপোর্ট চেক করে ভিতরে ঢুকতে দেবে। পরে ভারতীয় ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস অফিসে পাসপোর্ট জমা দিতে হবে। সেখানে Arrival Card পূরণ করে ইমিগ্রেশন শেষ করতে হবে।

মেঘালয়ে যা দেখবেন

প্রথম দিন শিলং যাওয়ার পথে নোহওয়েট লিভিং রুট ব্রিজ, মাউলিলং ভিলেজ, বোরহিল ঝর্ণা, উমক্রেম ঝর্ণা, স্নোনেংপেডেং ভিলেজ, উমগট রিভার দেখতে পারেন। 

দ্বিতীয় দিন ঘুরে আসুন ক্রাংসুরি ঝর্ণা, চেরাপুঞ্জি থেকে।

তৃতীয় দিনের পরিকল্পনায় রাখতে পারেন ডাবল ডেকার রুট ব্রিজ, মৌসিমাই কেভ, সেভেন সিস্টার্স ঝর্ণা, ইকো পার্ক ও নুকায়কালী ফলস।

শেষ দিন যেতে পারেন শিলং পিক, লেডি হায়াদ্রি পার্ক, ডন বস্কো মিউজিয়াম, উমিয়াম লেক, ক্যাথিড্রাল চার্চ, গলফ কোর্স, ওয়ার্ডস লেকে।

কীভাবে যাবেন এবং খরচ কেমন?

প্রথমে ঢাকা থেকে যেকোনো এসি/নন-এসি বাসে চলে যান সিলেট। বাসগুলো রাত ১০টা থেকে ১২টার মধ্যে ছেড়ে যায় ও সকাল ৫টা থেকে ৬টায় পৌঁছে। 

সিলেট বাসস্ট্যান্ড থেকে জাফলং এর বাস পাওয়া যায়। কদমতলি থেকে জাফলংগামী বাসে উঠে পড়ুন। সময় লাগবে দুই ঘণ্টার মতো। 

এখান থেকে কেউ শিলং যেতে চাইলে স্থানীয়ভাবে শেয়ারড ট্যাক্সি আছে। রিজার্ভ ট্যাক্সি নিয়েও ঘুরে বেড়ানো যাবে। লোকেশন অনুসারে সারাদিনের জন্য ভাড়া ৩,০০০-৩,৫০০ রুপি।

ট্যাক্সির ঝামেলায় না গেলে মেঘালয় ট্যুরিজম বোর্ডের টুরিস্ট বাসে করেও ভ্রমণ করতে পারেন। এক্ষেত্রে জনপ্রতি ৩০০ থেকে ৫০০ রুপি লাগতে পারে।

কোথায় থাকবেন?

মেঘালয়ে ঘুরতে গেলে থাকলে পারে শিলংয়ে। এখানে ১৫০০-৩০০০ টাকার মধ্যে ভালো হোটেল পাবেন। 

কী খাবেন, কোথায় খাবেন ?

সব জায়গায় মুরগী, ডিম, ভাত, নুডলস, পরোটা পাবেন। চলতি পথে লুচি, আলুদম চা, পানি, রুটি, বিস্কুট, ডিম ইত্যাদি পাবেন।

পরামর্শ

ঘুরতে গেলে প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র সঙ্গে রাখুন। যথাসম্ভব নিজেরাই হোটেল ঠিক করুন। অনেক জায়গাতেই এন্ট্রি ফি ও ক্যামেরা ব্যবহারের জন্য ফি লাগতে পারে যে বিষয়ে সচেতন থাকুন।

মেঘের রাজ্য   মেঘালয়  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড আর্টিকেল

দুর্যোগের আগাম বার্তা দেবে আপনার পোষা প্রাণী!

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ১০ মে, ২০২২


Thumbnail দুর্যোগের আগাম বার্তা দেবে আপনার পোষা প্রাণী!

কালবৈশাখীর রেশ কাটতে না কাটতেই এবার আসছে অশনি। ইদানিং কালে প্রতিনিয়তই আমরা বিভিন্ন দুর্যোগের সম্মুখিন হই, যা ক্রমান্বয়ে পূর্বের তুলনায় বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে আপনি জানেন কি আমাদের আশেপাশের গৃহপালিত প্রাণীগুলো যেকোনো দূর্যোগের পূর্বাভাস আগে থেকে জানতে পারে!

গৃহপালিত কুকুর-বিড়ালদের শ্রবণ আর ঘ্রাণ শক্তি বেশ প্রবল থাকে। কোনো কিছু টের পেলেই বা বুঝে উঠতে পারলেই বিচলিত ভঙ্গিতে নানা রকম ইঙ্গিত দেয়। তাই বাড়িতে চোর ডাকাতের আনাগোনা থেকে বাঁচতে অনেকেই বাড়িতে কুকুর পুষেন। চোর-ডাকাতের সম্ভাবনা বুঝতে পারলেই তারা ঘেউ ঘেউ করে উঠে, অস্থির হয়ে ওঠে। এরকম আরো অনেক ধরনের আচরণ আছে, যার মধ্যে আমরা কিছু আচরণকে ঝড়ের পূর্বাভাস হিসেবে ধরে নেই এবং অনেক সময় সেটা সত্যিও হয়ে যায়।  যদিও এ বিষয় বিজ্ঞানসম্মত কোনো প্রকার ব্যাখ্যা বা প্রমাণ নেই। তবে এটা সত্যি যে, আসন্ন ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কে প্রাণীরা আকারে-ইঙ্গিতে কোনো দুর্যোগের বিষয় প্রকাশ করতে পারে। তবে কিভাবে তারা এই আগাম সংকেত পায়?

আসলে গৃহপালিত কুকুর-বিড়ালগুলো আগাম সংকেত পাওয়ার একটা প্রধান কারণ হলো তাদের শ্রবণ ও ঘ্রাণশক্তি মানুষের তুলনায় বেশি থাকে। সাধারণ মানুষ যা বুঝতে সময় লাগে বা বুঝতে পারে না, এরা খুব সহজেই এবং মানুষের থেকে দ্রুত সেটা বুঝতে পারে এবং উপলব্ধিও করতে পারে। এরা ক্ষীণ শব্দ শুনে বা সামান্য গন্ধ পেয়ে পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠে। তাদের কানের এমন গুণ যে দূরবর্তী ঝড়ের শব্দ থেকে তারা ঝড়ের আভাস পায়।

আবহাওয়াবিদের তথ্যানুসারে, দূরে কোথাও ঝড় বা বৃষ্টি হলে ওই এলাকার বস্ত্তকণার গন্ধ বাতাসে ভেসে অনেক দূরে ছড়িয়ে পড়ে। এই গন্ধ কুকুর বা বিড়াল মানুষের থেকে দ্রুত উপলব্ধি করতে পারে এবং সাথে সাথে তাদের আচরণে তাঁর প্রতিফলন ঘটে।

তাছাড়া ঝড় শুরু হওয়ার আগেই কোনো স্থানের তাপমাত্রা ও বাতাসের আর্দ্রতায় তারতম্য ঘটে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে তা এত সামান্য যে মানুষ বুঝে উঠে পারে না, কিন্তু বাসার পোষা কুকুর সেটা খুব সহজেই বুঝে যায়। 

ফলে গৃহপালিত কুকুর-বিড়ালের এমন অস্বাভাবিক আচরণে আমরা বুঝতে পারা যায় বা অনুমান করা যায় যে, ঝড় আসছে এসব ঘটনা থেকে আমরা বলে থাকি, কিছু পোষা কুকুর বা বিড়াল ঝড়ের পূর্বাভাস দিতে পারে। এর মধ্যে কোনো অলৌকিকতা নেই।

দুর্যোগ   পোষা প্রাণী  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন