ইনসাইড বাংলাদেশ

তৈমুরকে চমকে দিলেন বন্দরের ভোটাররা

প্রকাশ: ০৮:২৯ পিএম, ১৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণে নির্বাচন কমিশনের কথা অনুযায়ী দু’দিন আগেই নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করেছেন স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার। তবে কোনো পরিকল্পনা না থাকলেও বন্দর উপজেলায় নির্বাচনী গণসংযোগে হাজার হাজার মানুষ তাকে চমকে দিয়েছেন।

শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী নগরীর রূপগঞ্জ, আড়াইহাজার, ফতুল্লা, পাগলা, সোনারগাঁও-এ হাজারো নেতাকর্মী যারা নাসিকের ভোটার নন তাদের এনে সমাবেশ করছে-এমন দাবির প্রেক্ষিতে বন্দরের নেতাকর্মীরা তৈমুরকে সেখানে গণসংযোগে ডাকেন।

তৈমুর আলম বলেন, আমি বন্দরবাসীর ভালোবাসায় নিজেকে বিলিয়ে দিলাম। আমি জয়ী হই বা না হই আপনাদের পাশে আমি ছিলাম-আছি থাকবো। আপনারা আমাকে চমকে দিয়েছেন এই আয়োজনে। বন্দরবাসীর নাসিকের উপর দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ও আমার প্রতি ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি এই মিছিল। আমি ভোট চাই দোয়াও চাই। আপনারা ভোটকেন্দ্রে যাবেন এবং ফলাফল নিয়ে আসবেন এটাই আমার বিশ্বাস।

তৈমুর কয়েকজনকে সাথে নিয়ে সেখানে যান গণসংযোগে। সেখানে তৈমূর যখন হাজির হলেন তখন হাজার হাজার মানুষ চারদিক থেকে মিছিল নিয়ে এসে তাকে চমকে দিয়েছেন।

শুক্রবার দুপুরে এ দৃশ্য দেখা যায় বন্দরে। সেখানে উপস্থিত তৈমুরের সাথে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম টিটু জানান, আমরা কয়েকজন ছিলাম তার সাথে। আমাদের ডেকে চমকে দিয়েছেন এখানকার ভোটার ও নেতাকর্মীরা। বিএনপি, জাতীয় পার্টি, আওয়ামী লীগ, নাগরিক ঐক্য, সর্বস্তরের মানুষ এতে যোগ দেয়। হাজার হাজার মানুষের সমাগমে চমকে উঠেন তৈমূর। 

সবার অনুরোধে তিনি সবাইকে নিয়ে বন্দরে গণসংযোগ করেন। হাজার হাজার মানুষের মিছিলটিতে তৈরি করা হাতি প্রতীক ও ব্যানার-ফেস্টুন দেখা গেছে।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন   নাসিক   নির্বাচন   বিএনপি   তৈমুর আলম খন্দকার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ইসি গঠন আইন নিয়ে দ্বিচারিতা করছে সুশীল সমাজ?

প্রকাশ: ১০:০০ এএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন না থাকাকেই প্রধান দুর্বলতা হিসেবে এতদিন চিহ্নিত করে আসছিলো নাগরিক সমাজ বা সুশীল সমাজ। সভা-সমাবেশ, টিভি টক শো, সব জায়গায়ই আইন না থাকাতে নিরপেক্ষ ইসি গঠন সম্ভব হচ্ছে না বলে গলা ফাটাতেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। ফলে ইসি গঠনের আগে আইন তৈরি করার নৈতিক সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। ইতোমধ্যে গত রোববার (২৩ জানুয়ারি) প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল, ২০২২ জাতীয় সংসদে উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক। কিন্তু আইন প্রণয়নের পরও সমালোচনা বন্ধ নেই সুশীল প্রতিনিধিদের। এতদিন তারা বলতেন আইন তৈরি করা মাত্র দুই মিনিটের ব্যাপার কিন্তু আইনটি সংসদে তোলার পর এখন সুশীল সমাজ বলছে আইনটি তড়িঘড়ি করে তৈরি করা হয়েছে। সুশীলদের এ ধরণের দ্বিচারি অবস্থানের কারণেই গণতন্ত্র সুসংহত হচ্ছে না বলে মনে করছেন সমাজ বিশ্লেষকেরা।

সন্ত্রাস-ধর্ষণ-মৌলবাদ-সাম্প্রদায়িকতা-গণতন্ত্র-নারী অধিকার ইত্যাদি বিষয়ে দেশের সুশীল সমাজকে প্রায়শই সরব হতে দেখা যায়। নিয়মিত বক্তৃতা-বিবৃতির পাশাপাশি অনেক সময় তারা রাজপথে মিছিল-সমাবেশের মাধ্যমেও জানান প্রতিবাদ। রাজনৈতিক দল এমনকি সরকারের ওপর চাপ তৈরি করতেও তাদের ভূমিকা আলোচনায় এসেছে নানা সময়ে। কিছুদিন আগে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য এখনই আইন প্রণয়নের তাগিদ দিয়ে বিবৃতি দেন দেশের ৫৩ বিশিষ্ট নাগরিক। বিবৃতিদাতাদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য আইনজীবী আমীর-উল ইসলাম, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এম হাফিজউদ্দিন খান, আকবর আলি খান, রাশেদা কে চৌধুরী, সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি আব্দুল মতিন, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেনসহ বিভিন্ন পেশার শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি রয়েছেন। বিবৃতিতে তারা বলেন, বিগত দুই নির্বাচন কমিশনের ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ আচরণের কারণে নির্বাচনী ব্যবস্থায় মানুষের আস্থার সংকট দেখা দিয়েছে। নির্বাচনী ব্যবস্থায় মানুষের আস্থা ফেরাতে নির্বাচন কমিশন এমনভাবে পুনর্গঠন করতে হবে, যেটা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়। এ জন্য সংবিধানের আলোকে ‘আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে’ পরবর্তী নির্বাচন কমিশন গঠনের আহ্বান জানান তারা। 

একাধিক রাজনৈতিক দলের চাওয়া ও নাগরিক সমাজের দাবির মুখে শেষমেশ ইসি গঠনের আগে আইন প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার এবং গত মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে আইনের খসড়া চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়৷ কিন্তু এখন নতুন খুঁত ধরতে সুশীল সমাজ ব্যতিব্যস্ত। সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা এখন বলছেন যে, নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন করার ক্ষেত্রে আরো সময় নিয়ে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করার প্রয়োজন ছিল৷ এই আইনের খসড়ায় কিছু অপূর্ণতা আছে। বর্তমান নির্বাচন কমিশন সদিচ্ছা থাকলে ভালো নির্বাচন করতে পারত৷ কিন্তু তাদের পারফর্মেন্স সন্তোষজনক নয়৷ সরকারের পক্ষে সুন্দর একটা আইন করার সুযোগ ছিল৷ কিন্তু তারা সেটা না করে তড়িঘড়ি করে আইনটি করতে যাচ্ছে৷ এতে তো সমস্যার সমাধান হবে না৷

অথচ সুশীল সমাজের এই প্রতিনিধিরাই দুই দিন আগে বলেছেন, সংবিধানে নির্বাচন কমিশন আইনের কথা বলা আছে। কিন্তু গত ৫০ বছরেও সেই আইন হয়নি। আইন হলে সেখানে কারা নির্বাচন কমিশনের সদস্য হতে পারবেন, কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হবেন  তাদের যোগ্যতা, সততা, গ্রহণযোগ্যতা এসব বিষয়ে স্পষ্ট আইন থাকবে। তাদের ব্যাপারে প্রকাশ্যে নাগরিকদের জানানো হবে। সে ব্যাপারে নাগরিকেরা কথা বলতে পারবেন। আবার তাদের ক্ষমতা এবং এখতিয়ার নিয়ে আইনে স্পষ্ট উল্লেখ থাকবে। কিন্তু দাবি-দাওয়া উল্টে এখন তারা সার্চ কমিটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চেষ্টা করছেন বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রামুতে বাসচাপায় মাদরাসা শিক্ষকের মৃত্যু

প্রকাশ: ০৯:২৮ এএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

কক্সবাজার জেলার রামুতে বাসচাপায় মো. হেলাল উদ্দিন (৩৫) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত হেলাল উদ্দিন চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের আবুল বাশারের ছেলে। তিনি সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়া মাস্টার পাড়া সুলতানিয়া নূরানী একাডেমীর প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

গতকাল সোমবার (২৪ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার তেচ্ছিপুল স্টেশন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, রামু থেকে রাতে মোটরসাইকেলে মাদরাসায় ফেরার পথে চাকমারকুল ইউনিয়নের তেচ্ছিপুল এলাকায় খাগড়াছড়িগামী একটি বাস হেলাল উদ্দিনকে চাপা দেয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

রামু ক্রসিং হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রব বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহটি হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। দুর্ঘটনা কবলিত বাসটি জব্দ করা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মাদরাসা শিক্ষক   মৃত্যু  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ছাত্রলীগ নেতাসহ ৫ যুবককে ‌‘ইভটিজিং’য়ের অভিযোগে গণধোলাই

প্রকাশ: ০৯:২০ এএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

মুন্সীগঞ্জে এক গৃহবূধকে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে শহর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সিফাত সরকারসহ ৫ যুবকে  গণধোলাই দিয়েছেন উত্তেজিত জনতা। গতকাল সোমবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সদর উপজেলার চরাঞ্চলের আধারা ইউনিয়নের বকুলতলা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। 

এসময় গণধোলাইয়ে আহত হন মুন্সীগঞ্জ শহর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সিফাত সরকার (২৪), তার সহযোগী মো. রিফাত (২২),শাওয়ন (২৩), নাঈম হাসান (২৩) ও মুন্না (২৪)। আহতদের মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ইভটিজারদের বহনকারী মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করেছেন উত্তেজিত জনতা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যা ৭ টার দিকে শহর ছাত্রলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক সিফাত সরকার তার সহযোগীদের নিয়ে ৮টি মোটরসাইকেযোগে যাচ্ছিলেন। তখন এক গৃহবধূকে অশানিল ভাষায় ইভটিজিং করেন সিফাত ও তার সহযোগীরা। এসময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয়রা ক্ষিপ্ত হন। তারা ইভটিজারদের প্রধান ছাত্রলীগ নেতা সিফাতসহ ওই ৫ জনকে গণধোলাই দেন। এরপর তাদের মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠান তারাই। তাদের বাহনকারী মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে সেখানে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। 

তবে ইভটিজিং নয় পূর্বশত্রুতার জেরে এই হামলা ও মারধর হয়েছে বলে দাবি করেছেন অভিুযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা সিফাত।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ঘটনার পরেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এখনো কোনো পক্ষ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছাত্রলীগ   ইভটিজিং  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের ৯টি জেব্রার মৃত্যু ঘিরে ‘রহস্য’

প্রকাশ: ০৮:৩৫ এএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে একে একে নয়টি জেব্রার মৃত্যু হয়েছে। গত ২ জানুয়ারি থেকে গতকাল সোমবার ২৪ জানুয়ারির মধ্যে জেব্রাগুলো মারা যায়। পার্কটিতে মোট ৩১টি জেব্রা ছিল। তবে ৯টির মৃত্যুর পর এখন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২–এ। এভাবে নয়টি জেব্রার মৃত্যু অনেকেই রহস্যজনক মনে করছেন। এটাকে বিষপ্রয়োগে পরিকল্পিত হত্যা বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট অনেকেই। স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পর পর নয়টি জেব্রার মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) বিশেষজ্ঞ বৈঠক ডেকেছে সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সাফারি পার্কের প্রকল্প পরিচালক মো. জাহিদুল কবির জানান, খাদ্যে বিষক্রিয়া, বিষ প্রয়োগ, ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণসহ নানা বিষয় মাথায় রেখেই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে ​থাকবেন বিশেষজ্ঞ প্রাণী চিকিৎসক, গবেষক ও পার্ক–সংশ্লিষ্ট লোকজন।

পার্ক–সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২ জানুয়ারি একটি জেব্রা মারা যাওয়ার পর মৃতদেহের নমুনা ঢাকার সাভারে অবস্থিত মান নিয়ন্ত্রণ গবেষণাগার এবং ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে পাঠানো হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলাফল এরই মধ্যে এসেছে।

সরেজমিন সাফারি পার্কের জেব্রার বেষ্টনী ঘুরে দেখা যায়, সাফারির ভেতর বিশাল এলাকাজুড়ে এগুলোর বসতি। সেখানে জেব্রার চারণভূমিতে আছে কৃত্রিম লেক ও প্রাকৃতিক বন। খাবার দেওয়ার জন্য রয়েছে বিশেষ পাত্র। সেখানে একই সঙ্গে খাবার খায় ওয়াইল্ড বিস্ট ও জেব্রা। সরবরাহ করা খাবার ছাড়াও চারণভূমির ঘাস খায় জেব্রাগুলো। এ ছাড়া জেব্রার চারণভূমিজুড়ে উন্মুক্তভাবে চলাফেরা করে বানর।

পার্ক সূত্র জানায়, জেব্রার খাবার মূলত বিভিন্ন ধরনের ঘাস। সাফারি পার্কে জেব্রার ঘাস সরবরাহ করে মাহবুব এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। চারণভূমির ঘাস খাওয়ার পাশাপাশি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ঘাস এনে জেব্রাগুলোকে খাওয়ানো হয়।

মাত্র ৩ সপ্তাহে ৯টি জেব্রার মৃত্যুর ঘটনা স্বীকার করে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: তাবিবুর রহমান বলেছেন, বিষয়টি নিঃসন্দেহে অস্বাভাবিক। গত ২ জানুয়ারি থেকে গত শুক্রবার পর্যন্ত মোট ৯টি জেব্রা মারা গেছে। মাঝে আরো কয়েকটা অসুস্থ হলেও চিকিৎসায় সেগুলো সুস্থ হয়েছে। এর কারণ ​কারণ খতিয়ে দেখতেই মঙ্গলবার জরুরী বিশেষজ্ঞদের বৈঠক ডাকা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গাজীপুরের শ্রীপুরে অবস্থিত এই সাফারি পার্ক দীর্ঘ দিন ধরে জেব্রার পালে সমৃদ্ধ হচ্ছিল। কিছুদিন পরপর জেব্রার পালে আসছিল নতুন অতিথি। ক্রমাগত সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে এখান থেকে জাতীয় চিড়িয়াখানায় কিছু জেব্রা পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু হঠাৎ এমন মৃত্যু পার্ক–সংশ্লিষ্ট সবাইকে ভাবিয়ে তুলেছে।

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক   জেব্রা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

‘ভিসির বাসভবনের সামনে ধর্মঘট করেছি কিন্তু বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করিনি’

প্রকাশ: ০৯:৩৪ পিএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ সিলেটের শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রসঙ্গে বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আমাদের সন্তান এবং সন্তানের মতো। তাদের দাবিদাওয়ার প্রতি সরকার সহানুভূতিশীল। আমরাও বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন নানা দাবিদাওয়া নিয়ে আন্দোলন করেছি। ভিসির বাসভবনের সামনে অবস্থান ধর্মঘট আমরাও করেছি। কিন্তু আমরা কখনো বাড়ির বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করি নাই।'

সোমবার (২৪ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'আজকে শুনলাম ভিসির বাংলোতে পানি প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। ভিসির জন্য খাবার পাঠানো হয়েছিল সে খাবারও ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। জেলখানার কয়েদিরাও খাবার পায়, পানি পায়। খাবার বন্ধ করে দেওয়া, ভিসির বাংলো কিংবা ক্যাম্পাসে বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেওয়া বা কেটে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করা এগুলো আন্দোলনের অংশ হতে পারে না এগুলো প্রতিহিংসামূলক।'

তিনি বলেন, 'আমি ছাত্রছাত্রীদের অনুরোধ জানাব, রাজনৈতিক ক্রীড়নক হিসেবে তাদেরকে যেন কেউ ব্যবহার না করে। আমি আশা করব এর একটি যৌক্তিক সমাধান হবে।'

ইসি গঠন আইনের খসড়া নিয়ে বিএনপির বিরূপ মন্তব্য প্রসঙ্গে হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান যা দেশের সর্বোচ্চ আইন, সেখানে একটি আইনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠনের কথা বলা আছে। যদিও ৫০ বছরে সেই আইন হয়নি। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশন গঠন করার লক্ষ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে সংলাপে বসেছিলেন এবং বেশির ভাগ দলই বলেছিল সংবিধান অনুযায়ী একটি আইনের মাধ্যমে যাতে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়।

তিনি বলেন, বিএনপি রাষ্ট্রপতির সংলাপে যায়নি কিন্তু বিভিন্ন রাজনৈতিক সভা, মিছিল, টক শো এবং অন্যান্য জায়গায় তারা বলেছিল আইন করতে সময় লাগে না। দু’দিনেই করা যায়, দেশে অনেক কিছুই প্রয়োজনের নিরিখে হয়েছে। আর এটি রাষ্ট্রের প্রয়োজনে। এ জন্য তারাই আইন করতে তাগিদ দিয়েছিলেন। কিন্তু আজকে যখন আইন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তখন বিএনপি বিরোধিতা করছে। আইন কিন্তু এখনো হয়নি, প্রস্তাবনাটি কেবল সংসদে উঠেছে। সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে গেছে, বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রী, সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান ব্রিফ করেছেন, বিএনপির প্রতিনিধিদের পক্ষেও ব্রিফ করা হয়েছে এবং আইনের খসড়ায় তাঁরা যে সংশোধনীগুলো প্রস্তাব করেছিলেন তার অনেক কিছুই গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংসদীয় কমিটি বলেছে। অর্থাৎ সবাইকে সাথে নিয়ে পুরো প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আইন করা হচ্ছে।

'নির্বাচন কমিশন গঠনের দায়িত্ব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবকে দিলেই কেবল বিএনপি খুশি হবে, অন্যথায় নয়' বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী   ড. হাছান মাহমুদ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন