ইনসাইড বাংলাদেশ

বিদেশে বাংলাদেশবিরোধী অপপ্রচার: পাসপোর্ট বাতিল করে কি হবে?

প্রকাশ: ০৭:০০ পিএম, ১৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যে, বিদেশে বসে যারা বাংলাদেশবিরোধী অপপ্রচারের করছেন তাদের পাসপোর্ট বাতিল করা হবে। এই সিদ্ধান্তের পর বিভিন্ন মহল মনে করছেন যে, এই সিদ্ধান্তটি যথাযথ হয়নি এবং এই সিদ্ধান্তের ফলে বিদেশে যারা বসবাস করে বাংলাদেশ বিরোধী অপপ্রচার করছে তারা আরও লাভবান হবে। এর ফলে তারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহানুভূতি পাবে। একজন কূটনীতিক বিশ্লেষক বলছেন যে, যারা বিদেশে বসে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে তাদের কারোরই বাংলাদেশ পাসপোর্ট নাই। তারা রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে বিদেশে বসে অপকর্ম করছে। উদাহরণ হিসেবে তারা বলেন, এই সমস্ত অপপ্রচারকারীদের শীর্ষ ব্যক্তি হলেন লন্ডনে পলাতক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়া। তারেক জিয়ার ২০১৩ সালের পর থেকে বাংলাদেশের পাসপোর্ট নাই, তিনি পাসপোর্ট নবায়ন করেননি। ইতোমধ্যে তিনি ব্রিটেনের নাগরিকত্ব পেয়েছেন বলে বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন আছে, নাগরিকত্ব না পেলেও তিনি সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন। এই পাসপোর্ট বাতিলের ঘটনার ফলে তারেক জিয়া প্রত্যক্ষভাবে লাভবান হবেন। কারণ, তিনি ব্রিটিশ প্রশাসনে দেখাতে পারবেন যে, বাংলাদেশ সরকার তার ওপর প্রতিহিংসামূলক আচরণ করছে এবং এর ফলে লন্ডনে বসে বাংলাদেশবিরোধী অপপ্রচার করলেও ব্রিটিশ প্রশাসন তার ব্যাপারে সহানুভূতি দেখাতে পারে। কারণ তারা মনে করবে যে, বাংলাদেশের সরকার তার ওপর নাখোশ।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে তারেক জিয়াকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার জন্য আবেদন করা হয়েছে। এই পাসপোর্ট বাতিলের সিদ্ধান্ত সেই আবেদন বিবেচনার সুযোগকে সীমিত করে দিবে বলে কূটনৈতিক মহল মনে করছেন। ব্রিটেনে বাংলাদেশবিরোধী অপপ্রচারের আরেক নাটের গুরু হলেন ড. কামাল হোসেনের জামাতা ডেভিড বার্গম্যান। তার বাংলাদেশের পাসপোর্টই নেই। বিদেশে বসে অপপ্রচারকারীদের আরেকজন হলেন, তাজ হাশমী। তাজ হাশমীর বাংলাদেশী পাসপোর্টই নেই, তিনি ব্রিটিশ পাসপোর্ট নিয়ে আছেন বলে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া গেছে। সেখানে একজন বহিষ্কৃত কর্নেল শহীদ বিভিন্নভাবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তীব্র আপত্তিকর এবং বিষেদাগার করছেন। এই ব্যক্তিরও বাংলাদেশী কোন পাসপোর্ট নেই। তিনি সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন এবং বাংলাদেশের পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন। এটি তার রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন বিবেচনা করার ক্ষেত্রে তাকে সহায়তা করবে। কারণ, তিনি দেখাতে পারবেন যে বাংলাদেশে তার জন্য নিরাপদ নয়।

অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসে যে সমস্ত ব্যক্তিরা অপপ্রচার করছেন তারা সকলেই রাজনৈতিক আশ্রয় পেয়েছেন বা রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য আবেদন করে বসবাস করছেন। তারা বাংলাদেশী পাসপোর্ট ব্যবহার করেন না এবং বাংলাদেশ সরকার যখন তাদের পাসপোর্ট বাতিলের এই সিদ্ধান্ত নিলো তখন যারা রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন এবং এখনও যাদের রাজনৈতিক আশ্রয়ের নিষ্পত্তি হয়নি তাদের জন্য উপকার হলো। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসে কনক সরওয়ার, ইলিয়াস হোসাইনসহ বেশ কয়েকজন বাংলাদেশবিরোধী এ ধরনের অপপ্রচার করছেন। এদের কারোরই বৈধ বাংলাদেশী পাসপোর্ট নেই। কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, কারা কোন বিবেচনায় এরকম পাসপোর্ট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিলো সেটি একটি বড় প্রশ্ন বটে। কারণ, এর ফলে এই অপপ্রচারকারীদেরকে সুযোগ করে দেওয়া হলো এবং ঐ সমস্ত দেশে তাদের থাকার এক ধরনের গ্যারান্টি দেওয়া হলো। সে ক্ষেত্রে করণীয় কি করা উচিত ছিলো, এ সম্পর্কে জানতে চাইলে কূটনৈতিকরা বলেন, বাংলাদেশ সরকারের প্রধানত কয়েকটি বিষয়ে করণীয়।

প্রথমত, যে সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে এই অপপ্রচারগুলো করছেন সেই সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করতে হবে, সেই অভিযোগ দায়ের এখন পর্যন্ত কতটুকু করা হয়েছে এবং এস এই অভিযোগগুলোর নিষ্পত্তি করার ব্যাপারে সরকার কতটুকু তৎপর এ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

দ্বিতীয়ত, এই সমস্ত চ্যানেলগুলোর বাংলাদেশে প্রচার বন্ধ করতে হবে। যদি ফেসবুক-ইউটিউব এই সমস্ত অপপ্রচার গুলো বাংলাদেশে প্রচারণা বন্ধ না করে তাহলে বাংলাদেশে সামরিক সময়ের জন্য হলেও ফেসবুক-ইউটিউবের মত যে সমস্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এ অপপ্রচারগুলো হচ্ছে সেগুলোকে বন্ধ করতে হবে এবং ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বা ইউটিউব কর্তৃপক্ষকে বাধ্য করতে হবে তারা যেন বাংলাদেশের নীতি, আইন এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বার্থে বাংলাদেশী নীতিমালা অনুযায়ী কনটেন্ট প্রচার করে।

তৃতীয়ত, যে সমস্ত দেশে বসে এরা করছে সে সমস্ত দেশের সরকার এবং রাষ্ট্রকে জানাতে হবে যে এই সমস্ত ব্যক্তিরা সাইবার সন্ত্রাসী। তারা তাদের দেশে বসে এই ধরণের অপপ্রচার করছে।

চতুর্থত, বিদেশে যে সমস্ত বাংলাদেশের দূতাবাস রয়েছে এবং সেখানে যারা আওয়ামী লীগ এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি রয়েছে তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে, তারা যেন এদের অপপ্রচারের সম্পর্কে পাল্টা পদক্ষেপ নেয়।

সর্বশেষ, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের নাগরিকদেরকে এবং বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় হতে হবে এবং এই সমস্ত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে পাল্টা জবাব দিতে হবে, তাদের স্বরূপ উন্মোচন করতে হবে।

এসব না করে পাসপোর্ট বাতিলের মতো সিদ্ধান্তকে অনেকেই মনে করছে অপরিপক্ব এবং অবিবেচনাপ্রসূত।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে মোদিকে শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা বার্তা

প্রকাশ: ০২:৪৭ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ভারতের ৭৩তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

বুধবার (২৬ জানুয়ারি) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে এই শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান শেখ হাসিনা। 

শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে এবং আমার নিজের পক্ষ থেকে ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে আপনাকে এবং ভারতের জনগণকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।

গত বছর ছিল বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের জন্য একটি ঐতিহাসিক বছর। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে মার্চে আপনার (মোদি) ঢাকা সফরের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি। এসব উপলক্ষগুলোতে আপনার (মোদি) উপস্থিতি নতুন মাত্রা যোগ করেছে। পাশাপাশি আমাদের চলমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুসংহত করেছে।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সমর্থনের বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী লিখেন, ১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত সরকার এবং জনগণ যে সমর্থন দিয়েছিল তা আমাদের অনন্য সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। ১৯৭১ সালে যখন ভারত বাংলাদেশকে একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ৬ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী মৈত্রী দিবসের যৌথ উদযাপন এই বিশেষ সম্পর্ককে তুলে ধরেছে।

শেখ হাসিনা আরও লিখেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমাদের দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব, সহযোগিতা এবং আস্থার জায়গা আরও শক্তিশালী থেকে শক্তিশালী হয়েছে। বিশেষ করে করোনা মহামারি চলাকালীন সময়েও আমাদের সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র প্রসারিত হয়েছে।

আগামী ৫০ বছর দুই দেশ শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে একযোগে এগিয়ে যাবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

উল্লেখ্য, ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি থেকে ভারতের সংবিধান কার্যকর হয়। তাই এই দিনটিকে ভারত প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে পালন করে থাকে। 

বাংলাদেশ   শেখ হাসিনা   ভারত   নরেন্দ্র মোদি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

‘টিকা আবিষ্কারের আগেই সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছিলাম’

প্রকাশ: ০১:৫৪ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিশ্বজুড়ে করোনা প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পরই সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকরী ব্যবস্থা হিসেবে বিনামূল্যে টিকাদানের বিষয়টি আমার সরকার অগ্রাধিকার দিয়েছে। এ লক্ষ্যে করোনা টিকা আবিষ্কার ও ব্যবহারের অনুমতি প্রাপ্তির পূর্ব হতেই আমরা টিকা সংগ্রহ ও টিকা প্রদানের বিষয়ে সকল উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলাম। তারই ফলস্বরূপ দেশব্যাপী ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখে বিনামূল্যে কোভিড টিকাদানের কার্যক্রম শুরু হয় এবং অদ্যাবধি অব্যাহত রয়েছে।

বুধবার (২৬ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদের ১৬তম অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে টাঙ্গাইল-৬ আসনের সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলামের (টিটু) এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

তিনি বলেন, দেশব্যাপী টিকাদান কার্যক্রমের আওতায় ১৭ জানুয়ারি ২০২২ পর্যন্ত আট কোটি ৯১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৭৮ জনকে ১ম ডোজ এবং ৫ কোটি ৭০ লাখ ২০ হাজার ৮৩৪ জনকে ২য় ডোজসহ মোট ১৪ কোটি ৬১ লাখ ৮৪ হাজার ৮১২ জনকে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারাবিশ্বের মতো দেশের কোভিড-১৯ মহামারি পরিস্থিতি বিবেচনা করে। বাংলাদেশ সরকারও চলমান কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রমের আওতায় বুস্টার ডোজ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এ বিষয়ে ন্যাশনাল ইম্যুনাইজেশন টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি গ্রুপ, বাংলাদেশের সুপারিশ অনুযায়ী এবং করোনাভাইরাস টিকাদান কার্যক্রম বাস্তবায়ন সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির অনুমোদনক্রমে দেশব্যাপী গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে বুস্টার ডোজ প্রদান শুরু করা হয়েছে।

বর্তমানে দেশে ষাটোর্ধ্ব জনগোষ্ঠী, সম্মুখসারির স্বাস্থ্যকর্মী ও বিদেশগামী কর্মীদের বুস্টার ডোজ দেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী   শেখ হাসিনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বিএনপি লবিস্ট হিসেবে ৮ প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দেয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: ০১:৩১ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বিএনপি প্রথম লবিস্ট নিয়োগ করেছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধের জন্য। দেড় লাখ ডলার ব্যয়ে একটি মার্কিন প্রতিষ্ঠানকে এ জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়। এভাবে দেশের স্বার্থবিরোধী কাজের জন্য ৮টি প্রতিষ্ঠানকে লবিস্ট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। লবিস্টের জন্য ব্যয় করা অর্থের উৎস্য নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে ৩০০বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে এ তথ্য তুলে ধরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে তিনি বলেন, বিএনপির সঙ্গে ওই সকল প্রতিষ্ঠানের চুক্তিপত্রগুলো আমাদের কাছে রয়েছে। যা আমরা যথাযথভাবে তুলে ধরেছি। তিনি আরো বলেন, দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে এই অপতৎপরতা নিশ্চয়ই বিএনপি নেতা-কর্মীরাও সমর্থন করবেন না। কারণ তারা নিশ্চয়ই চাইবেন না দেশের উন্নয়ন বন্ধ হয়ে যাক। বাংলাদেশের সাহায্য-সহযোগিতা বন্ধ হোক। তাই শীর্ষ কয়েকজন নেতার এই অপতৎপরতার বিরুদ্ধে বিএনপির তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা নিশ্চয়ই প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন।

সরকারের পক্ষ থেকে লবিস্ট নিয়োগের অভিযোগ অস্বীকার করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার ও দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধে যা যা করণীয়, তা করছে সরকার। দেশের মঙ্গলের জন্য, উন্নয়নের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববাসীর কাছে সত্য তুলে ধরা হচ্ছে। উন্নয়ন ও অগ্রগতির চিত্র দেখানো হচ্ছে। এর ফলে বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জল হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

এর আগে অধিবেশনে নির্বাচন কমিশন গঠন সংক্রান্ত প্রস্তাবিত আইন ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল-২০২২’ পাসের সুপারিশ করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি শহীদুজ্জামান সরকার। এছাড়াও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব সংশ্লিষ্ট কমিটির রিপোর্ট উত্থাপন করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

নীলফামারীতে ট্রেনের ধাক্কায় নিহত ৩

প্রকাশ: ১২:২২ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

নীলফামারীতে ট্রেনের ধাক্কায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন একটি অটোরিকশার চালকসহ আরও পাঁচ শ্রমিক। নিহতরা উত্তরা ইপিজেডের শ্রমিক। বুধবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জেলা সদরের দারোয়ানী রেল ক্রসিংয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ওই শ্রমিকরা সকালে দারোয়ানী বাজার এলাকার বাড়ি থেকে অটোরিকশায় কর্মস্থল উত্তরা ইপিজেডে যাচ্ছিলেন। দারোয়ানী রেলক্রসিং অতিক্রম করার সময় খুলনা থেকে চলাহাটিগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দিলে রিকশাটি কয়েক ফুট দূরে ছিটকে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলে শেফালী বেগম (৩৫) নামের এক নারী শ্রমিক মারা যান। এলাকাবাসীর সহায়তায় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আহত ৭ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে রোমানা (৩৫) ও সাহেরা (৩৫) নামের আরো দুই নারীর মৃত্যু হয়। আহতদেরকে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতাল ও রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।  

সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান বিশ্বাস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  

নীলফামারী   ট্রেন দুর্ঘটনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

আজ সংসদে পাস হতে পারে নির্বাচন কমিশন আইন

প্রকাশ: ০৯:০০ এএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

যোগ্যতা ও অযোগ্যতার দুই ধারায় কিছু সংশোধনী এনে সংসদে উত্থাপিত ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল ২০২২’ এর রিপোর্ট চূড়ান্ত করেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। বুধবার (২৬ জানুয়ারি) সংসদের ১৭তম অধিবেশনে কমিটির প্রতিবেদন উপস্থাপন করে নির্বাচন কমিশন আইনটি পাস হতে পারে।

এর আগে, রোববার (২৩ জানুয়ারি) আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশিদ বিলটি উত্থাপনে আপত্তি তুললে কণ্ঠভোটে তা নাকচ হয়।

সংসদে উত্থাপিত বিলে সিইসি ও কমিশনারদের যোগ্যতা সংক্রান্ত ধারায় পরিবর্তন করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। ৫ (গ) ধারায় বলা আছে, সিইসি ও কমিশনার হতে গেলে, কোনো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, বিচার বিভাগীয়, আধা সরকারি বা বেসরকারি পদে তার অন্যূন ২০ বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

এই ধারায় সরকারি, বিচার বিভাগীয়, আধা সরকারি বা বেসরকারি পদের পাশাপাশি ‘স্বায়ত্তশাসিত ও অন্যান্য পেশা’ যুক্ত করা হবে।

আর অযোগ্যতার ক্ষেত্রে ৬ (ঘ) ধারায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এখন সেখানে বলা আছে, নৈতিক স্খলনজনিত ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্যূন দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে সিইসি ও কমিশনার হওয়া যাবে না। এখানে দুই বছরের কারাদণ্ড উঠিয়ে শুধু কারাদণ্ডের সুপারিশ করা হয়েছে। অর্থাৎ নৈতিকস্খলন, ফৌজদারি অপরাধে যেকোনো মেয়াদের সাজা হলেই সিইসি বা কমিশনার হওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

সংসদীয় কমিটির বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি শহীদুজ্জামান সরকার সাংবাদিকদের এসব পরিবর্তনের বিষয়ে জানান।

তিনি বলেন, সংসদীয় কমিটি বিস্তারিত আলোচনা করে প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছে। আমরা যোগ্যতা ও অযোগ্যতার জায়গায় কিছু পরিবর্তন এনেছি। সেভাবেই সংসদে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

তিনি জানান, দুই বছরের কারাদণ্ডের জায়গাটা পরিবর্তন করা হয়েছে। দুই বছর উঠিয়ে দিয়ে কারাদণ্ড করে দেওয়া হয়েছে। আর সরকারি, বিচার বিভাগীয়, আধাসরকারি বা বেসরকারি পদের পাশাপাশি ‘স্বায়ত্তশাসিত ও অন্যান্য পেশা’ যুক্ত করার জন্য সুপারিশ করেছি।

সংসদে উত্থাপিত বিলটিকে আগের সার্চ কমিটি ও নির্বাচন কমিশনকে ‘বৈধতা’ দেওয়া হচ্ছে বলে যে আলোচনা রয়েছে সে বিষয়ে জানতে চাইলে শহীদুজ্জামান বলেন, ইনডেমনিটি বলছে অনেকে। ইনডেমনিটি নয়। বিলের ৯ দফায় কিন্তু আগের দুটো সার্চ কমিটির বৈধতা দেওয়া হয়েছে। ওই দুই সার্চ কমিটিকে আইনি বৈধতা দেওয়া হয়েছে। একটা লিগ্যাল সাপোর্ট দেওয়া। সার্চ কমিটি রাষ্ট্রপতি ঐকমত্যের ভিত্তিতে করেছিলেন। সেটাকে সাপোর্ট দেওয়া হলো। কোনো দায়মুক্তি নয়। আর আইনটা কিন্তু নির্বাচন কমিশন গঠনের বিষয়ে। সার্চ কমিটির আইন নয়।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগের দুটো কমিশনের কার্যক্রমকে হেফাজত দেওয়ার বিষয় এখানে আসেনি। শুধুমাত্র সার্চ কমিটির বৈধতা দেওয়া হয়েছে।

সংসদে উত্থাপিত বিলে বলা হয়েছে, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগদানের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ইতঃপূর্বে গঠিত অনুসন্ধান কমিটির ও তৎকর্তৃক সম্পাদিত কার্যাবলী এবং উক্ত অনুসন্ধান কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগ বৈধ ছিল বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত বিষয়ে কোনো আদালতে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।’

ইসি গঠন আইন   সংসদ   বিএনপি   আওয়ামী লীগ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন