ইনসাইড বাংলাদেশ

১৬১২২ নাম্বারে ফোন করে নামজারির আবেদনের সুবিধা শীঘ্রই: ভূমি সচিব

প্রকাশ: ০৭:২৪ পিএম, ১৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, দুর্নীতির সুযোগ কমাতে মাঠ পর্যায়ে ভূমি কর্মকর্তাদের “বিবেচনামূলক ক্ষমতা” (Discretionary Power) কমিয়ে পুরো ভূমি ব্যবস্থাপনাকে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি (এসওপি) (Standard Operating Procedure - SOP)’র আওতায় আনা হচ্ছে। এতে ভূমি সেবাদানকারী কর্মকর্তাদের দুর্নীতির সুযোগ বহুলাংশে কমে যাবে।

শনিবার (১৫ জানুয়ারি) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান, পিএএ, ঢাকার তেজগাঁওস্থ এফডিসির মিলনায়তনে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে ‘ভূমি ব্যবস্থাপনায় জনঅংশগ্রহণ ও সুশাসন' শীর্ষক এক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

ভূমি সচিব তাঁর বক্তব্যে বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভূমি মন্ত্রণালয় পরিদর্শনের সময় ৩১টি দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন। ভূমিমন্ত্রী সাইফুজামান চৌধুরীর নেতৃত্বে ভূমি মন্ত্রণালয় আজ তা বাস্তবায়ন করছে।

এসময় ভূমি সচিব আরও জানান, বাংলাদেশের একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের সুবিধার্থে ১৬১২২ নম্বরে ফোনযোগে খতিয়ান (পর্চা) ও জমির ম্যাপের আবেদন এবং ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানের সুবিধার মতই ফোনযোগে নামজারির আবেদনের সুযোগও তৈরি করা হচ্ছে। এতে ডিজিটাল ভূমিসেবা গ্রহণে স্মার্ট ফোন কিংবা ইন্টারনেট ব্যবহার করার প্রয়োজনও নেই। এছাড়া জমির যেসব দলিলাদি ইতোমধ্যে সরকারি অফিসে আছে এ পদ্ধতিতে তাও আলাদা করে আর জমা দিতে হবেনা। এতে নামজারি করা আরও সহজ হবে।

ভূমি সচিব বলেন ভূমি অপরাধ আইনের খসড়া তৈরি প্রায় শেষ এবং মতামতের জন্য শীঘ্রই তা উন্মুক্ত করা হবে। এছাড়া ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে তিন জানান।

একটি প্রশ্নের জবাবে ভূমি সচিব জানান, সরকারি নীতির কারণে ভূমিসেবা হটলাইন ১৬১২২ এখনই টোল-ফ্রি করা সম্ভব হচ্ছেনা। কেননা ভূমি বিষয়টি সংকটকালীন জরুরি সেবার অন্তর্ভুক্ত নয়।

উল্লেখ্য, যেকোনো গৃহীতব্য সিদ্ধান্তের বিষয়ে আইনি কাঠামোর মধ্যে যেকোনো সিদ্ধান্ত প্রদানের অবাধ স্বাধীনতার ক্ষমতাকে বিবেচনামূলক ক্ষমতা (Discretionary Power) বলা হয়। অর্থাৎ, একের অধিক আইনিভাবে গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্তের মধ্যে থেকে যেকোনো একটি, যা সিদ্ধান্ত প্রদানকারীর নিকট সবচেয়ে উপযুক্ত বলে মনে হয়, সেটি বাছাই করার ক্ষমতাই 'বিবেচনামূলক ক্ষমতা'। অনেক অসাধু কর্মকর্তারা তাদের এই ক্ষমতা প্রয়োগ করে দুর্নীতি করেন। অন্যদিকে, স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি (এসওপি)/(Standard Operating Procedure - SOP) হচ্ছে কোনও বিষয়ে সংকলিত ও লিখিত প্রতিটি ধাপের নির্দেশাবলী। সব ধরণের বাস্তব দৃশ্যকল্পের কথা বিবেচনা করে এই নির্দেশাবলী তৈরি করা হয়। কেউ নিজ ইচ্ছেমত আর সিদ্ধান্ত দিতে পারেনা যদি এসওপি থাকে।

যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সরকারি দল হিসেবে বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ও বিরোধী দল হিসেবে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস-এর বিতার্কিকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলের মাঝে ট্রফিসহ অন্যান্য সনদপত্র বিতরণ করেন ভূমি সচিব।

ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ রইস, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ধরিত্রী কুমার সরকার, জ্যৈষ্ঠ সাংবাদিক বিএম জাহাঙ্গীর এবং আলমগীর স্বপন। অনুষ্ঠানের সভাপতি এসময় মডারেটর হিসেবে দায়িত্বপালন করেন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও তাঁদের অভিভাবক এবং গণমাধ্যমকর্মীরা এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

ভূমি সচিব  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

নীলফামারীতে ট্রেনের ধাক্কায় নিহত ৩

প্রকাশ: ১২:২২ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

নীলফামারীতে ট্রেনের ধাক্কায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন একটি অটোরিকশার চালকসহ আরও পাঁচ শ্রমিক। নিহতরা উত্তরা ইপিজেডের শ্রমিক। বুধবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জেলা সদরের দারোয়ানী রেল ক্রসিংয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ওই শ্রমিকরা সকালে দারোয়ানী বাজার এলাকার বাড়ি থেকে অটোরিকশায় কর্মস্থল উত্তরা ইপিজেডে যাচ্ছিলেন। দারোয়ানী রেলক্রসিং অতিক্রম করার সময় খুলনা থেকে চলাহাটিগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দিলে রিকশাটি কয়েক ফুট দূরে ছিটকে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলে শেফালী বেগম (৩৫) নামের এক নারী শ্রমিক মারা যান। এলাকাবাসীর সহায়তায় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আহত ৭ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে রোমানা (৩৫) ও সাহেরা (৩৫) নামের আরো দুই নারীর মৃত্যু হয়। আহতদেরকে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতাল ও রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।  

সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান বিশ্বাস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  

নীলফামারী   ট্রেন দুর্ঘটনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

আজ সংসদে পাস হতে পারে নির্বাচন কমিশন আইন

প্রকাশ: ০৯:০০ এএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

যোগ্যতা ও অযোগ্যতার দুই ধারায় কিছু সংশোধনী এনে সংসদে উত্থাপিত ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল ২০২২’ এর রিপোর্ট চূড়ান্ত করেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। বুধবার (২৬ জানুয়ারি) সংসদের ১৭তম অধিবেশনে কমিটির প্রতিবেদন উপস্থাপন করে নির্বাচন কমিশন আইনটি পাস হতে পারে।

এর আগে, রোববার (২৩ জানুয়ারি) আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশিদ বিলটি উত্থাপনে আপত্তি তুললে কণ্ঠভোটে তা নাকচ হয়।

সংসদে উত্থাপিত বিলে সিইসি ও কমিশনারদের যোগ্যতা সংক্রান্ত ধারায় পরিবর্তন করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। ৫ (গ) ধারায় বলা আছে, সিইসি ও কমিশনার হতে গেলে, কোনো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, বিচার বিভাগীয়, আধা সরকারি বা বেসরকারি পদে তার অন্যূন ২০ বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

এই ধারায় সরকারি, বিচার বিভাগীয়, আধা সরকারি বা বেসরকারি পদের পাশাপাশি ‘স্বায়ত্তশাসিত ও অন্যান্য পেশা’ যুক্ত করা হবে।

আর অযোগ্যতার ক্ষেত্রে ৬ (ঘ) ধারায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এখন সেখানে বলা আছে, নৈতিক স্খলনজনিত ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্যূন দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে সিইসি ও কমিশনার হওয়া যাবে না। এখানে দুই বছরের কারাদণ্ড উঠিয়ে শুধু কারাদণ্ডের সুপারিশ করা হয়েছে। অর্থাৎ নৈতিকস্খলন, ফৌজদারি অপরাধে যেকোনো মেয়াদের সাজা হলেই সিইসি বা কমিশনার হওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

সংসদীয় কমিটির বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি শহীদুজ্জামান সরকার সাংবাদিকদের এসব পরিবর্তনের বিষয়ে জানান।

তিনি বলেন, সংসদীয় কমিটি বিস্তারিত আলোচনা করে প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছে। আমরা যোগ্যতা ও অযোগ্যতার জায়গায় কিছু পরিবর্তন এনেছি। সেভাবেই সংসদে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

তিনি জানান, দুই বছরের কারাদণ্ডের জায়গাটা পরিবর্তন করা হয়েছে। দুই বছর উঠিয়ে দিয়ে কারাদণ্ড করে দেওয়া হয়েছে। আর সরকারি, বিচার বিভাগীয়, আধাসরকারি বা বেসরকারি পদের পাশাপাশি ‘স্বায়ত্তশাসিত ও অন্যান্য পেশা’ যুক্ত করার জন্য সুপারিশ করেছি।

সংসদে উত্থাপিত বিলটিকে আগের সার্চ কমিটি ও নির্বাচন কমিশনকে ‘বৈধতা’ দেওয়া হচ্ছে বলে যে আলোচনা রয়েছে সে বিষয়ে জানতে চাইলে শহীদুজ্জামান বলেন, ইনডেমনিটি বলছে অনেকে। ইনডেমনিটি নয়। বিলের ৯ দফায় কিন্তু আগের দুটো সার্চ কমিটির বৈধতা দেওয়া হয়েছে। ওই দুই সার্চ কমিটিকে আইনি বৈধতা দেওয়া হয়েছে। একটা লিগ্যাল সাপোর্ট দেওয়া। সার্চ কমিটি রাষ্ট্রপতি ঐকমত্যের ভিত্তিতে করেছিলেন। সেটাকে সাপোর্ট দেওয়া হলো। কোনো দায়মুক্তি নয়। আর আইনটা কিন্তু নির্বাচন কমিশন গঠনের বিষয়ে। সার্চ কমিটির আইন নয়।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগের দুটো কমিশনের কার্যক্রমকে হেফাজত দেওয়ার বিষয় এখানে আসেনি। শুধুমাত্র সার্চ কমিটির বৈধতা দেওয়া হয়েছে।

সংসদে উত্থাপিত বিলে বলা হয়েছে, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগদানের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ইতঃপূর্বে গঠিত অনুসন্ধান কমিটির ও তৎকর্তৃক সম্পাদিত কার্যাবলী এবং উক্ত অনুসন্ধান কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগ বৈধ ছিল বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত বিষয়ে কোনো আদালতে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।’

ইসি গঠন আইন   সংসদ   বিএনপি   আওয়ামী লীগ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

আজ গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে সিদ্ধান্ত

প্রকাশ: ০৮:৪৫ এএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়াতে বিতরণ কম্পানিগুলোর প্রস্তাবের বিষয়ে বৈঠকে বসছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি)। আজ বুধবার (২৬ জানুয়ারি) বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে। বিইআরসি সূত্র বলছে, আদৌ তাদের প্রস্তাব আমলে নিয়ে দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হবে কি না সে বিষয়ে আজ বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে।

দেশে আবারও উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, যার কারণে নতুন করে আবারও মানুষের জীবনযাত্রায় প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। কিছুদিন আগে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে গণপরিবহনে ভাড়াসহ সব ধরনের পণ্যের মূল্যে।

এখন যদি আবার গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বেড়ে যায়, সে ক্ষেত্রে মানুষের জীবনে বাড়তি চাপ পড়বে। সংগত কারণে সরকার বিষয়টি নিয়ে আবারও ‘চিন্তা করছে’ বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

বিইআরসির আইন অনুযায়ী, যদি কমিশন প্রস্তাবগুলো আমলে নেয়, তাহলে গণশুনানিতে দাম নির্ধারিত হবে। গণশুনানিতে আবেদনকারী কম্পানিগুলো দাম বাড়ানোর যৌক্তিকতা প্রমাণ করতে পারলে কমিশন ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন দাম নির্ধারণ করবে।

সম্প্রতি গ্যাস বিতরণকারী কম্পানিগুলো দ্বিগুণের বেশি দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। তাদের প্রস্তাব অনুসারে বাসাবাড়ির দুই চুলার মাসিক বিল হবে দুই হাজার ১০০ টাকা, যা এখন ৯৭৫ টাকা।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পুলিশের সেবাপ্রার্থীরা যেন কোনোভাবেই হয়রানির শিকার না হয়: রাষ্ট্রপতি

প্রকাশ: ১০:০১ পিএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

সেবাপ্রার্থীরা যেন কোনোমতেই হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে পুলিশ সদস্যদের খেয়াল রাখার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ‘পুলিশ সপ্তাহ ২০২২’ উপলক্ষে বঙ্গভবন থেকে ভার্চুয়ালি দেওয়া এক ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, সাধারণ মানুষ বিপদে পড়লে আইনি সেবা নিতে পুলিশের কাছে যায়। আপনারা তাদের সমস্যা এবং অভিযোগগুলো খুব মনোযোগ সহকারে শুনবেন এবং তাদের (বিপন্ন ব্যক্তিদের) আন্তরিকভাবে আইনি পরিষেবা দিতে দ্বিধা করবেন না।

‘দক্ষ পুলিশ, সমৃদ্ধ দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ২৩ থেকে ২৭ জানুয়ারি- ২০২২ পুলিশ সপ্তাহ পালিত হচ্ছে।

মো. আবদুল হামিদ বলেন, আপনি (পুলিশ) বন্ধু হিসেবে জনগণের পাশে থাকবেন। মানবিক পুলিশ হোন এবং জনগণকে সেবা দিয়ে এবং সত্যিকারের শক্তিতে পরিণত হওয়ার জন্য তাদের আস্থা অর্জন করে আপনার দায়িত্ব পালন করুন।

রাষ্ট্রপ্রধান মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশপ্রেম, সততা ও পরম নিষ্ঠার সঙ্গে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার জন্য পুলিশ বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ পুলিশকে একটি আধুনিক ও উন্নত দেশের উপযোগী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির (আইটি) প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের সেবায় প্রবেশও সহজতর হয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সময়োপযোগী পুলিশি সেবা দিতে ইতোমধ্যে নতুন ইউনিট গঠন করা হয়েছে। এর ফলে পুলিশের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং জনগণ সহজেই ভালো পুলিশি সেবা পাবে। কমিউনিটি পুলিশিং এবং বিট পুলিশিংয়ে জনগণের আরও সম্পৃক্ততার ওপর জোর দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, পুলিশের একার পক্ষে সমাজ থেকে অপরাধ দমন করা সম্ভব নয়।

রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, বাংলাদেশ পুলিশকে একটি ‘জনবান্ধব পুলিশ ও মানবিক পুলিশ’ হিসেবে গড়ে তুলতে আপনাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা চালাতে হবে।

বর্তমান সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে কাজ করছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, দেশ ইতোমধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে ব্যাপক অগ্রগতি লাভ করেছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণের মাধ্যমে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পুলিশকে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশকে নতুন গবেষণা ও উদ্ভাবনে সমৃদ্ধ হতে হবে। বাংলাদেশ পুলিশের জন্য একটি থিঙ্ক ট্যাঙ্ক থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

প্রযুক্তি বিকাশের ধারায় বর্তমান বিশ্বে অন্যান্য অপরাধের মধ্যে দেশীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক এবং বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে সাইবার ক্রাইম বৃদ্ধি পাচ্ছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় আমাদের পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে হবে এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ, প্রশিক্ষিত ও দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে হবে।

আবদুল হামিদ বলেন, ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পুলিশ সদস্যদের সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত করতে হবে। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে অভিযান বাংলাদেশ পুলিশের অন্যতম বড় সাফল্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করতে হবে, এর বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে।

মাদকের অপব্যবহারকে একটি বড় সামাজিক ব্যাধি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের যুব সমাজের একটি অংশ পুলিশসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কিছু অসাধু কর্মচারীর সহায়তায় মাদক সংক্রান্ত অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। এ ব্যাপারে পুলিশকে আরও সক্রিয় হতে হবে। এ ব্যাপারে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির বিবেচনা করতে হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ মহামারিতে সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে জনগণের সেবা করার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তিনি দেশের জনগণের সেবা ও নিরাপত্তার জন্য জীবন উৎসর্গকারী সব নির্ভীক পুলিশ সদস্যদের বিদেহী আত্মার চির শান্তি কামনা করেন।

এসময় রাজারবাগের পুলিশ লাইন্স প্রান্তে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আখতার হোসেন, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মানুষ ভেনিস ঘুরতে না গিয়ে ঢাকায় আসবে: তাজুল ইসলাম

প্রকাশ: ০৯:৪৫ পিএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ঢাকার খাল গুলো উদ্ধার করে নৌ চলাচল ও দুই পাশে ওয়াক ওয়ে নির্মাণ এবং দৃষ্টিনন্দন করা যায় তাহলে মানুষ ভেনিস ঘুরতে না গিয়ে ঢাকা শহরে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো.তাজুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলায় রামচন্দ্রপুর খালের অবৈধ স্থাপনা উদ্ধার অভিযান কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে এ মন্তব্য করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।

এ সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ঢাকা শহরের ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতেই হবে। ঢাকা শহরে এখনও ৫৩টি খালের অস্তিত্ব রয়েছে। এসব খাল উদ্ধার করে যদি নৌ চলাচল ও দুই পাশে ওয়াক ওয়ে নির্মাণের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি দৃষ্টিনন্দন করা যায় তাহলে মানুষ ভেনিস ঘুরতে না গিয়ে ঢাকা শহরে আসবে।

তিনি আরও বলেন, রাজধানীর সকল খালগুলোর একটির সাথে অন্যটির সংযোগ তৈরি করে ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট চালু করা হবে। এ লক্ষ্যে বিদেশি বিনিয়োগ সংস্থার সাথে একাধিক সভা করে প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে। খুব শিগগিরই কাজ শুরু হবে।

তাজুল ইসলাম বলেন, মন্ত্রী-জনপ্রতিনিধির হাতে দায়িত্ব দিলে খাল উদ্ধার করা সহজ হবে। কারণ জনপ্রতিনিধিদের সাথে জনগণ থাকে। তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ করলে সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা সম্ভব। সে উদ্দেশ্যেই রাজধানীর কিছু খাল ঢাকা ওয়াসার নিকট থেকে দুই সিটি কর্পোরেশনের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই দুই সিটি করপোরেশন জোরালো অভিযান চালিয়ে খাল উদ্ধার কাজ শুরু করেছে যার ফলাফল এখন দৃশ্যমান।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ওয়াটার বোর্ডের অধীনে থাকা খালগুলো হস্তান্তরের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট থেকে অনুমোদন নেওয়া হয়েছে। এছাড়া গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন থাকা খালসমূহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ সময় উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, স্থানীয় সংসদ সদস্য, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি, নগর স্থপতি এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলরগণ উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী   তাজুল ইসলাম  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন