ইনসাইড বাংলাদেশ

বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের নীলনকশা দৃশ্যমান হচ্ছে

প্রকাশ: ০৮:০০ পিএম, ১৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশবিরোধী এক গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। এই ষড়যন্ত্রের নীলনকশা ক্রমশ দৃশ্যমান হচ্ছে। এই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই দেশে-বিদেশে সাইবার ক্রিমিনালরা বাংলাদেশবিরোধী অপপ্রচারে লিপ্ত আছে। আর এই অপপ্রচার গুলোকে অভিযোগ আকারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে দেয়া হচ্ছে। বিভিন্ন দেশীয় মানবাধিকার সংগঠনগুলোকে অর্থ দিয়ে বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন, গুম ইত্যাদি বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরি করানো হচ্ছে। আর এই সমস্ত প্রতিবেদনগুলো আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের কাছে দেওয়া হচ্ছে, তাদের কাছে লবিং করা হচ্ছে। এ সমস্ত লবিংয়ের ফলে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, অ্যামিনেস্ট ইন্টারন্যাশনাল এর মত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো বাংলাদেশবিরোধী অপপ্রচার করছে। এর সবগুলো মিলে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরই করার চেষ্টা করা হচ্ছে যাতে আন্তর্জাতিক মহলে একটি ধারণা তৈরি হয় যে, বাংলাদেশে গণতন্ত্র হুমকির মুখে, বাংলাদেশে মানবাধিকার নেই এবং এরকম একটি পরিস্থিতি তৈরি করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে যেন বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করতে উদ্বুদ্ধ করা হয়।

বিশেষ করে এদের মূল লক্ষ্য হলো, জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন করার। সেই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে বিভিন্ন ধাপে এই পরিকল্পনাগুলো চলছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এখনই বাংলাদেশ সরকার এবং সংশ্লিষ্টদের উচিত এ ধরনের অপপ্রচার, ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, গত এক বছরের বেশি সময় ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, লন্ডন, কানাডা, সুইজারল্যান্ডে লাগামহীন বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণা চলছে। এই প্রচারণার একাধিক দৃশ্যমান রূপ আছে। বিভিন্ন সূত্র বলছে যে, আল-জাজিরার প্রতিবেদনটি ছিলো এই অপপ্রচারের একটি বাস্তব প্রকাশ। এছাড়াও ইউটিউব, ফেসবুকের মত সোশ্যাল মিডিয়াগুলো ব্যবহার করে প্রতিদিন গোয়েবলসি কায়দায় মিথ্যাচার করা হচ্ছে। এই সমস্ত মিথ্যাচারগুলি আবার গ্রন্থিত করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন, জাতিসংঘে দেয়া হচ্ছে। যেন তারা বাংলাদেশের সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করে। এক্ষেত্রে যে তারা কিছুটা সফল হয়নি এমনটি নয়।

ইতিমধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একাধিক ধরনের নেতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যেমন গণতন্ত্র সম্মেলনে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানায়নি, বাংলাদেশের ৭ জন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এই ধরনের পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্ক একটি নাজুক পরিস্থিতির মধ্যদিয়ে যাচ্ছে। শুধু মার্কিন প্রশাসনের কাছে নয় বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, জাতিসংঘেও বাংলাদেশের মানবাধিকার, গণতন্ত্র এবং গুম নিয়ে বিভিন্ন রকম বানোয়াট মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করা হচ্ছে, যেন জাতিসংঘ এ ব্যাপারে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। আর এই সমস্ত তৎপরতা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছে বাংলাদেশের সুশীল সমাজের একটি অংশ এবং তাদের নিয়ন্ত্রিত কিছু মানবাধিকার সংগঠন। সম্প্রতি বাংলাদেশের গুম নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো তৎপর হয়েছে। আর এই তৎপরতার পিছনে রয়েছে বাংলাদেশের সুশীল সমাজ নিয়ন্ত্রিত দুটি দৈনিক পত্রিকার ভূমিকা এবং স্থানীয় দু'একটি এনজিও। এরাই তথ্যগুলো আন্তর্জাতিক মহলের হাতে তুলে দিচ্ছে। মূলত আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একটি চাপ সৃষ্টি এই নীল নকশার অংশ বলে বিভিন্ন মহল নিশ্চিত করেছে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বিএনপি লবিস্ট হিসেবে ৮ প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দেয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: ০১:৩১ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বিএনপি প্রথম লবিস্ট নিয়োগ করেছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধের জন্য। দেড় লাখ ডলার ব্যয়ে একটি মার্কিন প্রতিষ্ঠানকে এ জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়। এভাবে দেশের স্বার্থবিরোধী কাজের জন্য ৮টি প্রতিষ্ঠানকে লবিস্ট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। লবিস্টের জন্য ব্যয় করা অর্থের উৎস্য নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে ৩০০বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে এ তথ্য তুলে ধরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে তিনি বলেন, বিএনপির সঙ্গে ওই সকল প্রতিষ্ঠানের চুক্তিপত্রগুলো আমাদের কাছে রয়েছে। যা আমরা যথাযথভাবে তুলে ধরেছি। তিনি আরো বলেন, দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে এই অপতৎপরতা নিশ্চয়ই বিএনপি নেতা-কর্মীরাও সমর্থন করবেন না। কারণ তারা নিশ্চয়ই চাইবেন না দেশের উন্নয়ন বন্ধ হয়ে যাক। বাংলাদেশের সাহায্য-সহযোগিতা বন্ধ হোক। তাই শীর্ষ কয়েকজন নেতার এই অপতৎপরতার বিরুদ্ধে বিএনপির তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা নিশ্চয়ই প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন।

সরকারের পক্ষ থেকে লবিস্ট নিয়োগের অভিযোগ অস্বীকার করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার ও দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধে যা যা করণীয়, তা করছে সরকার। দেশের মঙ্গলের জন্য, উন্নয়নের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববাসীর কাছে সত্য তুলে ধরা হচ্ছে। উন্নয়ন ও অগ্রগতির চিত্র দেখানো হচ্ছে। এর ফলে বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জল হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

এর আগে অধিবেশনে নির্বাচন কমিশন গঠন সংক্রান্ত প্রস্তাবিত আইন ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল-২০২২’ পাসের সুপারিশ করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি শহীদুজ্জামান সরকার। এছাড়াও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব সংশ্লিষ্ট কমিটির রিপোর্ট উত্থাপন করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

নীলফামারীতে ট্রেনের ধাক্কায় নিহত ৩

প্রকাশ: ১২:২২ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

নীলফামারীতে ট্রেনের ধাক্কায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন একটি অটোরিকশার চালকসহ আরও পাঁচ শ্রমিক। নিহতরা উত্তরা ইপিজেডের শ্রমিক। বুধবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জেলা সদরের দারোয়ানী রেল ক্রসিংয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ওই শ্রমিকরা সকালে দারোয়ানী বাজার এলাকার বাড়ি থেকে অটোরিকশায় কর্মস্থল উত্তরা ইপিজেডে যাচ্ছিলেন। দারোয়ানী রেলক্রসিং অতিক্রম করার সময় খুলনা থেকে চলাহাটিগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দিলে রিকশাটি কয়েক ফুট দূরে ছিটকে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলে শেফালী বেগম (৩৫) নামের এক নারী শ্রমিক মারা যান। এলাকাবাসীর সহায়তায় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আহত ৭ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে রোমানা (৩৫) ও সাহেরা (৩৫) নামের আরো দুই নারীর মৃত্যু হয়। আহতদেরকে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতাল ও রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।  

সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান বিশ্বাস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  

নীলফামারী   ট্রেন দুর্ঘটনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

আজ সংসদে পাস হতে পারে নির্বাচন কমিশন আইন

প্রকাশ: ০৯:০০ এএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

যোগ্যতা ও অযোগ্যতার দুই ধারায় কিছু সংশোধনী এনে সংসদে উত্থাপিত ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল ২০২২’ এর রিপোর্ট চূড়ান্ত করেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। বুধবার (২৬ জানুয়ারি) সংসদের ১৭তম অধিবেশনে কমিটির প্রতিবেদন উপস্থাপন করে নির্বাচন কমিশন আইনটি পাস হতে পারে।

এর আগে, রোববার (২৩ জানুয়ারি) আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশিদ বিলটি উত্থাপনে আপত্তি তুললে কণ্ঠভোটে তা নাকচ হয়।

সংসদে উত্থাপিত বিলে সিইসি ও কমিশনারদের যোগ্যতা সংক্রান্ত ধারায় পরিবর্তন করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। ৫ (গ) ধারায় বলা আছে, সিইসি ও কমিশনার হতে গেলে, কোনো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, বিচার বিভাগীয়, আধা সরকারি বা বেসরকারি পদে তার অন্যূন ২০ বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

এই ধারায় সরকারি, বিচার বিভাগীয়, আধা সরকারি বা বেসরকারি পদের পাশাপাশি ‘স্বায়ত্তশাসিত ও অন্যান্য পেশা’ যুক্ত করা হবে।

আর অযোগ্যতার ক্ষেত্রে ৬ (ঘ) ধারায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এখন সেখানে বলা আছে, নৈতিক স্খলনজনিত ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্যূন দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে সিইসি ও কমিশনার হওয়া যাবে না। এখানে দুই বছরের কারাদণ্ড উঠিয়ে শুধু কারাদণ্ডের সুপারিশ করা হয়েছে। অর্থাৎ নৈতিকস্খলন, ফৌজদারি অপরাধে যেকোনো মেয়াদের সাজা হলেই সিইসি বা কমিশনার হওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

সংসদীয় কমিটির বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি শহীদুজ্জামান সরকার সাংবাদিকদের এসব পরিবর্তনের বিষয়ে জানান।

তিনি বলেন, সংসদীয় কমিটি বিস্তারিত আলোচনা করে প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছে। আমরা যোগ্যতা ও অযোগ্যতার জায়গায় কিছু পরিবর্তন এনেছি। সেভাবেই সংসদে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

তিনি জানান, দুই বছরের কারাদণ্ডের জায়গাটা পরিবর্তন করা হয়েছে। দুই বছর উঠিয়ে দিয়ে কারাদণ্ড করে দেওয়া হয়েছে। আর সরকারি, বিচার বিভাগীয়, আধাসরকারি বা বেসরকারি পদের পাশাপাশি ‘স্বায়ত্তশাসিত ও অন্যান্য পেশা’ যুক্ত করার জন্য সুপারিশ করেছি।

সংসদে উত্থাপিত বিলটিকে আগের সার্চ কমিটি ও নির্বাচন কমিশনকে ‘বৈধতা’ দেওয়া হচ্ছে বলে যে আলোচনা রয়েছে সে বিষয়ে জানতে চাইলে শহীদুজ্জামান বলেন, ইনডেমনিটি বলছে অনেকে। ইনডেমনিটি নয়। বিলের ৯ দফায় কিন্তু আগের দুটো সার্চ কমিটির বৈধতা দেওয়া হয়েছে। ওই দুই সার্চ কমিটিকে আইনি বৈধতা দেওয়া হয়েছে। একটা লিগ্যাল সাপোর্ট দেওয়া। সার্চ কমিটি রাষ্ট্রপতি ঐকমত্যের ভিত্তিতে করেছিলেন। সেটাকে সাপোর্ট দেওয়া হলো। কোনো দায়মুক্তি নয়। আর আইনটা কিন্তু নির্বাচন কমিশন গঠনের বিষয়ে। সার্চ কমিটির আইন নয়।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগের দুটো কমিশনের কার্যক্রমকে হেফাজত দেওয়ার বিষয় এখানে আসেনি। শুধুমাত্র সার্চ কমিটির বৈধতা দেওয়া হয়েছে।

সংসদে উত্থাপিত বিলে বলা হয়েছে, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগদানের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ইতঃপূর্বে গঠিত অনুসন্ধান কমিটির ও তৎকর্তৃক সম্পাদিত কার্যাবলী এবং উক্ত অনুসন্ধান কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগ বৈধ ছিল বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত বিষয়ে কোনো আদালতে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।’

ইসি গঠন আইন   সংসদ   বিএনপি   আওয়ামী লীগ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

আজ গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে সিদ্ধান্ত

প্রকাশ: ০৮:৪৫ এএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়াতে বিতরণ কম্পানিগুলোর প্রস্তাবের বিষয়ে বৈঠকে বসছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি)। আজ বুধবার (২৬ জানুয়ারি) বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে। বিইআরসি সূত্র বলছে, আদৌ তাদের প্রস্তাব আমলে নিয়ে দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হবে কি না সে বিষয়ে আজ বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে।

দেশে আবারও উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, যার কারণে নতুন করে আবারও মানুষের জীবনযাত্রায় প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। কিছুদিন আগে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে গণপরিবহনে ভাড়াসহ সব ধরনের পণ্যের মূল্যে।

এখন যদি আবার গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বেড়ে যায়, সে ক্ষেত্রে মানুষের জীবনে বাড়তি চাপ পড়বে। সংগত কারণে সরকার বিষয়টি নিয়ে আবারও ‘চিন্তা করছে’ বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

বিইআরসির আইন অনুযায়ী, যদি কমিশন প্রস্তাবগুলো আমলে নেয়, তাহলে গণশুনানিতে দাম নির্ধারিত হবে। গণশুনানিতে আবেদনকারী কম্পানিগুলো দাম বাড়ানোর যৌক্তিকতা প্রমাণ করতে পারলে কমিশন ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন দাম নির্ধারণ করবে।

সম্প্রতি গ্যাস বিতরণকারী কম্পানিগুলো দ্বিগুণের বেশি দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। তাদের প্রস্তাব অনুসারে বাসাবাড়ির দুই চুলার মাসিক বিল হবে দুই হাজার ১০০ টাকা, যা এখন ৯৭৫ টাকা।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পুলিশের সেবাপ্রার্থীরা যেন কোনোভাবেই হয়রানির শিকার না হয়: রাষ্ট্রপতি

প্রকাশ: ১০:০১ পিএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

সেবাপ্রার্থীরা যেন কোনোমতেই হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে পুলিশ সদস্যদের খেয়াল রাখার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ‘পুলিশ সপ্তাহ ২০২২’ উপলক্ষে বঙ্গভবন থেকে ভার্চুয়ালি দেওয়া এক ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, সাধারণ মানুষ বিপদে পড়লে আইনি সেবা নিতে পুলিশের কাছে যায়। আপনারা তাদের সমস্যা এবং অভিযোগগুলো খুব মনোযোগ সহকারে শুনবেন এবং তাদের (বিপন্ন ব্যক্তিদের) আন্তরিকভাবে আইনি পরিষেবা দিতে দ্বিধা করবেন না।

‘দক্ষ পুলিশ, সমৃদ্ধ দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ২৩ থেকে ২৭ জানুয়ারি- ২০২২ পুলিশ সপ্তাহ পালিত হচ্ছে।

মো. আবদুল হামিদ বলেন, আপনি (পুলিশ) বন্ধু হিসেবে জনগণের পাশে থাকবেন। মানবিক পুলিশ হোন এবং জনগণকে সেবা দিয়ে এবং সত্যিকারের শক্তিতে পরিণত হওয়ার জন্য তাদের আস্থা অর্জন করে আপনার দায়িত্ব পালন করুন।

রাষ্ট্রপ্রধান মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশপ্রেম, সততা ও পরম নিষ্ঠার সঙ্গে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার জন্য পুলিশ বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ পুলিশকে একটি আধুনিক ও উন্নত দেশের উপযোগী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির (আইটি) প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের সেবায় প্রবেশও সহজতর হয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সময়োপযোগী পুলিশি সেবা দিতে ইতোমধ্যে নতুন ইউনিট গঠন করা হয়েছে। এর ফলে পুলিশের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং জনগণ সহজেই ভালো পুলিশি সেবা পাবে। কমিউনিটি পুলিশিং এবং বিট পুলিশিংয়ে জনগণের আরও সম্পৃক্ততার ওপর জোর দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, পুলিশের একার পক্ষে সমাজ থেকে অপরাধ দমন করা সম্ভব নয়।

রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, বাংলাদেশ পুলিশকে একটি ‘জনবান্ধব পুলিশ ও মানবিক পুলিশ’ হিসেবে গড়ে তুলতে আপনাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা চালাতে হবে।

বর্তমান সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে কাজ করছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, দেশ ইতোমধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে ব্যাপক অগ্রগতি লাভ করেছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণের মাধ্যমে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পুলিশকে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশকে নতুন গবেষণা ও উদ্ভাবনে সমৃদ্ধ হতে হবে। বাংলাদেশ পুলিশের জন্য একটি থিঙ্ক ট্যাঙ্ক থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

প্রযুক্তি বিকাশের ধারায় বর্তমান বিশ্বে অন্যান্য অপরাধের মধ্যে দেশীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক এবং বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে সাইবার ক্রাইম বৃদ্ধি পাচ্ছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় আমাদের পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে হবে এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ, প্রশিক্ষিত ও দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে হবে।

আবদুল হামিদ বলেন, ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পুলিশ সদস্যদের সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত করতে হবে। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে অভিযান বাংলাদেশ পুলিশের অন্যতম বড় সাফল্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করতে হবে, এর বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে।

মাদকের অপব্যবহারকে একটি বড় সামাজিক ব্যাধি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের যুব সমাজের একটি অংশ পুলিশসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কিছু অসাধু কর্মচারীর সহায়তায় মাদক সংক্রান্ত অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। এ ব্যাপারে পুলিশকে আরও সক্রিয় হতে হবে। এ ব্যাপারে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির বিবেচনা করতে হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ মহামারিতে সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে জনগণের সেবা করার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তিনি দেশের জনগণের সেবা ও নিরাপত্তার জন্য জীবন উৎসর্গকারী সব নির্ভীক পুলিশ সদস্যদের বিদেহী আত্মার চির শান্তি কামনা করেন।

এসময় রাজারবাগের পুলিশ লাইন্স প্রান্তে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আখতার হোসেন, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন