ইনসাইড বাংলাদেশ

পুলিশের সেবাপ্রার্থীরা যেন কোনোভাবেই হয়রানির শিকার না হয়: রাষ্ট্রপতি

প্রকাশ: ১০:০১ পিএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail পুলিশের সেবাপ্রার্থীরা যেন কোনোভাবেই হয়রানির শিকার না হয়: রাষ্ট্রপতি

সেবাপ্রার্থীরা যেন কোনোমতেই হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে পুলিশ সদস্যদের খেয়াল রাখার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ‘পুলিশ সপ্তাহ ২০২২’ উপলক্ষে বঙ্গভবন থেকে ভার্চুয়ালি দেওয়া এক ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, সাধারণ মানুষ বিপদে পড়লে আইনি সেবা নিতে পুলিশের কাছে যায়। আপনারা তাদের সমস্যা এবং অভিযোগগুলো খুব মনোযোগ সহকারে শুনবেন এবং তাদের (বিপন্ন ব্যক্তিদের) আন্তরিকভাবে আইনি পরিষেবা দিতে দ্বিধা করবেন না।

‘দক্ষ পুলিশ, সমৃদ্ধ দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ২৩ থেকে ২৭ জানুয়ারি- ২০২২ পুলিশ সপ্তাহ পালিত হচ্ছে।

মো. আবদুল হামিদ বলেন, আপনি (পুলিশ) বন্ধু হিসেবে জনগণের পাশে থাকবেন। মানবিক পুলিশ হোন এবং জনগণকে সেবা দিয়ে এবং সত্যিকারের শক্তিতে পরিণত হওয়ার জন্য তাদের আস্থা অর্জন করে আপনার দায়িত্ব পালন করুন।

রাষ্ট্রপ্রধান মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশপ্রেম, সততা ও পরম নিষ্ঠার সঙ্গে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার জন্য পুলিশ বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ পুলিশকে একটি আধুনিক ও উন্নত দেশের উপযোগী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির (আইটি) প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের সেবায় প্রবেশও সহজতর হয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সময়োপযোগী পুলিশি সেবা দিতে ইতোমধ্যে নতুন ইউনিট গঠন করা হয়েছে। এর ফলে পুলিশের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং জনগণ সহজেই ভালো পুলিশি সেবা পাবে। কমিউনিটি পুলিশিং এবং বিট পুলিশিংয়ে জনগণের আরও সম্পৃক্ততার ওপর জোর দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, পুলিশের একার পক্ষে সমাজ থেকে অপরাধ দমন করা সম্ভব নয়।

রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, বাংলাদেশ পুলিশকে একটি ‘জনবান্ধব পুলিশ ও মানবিক পুলিশ’ হিসেবে গড়ে তুলতে আপনাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা চালাতে হবে।

বর্তমান সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে কাজ করছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, দেশ ইতোমধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে ব্যাপক অগ্রগতি লাভ করেছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণের মাধ্যমে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পুলিশকে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশকে নতুন গবেষণা ও উদ্ভাবনে সমৃদ্ধ হতে হবে। বাংলাদেশ পুলিশের জন্য একটি থিঙ্ক ট্যাঙ্ক থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

প্রযুক্তি বিকাশের ধারায় বর্তমান বিশ্বে অন্যান্য অপরাধের মধ্যে দেশীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক এবং বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে সাইবার ক্রাইম বৃদ্ধি পাচ্ছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় আমাদের পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে হবে এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ, প্রশিক্ষিত ও দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে হবে।

আবদুল হামিদ বলেন, ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পুলিশ সদস্যদের সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত করতে হবে। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে অভিযান বাংলাদেশ পুলিশের অন্যতম বড় সাফল্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করতে হবে, এর বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে।

মাদকের অপব্যবহারকে একটি বড় সামাজিক ব্যাধি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের যুব সমাজের একটি অংশ পুলিশসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কিছু অসাধু কর্মচারীর সহায়তায় মাদক সংক্রান্ত অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। এ ব্যাপারে পুলিশকে আরও সক্রিয় হতে হবে। এ ব্যাপারে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির বিবেচনা করতে হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ মহামারিতে সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে জনগণের সেবা করার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তিনি দেশের জনগণের সেবা ও নিরাপত্তার জন্য জীবন উৎসর্গকারী সব নির্ভীক পুলিশ সদস্যদের বিদেহী আত্মার চির শান্তি কামনা করেন।

এসময় রাজারবাগের পুলিশ লাইন্স প্রান্তে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আখতার হোসেন, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পি কে হালদারকে বাংলাদেশে হস্তান্তর সময়সাপেক্ষ: দোরাইস্বামী

প্রকাশ: ০৬:৩৯ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail পি কে হালদারকে বাংলাদেশে হস্তান্তর সময়সাপেক্ষ: দোরাইস্বামী

পি কে হালদারকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরে সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী। মূলত আইনি প্রক্রিয়ার জন্যই এই সময় লাগতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৭ মে) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশ ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের যৌথ পরামর্শক কমিশনের (জেসিসি) বৈঠকের প্রস্তুতি নিয়ে বিক্রম দোরাইস্বামী পররাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে আলোচনা করেন। মূলত আজকের এই আলোচনায় প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে পিকে হালদারের গ্রেফতার নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কথা হয়েছে।

পি কে হালদারের বিষয়ে পররাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে বিক্রম দোরাইস্বামী বলেন, তাঁর বিষয়ে কথা হয়েছে। এটি দুই দেশের নিয়মিত সহযোগিতার একটি অংশ।‌ দুই দেশের অপরাধীদের মোকাবিলার জন্য পারস্পরিক আইনি‌ সহায়তাসহ নানা ধরনের কাঠামো রয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ভারতের সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে তথ্য দিয়েছে। ভারতীয় সংস্থা ওই তথ্য যাচাইয়ের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। বাংলাদেশ ও ভারতের সংঘবদ্ধ অপরাধ ও অপরাধীদের দমনের জন্য সহযোগিতা রয়েছে।

পি কে হালদারকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে বাংলাদেশ অনুরোধ করেছে কি না জানতে চাইলে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, ‘দেখুন এটি একটি আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়। গত সপ্তাহে ছুটির দিনে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমাদের কাছে যা তথ্য আছে, তার ভিত্তিতে একটা সময় বাংলাদেশকে জানানো হবে। বুঝতে হবে এটি কিন্তু বড়দিনের কার্ড বিনিময় নয়। আমি মনে করি, এ ধরনের বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়,‌ সেটি আস্তে আস্তে হতে দিন। এ নিয়ে আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করছি। এ তথ্য বাংলাদেশ‌ থেকে এসেছে।’

পি কে হালদার   ভারত   হাইকমিশনার   পররাষ্ট্রসচিব  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

কুমিল্লা সিটি নির্বাচন: সাক্কু না রিফাত?

প্রকাশ: ০৬:০০ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail কুমিল্লা সিটি নির্বাচন: সাক্কু না রিফাত?

আগামী ১৫ জুন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। আজ ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। বিভিন্ন প্রার্থীদের মধ্যে দুজন প্রার্থীকে নিয়েই মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার পর আলোচনার তুঙ্গে। কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ভোটার ধারণা এই দুজনের মধ্যেই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বে নতুন নির্বাচন কমিশনের প্রথম পরীক্ষা এই নির্বাচন। এই নির্বাচনকে নতুন নির্বাচন কমিশনার অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ করতে বদ্ধপরিকর। ইতিমধ্যে নির্বাচন সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে তারা কিছু পদক্ষেপও গ্রহণ করেছেন। বিএনপি বলেছে যে, তারা আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে যাবে না। এরকম ভাবনা থেকে তারা এই নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দিচ্ছে না। কিন্তু বিএনপির নেতা বর্তমান সিটি মেয়র মনিরুল হক সাক্কু নিজেই নিজেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছেন এবং তিনি বলেছেন যে, তার মনোনয়ন বৈধ বলে তিনি বিএনপি থেকে পদত্যাগ করে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। মনিরুল হক সাক্কু কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে দুই বার মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং তিনি সেখানে অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন নেতা, এ নিয়ে কোন সন্দেহ নেই।

অন্যদিকে, আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে কুমিল্লা সিটি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাতকে। রিফাতের মনোনয়নের পর আওয়ামী লীগের মধ্যে নানারকম মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিচ্ছে। আওয়ামী লীগ রিফাতকে ঐক্যবদ্ধভাবে গ্রহণ করেছে, এমনটিও নয়। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে যে অভিযোগটি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই উঠেছিল। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে চট্টগ্রাম অঞ্চলে মাদকসেবীদের যে তালিকা তৈরি করা হয়েছিল সেখানে আরফানুল হক রিফাতের নাম দেওয়া হয়েছিল। যদিও রিফাত এই বক্তব্যকে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন যে, এ ধরনের অভিযোগ সর্বৈব মিথ্যা। কিন্তু সত্য-মিথ্যা যাই হোক না কেন এই অভিযোগটি শুরুতে ভোটের মাঠে আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে পিছিয়ে দেয়া হয়েছে।

কুমিল্লা ঐতিহাসিক ভাবেই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এলাকা। এখানে কখনো আওয়ামী লীগ, কখনো বিএনপির আধিপত্য বিস্তার করে। তবে সিটি কর্পোরেশনের গত দুটি নির্বাচনের একটিতেও আওয়ামী লীগ জয়ী হতে পারেনি। আওয়ামী লীগের পরাজয়ের কারণ যতটা না নিজস্ব জনপ্রিয়তার কমতি থাকা, তার চেয়ে বেশি হল অভ্যন্তরীণ কোন্দল। প্রতিবার নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিভক্ত অবস্থায় নির্বাচনের মাঠে গেছে এবং শেষ পর্যন্ত এই বিভক্তি তাদেরকে পরাজিত করেছে। এবারও সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটবে কিনা সেটাই দেখার বিষয়। অন্যদিকে, মনিরুল হক সাক্কু বিএনপির জনপ্রিয় নেতা এবং তিনি শুধু বিএনপি নন, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন এলাকার মধ্যেও জনপ্রিয় বটে। তার নিজস্ব একটা ভোটব্যাঙ্ক রয়েছে। তাছাড়া দুইবার তিনি সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ছিলেন।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন যে, এই দুইবার মেয়র থাকাটাই এবার তার জন্য বুমেরাং হয়ে যেতে পারে। কারণ, প্রতিবার মেয়র নির্বাচন করে তিনি যে সমস্ত প্রতিশ্রুতি গুলো দিয়েছেন তার কমই বাস্তবায়ন করতে পেরেছেন। কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন বিভিন্ন দিক থেকে অনেকটাই পিছিয়ে। বিশেষ করে রাজশাহী, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের চেয়ে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন অবস্থান অনেক দিক থেকেই খারাপ। নাগরিক সুযোগ-সুবিধাও সেখানে অনেক কম বলেই নগরবাসীরা মনে করেন। এর একটি বড় কারণ হিসেবে তারা মনে করছেন যে, বিরোধী দলের মেয়র থাকা। মনিরুল হক সাক্কু মেয়র হওয়ার কারণে অনেক বড় ধরনের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সেখানে করছে না বলেও নগরবাসী মনে করেন। এই বিবেচনা থেকে নগরবাসীদের মধ্যে একটি উন্নয়ন ভাবনা কাজ করছে এবং যে ভাবনার কারণে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এগিয়ে যেতে পারেন বলে অনেকের ধারণা করছেন। তাছাড়া এবার মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ মাঠের কর্মীদের বিবেচনা করেছেন। আরফানুল হক রিফাত একজন মাঠের কর্মী এবং লড়াই-সংগ্রামে ছিলেন। তার নিজস্ব কর্মীবাহিনী রয়েছে এবং আওয়ামী লীগের মধ্যে অনৈক্য থাকলেও সেটি রিফাতের উপর খুব কমই প্রভাব ফেলবে। আর এই সমস্ত বিবেচনা থেকেই মনে করা হচ্ছে যে, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে একটি নাটকীয়তার সুযোগ রয়েছে। তবে এই নির্বাচন আওয়ামী লীগের জন্য একটি সুবিধাজনক নির্বাচন। কারণ, এই নির্বাচনে যদি আওয়ামী লীগ হারেও তাহলে আওয়ামী লীগ প্রমাণ করতে পারবে যে দলীয় সরকারের অধীনে একটি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব। অন্যদিকে, জিতলে আওয়ামী লীগের জন্যও তো ডাবল বোনাস।

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পদ্মা সেতুর টোল নির্ধারণ

প্রকাশ: ০৪:০৯ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail পদ্মা সেতুর টোল নির্ধারণ

পদ্মা বহুমুখী সেতুর জন্য দেশের দপক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে যাতায়াত সহজ হবে, বাঁচবে সময়। তবে দেশের সবচেয়ে দীর্ঘতম এই সেতু পার হতে লাগবে টোল। পদ্মা বহুমুখী সেতুর জন্য যানবাহনের শ্রেণি ও টোল হার চূড়ান্ত করেছে সরকার।

মঙ্গলবার (১৭ মে) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।

টোল হারে মোটরসাইকেলের টোল ১০০ টাকা, কার ও জিপ ৭৫০ টাকা, পিকআপ এক হাজার ২০০ টাকা, মাইক্রোবাস এক হাজার ৩০০ টাকা। ছোট বাস (৩১ আসন বা এর কম) এক হাজার ৪০০ টাকা, মাঝারি বাস (৩২ আসন বা এর বেশি) দুই হাজার টাকা এবং বড় বাস (৩ এক্সেল) দুই হাজার ৪০০ টাকা।

ছোট ট্রাক (৫ টন পর্যন্ত) এক হাজার ৬০০ টাকা, মাঝারি ট্রাক (৫ টনের অধিক থেকে ৮ টন পর্যন্ত) দুই হাজার ১০০ টাকা, মাঝারি ট্রাক (৮ টনের অধিক থেকে ১১ টন পর্যন্ত) দুই হাজার ৮০০ টাকা, ট্রাক (৩ এক্সেল পর্যন্ত) পাঁচ হাজার ৫০০ টাকা, ট্রেইলার (৪ এক্সেল পর্যন্ত) ছয় হাজার টাকা।

এ আদেশ পদ্মা বহুমুখী সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হওয়ার দিন থেকে কার্যকর হবে।

মঙ্গলবার (১৭ মে) দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় দলটির সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী পদ্মা সেতু উদ্বোধনের তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, হঠাৎ কেউ কেউ পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের তারিখ বলে বেড়াচ্ছেন। এত অধৈর্য হবেন না। সারসংক্ষেপ যাচ্ছে। চূড়ান্ত তারিখ দেবেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। আমরা সেতু বিভাগ থেকে সারসংক্ষেপ পাঠাচ্ছি, দিনক্ষণ ঠিক করার জন্য। ইনশাআল্লাহ আগামী জুন মাসে পদ্মা সেতু পুরোপুরি দৃশ্যমান হবে। জুনেই পদ্মাসেতু চালু করা হবে।

পদ্মা সেতু   টোল নির্ধারণ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করা তরুণীর জামিন

প্রকাশ: ০৩:৪৮ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করা তরুণীর জামিন

বরগুনায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নেওয়া সেই তরুণীর জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। 

মঙ্গলবার (১৭ মে) দুপুরে বরগুনা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নাহিদ হোসেন তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তরুণীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক কিসলু।

তিনি বলেন, গতকাল সোমবার বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিন আবেদন করেছিলাম। বিচারক নাহিদ হোসেন আবেদনটি গ্রহণ করে আজ বাদী ও বিবাদীর উপস্থিতিতে জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন।

তিনি আরও বলেন, জামালপুরের এই তরুণীর বিরুদ্ধে যেসব ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে, তার সবই জামিনযোগ্য। বিষয়টি আমি আদালতকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছি। বিকেলে ওই তরুণী কারাগার থেকে মুক্তি পাবেন।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ এপ্রিল বরগুনার চান্দখালির কাঠপট্টি এলাকার বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র মাহমুদুল হাসানের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অবস্থান নেন ওই তরুণী। এরপর থেকেই মাহমুদুল ও তার পরিবারের সদস্যরা বাসায় তালা লাগিয়ে গা-ঢাকা দেন।

এরপর স্থানীয়দের সহায়তায় বাড়ির তালা ভেঙে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করেন তরুণী। এর ১০ দিন পর প্রেমিক মাহমুদের বাবা মোশাররফ হোসেন তরুণীর আগের স্বামীকে তালাক দেওয়ার কাগজ দেখানোর শর্তে হাসানের সঙ্গে বিয়ে দিতে রাজি হন। কিন্তু তরুণী তালাকের কাগজ দেখাতে ব‍্যর্থ হন।

এরপর গত ১০ মে মাহমুদুল হাসানের বাবা মোশাররফ হোসেন তরুণীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ দেন। আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে পুলিশকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে ১৩ মে সকালে ওই তরুণীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায় পুলিশ। আদালত তাকে ওই দিনই কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।


প্রেমিকের   বাড়িতে   অবস্থান   তরুণীর   জামিন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

‘বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জন্য আশির্বাদ’

প্রকাশ: ০২:৪৬ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail ‘বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জন্য আশির্বাদ’

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জন্য আশির্বাদ বলে মন্তব্য করেছেন পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম এমপি। তিনি বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্ম নিয়েছিলেন বলেই বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ নামক একটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছিল। বাংলাদেশের মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধুর রক্ত ও আদর্শের উত্তরাধিকার শেখ হাসিনার জন্ম না হলে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতো না।

মঙ্গলবার (১৭ মে) সকালে শরীয়তপুরের সখিপুরে থানা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় ভার্চু্য়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এনামুল হক শামীম বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর দেশকে উল্টোরথে নিয়ে যাওয়া শুরু করে। তারা ভেবেছিল এই দেশে বঙ্গবন্ধুর কথা আর কেউ বলতে পারবে না। তার হাতে গড়া রাজনৈতিক দল ও আদর্শের পতাকা কেউ তুলে ধরবে না। ১৯৮১ সালের এইদিনে বাংলাদেশের লাখো মানুষের সঙ্গে স্কুল পড়ুয়া একজন ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে ঢাকার কুর্মিটোলা বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার সৌভাগ্য আমারও হয়েছিল। কুর্মিটোলা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শেরেবাংলা নগর পর্যন্ত এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। তিনি দেশে ফিরে এসে দীর্ঘ সংগ্রাম করে তিল তিল করে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী  সংগঠনগুলোকে গড়ে তুলেছেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে ঘিরেই বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্ন। আর ৪১ বছর ধরে এদেশের মানুষের স্বপ্নপূরণে নিরলসভাবে কাজ করে চলছেন তিনি। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। আগামী নির্বাচনে পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হয়ে পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আজকে বিশ্বের রোল মডেল। জননেত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতায় আছেন বলেই নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, বঙ্গবন্ধু ট্যানেল, মেট্রোরেল, গভীর সমুদ্রবন্দরসহ বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে।  



বঙ্গবন্ধু কন্যা   শেখ হাসিনা   বাংলাদেশের   আশির্বাদ’  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন