ইনসাইড বাংলাদেশ

পাবনা জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে শীতার্তদের মাঝে এফডিএসআরের কম্বল, মাস্ক ও খাবার বিতরণ

প্রকাশ: ০৫:৫৫ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail পাবনা জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে শীতার্তদের মাঝে এফডিএসআরের কম্বল, মাস্ক ও খাবার বিতরণ

ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি, রাইটস এন্ড রেস্পন্সিবিলিটিজ (এফডিএসআর) এর উদ্যোগে পাবনা জেলার মানিকহাট, রাঘবপুর, মাছপাড়া, বোনকোলা, ও উলাট গ্রামে দুই শতাধিক দরিদ্র শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল, মাস্ক এবং খাবার বিতরণ করা হয়। 

আজ (২৬ জানুয়ারি) সকাল দশটায় এফডিএসআর পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়। 

উক্ত অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করেছে এফডিএসআর স্টুডেন্টস উইংয়ের রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ এবং রংপুরের সদস্যবৃন্দ। সমগ্র অনুষ্ঠানটা মাঠ পর্যায়ে সমন্বয় করেন এফডিএসআর স্টুডেন্টস উইংয়ের মডারেটর শাকিলা দিল আফরোজ মিষ্টি। 

আগের দিন যখন গ্রহীতাদের তালিকা প্রণয়ন করা হচ্ছিল, তখন থেকেই প্রত্যন্ত অঞ্চলের এইসব শীতার্ত মানুষের মধ্যে সাড়া পড়ে গিয়েছিলো। সকালে অত্যন্ত সুশৃংখলভাবে তারা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছিল। অনুষ্ঠানে প্রদত্ত সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় বক্তারা মহৎ কর্মের জন্য এফডিএসআরকে ধন্যবাদ জানান। গণমানুষের স্বার্থে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সংস্কারে এফডিএসআর গঠনমূলক ভূমিকা রাখবে বলেও বক্তারা আশা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠান শেষে কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারী সকল চিকিৎসকদের আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। 

অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কলেজের প্রিন্সিপাল মো. রাজা মিয়া ,হাই স্কুলের  শিক্ষক আব্দুর রউফ,  প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষিকা শিরিন আক্তার,  স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা আব্দুল হানিফ প্রামাণিক, দাউদ শেখ, মজিদ খান, প্রমুখ । 

এফডিএসআর এবং এফডিএসআর স্টুডেন্টস উইংয়ের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল্লাহ আল মামুন, আল ফয়সাল ইমন, মোঃ সোয়ায়েব হোসেন, মোঃ ফাহাদ, আনান ইসলাম, ডা. মো. মেহেদী হাসান, মো. সফল, মো. আরাফাত পারভেজ, মোছা: নাবিলা, এবং ডা.মো. অভি।

এফডিএসআর   শীত বস্ত্র   মাস্ক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মায়ের ওপর অভিমান করে কিশোরীর আত্মহত্যা

প্রকাশ: ০৯:০৯ এএম, ২৫ মে, ২০২২


Thumbnail মায়ের ওপর অভিমান করে কিশোরীর আত্মহত্যা

যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী এলাকায় মায়ের হাতে চড় খেয়ে অভিমান করে স্বপ্না আক্তার (১৫) নামে এক কিশোরী বিষপানে আত্মহত্যা করেছে। 

মঙ্গলবার (২৪ মে) রাতে এ ঘটনা ঘটে। মৃত স্বপ্না তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় ছিল।

মৃত স্বপ্নার বাবা আব্দুর রাজ্জাক জানান, আমার মেয়ে যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী এলাকার একটি স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে পরীক্ষা দিয়ে সপ্তম শ্রেণীতে ওঠার পর এখন আর স্কুলে যায় না। তার মা একটি গার্মেন্টসে চাকরি করে। ঘটনার দিন কর্মস্থল থেকে বাসায় এসে তার মা দেখে স্বপ্না ছোট বোনের সঙ্গে মারামারি করছে। এতে রাগান্বিত হয়ে তার মা তাকে চড় দেয়। এরপর মায়ের ওপর অভিমান করে ঘরে থাকা তেলাপোকা মারার কীটনাশক পানে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ১২টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।


অভিমান   কিশোরীর   আত্মহত্যা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সাভারে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার পোশাক শ্রমিক, আটক ১

প্রকাশ: ০৯:০১ এএম, ২৫ মে, ২০২২


Thumbnail

সাভারে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক নারী পোশাক শ্রমিক। এ ঘটনায় অভিযুক্ত একজনকে আটক করেছে পুলিশ। 

মঙ্গলবার (২৩ মে) সাভারের কলমা এলাকায় এই সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. হুমায়ন কবির বলেন, ভুক্তভোগী নারী পোশাক শ্রমিক। সাভারের কলমায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে এক যুবক কলমা এলাকাতেই বন্ধুর বাসায় নিয়ে গিয়ে তাকে কয়েকজন ধর্ষণ করে। পরে ভুক্তভোগী নারী সাভার মডেল থানায় বিষয়টি অবহিত করেন ও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ইতিমধ্যে অভিযান চালিয়ে একজনকে আটক করা হয়েছে। বাকীদেরও আটকের চেষ্টা চলছে।

তবে তদন্ত স্বার্থে অভিযুক্ত আসামির পরিচয় জানানো হয়নি।


সাভারে   সংঘবদ্ধ   ধর্ষণের   শিকার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মানবতা, সাম্য ও দ্রোহের কবি নজরুল: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৮:৪৪ এএম, ২৫ মে, ২০২২


Thumbnail মানবতা, সাম্য ও দ্রোহের কবি নজরুল: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে মানবতা, সাম্য ও দ্রোহের কবি বলে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে কাজী নজরুল ইসলামের অবদান স্বাতন্ত্র মহিমায় সমুজ্জ্বল। স্বল্পকালীন সৃষ্টিশীল জীবনে তিনি রচনা করেছেন প্রেম, প্রকৃতি, বিদ্রোহ ও মানবতার অনবদ্য সব কবিতা, গান, প্রবন্ধ, গল্প, উপন্যাস ও নাটক।

বুধবার (২৫ মে) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী এবং ‘বিদ্রোহী’ কবিতার শতবর্ষ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, কালজয়ী প্রতিভার অধিকারী কবি নজরুল তাঁর লেখনির মাধ্যমে আমাদের সাহিত্য, সংগীত ও সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছেন। তাঁর সাহিত্যকর্মে উচ্চারিত হয়েছে পরাধীনতা, সাম্প্রদায়িকতা ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রামের বাণী। অসামান্য ও বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী কবি নজরুল ছিলেন অসাম্প্রদায়িক ও জাতীয়তাবোধের মূর্ত প্রতীক।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নজরুল জন্মেছিলেন এবং বেড়ে উঠেছিলেন একটি পরাধীন সমাজে। পরাধীনতার গ্লানি তিনি উপলব্ধি করেছেন মর্মে মর্মে। কবি নজরুলের আজীবন সাধনা ছিল সমাজের শোষিত ও নিপীড়িত মানুষের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তি এবং মানুষের সামাজিক মর্যাদার স্বীকৃতি অর্জন। এ ছাড়াও তিনি অন্যায়, অসত্য, নির্যাতন-নিপীড়ন, নানামাত্রিক অসাম্য ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে আমাদের যুগিয়েছেন প্রতিবাদ প্রতিরোধের অনাবিল প্রেরণা। 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় কবি নজরুল ইসলামের জীবনাদর্শ একই দর্শনের ধারাবাহিক রূপ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনিও দেশের জন্য, জাতির জন্য সর্বস্ব ত্যাগ করেছেন এবং দীর্ঘদিন কারাবরণ করেছেন। মহান মানবতাবাদী কবি নজরুলের সংগ্রামশীল জীবন এবং তাঁর অবিনাশী রচনাবলী জাতির জন্য অন্থহীন প্রেরণার উৎস। 

শেখ হাসিনা বলেন, কবি নজরুলের সাহিত্য ও সংগীত শোষণ, বঞ্চনা ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে মুক্তিরও দীক্ষাস্বরূপ। তাঁর ক্ষুরধার লেখনির স্ফুলিঙ্গ যেমন ব্রিটিশ শাসনের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিল, তেমনি তাঁর বাণী ও সুরের অমিয় ঝর্ণাধারা সিঞ্চিত করেছে বাঙালির হৃদয়কে। তিনি প্রকৃতই প্রেমের এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার কবি। ধর্ম-বর্ণের উর্ধ্বে মানবতার জয়গান গেয়েছেন, নারীর অধিকারকে করেছেন সমুন্নত। তিনিই প্রথম বাঙালি কবি যিনি ব্রিটিশ অধীনতা থেকে ভারতকে মুক্ত করার জন্য স্বরাজের পরিবর্তে পরিপূর্ণ স্বাধীনতার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছিলেন। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সকল জাতি, ধর্ম ও সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন সাহসের প্রতীক। কবি নজরুল তাঁর প্রত্যয়ী ও বলিষ্ঠ লেখনির মাধ্যমে এদেশের মানুষকে মুক্তি সংগ্রামে অনুপ্রাণিত ও উদ্দীপ্ত করেছিলেন। তাঁর গান ও কবিতা সব সময় যে কোনো স্বাধীনতা আন্দোলনে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। নজরুল সাহিত্যের বিচিত্রমুখী সৃষ্টিশীলতা আমাদের জাতীয় জীবনে এখনও প্রাসঙ্গিক।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ছিলেন কবির প্রতি একান্ত অনুরক্ত উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন,  স্বাধীনতা পরবর্তী পর্যায়ে তাঁরই ঐকান্তিক আগ্রহে কবিকে কলকাতা হতে বাংলাদেশে এনে জাতীয় কবির সম্মানে অধিষ্ঠিত করা হয়। নজরুল যে অসাম্প্রদায়িক, বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন, তারই প্রতিফলন আমরা পাই জাতির পিতার সংগ্রাম ও কর্মে।

 প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন নজরুলের রচনা আমাদের কর্ম, চিন্তা ও মননে সকল কূপমুন্ডকতা এবং প্রতিবন্ধকতা দূর করে একটি অসাম্প্রদায়িক, বৈষম্যহীন, শান্তিপূর্ণ, সুখী-সমৃদ্ধ ও আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখবে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এঁর ১২৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন তিনি।


মানবতা   সাম্য   দ্রোহের কবি   নজরুল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

‘নজরুল বাঙালির জাতীয় জাগরণের তূর্যবাদক ও সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্রের রূপকার’

প্রকাশ: ০৮:৩৪ এএম, ২৫ মে, ২০২২


Thumbnail ‘নজরুল বাঙালির জাতীয় জাগরণের তূর্যবাদক ও সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্রের রূপকার’

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বলেছেন, কাজী নজরুল ইসলাম বাঙালির জাতীয় জাগরণের তূর্যবাদক ও সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্রের রূপকার।

বুধবার (২৫ মে) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী এবং ‘বিদ্রোহী’ কবিতার শতবর্ষ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৩তম জন্মবার্ষিকী এবং ‘বিদ্রোহী’ কবিতার শতবর্ষ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি ক্ষণজন্মা এ কবিকে পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন। বরেণ্য কবির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালার আয়োজন নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় উদ্যোগ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, সাম্য, মানবতা, প্রেম ও প্রকৃতির কবি কাজী নজরুল ইসলাম। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক অন্যতম পুরোধা। তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবন ও সৃজনশীল কর্ম জাতির অন্তহীন অনুপ্রেরণার উৎস। কবির ক্ষুরধার অগ্নিঝরা লেখনি শোষিত-নির্যাতিত ও বঞ্চিতদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার করে, শিক্ষা দেয় অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে। নজরুল ছিলেন অসাম্প্রদায়িক মানবতাবাদী কবি। তিনি শুধু নিজের ধর্ম, সমাজ-সম্প্রদায়, দেশ ও কালের গন্ডির মধ্যে আবদ্ধ থাকেননি, ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে মানবতার জয়গান গেয়েছেন, নারীর অধিকারকে করেছেন সমুন্নত। তাঁর সৃষ্টি সর্বজনের, সর্বকালের।

আবদুল হামিদ বলেন, নজরুলের সৃজনশীল কর্ম বাংলা সাহিত্যে তো বটেই, বিশ্ব সাহিত্যেও বিরল। বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে কবির গান ও কবিতা মুক্তিকামী মানুষকে অনিঃশেষ প্রেরণা জুগিয়েছে। তাঁর লেখনি থেকেই জাতি  বৃটিশবিরোধী আন্দোলন, ভাষা-আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যূত্থান এবং মুক্তিয্দ্ধুসহ প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে অনুপ্রেরণা পেয়েছে। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নজরুলের প্রতি প্রগাঢ় অনুরাগ ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে তাঁকে সপরিবারে বাংলাদেশে এনে স্থায়ীভাবে বসবাসের ব্যবস্থা করেন। নজরুল যে অসাম্প্রদায়িক বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন, তা বাস্তবায়নে সকলের সম্মিলিত প্রয়াস অব্যাহত রাখতে হবে। 

তিনি বলেন, ‘আমার দৃঢ় বিশ্বাস নতুন প্রজন্ম নজরুল চর্চার মাধ্যমে নিজেদের সমৃদ্ধ করতে সক্ষম হবে এবং দেশপ্রেম ও সততা দিয়ে সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়তে অর্থবহ অবদান রাখবে।’ 

তিনি চিরঞ্জীব কবি কাজী নজরুলের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।


নজরুল   বাঙালির   জাগরণ   রূপকার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

কমলনগরে সমালয় পদ্ধতির ধান কাটা শুরু


Thumbnail কমলনগরে সমালয় পদ্ধতির ধান কাটা শুরু

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে সমালয় পদ্ধতিতে আবাদের ৫০ একর জমির ধান কাটা শুরু হয়েছে। গত শনিবার (২০ মে) বিকেলে উপজেলার উত্তর চর লরেঞ্চ গ্রামে হারভেস্টার মেশিনের সাহায্যে ধান কাটার উদ্বোধন করেন কমলনগর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আতিক আহমদে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা তারেকুল আলম ও উপ সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার দত্তসহ স্থানীয় কয়েকজন কৃষক।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস থেকে জানা যায়, সমালয় পদ্ধতিতে বিস্তীর্ণ জমি একত্রিত করে একই সময়ে একই সঙ্গে আধুনিক যন্ত্রের মাধ্যমে চাষাবাদের আওতায় আনা হয়। ট্রে ও পলিথিনে বিশেষ পদ্ধতিতে তৈরি করা হয় বীজতলা। চারা তৈরি হতে সময় প্রায় সাত দিন। সেখান থেকেই বীজ নিয়ে বপন করা হয় ক্ষেতে। চলতি বোরো মৌসুমে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চর লরেঞ্চ গ্রামে ৬০ জন কৃষকের ৫০ একর জমিতে এমন সমালয় পদ্ধতিতে ধানের চাষাবাদ করা হয়েছিল।

কৃষক শাহে আলম জানান, তিনি ৪০ শতক জমিতে প্রায় ৪০ মণ ধান পাবেন। তিনি আরো জানায়, এ পদ্ধতিতে কৃষকের কষ্ট ও খরচ কমে গেছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জানান, কৃষিতে যন্ত্রের ব্যবহার সহজ করতে ৫০ একর জমি একত্রিত করে সমালয় পদ্ধতিতে ধান চাষ করা হয়েছিলো। চলতি মৌসুমে ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে যন্ত্রের মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ করা হয়। এর আগে বিশেষ ট্রেতে চারা উৎপাদন করা হয়। শনিবার হারভেস্টার মেশিনের সাহায্যে ধান কেটে কৃষক ফসল ঘরে তোলেন। এই পদ্ধতিতে শ্রমিক সংকট ও নানা প্রতিবন্ধকতা দূর হয়েছে। কমেছে উৎপাদন খরচও।

তিনি আরো জানান, এ প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের জন্য বীজ ধান, চারা রোপণ, সার এবং ধান কেটে ঘরে তুলে দিয়েছে উপজেলা কৃষি অফিস। কৃষকরা শুধুমাত্র সেচের পানি ও চাষের পয়সা খরচ করেছে। এ পদ্ধতিতে রোপণকৃত ধান থেকে উপজেলা খাদ্য অফিস প্রতি মণ ধান ১ হাজার ৮০ টাকা দরে সরাসরি কৃষকদের থেকে সংগ্রহ করবে।

এ কর্মসূচির আওতায় জমিতে যন্ত্রের মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ থেকে কর্তন পর্যন্ত সব প্রক্রিয়া শেষ হবে। এতে উৎপাদন খরচ কমার পাশাপাশি ধান চাষে লাভবান হবেন কৃষক, এমনটিই জানালেন সংশ্লিষ্টরা।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন