ইনসাইড বাংলাদেশ

সুতা-তুলা জাতীয় জিনিসে খুব সহজেই আগুন ধরে যায়: ফায়ার সার্ভিস

প্রকাশ: ০৮:৪৪ এএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail সুতা-তুলা জাতীয় জিনিসে খুব সহজেই আগুন ধরে যায়: ফায়ার সার্ভিস

ফায়ার সার্ভিস আ্যন্ড সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, জাহিন নিটওয়্যারস পোশাক কারখানাটির বেশিরভাগ বিল্ডিংয়েই কাপড়, সুতা, তুলা জাতীয় জিনিস রয়েছে। এ জাতীয় জিনিসে খুব সহজেই আগুন ধরে যায় এবং দ্রুত ছড়ায়। 

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মদনপুর এলাকায় অবস্থিত জাহিন টেক্সটাইল নামের একটি রপ্তানিমুখি পোশাক কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

মো. সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, কাপড়, সুতা ও তুলার মতো পোশাক তৈরির কাঁচামাল মজুত থাকার কারণেই জাহিন নিটওয়্যারস পোশাক কারখানার আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
 
যখন চারটি ভবন একসঙ্গে জ্বলছিল এটার ভয়াবহতা ছিল অনেক বেশি। আমাদের ফায়ার ফাইটাররা আগুন লাগা চার ভবনের মধ্যে তিনটি ভবনের আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। একটি ভবন থেকে কিছু ধোঁয়া এখনো বের হচ্ছে। 

তিনি আরও বলেন, আমরা বিকেল সাড়ে চারটার দিকে আগুন লাগার খবর পাই। প্রথম ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে আসে। এরপর আমাদের সোনারগাঁয়ের ইউনিটও এখানে এসেছে, আশেপাশের এলাকা থেকেও কয়েকটি ইউনিট এসে কাজ করছে। আমরা পৌনে পাঁচটা থেকে কাজ শুরু করি। আগুন পুরোপুরিভাবে নিয়ন্ত্রণে আনার পর বলতে পারবো এর সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর নেই জানিয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ বলেন, কেউ নিখোঁজ এমন অভিযোগ আমরা পাইনি। বিল্ডিংগুলো যেহেতু স্টিলের সে কারণে আগুনে এগুলে গলে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। আগুন পুরোপুরি নিভলে আমরা তল্লাশি চালাবো। একইসঙ্গে আমরা তদন্ত কমিটি গঠন করবো। কমিটি দেখবে আগুনটা কীভাবে লেগেছে এবং কীভাবে এক বিল্ডিং থেকে আরেক বিল্ডিংয়ে ছড়িয়েছে।

এর আগে বিকেল চারটার দিকে ওই পোশাক কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এরপর একে একে ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলে দীর্ঘ প্রায় পাঁচ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে রাত ৯টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

আগুন   গার্মেন্টস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে যুবকের আত্মহত্যা

প্রকাশ: ০৯:৩৪ এএম, ২৫ মে, ২০২২


Thumbnail প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে যুবকের আত্মহত্যা

চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকায় প্রেমিকার সঙ্গে মনোমালিন্যের কারণে ভিডিও কলে রেখে ফজলে রাব্বি সোলাইমান (২৪) নামে এক যুবক ফাঁস নিয়েছেন। 

বুধবার (২৪ মে) রাত ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ফজলে রাব্বি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বোয়ালমারি গ্রামের টুলু মিয়ার ছেলে। তিনি চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। পাশাপাশি বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র সনো সেন্টারে এক্সরে বিভাগে কর্মরত ছিলেন। তিন ভাইয়ের মধ্যে সে সবার ছোট ছিল।

পরিবারের সদস্যরা জানায়, রাত ২টার দিকে অজ্ঞাত এক নারী আমাদের ফোন করে জানায় রাব্বি ফাঁস দিয়েছে, তাড়াতাড়ি তার ঘরে যান। আমরা গিয়ে দেখি দরজা বন্ধ। প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় দরজা ভেঙে রাব্বিকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। পরে জানতে পারি, প্রেমিকার সঙ্গে মনোমালিন্যের কারণে ভিডিও কলে আত্মহত্যা করে রাব্বি।

স্থানীয়রা জানায়, রাব্বি খুব ধার্মিক প্রকৃতির ছেলে ছিল। সপ্তাহে দুদিন রোজা রাখত। মঙ্গলবারও রোজা রেখেছিল। আমরা আগে কখনো শুনিনি কোনো মেয়ের সঙ্গে তার সম্পর্ক আছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সোহরাব হোসেন বলেন, রাত ২টার দিকে ফজলে রাব্বি নামে ওই যুববকে হাসপাতালে নিয়ে আসে পরিবারের সদস্যরা। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। হাসপাতালে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়। মরদেহ হিমঘরে রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হবে।


প্রেমিকাকে   ভিডিও   কলে   যুবকের   আত্মহত্যা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মায়ের ওপর অভিমান করে কিশোরীর আত্মহত্যা

প্রকাশ: ০৯:০৯ এএম, ২৫ মে, ২০২২


Thumbnail মায়ের ওপর অভিমান করে কিশোরীর আত্মহত্যা

যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী এলাকায় মায়ের হাতে চড় খেয়ে অভিমান করে স্বপ্না আক্তার (১৫) নামে এক কিশোরী বিষপানে আত্মহত্যা করেছে। 

মঙ্গলবার (২৪ মে) রাতে এ ঘটনা ঘটে। মৃত স্বপ্না তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় ছিল।

মৃত স্বপ্নার বাবা আব্দুর রাজ্জাক জানান, আমার মেয়ে যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী এলাকার একটি স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে পরীক্ষা দিয়ে সপ্তম শ্রেণীতে ওঠার পর এখন আর স্কুলে যায় না। তার মা একটি গার্মেন্টসে চাকরি করে। ঘটনার দিন কর্মস্থল থেকে বাসায় এসে তার মা দেখে স্বপ্না ছোট বোনের সঙ্গে মারামারি করছে। এতে রাগান্বিত হয়ে তার মা তাকে চড় দেয়। এরপর মায়ের ওপর অভিমান করে ঘরে থাকা তেলাপোকা মারার কীটনাশক পানে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ১২টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।


অভিমান   কিশোরীর   আত্মহত্যা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সাভারে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার পোশাক শ্রমিক, আটক ১

প্রকাশ: ০৯:০১ এএম, ২৫ মে, ২০২২


Thumbnail

সাভারে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক নারী পোশাক শ্রমিক। এ ঘটনায় অভিযুক্ত একজনকে আটক করেছে পুলিশ। 

মঙ্গলবার (২৩ মে) সাভারের কলমা এলাকায় এই সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. হুমায়ন কবির বলেন, ভুক্তভোগী নারী পোশাক শ্রমিক। সাভারের কলমায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে এক যুবক কলমা এলাকাতেই বন্ধুর বাসায় নিয়ে গিয়ে তাকে কয়েকজন ধর্ষণ করে। পরে ভুক্তভোগী নারী সাভার মডেল থানায় বিষয়টি অবহিত করেন ও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ইতিমধ্যে অভিযান চালিয়ে একজনকে আটক করা হয়েছে। বাকীদেরও আটকের চেষ্টা চলছে।

তবে তদন্ত স্বার্থে অভিযুক্ত আসামির পরিচয় জানানো হয়নি।


সাভারে   সংঘবদ্ধ   ধর্ষণের   শিকার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মানবতা, সাম্য ও দ্রোহের কবি নজরুল: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৮:৪৪ এএম, ২৫ মে, ২০২২


Thumbnail মানবতা, সাম্য ও দ্রোহের কবি নজরুল: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে মানবতা, সাম্য ও দ্রোহের কবি বলে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে কাজী নজরুল ইসলামের অবদান স্বাতন্ত্র মহিমায় সমুজ্জ্বল। স্বল্পকালীন সৃষ্টিশীল জীবনে তিনি রচনা করেছেন প্রেম, প্রকৃতি, বিদ্রোহ ও মানবতার অনবদ্য সব কবিতা, গান, প্রবন্ধ, গল্প, উপন্যাস ও নাটক।

বুধবার (২৫ মে) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী এবং ‘বিদ্রোহী’ কবিতার শতবর্ষ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, কালজয়ী প্রতিভার অধিকারী কবি নজরুল তাঁর লেখনির মাধ্যমে আমাদের সাহিত্য, সংগীত ও সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছেন। তাঁর সাহিত্যকর্মে উচ্চারিত হয়েছে পরাধীনতা, সাম্প্রদায়িকতা ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রামের বাণী। অসামান্য ও বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী কবি নজরুল ছিলেন অসাম্প্রদায়িক ও জাতীয়তাবোধের মূর্ত প্রতীক।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নজরুল জন্মেছিলেন এবং বেড়ে উঠেছিলেন একটি পরাধীন সমাজে। পরাধীনতার গ্লানি তিনি উপলব্ধি করেছেন মর্মে মর্মে। কবি নজরুলের আজীবন সাধনা ছিল সমাজের শোষিত ও নিপীড়িত মানুষের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তি এবং মানুষের সামাজিক মর্যাদার স্বীকৃতি অর্জন। এ ছাড়াও তিনি অন্যায়, অসত্য, নির্যাতন-নিপীড়ন, নানামাত্রিক অসাম্য ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে আমাদের যুগিয়েছেন প্রতিবাদ প্রতিরোধের অনাবিল প্রেরণা। 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় কবি নজরুল ইসলামের জীবনাদর্শ একই দর্শনের ধারাবাহিক রূপ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনিও দেশের জন্য, জাতির জন্য সর্বস্ব ত্যাগ করেছেন এবং দীর্ঘদিন কারাবরণ করেছেন। মহান মানবতাবাদী কবি নজরুলের সংগ্রামশীল জীবন এবং তাঁর অবিনাশী রচনাবলী জাতির জন্য অন্থহীন প্রেরণার উৎস। 

শেখ হাসিনা বলেন, কবি নজরুলের সাহিত্য ও সংগীত শোষণ, বঞ্চনা ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে মুক্তিরও দীক্ষাস্বরূপ। তাঁর ক্ষুরধার লেখনির স্ফুলিঙ্গ যেমন ব্রিটিশ শাসনের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিল, তেমনি তাঁর বাণী ও সুরের অমিয় ঝর্ণাধারা সিঞ্চিত করেছে বাঙালির হৃদয়কে। তিনি প্রকৃতই প্রেমের এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার কবি। ধর্ম-বর্ণের উর্ধ্বে মানবতার জয়গান গেয়েছেন, নারীর অধিকারকে করেছেন সমুন্নত। তিনিই প্রথম বাঙালি কবি যিনি ব্রিটিশ অধীনতা থেকে ভারতকে মুক্ত করার জন্য স্বরাজের পরিবর্তে পরিপূর্ণ স্বাধীনতার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছিলেন। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সকল জাতি, ধর্ম ও সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন সাহসের প্রতীক। কবি নজরুল তাঁর প্রত্যয়ী ও বলিষ্ঠ লেখনির মাধ্যমে এদেশের মানুষকে মুক্তি সংগ্রামে অনুপ্রাণিত ও উদ্দীপ্ত করেছিলেন। তাঁর গান ও কবিতা সব সময় যে কোনো স্বাধীনতা আন্দোলনে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। নজরুল সাহিত্যের বিচিত্রমুখী সৃষ্টিশীলতা আমাদের জাতীয় জীবনে এখনও প্রাসঙ্গিক।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ছিলেন কবির প্রতি একান্ত অনুরক্ত উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন,  স্বাধীনতা পরবর্তী পর্যায়ে তাঁরই ঐকান্তিক আগ্রহে কবিকে কলকাতা হতে বাংলাদেশে এনে জাতীয় কবির সম্মানে অধিষ্ঠিত করা হয়। নজরুল যে অসাম্প্রদায়িক, বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন, তারই প্রতিফলন আমরা পাই জাতির পিতার সংগ্রাম ও কর্মে।

 প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন নজরুলের রচনা আমাদের কর্ম, চিন্তা ও মননে সকল কূপমুন্ডকতা এবং প্রতিবন্ধকতা দূর করে একটি অসাম্প্রদায়িক, বৈষম্যহীন, শান্তিপূর্ণ, সুখী-সমৃদ্ধ ও আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখবে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এঁর ১২৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন তিনি।


মানবতা   সাম্য   দ্রোহের কবি   নজরুল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

‘নজরুল বাঙালির জাতীয় জাগরণের তূর্যবাদক ও সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্রের রূপকার’

প্রকাশ: ০৮:৩৪ এএম, ২৫ মে, ২০২২


Thumbnail ‘নজরুল বাঙালির জাতীয় জাগরণের তূর্যবাদক ও সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্রের রূপকার’

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বলেছেন, কাজী নজরুল ইসলাম বাঙালির জাতীয় জাগরণের তূর্যবাদক ও সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্রের রূপকার।

বুধবার (২৫ মে) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী এবং ‘বিদ্রোহী’ কবিতার শতবর্ষ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৩তম জন্মবার্ষিকী এবং ‘বিদ্রোহী’ কবিতার শতবর্ষ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি ক্ষণজন্মা এ কবিকে পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন। বরেণ্য কবির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালার আয়োজন নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় উদ্যোগ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, সাম্য, মানবতা, প্রেম ও প্রকৃতির কবি কাজী নজরুল ইসলাম। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক অন্যতম পুরোধা। তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবন ও সৃজনশীল কর্ম জাতির অন্তহীন অনুপ্রেরণার উৎস। কবির ক্ষুরধার অগ্নিঝরা লেখনি শোষিত-নির্যাতিত ও বঞ্চিতদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার করে, শিক্ষা দেয় অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে। নজরুল ছিলেন অসাম্প্রদায়িক মানবতাবাদী কবি। তিনি শুধু নিজের ধর্ম, সমাজ-সম্প্রদায়, দেশ ও কালের গন্ডির মধ্যে আবদ্ধ থাকেননি, ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে মানবতার জয়গান গেয়েছেন, নারীর অধিকারকে করেছেন সমুন্নত। তাঁর সৃষ্টি সর্বজনের, সর্বকালের।

আবদুল হামিদ বলেন, নজরুলের সৃজনশীল কর্ম বাংলা সাহিত্যে তো বটেই, বিশ্ব সাহিত্যেও বিরল। বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে কবির গান ও কবিতা মুক্তিকামী মানুষকে অনিঃশেষ প্রেরণা জুগিয়েছে। তাঁর লেখনি থেকেই জাতি  বৃটিশবিরোধী আন্দোলন, ভাষা-আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যূত্থান এবং মুক্তিয্দ্ধুসহ প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে অনুপ্রেরণা পেয়েছে। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নজরুলের প্রতি প্রগাঢ় অনুরাগ ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে তাঁকে সপরিবারে বাংলাদেশে এনে স্থায়ীভাবে বসবাসের ব্যবস্থা করেন। নজরুল যে অসাম্প্রদায়িক বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন, তা বাস্তবায়নে সকলের সম্মিলিত প্রয়াস অব্যাহত রাখতে হবে। 

তিনি বলেন, ‘আমার দৃঢ় বিশ্বাস নতুন প্রজন্ম নজরুল চর্চার মাধ্যমে নিজেদের সমৃদ্ধ করতে সক্ষম হবে এবং দেশপ্রেম ও সততা দিয়ে সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়তে অর্থবহ অবদান রাখবে।’ 

তিনি চিরঞ্জীব কবি কাজী নজরুলের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।


নজরুল   বাঙালির   জাগরণ   রূপকার  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন