ইনসাইড বাংলাদেশ

'পিলখানা হত্যাকাণ্ডের রায় যথার্থভাবে কার্যকর হবে'

প্রকাশ: ০১:৩০ পিএম, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২২


Thumbnail 'পিলখানা হত্যাকাণ্ডের রায় যথার্থভাবে কার্যকর হবে'

যথার্থ বিচারকার্যের মাধ্যমে বিডিআর বিদ্রোহে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের একটির বিচার শেষ হয়েছে। আর একটি চলমান রয়েছে। এখন এটার রায় কার্যকর করা হবে। মামলার যে বিষয়টি চলমান রয়েছে, সেটাও খুব শীঘ্রই শেষ হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। 

শুক্রবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বনানীতে সামরিক কবরস্থানে শহীদদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মন্ত্রী এ কথা জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচারে দীর্ঘসূত্রতার কারণ হচ্ছে, সব উপাদান সংগ্রহ করতে একটু সময় লেগেছে। এছাড়া সাক্ষী জোগাড় করতেও বেশ সময় লাগেছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘চাচ্ছিলাম এই ঘটনার সুন্দর, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার যেন হয়, আর বিচারকরা তাই করেছেন। আর যেই মামলার বিষয়টি চলমান রয়েছে, সেটা খুব শীঘ্রই শেষ হবে। বিচার শেষ হওয়ার পরে আপিল করার একটি সুযোগ থাকে, সেটাও তারা করছেন। আমরা মনে করি এই প্রক্রিয়া শেষ হলে তারা ন্যায়বিচার পাবেন।’

তিনি আরো বলেন, এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছে, এটার রায়ও যথাযথভাবে কার্যকর করা হবে। আপনারা বিচারের জন্য যেভাবে ধৈর্য ধারণ করে আসছেন, এভাবে ধৈর্য ধারণ করবেন। আপনারা এ ঘটনার বিচার দেখতে পারবেন।

সাংবাদিকদের মন্ত্রী বলেন, আপনারা এটাও দেখেছেন, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচার করতে অনেক সময় লেগেছে। তারপরও আজ আমরা স্বস্তিতে নিশ্বাস নিতে পারছি। আমাদের থেকে কালো দাগ মুছে গেছে। আমাদের কপালে আর কালো দাগ নেই। আমরা অবশেষে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করতে পেরেছি।

‘এভাবে নৃশংস ও হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটবে আমরা কল্পনাও করিনি। কতিপয় বিপথগামী বিডিআর সদস্য এ ঘটনা ঘটিয়েছে’-বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে (বর্তমান বিজিবি) ঘটে এক মর্মান্তিক ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড। 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   বিডিআর বিদ্রোহ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

চট্টগ্রামের হালিশহরে কলোনিতে আগুন

প্রকাশ: ১০:০৩ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail চট্টগ্রামের হালিশহরে কলোনিতে আগুন

চট্টগ্রামের হালিশহরে আনন্দবাজার কলোনিতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট কাজ করছে।

সোমবার (২৭ জুন) রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে।

চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক নিউটন দাশ বলেন, মধ্যম হালিশহরে বসতবাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি স্টেশনের পাঁচটি গাড়ি ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভাতে কাজ করছে। তবে আগুন এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। কীভাবে আগুন লেগেছে তা এখনও জানতে পারিনি। 

চট্টগ্রাম   হালিশহর   কলোনি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মেধা শক্তি কাজে লাগিয়ে যুবসমাজকে স্বাবলম্বী হতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail মেধা শক্তি কাজে লাগিয়ে যুবসমাজকে স্বাবলম্বী হতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান

যুবসমাজকে চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, একজন উদ্যোক্তা শুধু নিজের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেন না, অন্যদের জন্যও করেন।

সোমবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীর পর্যটন ভবনে ‘আন্তর্জাতিক এমএসএমই দিবস-২০২২’ উপলক্ষে  আয়োজিত অনুষ্ঠানে বঙ্গভবন প্রান্ত থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, এখনকার শিক্ষিত যুবক-যুবতীরা পড়াশোনা শেষ করেই চাকরির পেছনে ছোটে। অথচ সবার জন্য চাকরির ব্যবস্থা করা একেবারেই অসম্ভব। এর একমাত্র বিকল্প হচ্ছে শিক্ষিত বেকার যুবকদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা।



তিনি আরও বলেন, উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য যেসব সুযোগ-সুবিধা দরকার, হয়তো সেসব ব্যবস্থা এখনো পুরোপুরি তৈরি হয়নি, বিশেষ করে ঋণপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে। তবে এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বেশকিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আইসিটি ডিভিশন পদক্ষেপ নিয়েছে। আশাকরি এসব পদক্ষেপ ও কর্মসূচির কারণে ভবিষ্যতে উদ্যোক্তা সৃজন ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে অগ্রগতিসাধিত হবে। এক্ষেত্রে নতুন উদ্যোক্তা, নারীউদ্যোক্তা, স্টার্টআপরা যাতে সহজে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও ঋণ পান তা নিশ্চিত করতে হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারিশিল্প অর্থাৎ এমএসএমইর গুরুত্ব অপরিসীম। এমএসএমই খাতের উন্নয়ন ও বিকাশের মাধ্যমে শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্যবিমোচন ও সুষম উন্নয়ন সম্ভব। বর্তমান সরকারের শিল্পবান্ধব নীতি ও পদক্ষেপের কারণে বাংলাদেশে ইতোমধ্যে বেসরকারি খাতে শিল্পায়নে অভূতপূর্ব উন্নয়নসাধিত হয়েছে। বিগত ১৩-১৪ বছরে দেশে বৃহৎ ও ভারী শিল্পের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এতে দেশব্যাপী কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি সার্বিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়েছে।

২০০৭-২০০৮ অর্থবছরে দেশের জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান ১৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২০-২১ অর্থবছরে এটি বেড়ে ৩৪ দশমিক ৯৯ শতাংশ হয়েছে। করোনা মহামারির মধ্যেও ২০২০-২১ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ, বর্তমান অর্থবছরে যা ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ। এ বছর আমাদের মাথাপিছু আয় দুই হাজার ৮১৪ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। অর্থনীতির অন্যান্য সূচকেও দৃশ্যমান উন্নতি ও অগ্রগতিসাধিত হয়েছে। শিল্পখাতে নতুন বিনিয়োগ এসেছে এবং আসছে।

তিনি আরও বলেন, দুদিন আগে জাতির আত্মমর্যাদা ও গর্বের প্রতীক পদ্মা সেতুর শুভ উদ্বোধন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ পদক্ষেপ এবং যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলেই সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্ভব হয়েছে। এর ফলে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বৃহৎশিল্পের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারিশিল্পের উন্নয়ন ও বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিতেও পদ্মা সেতু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এসএমই ফাউন্ডেশন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং বিদ্যমান উদ্যোক্তাদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, নারীউদ্যোক্তাদের উন্নয়নকে বিশেষ অগ্রাধিকারভুক্ত কর্মসূচি হিসেবে গ্রহণ করা
হয়েছে।

তিনি বলেন, উদ্যোক্তাদের অন্যতম প্রধান সমস্যা হলো পুঁজির অভাব এবং ব্যাংক থেকে সহজে ঋণ না পাওয়া। নতুন উদ্যোক্তারা ব্যাংকের শর্ত পূরণ করতে পারেন না বিধায়, ব্যাংক তাদের ঋণ দিতে পারে না। ফলে একটা বিশাল অংশ ঋণের আওতাবহির্ভূত থেকে যায়, যাদের অধিকাংশ আঞ্চলিক উদ্যোক্তা। আমি জানতে পেরেছি এসএমই ফাউন্ডেশন এ ধরনের উদ্যোক্তাদের ঋণের আওতায় আনার লক্ষ্যে কাজ করছে। তাদের ‘ক্রেডিট হোলসেলিং’ কর্মসূচির মাধ্যমে ঋণপ্রাপ্তির উপযোগী ও প্রস্তুত করে সহজশর্তে স্বল্পসুদে জামানতবিহীন ঋণের আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে।

এসএমই ফাউন্ডেশন প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় খুব অল্পসময়ের মধ্যে সারাদেশের নারীউদ্যোক্তাসহ মাইক্রো ও ক্ষুদ্রউদ্যোক্তাদের মধ্যে তিন কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করেছে। এ ঋণের প্রায় ২৬ শতাংশ পেয়েছেন নারী উদ্যোক্তরা। আমি এসএমই ফাউন্ডেশনের এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।

তিনি বলেন, আজকের ক্ষুদ্রউদ্যোক্তা আগামী দিনের বড় ব্যবসায়ী। দেশের অনেক শিল্পগোষ্ঠীর যাত্রা এরকম স্বল্পপুঁজি নিয়ে স্বল্প পরিসরে শুরু হয়েছিল। মেধা, একনিষ্ঠতা, অধ্যবসায় ও সততাকে পুঁজি করে তারা ক্রেতাদের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন এবং তাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে দৃঢ়ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তবে এর ব্যতিক্রমও রয়েছে। কেউ কেউ আছেন তারা ব্যবসা শুরু করেই রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। রোদ-বৃষ্টি, ঝড়-তুফান নানা অজুহাতে তারা পণ্যের মূল্য অযৌক্তিকভাবে বাড়িয়ে দেয়। তারা ব্যবসার মুনাফাকে মানবিকতার চাইতেও বেশি গুরুত্ব দেয়। মানুষের অসহায়ত্বই হচ্ছে তাদের ব্যবসার মূল পুঁজি। একজন ব্যবসায়ী তার ব্যবসায় মুনাফার প্রত্যাশা করবেন এটাই স্বাভাবিক। তবে মুনাফা যৌক্তিক পর্যায়ে রাখাটাই বাঞ্ছনীয়।

তিনি বলেন, আজ আপনি হয়তো বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে অধিক মুনাফায় পণ্য বিক্রি করলেন, তবে একটা সময় আসবে যখন ক্রেতারা আপনার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে। তাই আপনাদের প্রতি আমার পরামর্শ, রাতারাতি বড়লোক হওয়ার মানসিকতা ত্যাগ করতে হবে। নিজের ব্যবসাকে স্থায়িত্ব দিতে হলে সততার সঙ্গে এবং ক্রেতার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেই ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে। আর যারা সিন্ডিকেট করে, যারা জনভোগান্তি বাড়ায় তাদের আইনের আওতায় আনতে সরকারকে কঠোর হতে হবে।

রাষ্ট্রপতি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ভেজাল পণ্য প্রতিরোধে সকলের সচেতনতা দরকার: স্পিকার

প্রকাশ: ০৯:৪১ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail ভেজাল পণ্য প্রতিরোধে সকলের সচেতনতা দরকার: স্পিকার

ভেজাল এবং নকল পণ্য প্রতিরোধে সর্বস্তরে সচেতনতা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। একইসঙ্গে তিনি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

সোমবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে আয়োজিত ‘মাননীয় সংসদ সদস্যদের জন্য ডিব্রিফিং সেশন-৩' এর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান তিনি। 

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ভোক্তা অধিকার নিশ্চিতকরণে উপজেলা পর্যায়ে অনেকেই দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। সংশ্লিষ্ট এলাকার জনপ্রতিনিধিরা নকল ও ভেজাল পণ্য প্রতিরোধে বিভিন্ন ক্যাম্পেইন পরিচালনার মাধ্যমে সামগ্রিক পরিস্থিতির উন্নয়নে সম্পৃক্ত হতে পারেন।

সংসদের গণসংযোগ বিভাগ জানায়, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কারিগরি সহায়তায়, ডিটি 
গ্লোবাল ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের সহযোগিতায় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের বাজেট এনালাইসিস ও মনিটরিং ইউনিট (বামু) এর বাস্তবায়নে 'বাজেট হেল্প ডেস্ক ২০২২' এর আওতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব কে এম আব্দুস সালাম। বক্তব্য রাখেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ. এইচ. এম. শফিকুজ্জামান, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। 

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রকল্প পরিচালক এবং যুগ্মসচিব এম এ কামাল বিল্লাহ। ডিটি গ্লোবালের সানিন জানানোভিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ভেজাল   প্রতিরোধ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

গাড়ি থামিয়ে পদ্মা সেতুতে মিউজিক ভিডিও, গুনলেন জরিমানা

প্রকাশ: ০৯:১২ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail গাড়ি থামিয়ে পদ্মা সেতুতে মিউজিক ভিডিও, গুনলেন জরিমানা

পদ্মা সেতুতে গাড়ি থামিয়ে মিউজিক ভিডিও করার অপরাধে একজনকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (২৭ জুন) দুপুরে মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল কবীরের নেতৃত্বে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা হয়।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম ফখরুল আলম, বাড়ি কুমিল্লায়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল কবীর গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, পদ্মা সেতুতে নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসন তৎপর রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা হয়। আদালত পরিচালনাকালে দেখা যায়, সেতুর মাঝখানে প্রাইভেটকার দাড় করিয়ে কয়েকজন মিউজিক ভিডিও করছেন। তারা কুমিল্লা থেকে এসেছেন। কিন্তু সেতুতে গাড়ি পার্কিং ও যাত্রী অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় তাদের একজনকে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম চলবে বলেও জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

‘উন্নয়নের সঙ্গে যন্ত্রের ব্যবহারের সাথে সাথে মানুষও যন্ত্র হয়ে যাচ্ছে’

প্রকাশ: ০৮:১০ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail ‘উন্নয়নের সঙ্গে যন্ত্রের ব্যবহারের সাথে সাথে মানুষও যন্ত্র হয়ে যাচ্ছে’

উন্নয়নের সঙ্গে যন্ত্রের ব্যবহারের সাথে সাথে মানুষও যন্ত্র হয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, এ জন্য প্রয়োজন মানবিকতার বিকাশ, যে মানবিকতা দিনে দিনে লোপ পাচ্ছে। সেখান থেকে মানুষকে রক্ষা করতে হবে সমাজকে রক্ষা করতে হলে, সেজন্য মানবিকতার উন্নয়ন প্রয়োজন।

সোমবার (২৭ জুন) বিকেলে রাজধানীতে জাতীয় প্রেস ক্লাবে প্রয়াত সাংবাদিক জহুর হোসেন চৌধুরীর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, দেশ গঠনে সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশ গঠন কেমন, সেটিও একটি প্রশ্ন। পাশ্চাত্যের মতো শুধু বস্তুগত উন্নয়নই নয়, প্রয়োজন মানবিক-সামাজিক রাষ্ট্র গঠন।

জহুর হোসেন চৌধুরী জন্মশতবর্ষ উদযাপন কমিটি আয়োজিত এ সভায় জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার। প্রেস ক্লাব সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন স্বাগত বক্তব্য দেন এবং সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুল হক ভুঁইয়া ও ডিইউজের সাবেক সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাঙালি জাতির স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা সংগ্রাম, স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন। কিন্তু এর পেছনে কিছু প্রথিতযশা মানুষ, কিছু লেখক, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিকদের অনবদ্য ভূমিকা না থাকলে জাতির মনন তৈরি হতো না। তাদের মধ্যে একজন হচ্ছেন জহুর হোসেন চৌধুরী।

হাছান মাহমুদ বলেন, মানুষকে স্বপ্ন দেখাতে হয়, রাজনীতিবিদদের দায়িত্ব হচ্ছে জাতিকে স্বপ্ন দেখানো। একইসঙ্গে সাংবাদিকরাও পারেন স্বপ্ন দেখাতে। আমার মতো শক্ত মনের মানুষ, যাকে শিবির দুবার জবাই করতে চেয়েছিল, ২১ আগস্ট মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি, বহুবার মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েছি, কিন্তু সেই আমাকেও সাংবাদিকদের অনেক রিপোর্ট কাঁদায়, ভাবায়।

জহুর হোসেন চৌধুরীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ড. হাছান সাংবাদিকদের বলেন, জহুর হোসেন চৌধুরীরা যেভাবে তাদের লেখনীর মাধ্যমে সাংবাদিকতার নীতি-আদর্শ আজীবন লালন করে যেভাবে দেশ ও সমাজের তৃতীয় নয়ন উন্মোচন করেছেন, সমাজকে সঠিক চিন্তার দিক নির্দেশনা দিয়েছেন, আজকের প্রেক্ষাপটেও একটি মানবিক ও সামাজিক মূল্যবোধসম্পন্ন রাষ্ট্র গঠনে অবদান রেখে সেই কাজটি আপনারা করবেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার তার বক্তৃতায় সাংবাদিক জহুর হোসেন চৌধুরীর মেধা ও মননশীল সাংবাদিকতাকে সংবাদপত্র দুনিয়ায় একটি উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, পাকিস্তানি দুঃশাসনের মধ্যেও জহুর হোসেন চৌধুরী দেশে সাংবাদিকতার ভিত গড়ে গেছেন। তার কাজের মধ্য দিয়ে তিনি অনন্তকাল বেঁচে থাকবেন।

সভা শেষে আয়োজক ও অতিথিবৃন্দ বিভিন্ন পত্রিকায় জহুর হোসেন চৌধুরীর কলাম লেখনীর সংকলন ‘দরবার-ই-জহুর কলাম’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন। ‘আবিষ্কার’ প্রকাশিত ২৪০ পৃষ্ঠার এ গ্রন্থটি সবাইকে পড়ে দেখার অনুরোধ জানান সভার সভাপতি ডা. এ কে আজাদ চৌধুরী।

উন্নয়ন   যন্ত্র  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন