ইনসাইড বাংলাদেশ

পি কে হালদারকে দেশে ফিরিয়ে আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৮:০৫ পিএম, ১৪ মে, ২০২২


Thumbnail পি কে হালদারকে দেশে ফিরিয়ে আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রশান্ত কুমার হালদারকে (পি কে হালদার) ভারতে গ্রেফতার হওয়া অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ মাথায় নিয়ে বিদেশে পাড়ি জমানো দেশে আনার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

শনিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় পি কে হালদারের বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পি কে হালদারকে দেশে ফিরিয়ে আনতে নিশ্চয়ই আমরা তাদের (ভারত) কাছে সহযোগিতা চাইবো। তাকে ফেরত আনার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, পি কে হালদারকে গ্রেফতারে আমাদের কাছে অফিসিয়ালি খবর আসেনি। খবর এলে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো। আমাদের দেশে তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। আমরা নিশ্চয়ই তাকে দেশে ফেরত আনার জন্য ভারতের কাছে সহযোগিতা চাইবো। তাকে ফেরত আনার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ভালো খাবারের আশায় রোহিঙ্গারা ভারত থেকে বাংলাদেশে আসছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯:০১ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail ভালো খাবারের আশায় রোহিঙ্গারা ভারত থেকে বাংলাদেশে আসছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ভারত থেকে দলে দলে রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে প্রবেশ করছে বলে অভিযোগ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, দেশটি থেকে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে নিরাপত্তা বাড়ানো হবে।

মঙ্গলবার (১৭ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ অভিযোগ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

ড. মোমেন বলেন, সম্প্রতি ভারত থেকে দুর্ভাগ্যবশত অনেক রোহিঙ্গা আসছে। এ রোহিঙ্গারা নয় বছর আগে ওখানে (ভারতে) গিয়েছিল, বিভিন্ন প্রদেশে ছিল। এখন তারা শুনেছে, বাংলাদেশে এলে তারা ভালো খাওয়া-দাওয়া পাবে। জাতিসংঘ ওদের খুব ভালো খাবার দেয়। আমাদের দেশে কক্সবাজার যারা আছে, তারা খুব সুখে আছে।

মোমেন বলেন, রোহিঙ্গাদের আত্মীয়-স্বজনরা তাদের এখানে আসার খবর দিয়েছে। তার ফলে তারা এখন দলে দলে আমাদের দেশে আসছে। দুসংবাদ হচ্ছে, তারা যেখানে ফেন্স (বেড়া) আছে, গেট আছে ওইগুলো তারা ম্যানেজ করছে। ওপারে দালাল আছে, এ পারেও আছে। যেখানে ফেন্স আছে সেখান দিয়েও তারা ঢুকছে। এটা দুশ্চিন্তার কারণ।

ভারত থেকে বাংলাদেশে অনুপ্রেবেশ করা অনেক রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে বলেও জানান ড. মোমেন। তিনি বলেন, যারা আসছে, আমরা কিছু আটকও করেছি। ওদের মূল কারণটা জিজ্ঞেস করলে বলছে, ‘তোমরা ভালো খাবার দিচ্ছ, আমরা এত বছর ভারতে কষ্টে ছিলাম।’ তারা এখানে না এসে মিয়ানমারে যেতে পারে। ওখানে যায় না, এখানে আসে তারা।

বাংলাদেশে অনুপ্রেবেশ করা কত রোহিঙ্গা আটক করা হয়েছে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বেশ কিছু আটক করা হয়েছে। এরমধ্যে আমরা আরও ১৮ জন ধরলাম। প্রায়ই ধরছি একটু একটু করে।

ড. মোমেন জানান, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও বাড়ানো হবে। যাতে তারা আর আসতে না পারে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সরকার কি সংকটে?

প্রকাশ: ০৮:০০ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail সরকার কি সংকটে?

দ্রব্যমূল্যের দাম ক্রমশ বেড়ে চলেছে। প্রতিদিনই নিত্যনতুন পণ্যের দাম বাড়ছে। শুরু হয়েছিল সয়াবিন তেল থেকে। তারপর সেটি পেঁয়াজের বাজার ঘুরে এখন চালের বাজারে হানা দিয়েছে। আটা-ময়দার দামও প্রতিদিন হু হু করে বাড়ছে। এদিকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে নানামুখী কথাবার্তা হচ্ছে। জাতীয় সরকারের দাবি উঠেছে সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে। অন্যদিকে কিছু কিছু অর্থনীতিবিদ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংকটের পূর্বাভাস দিচ্ছেন। আর সরকার যে প্রবৃদ্ধির কথা বলেছে সেই প্রবৃদ্ধিকেও প্রত্যাখ্যান করেছে সিপিডিসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। এরকম পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে, সরকার কি সংকটের মধ্যে রয়েছে? সরকার কি চাপের মধ্যে রয়েছে?

এ কথা ঠিক যে, ২০১৮-১৯ এর বিশ্ব মন্দা এবং ২০২০-২১ দুই বছরের করোনা পরিস্থিতি এবং সর্বশেষ ইউক্রেন যুদ্ধ। বাংলাদেশ প্রথম দুটির ধাক্কা ভালোমতোই সামাল দিয়েছে, এখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কা সামাল দিচ্ছে। এর ফলে বিশ্ব বাজারে যে অস্থিরতা সেই অস্থিরতার প্রভাব বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। বিশেষ করে ভোজ্যতেলসহ কিছু কিছু নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়েছে এবং কিছু কিছু পণ্য কিনতে মধ্যবিত্তরা হিমশিম খাচ্ছেন। এরকম পরিস্থিতিতে সরকার জরুরি ভিত্তিতে বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলেও সরকারি দায়িত্বশীল সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে। যেমন- ইউক্রেন এবং রাশা থেকে গম আমদানি বন্ধ হয়ে গেলে বাংলাদেশ বিকল্প উৎসের সন্ধান করছেন করছিল। এরমধ্যে ভারত, যেখান থেকে বাংলাদেশের মোট চাহিদার ১৭ ভাগ গম আমদানি করে সেই ভারতও গম রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে এখন জানানো হচ্ছে যে, এই নিষেধাজ্ঞা সরকারি খাতের জন্য প্রযোজ্য না এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বলেছেন যে, বাংলাদেশে গম রপ্তানি অব্যাহত থাকবে। এটি সরকারের জন্য একটি স্বস্তির খবর। তাছাড়া সরকার বিকল্প উৎস থেকে গম সংগ্রহের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

অন্যদিকে, অর্থনৈতিক বিভিন্ন সূচক নিয়ে কিছু কিছু অর্থনীতিবিদরা যে নেতিবাচক মন্তব্য করছে, সরকার মনে করছে সেটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। নির্বাচনের আগে সরকারকে চাপে ফেলার কৌশল হিসেবে বা সরকারের সমালোচনা অংশ হিসেবে এ ধরনের নেতিবাচক বিষয় গুলোকে সামনে নিয়ে আসা হচ্ছে। বাংলাদেশের অর্থনীতি কোন চাপের মধ্যে নেই। বরং বাংলাদেশ আগাম সর্তকতা অবলম্বন করছে। সরকারের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, ইতিমধ্যে বিদেশ যাওয়ার উপর নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। সরকারের কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাহুল্য বর্জন করছে, এটির ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যাবে। এছাড়াও রেমিটেন্স প্রবাহ যেন আবার বাড়ে সেজন্য সরকার কিছু উদ্যোগ এবং পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই সবকিছুর দৃশ্যমান ফলাফল খুব শীঘ্রই পাওয়া যাবে বলে সরকার মনে করছে। তবে সরকারের বিভিন্ন মহল মনে করছে যে, নির্বাচনের আগে সরকারের বিরুদ্ধে নানামুখী চাপ অব্যাহত থাকবে। এই চাপগুলো মোকাবেলা করে সরকারকে এগিয়ে যেতে হবে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পি কে হালদারকে বাংলাদেশে হস্তান্তর সময়সাপেক্ষ: দোরাইস্বামী

প্রকাশ: ০৬:৩৯ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail পি কে হালদারকে বাংলাদেশে হস্তান্তর সময়সাপেক্ষ: দোরাইস্বামী

পি কে হালদারকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরে সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী। মূলত আইনি প্রক্রিয়ার জন্যই এই সময় লাগতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৭ মে) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশ ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের যৌথ পরামর্শক কমিশনের (জেসিসি) বৈঠকের প্রস্তুতি নিয়ে বিক্রম দোরাইস্বামী পররাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে আলোচনা করেন। মূলত আজকের এই আলোচনায় প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে পিকে হালদারের গ্রেফতার নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কথা হয়েছে।

পি কে হালদারের বিষয়ে পররাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে বিক্রম দোরাইস্বামী বলেন, তাঁর বিষয়ে কথা হয়েছে। এটি দুই দেশের নিয়মিত সহযোগিতার একটি অংশ।‌ দুই দেশের অপরাধীদের মোকাবিলার জন্য পারস্পরিক আইনি‌ সহায়তাসহ নানা ধরনের কাঠামো রয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ভারতের সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে তথ্য দিয়েছে। ভারতীয় সংস্থা ওই তথ্য যাচাইয়ের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। বাংলাদেশ ও ভারতের সংঘবদ্ধ অপরাধ ও অপরাধীদের দমনের জন্য সহযোগিতা রয়েছে।

পি কে হালদারকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে বাংলাদেশ অনুরোধ করেছে কি না জানতে চাইলে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, ‘দেখুন এটি একটি আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়। গত সপ্তাহে ছুটির দিনে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমাদের কাছে যা তথ্য আছে, তার ভিত্তিতে একটা সময় বাংলাদেশকে জানানো হবে। বুঝতে হবে এটি কিন্তু বড়দিনের কার্ড বিনিময় নয়। আমি মনে করি, এ ধরনের বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়,‌ সেটি আস্তে আস্তে হতে দিন। এ নিয়ে আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করছি। এ তথ্য বাংলাদেশ‌ থেকে এসেছে।’

পি কে হালদার   ভারত   হাইকমিশনার   পররাষ্ট্রসচিব  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

কুমিল্লা সিটি নির্বাচন: সাক্কু না রিফাত?

প্রকাশ: ০৬:০০ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail কুমিল্লা সিটি নির্বাচন: সাক্কু না রিফাত?

আগামী ১৫ জুন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। আজ ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। বিভিন্ন প্রার্থীদের মধ্যে দুজন প্রার্থীকে নিয়েই মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার পর আলোচনার তুঙ্গে। কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ভোটার ধারণা এই দুজনের মধ্যেই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বে নতুন নির্বাচন কমিশনের প্রথম পরীক্ষা এই নির্বাচন। এই নির্বাচনকে নতুন নির্বাচন কমিশনার অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ করতে বদ্ধপরিকর। ইতিমধ্যে নির্বাচন সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে তারা কিছু পদক্ষেপও গ্রহণ করেছেন। বিএনপি বলেছে যে, তারা আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে যাবে না। এরকম ভাবনা থেকে তারা এই নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দিচ্ছে না। কিন্তু বিএনপির নেতা বর্তমান সিটি মেয়র মনিরুল হক সাক্কু নিজেই নিজেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছেন এবং তিনি বলেছেন যে, তার মনোনয়ন বৈধ বলে তিনি বিএনপি থেকে পদত্যাগ করে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। মনিরুল হক সাক্কু কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে দুই বার মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং তিনি সেখানে অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন নেতা, এ নিয়ে কোন সন্দেহ নেই।

অন্যদিকে, আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে কুমিল্লা সিটি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাতকে। রিফাতের মনোনয়নের পর আওয়ামী লীগের মধ্যে নানারকম মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিচ্ছে। আওয়ামী লীগ রিফাতকে ঐক্যবদ্ধভাবে গ্রহণ করেছে, এমনটিও নয়। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে যে অভিযোগটি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই উঠেছিল। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে চট্টগ্রাম অঞ্চলে মাদকসেবীদের যে তালিকা তৈরি করা হয়েছিল সেখানে আরফানুল হক রিফাতের নাম দেওয়া হয়েছিল। যদিও রিফাত এই বক্তব্যকে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন যে, এ ধরনের অভিযোগ সর্বৈব মিথ্যা। কিন্তু সত্য-মিথ্যা যাই হোক না কেন এই অভিযোগটি শুরুতে ভোটের মাঠে আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে পিছিয়ে দেয়া হয়েছে।

কুমিল্লা ঐতিহাসিক ভাবেই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এলাকা। এখানে কখনো আওয়ামী লীগ, কখনো বিএনপির আধিপত্য বিস্তার করে। তবে সিটি কর্পোরেশনের গত দুটি নির্বাচনের একটিতেও আওয়ামী লীগ জয়ী হতে পারেনি। আওয়ামী লীগের পরাজয়ের কারণ যতটা না নিজস্ব জনপ্রিয়তার কমতি থাকা, তার চেয়ে বেশি হল অভ্যন্তরীণ কোন্দল। প্রতিবার নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিভক্ত অবস্থায় নির্বাচনের মাঠে গেছে এবং শেষ পর্যন্ত এই বিভক্তি তাদেরকে পরাজিত করেছে। এবারও সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটবে কিনা সেটাই দেখার বিষয়। অন্যদিকে, মনিরুল হক সাক্কু বিএনপির জনপ্রিয় নেতা এবং তিনি শুধু বিএনপি নন, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন এলাকার মধ্যেও জনপ্রিয় বটে। তার নিজস্ব একটা ভোটব্যাঙ্ক রয়েছে। তাছাড়া দুইবার তিনি সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ছিলেন।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন যে, এই দুইবার মেয়র থাকাটাই এবার তার জন্য বুমেরাং হয়ে যেতে পারে। কারণ, প্রতিবার মেয়র নির্বাচন করে তিনি যে সমস্ত প্রতিশ্রুতি গুলো দিয়েছেন তার কমই বাস্তবায়ন করতে পেরেছেন। কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন বিভিন্ন দিক থেকে অনেকটাই পিছিয়ে। বিশেষ করে রাজশাহী, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের চেয়ে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন অবস্থান অনেক দিক থেকেই খারাপ। নাগরিক সুযোগ-সুবিধাও সেখানে অনেক কম বলেই নগরবাসীরা মনে করেন। এর একটি বড় কারণ হিসেবে তারা মনে করছেন যে, বিরোধী দলের মেয়র থাকা। মনিরুল হক সাক্কু মেয়র হওয়ার কারণে অনেক বড় ধরনের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সেখানে করছে না বলেও নগরবাসী মনে করেন। এই বিবেচনা থেকে নগরবাসীদের মধ্যে একটি উন্নয়ন ভাবনা কাজ করছে এবং যে ভাবনার কারণে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এগিয়ে যেতে পারেন বলে অনেকের ধারণা করছেন। তাছাড়া এবার মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ মাঠের কর্মীদের বিবেচনা করেছেন। আরফানুল হক রিফাত একজন মাঠের কর্মী এবং লড়াই-সংগ্রামে ছিলেন। তার নিজস্ব কর্মীবাহিনী রয়েছে এবং আওয়ামী লীগের মধ্যে অনৈক্য থাকলেও সেটি রিফাতের উপর খুব কমই প্রভাব ফেলবে। আর এই সমস্ত বিবেচনা থেকেই মনে করা হচ্ছে যে, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে একটি নাটকীয়তার সুযোগ রয়েছে। তবে এই নির্বাচন আওয়ামী লীগের জন্য একটি সুবিধাজনক নির্বাচন। কারণ, এই নির্বাচনে যদি আওয়ামী লীগ হারেও তাহলে আওয়ামী লীগ প্রমাণ করতে পারবে যে দলীয় সরকারের অধীনে একটি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব। অন্যদিকে, জিতলে আওয়ামী লীগের জন্যও তো ডাবল বোনাস।

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পদ্মা সেতুর টোল নির্ধারণ

প্রকাশ: ০৪:০৯ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail পদ্মা সেতুর টোল নির্ধারণ

পদ্মা বহুমুখী সেতুর জন্য দেশের দপক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে যাতায়াত সহজ হবে, বাঁচবে সময়। তবে দেশের সবচেয়ে দীর্ঘতম এই সেতু পার হতে লাগবে টোল। পদ্মা বহুমুখী সেতুর জন্য যানবাহনের শ্রেণি ও টোল হার চূড়ান্ত করেছে সরকার।

মঙ্গলবার (১৭ মে) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।

টোল হারে মোটরসাইকেলের টোল ১০০ টাকা, কার ও জিপ ৭৫০ টাকা, পিকআপ এক হাজার ২০০ টাকা, মাইক্রোবাস এক হাজার ৩০০ টাকা। ছোট বাস (৩১ আসন বা এর কম) এক হাজার ৪০০ টাকা, মাঝারি বাস (৩২ আসন বা এর বেশি) দুই হাজার টাকা এবং বড় বাস (৩ এক্সেল) দুই হাজার ৪০০ টাকা।

ছোট ট্রাক (৫ টন পর্যন্ত) এক হাজার ৬০০ টাকা, মাঝারি ট্রাক (৫ টনের অধিক থেকে ৮ টন পর্যন্ত) দুই হাজার ১০০ টাকা, মাঝারি ট্রাক (৮ টনের অধিক থেকে ১১ টন পর্যন্ত) দুই হাজার ৮০০ টাকা, ট্রাক (৩ এক্সেল পর্যন্ত) পাঁচ হাজার ৫০০ টাকা, ট্রেইলার (৪ এক্সেল পর্যন্ত) ছয় হাজার টাকা।

এ আদেশ পদ্মা বহুমুখী সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হওয়ার দিন থেকে কার্যকর হবে।

মঙ্গলবার (১৭ মে) দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় দলটির সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী পদ্মা সেতু উদ্বোধনের তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, হঠাৎ কেউ কেউ পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের তারিখ বলে বেড়াচ্ছেন। এত অধৈর্য হবেন না। সারসংক্ষেপ যাচ্ছে। চূড়ান্ত তারিখ দেবেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। আমরা সেতু বিভাগ থেকে সারসংক্ষেপ পাঠাচ্ছি, দিনক্ষণ ঠিক করার জন্য। ইনশাআল্লাহ আগামী জুন মাসে পদ্মা সেতু পুরোপুরি দৃশ্যমান হবে। জুনেই পদ্মাসেতু চালু করা হবে।

পদ্মা সেতু   টোল নির্ধারণ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন