ইনসাইড বাংলাদেশ

বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশ: ০৪:৩১ পিএম, ২৫ মে, ২০২২


Thumbnail বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি-বেসরকারি উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে । বর্তমান বাংলাদেশ বৈদেশিক বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত উপযোগী ও সম্ভাবনাময়। বাংলাদেশ সরকারও এ বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক। দেশি ও বিদেশী বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য একশোর অধিক অর্থনৈতিক অঞ্চল করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের প্রাণিসম্পদ খাতে সরকার বিদেশী বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানাবে। 

বুধবার (২৫ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে প্রাণিসম্পদ খাতে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সহযোগিতার ৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত সেমিনারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচার (ইউএসডিএ) এ সেমিনার আয়োজন করে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণ, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও যৌথভাবে কাজ করছে। তৈরি পোশাক ছাড়াও বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কৃষির বিভিন্ন খাত বিশেষ করে প্রাণিসম্পদ খাতে দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তারা বাংলাদেশে প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে দৃঢ় ও গতিশীলভাবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে আমরা প্রাণিসম্পদ খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছি।

তিনি আরও যোগ করেন, বিশ্ব এখন গ্লোবাল ভিলেজে রূপান্তরিত হয়েছে। তাই ধরিত্রীর উন্নয়নের জন্য, মানবজাতির উন্নয়নের জন্য আমাদের একসাথে কাজ করা উচিত। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি-বেসরকারি খাতের অভিজ্ঞতা বিনিময় ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য সর্বোত্তম ধরিত্রীর গড়ে তোলা সম্ভব।

প্রধান অতিথি তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র  বিভিন্ন খাতে আমাদের দেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে তাদের গবেষণা উন্নয়ন, অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতা সম্প্রসারণ করছে। বাংলাদেশ প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ একটি দেশ। এ দেশে প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নের প্রচুর সুযোগ রয়েছে। এ জন্য উন্নত দেশের সহযোগিতা আমাদের প্রয়োজন। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে আমরা মাছ, মাংস ও ডিমে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছি এবং শিগগিরই আমরা দুধ উৎপাদনেও স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে যাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, সরকার দেশে গুঁড়ো দুধ আমদানিতে উৎসাহী নয়। এ জন্য বেসরকারি খাতকে সরকার গুঁড়ো দুধ উৎপাদনের শিল্প স্থাপনে উৎসাহিত করছে। গুঁড়ো দুধ, প্রাণিখাদ্য, মৎস্য খাদ্যসহ অন্যান্য খাদ্য আমদানিতে সরকার সন্তুষ্ট নয়। বর্তমানে বৈশ্বিক বৈরী পরিস্থিতির কারণে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত সংশ্লিষ্ট পণ্য আমদানি ও পরিবহনে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। এ জন্য বেসরকারি খাতকে দেশে শিল্প স্থাপনে আহ্বান জানানো হচ্ছে। সরকার এ খাতের উন্নয়নে নীতি নির্ধারণসহ সব ধরনের সহযোগিতা দেবে। এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ও বেসরকারি খাত আমাদের দেশের চাহিদা পূরণ ও তাদের বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে এগিয়ে আসতে পারে। বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ ও গবেষণার ক্ষেত্র বৃদ্ধিতে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা উন্মুক্ত থাকবে।

তিনি যোগ করেন, এখন বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিচিত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ উন্নয়নের ম্যাজিশিয়ান। উন্নয়নের এ অর্জন সরকারের একার পক্ষে করা সম্ভব নয়। এ জন্য দেশের বেসরকারি খাত এবং যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি-বেসরকারি খাতের সহযোগিতা প্রয়োজন। আমাদের সরকার প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে সব সময় উদার মানসিকতাপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ। এ খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতার ক্ষেত্র সীমিত বা প্রতিকী না হয়ে বিস্তৃত হতে পারে। দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে দুদেশ পারস্পরিকভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ না হলে এটা সম্ভব নয়। 

প্রাণিসম্পদ খাত বিগত ৫০ বছর ধরে দেশের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভূমিকা রাখছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রাণিসম্পদ খাতের বিজ্ঞানীরা শুধু দেশেই নয়, বিদেশেও অবদান রাখছে। আমরা অভিজ্ঞতা, উন্নয়ন জ্ঞান ও গবেষণা বিনিময় করতে পারি। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ দুদেশের মধ্যে একসাথে কাজের ক্ষেত্র বৃদ্ধি নিয়ে কাজ করতে পারে। এটা হতে পারে দুদেশের মধ্যে প্রশিক্ষণ, শিক্ষা বিনিময়সহ অন্যান্য কর্মসূচি। 

তিনি যোগ করেন, প্রাণিসম্পদ খাত থেকে শুধু দুধ, ডিম ও মাংস উৎপাদন ও ব্যবহারই যথেষ্ট নয়। এ খাত থেকে উৎপাদিত পণ্যের বৈচিত্র্য ও এর বহুমুখী ব্যবহারে বাংলাদেশ সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রাণিসম্পদের রোগপ্রতিরোধও আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ মানুষ এ খাত থেকে খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদা পূরণ করছে। তাছাড়া রোগ-জীবাণু প্রাণিসম্পদের উৎপাদনেও বিরূপ প্রভাব ফেলছে। এসব বিষয় নিয়ে ডিজিটাল মাধ্যমে দুদেশ অভিজ্ঞতা বিনিময় ও পারস্পরিক সহযোগিতা করতে পারে।

বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন হেলেন লাফেবের সভাপতিত্বে সেমিনারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী ও যুক্তরাষ্ট্রের লাইভস্টক জেনেটিক্স এক্সপার্ট এর প্রেসিডেন্ট ড. মার্টিন সিবার। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে ইউএসডিএ-এর এগ্রিকালচারাল এটাচে মেগান ফ্রান্সিস। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এস এম ফেরদৌস আলম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ প্রাণিসম্পদ খাতের অংশীজনরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী   শ ম রেজাউল করিম   যুক্তরাষ্ট্র   বিনিয়োগ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

কে হচ্ছেন নতুন মুখ্য সচিব?

প্রকাশ: ০২:০৩ পিএম, ০৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail কে হচ্ছেন নতুন মুখ্য সচিব?

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব ড. আহমদ কায়কাউস চলে যাচ্ছেন। আগামী অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক হিসেবে তার যোগদানের কথা। এটি আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের মেয়াদ ১৮ অক্টোবরের শেষ হচ্ছে। তার জায়গায় সরকার ড. আহমদ কায়কাউসকে বিশ্বব্যাংকের ওই পদের জন্য মনোনীত করেছে বলে সরকারি সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে। ড. আহমদ কায়কাউস চলে গেলে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কে হবেন? প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব নানা কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদ। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে যখন আমলাদের ওপর সরকারি নির্ভরতা অনেক তখন মুখ্যসচিব পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং প্রধানমন্ত্রীর চিন্তাভাবনা নির্দেশনাগুলো মুখ্যসচিবের মাধ্যমে সর্বত্র সঞ্চারিত হয়। এ কারণেই এই পদটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর, গুরুত্বপূর্ণ। ড. আহমদ কায়কাউস মুখ্যসচিবের পদটিকে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করেছেন এবং তিনি তাঁর কাজের জন্য বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হয়েছেন। অনেকের প্রশ্ন যে, ড. আহমদ কায়কাউস চলে গেলে তার শূন্যস্থান কি পূরণ করা সম্ভব। কিন্তু সরকারের নীতিনির্ধারকরা বলছেন যে, কেউই অপরিহার্য নয়। ড. আহমদ কায়কাউসের আগে যারা ছিলেন তারাও যেমন মুখ্য সচিব হিসেবে ভূমিকা পালন করেছেন, সামনে যারা আসবেন তারাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কে হতে পারেন, এ নিয়ে সরকারের মধ্যে নানামুখী আলাপ-আলোচনা চলছে। একাধিক সূত্র বলছে মুখ্যসচিব মনোনীত করার এখতিয়ারটি এককভাবে প্রধানমন্ত্রীর এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বীয় বিবেচনায় যাকে মুখ্যসচিব হিসেবে পছন্দ করবেন তাকে মুখ্যসচিব করা হবে। কারণ, এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সর্বোচ্চ পদ। প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছায়-অনিচ্ছা এখানে শেষ কথা। তবে বিভিন্ন আলোচনায় তিনজনের নাম উঠে আসছে। এই তিন জনের যেকোনো একজন মুখ্যসচিব হতে পারে বলে অনেকেই ধারণা করছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন-

প্রধানমন্ত্রী বর্তমান সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া: তোফাজ্জল হোসেন মিয়া নবম ব্যাচের কর্মকর্তা. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব হিসেবে তিনি কাজ করছেন। প্রধানমন্ত্রীর অত্যন্ত আস্থাভাজন একজন সরকারী কর্মকর্তা এবং মেধা দক্ষতায় তিনিও নিজেকে প্রমাণ করেছেন। যেহেতু প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের এক বছর সময় আগে মুখ্যসচিব পরিবর্তন করতে যাচ্ছেন কাজেই তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার এখানে মুখ্যসচিব হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি বলে অনেকেই মনে করছেন।

কে এম আলী আজম: কে এম আলী আজম বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি ৮৬ ব্যাচের কর্মকর্তা। নভেম্বরে তার চাকরির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। কাজেই, সিনিয়র হলেও তাকে শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব করা হবে কিনা সেটিও একটি প্রশ্ন। অবশ্য এর আগেও মেয়াদের শেষ প্রান্তে এসে ড. কামাল চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন এবং তাকে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিলো।

কবির বিন আনোয়ার: কবির বিন আনোয়ার ৮৫ ব্যাচের একজন কর্মকর্তা। ছাত্রলীগ থেকে উঠে আসা কর্মকর্তাদের মধ্যে যারা এখনো টিকে আছেন তাদের মধ্যে জ্যেষ্ঠতম হলেন কবির বিন আনোয়ার। কবির বিন আনোয়ার একসময় প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার চাকরির মেয়াদও আগামী জানুয়ারিতে শেষ হয়ে যাবে। কাজেই, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে আগে তাকে নিয়োগ দেওয়া হবে কিনা, এ নিয়েও সংশয় রয়েছে।

তবে এগুলো কেবলই আলোচনা মাত্র। শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব কে হবেন, তা নিশ্চিত করতে পারেন শুধুমাত্র স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

তেলের পাশাপাশি বেড়েছে সিমেন্টের দাম

প্রকাশ: ০১:৫৫ পিএম, ০৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail তেলের পাশাপাশি বেড়েছে সিমেন্টের দাম

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে অন্যান্য জিনিসেও । গত শুক্রবার ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রলের দাম সর্বনিম্ন ৩৪ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৪৬ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছে। আর তাতেই গত ৩ দিনে সিমেন্টের দাম বেড়েছে প্রতি বস্তায় ৪০ থেকে ৫০ টাকা। গত তিন দিনে সিমেন্ট খাতের বেশির ভাগ কোম্পানিই দাম বাড়িয়েছে। আর কেউ কেউ তেলের দাম বাড়ার আগে গত সপ্তাহেই দাম বাড়িয়েছিল।

কোম্পানিসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় কাঁচামাল আমদানিতে খরচ ২০ থেকে ২৫ শতাংশ বেড়েছে। তার সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে বাড়তি জ্বালানি খরচ। এ কারণে কোম্পানিগুলো ধীরে ধীরে দাম সমন্বয় করতে শুরু করেছে।

ভবিষ্যতে আরও দাম সমন্বয় করতে হবে বলে জানান কোম্পানিসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। একসঙ্গে বেশি দাম বাড়ালে হঠাৎ করে বিক্রি অনেক কমে যেতে পারে, এ শঙ্কায় ধীরে ধীরে দাম সমন্বয়ের পথে হাঁটছে কোম্পানিগুলো।



সিমেন্ট   দাম বৃদ্ধি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রিমান্ড চেয়ে আদালতে তোলা হবে সেই বাস ডাকাতদের

প্রকাশ: ০১:০৪ পিএম, ০৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail রিমান্ড চেয়ে আদালতে তোলা হবে সেই বাস ডাকাতদের

টাঙ্গাইলে গভীর রাতে চলন্ত বাস জিম্মি করে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১০ জন আসামি‌কে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে র‍্যাব । সোমবার (৮ আগস্ট) রাতে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী রতন হোসেনসহ ১০ আসামিকে ডিবির কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) দুপু‌রে রিমান্ড চে‌য়ে আসামিদের আদাল‌তে পাঠা‌নো হবে।

র‍্যাব  জানায়, বাসের হেলপারের ছদ্মবেশে ২০১৮ সাল থেকে যাত্রীবাহী বাসসহ বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি করে আসছিল রতন হোসেন (২১)। তিনি এ চক্রের দলনেতা। তার অধীনে ১৩ থেকে ১৫ জন সদস্য রয়েছে। ডাকাতির ঘটনায় দুই দফা কারাভোগও করেছেন তিনি। দ্বিতীয় দফায় ৯ মাস কারাভোগের পর জামিনে বের হয়ে আসেন এবং পুনরায় যাত্রীবাহী বাসে ডাকাতি করে দলনেতা হন রতন হোসেন।

টাঙ্গাইল র‌্যাব-১২ এর ৩ নম্বর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান জানান, সোমবার (৮ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে রতনসহ গ্রেপ্তার ১০ জনকে ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলে আনা হয়। এরপর রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাদের ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে রোববার (৭ আগস্ট) তাদের ঢাকা, গাজীপুর ও সিরাজগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার র‌্যাব-১২ ও ১৪।

এদিকে ঈগল এক্সপ্রেস বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী রতনের বাড়ি টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার কুড়ালিয়া ইউনিয়নের ধলপুর গ্রামে। ময়মন‌সিংহ-টাঙ্গাইল আঞ্চ‌লিক মহাসড়‌কের রক্তিপাড়ায় দুর্ঘটনার পর বাস থে‌কে নে‌মে ডাকাতরা ঘটনাস্থল থে‌কে পাঁচ কি‌লো‌মিটার দূ‌রে রত‌নের নানা বে‌লো মিয়ার বা‌ড়ি‌তে যায় ব‌লে জানা গে‌ছে। এরপর সকা‌লেই সেখান থেকে বেরিয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ঘর পরিষ্কার করতে গিয়ে বা‌ড়ির গৃহবধূ জেরিন তিনটি মোবাইলের কভার এবং একটি ছুরি দেখতে পান।

টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হেলাল উদ্দিন বলেন, ডাকা‌তি ও ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতারকৃত ১০ জনকে সোমবার ঢাকায় সংবাদ স‌ম্মেলন শে‌ষে রা‌তে ডি‌বির কাছে হস্তান্তর করেছে র‌্যাব। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আসামিদের দুপু‌রের দি‌কে রিমান্ড চে‌য়ে আদালতে তোলা হবে। এর আগে গ্রেপ্তারকৃত তিনজন কারাগারে রয়েছে। তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।


টাঙ্গাইল   বাস ডাকাতি   আদালত  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মৃত ব্যক্তির নামে ঋণ

প্রকাশ: ১১:২৫ এএম, ০৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail মৃত ব্যক্তির নামে ঋণ

মৃত ব্যক্তির নামেও ঋণ দিয়েছে কৃষি ব্যংক। তাদের রাজবাড়ী শাখায় ঋণ বিতরণে অনিয়মের ঘটনা ধরা  পড়েছে। আবার একজনের কাগজপত্র ব্যবহার করে ঋণ নিয়েছেন আরেকজন।

২০১৫/১৬ বছরে ব্যাংকটির রাজবাড়ী শাখা থেকে ১ হাজার ৬০১ জনকে ঋণ দেওয়া হয়। গত ফেব্রুয়ারিতে ঋণ জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়ে। তাঁদের মধ্যে ৪৫৮ জনের কাছ থেকে ঋণ আদায়ের জন্য বিশেষভাবে উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেয় ব্যাংকের অডিট কমিটি। ওই ঘটনায় ব্যাংকের দুই কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

ব্যাংকের শাখা সূত্রে জানা যায়, ধান, পেঁপে, কলাসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদনের জন্য এসব ঋণ দেওয়া হয়। ঋণের পরিমাণ সর্বনিম্ন ৭ হাজার থেকে শুরু করে ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। তবে বেশির ভাগ ঋণ ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকার মধ্যে। ১ হাজার ৬০১ জনকে ঋণ দেওয়া হয় প্রায় ১০ কোটি টাকা। এক বছরের মধ্যে পরিশোধ করার কথা ছিল। ইতিমধ্যে ৮৬৭ জন ঋণ পরিশোধ করেছেন। বকেয়া টাকার পরিমাণ তিন কোটি টাকার কিছু বেশি। আর ব্যাংকের ওই শাখায় মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১৪ কোটি ২৬ লাখ টাকা।

রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানগঞ্জ ইউনিয়নের বাসুদেবপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন রহিম ধাবক। তিনি বার্ধক্যের কারণে ২০০৫ সালে মারা যান। অথচ তাঁর নামে ২০১৫ সালের ২ আগস্ট ৬০ হাজার টাকা কৃষিঋণ নেওয়া হয়। পরিবারের সদস্যরা এই ঋণের বিষয়ে জানতেন না। গত বছর বাড়িতে নোটিশ আসার পর তাঁরা বিষয়টি জানতে পারেন।

ব্যাংকঋণের জন্য আবেদনকারীকে সশরীর ব্যাংকে উপস্থিত হতে হয়। আবেদনপত্রের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, পাসপোর্ট আকারের ছবি, বাড়ির জমির খাজনা প্রদানের রশিদ, জমিজমার পরচা বা দলিল দিতে হয়। এরপর ব্যাংক কর্মকর্তা বা মাঠকর্মীরা তা সরেজমিনে যাচাইবাছাই করেন। তথ্যের সত্যতা পাওয়ার পর ব্যাংক ব্যবস্থাপকের কাছে প্রতিবেদন আকারে জমা দেন। এরপর ঋণ দেওয়া হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে কোন ধরণের নিয়ম না মেনেই যাকে খুশি তাকে ঋণ দেয়া হয়েছে।

 


কৃষি ব্যংক   ঋণ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রেলের ডিজিটালাইজেশনে নিয়ে জয়ের সঙ্গে রেলওয়ের বৈঠক

প্রকাশ: ১১:০৬ এএম, ০৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail রেলের ডিজিটালাইজেশনে নিয়ে জয়ের সঙ্গে রেলওয়ের বৈঠক

রেলের কার্যক্রম ডিজিটালাইজড করতে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

সোমবার (৮ আগস্ট) অনলাইন প্লাটফর্মে বাংলাদেশ রেলওয়ের সঙ্গে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনলাইন প্লাটফর্মে এ আলোচনা সভায় আইসিটি বিভাগের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

এ তথ্য জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

বৈঠকে রেলকে ট্রাকিং সিস্টেমে আনা, টিকিট কেনায় আধুনিকায়ন, রেলের সিগন্যাল ডিজিটালাইজড করা ও রেল সেবা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

রেল   ডিজিটালাইজেশন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন