ইনসাইড বাংলাদেশ

বাসযোগ্যতার সূচকে ১৭২ শহরের মধ্যে ঢাকা ১৬৬তম

প্রকাশ: ০৪:৪৮ পিএম, ২৩ Jun, ২০২২


Thumbnail বাসযোগ্যতার সূচকে ১৭২ শহরের মধ্যে ঢাকা ১৬৬তম

ইকোনমিক ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) ২০২২ সালের সূচকে ১৭২টি শহরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান ১৬৬তম। এই প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে কম বাসযোগ্য শহরের তালিকায় ৭ম স্থানে রয়েছে ঢাকা। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) এই তালিকা প্রকাশ করে ইআইইউ।

অবশ্য আগের বছরের চেয়ে বাসযোগ্য শহরের তালিকায় তিন ধাপ এগিয়েছে ঢাকা। ২০২১ সালের সূচকে ১৪০টি শহরের মধ্যে ১৩৭তম হয়েছিল ঢাকা।

বাসযোগ্যতার সূচকে এ বছর ঢাকার স্কোর ১০০ নম্বরে মধ্যে ৩৯ দশমিক ২। আগের বছর প্রাপ্ত স্কোর ছিল ৩৩ দশমিক ৬। মহামারিসংক্রান্ত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করার কারণে স্কোর বেড়েছে বলে জানিয়েছে ইআইইউ।

শহরগুলোর স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা এবং অবকাঠামোর মতো গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ইআইইউ বাসযোগ্যতার এ তালিকা তৈরি করে থাকে।

তালিকার একেবারে তলানিতে আছে যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক। অবশ্য তলানিতে থাকা ১০টি শহরের মধ্যে অবকাঠামোতে সবচেয়ে কম স্কোর ঢাকার- মাত্র ২৬ দশমিক ৮।

কোভিড-১৯ মহামারির কারণে ইআইউর এই তালিকা প্রকাশ ধাক্কা খায়। ২০২০ সালে তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। পরের বছর তালিকায় শহরগুলোর অবস্থান ব্যাপক ওলটপালট হয়। কারণ, লকডাউন ও সামাজিক দূরত্বের মতো পদক্ষেপ বিশ্বব্যাপী শহরগুলোর সাংস্কৃতিক, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার স্কোরকে প্রভাবিত করে।

তবে মহামারির বিধিনিষেধ উঠে যাওয়ায় ২০২২ সালের সূচক অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসে। আগের বছর ১২তম স্থানে ছিটকে পড়া অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা আবার শীর্ষ স্থানে ফিরে এসেছে। লকডাউনের কারণে জাদুঘর ও রেস্তোরাঁ বন্ধ করে আগের বছর ইউরোপের শহরটির এই অবনমন হয়েছিল। ২০১৮ ও ২০১৯ সালেও শীর্ষে ছিল ভিয়েনা।

আগের বছর শীর্ষ থাকা নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড এবার ৩৪তম স্থানে নেমে গেছে। মহামারির বিধিনিষেধের কারণে শহরটির এই ছিটকে পড়া বলে জানিয়েছে ইআইইউ।

তালিকায় দ্বিতীয় হয়েছে কোপেনহেগেন। জুরিখ ও ক্যালগারি যৌথভাবে তৃতীয় হয়েছে। শীর্ষ ১০ শহরের বেশির ভাগই পশ্চিম ইউরোপ ও কানাডার শহর। শীর্ষ ১০ শহরের ছয়টি ইউরোপের।

তালিকায় তলানির দিক থেকে দ্বিতীয় হয়েছে নাইজেরিয়ার লাগোস (স্কোর ৩২.২)। আর ৩৪.২ স্কোর নিয়ে লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির অবস্থান তলানির দিক থেকে তৃতীয়। রাশিয়া হামলা করায় ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভকে তালিকায় রাখা হয়নি।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

কোরবানির পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে ১৬ নির্দেশনা

প্রকাশ: ০৭:০৫ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail কোরবানির পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে ১৬ নির্দেশনা

আসন্ন ইদুল-আজহা উপলক্ষে পশুর হাট ব্যবস্থাপনায় ১৬টি নির্দেশনা পালনের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। 
 
নির্দেশনাগুলো হলো:

১. হাট বসানোর জন্য পর্যাপ্ত খোলা জায়গা নির্বাচন করতে হবে। কোনো অবস্থায় বদ্ধ জায়গায় হাট বসানো যাবে না; 
২. হাট ইজারাদার কর্তৃক হাট বসানোর আগে মহামারি প্রতিরোধী সামগ্রী যেমন-মাস্ক, সাবান, জীবাণুমুক্তকরণ সামগ্রী ইত্যাদি সংগ্রহ করতে হবে। পরিষ্কার পানি সরবরাহ ও হাত ধোয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে তরল সাবান/সাধারণ সাবানের ব্যবস্থা রাখতে হবে। নিরাপদ বর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে;
৩. পশুর হাটের সাথে জড়িত সকল কর্মকর্তা, কর্মচারী ও হাট কমিটির সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। হাট কমিটির সকলের ব্যক্তিগত সুরক্ষা জোরদার করা এবং মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে;
৪. হাটের সাথে জড়িত সকল কর্মীর স্বাস্থ্যবিধির নির্দেশনা দিতে হবে। জনস্বাস্থ্যের বিয়ষগুলো যেমন মাস্কের সঠিক ব্যবহার, হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার, শারীরিক দূরত্ব, হাত ধোয়া, জীবানুমুক্তকরণ বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে। স্বাস্থ্যবিধিগুলো সার্বক্ষণিক মাইকে প্রচার করতে হবে;
৫. মাস্ক ছাড়া কোনো ক্রেতা-বিক্রেতা হাটের ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন না। হাট কর্তৃপক্ষ চাইলে বিনামূল্যে মাস্ক সরবরাহ করতে পারেন বা এর মূল্য নির্ধারণ করে দিতে পারেন;
৬. প্রতিটি হাটে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক ডিজিটাল পর্দায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি প্রচার করতে হবে;
৭. পশুর হাটে প্রবেশের জন্য গেট (প্রবেশপথ ও বাহিরপথ) নির্দিষ্ট করতে হবে;
৮. পর্যাপ্ত পানি ও ব্লিচিং পাউডার দিয়ে পশুর বর্জ্য দ্রুত পরিস্কার করতে হবে। কোথাও জলাবদ্ধতা তৈরি করা      যাবে না;
৯. প্রতিটি হাটে সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক এক বা একাধিক ভ্রাম্যমান স্বেচ্ছাসেবী মেডিকেল টিম গঠন করে সেবা প্রদানের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। মেডিকেল টিমের নিকট শরীরের তাপমাত্রা মাপার জন্য ডিজিটাল থার্মোমিটার রাখা যেতে পারে, যাতে প্রয়োজনে হাটে আসা সন্দেহজনক করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের দ্রুত চিহ্নিত করা যায়। এছাড়া তাৎক্ষণিকভাবে রোগীকে আলাদা করে রাখার জন্য প্রতিটি হাটে একটি আইসোলেশন ইউনিট (একটি আলাদা কক্ষ) রাখা যেতে পারে;
১০. একটি পশুর থেকে আরেকটা পশু এমনভাবে রাখতে হবে যেন ক্রেতারা কমপক্ষে ৩ (তিন) ফুট বা ২ (দুই) হাত দূরত্ব বজায় রেখে পশু ক্রয় করতে পারেন।
১১. ভিড় এড়াতে মূল্য পরিশোধ ও হাসিল আদায় কাউন্টারের সংখ্যা বাড়াতে হবে।
১২. মূল্য পরিশোধের সময় সারিবদ্ধভাবে লাইনে দাঁড়ানোর সময়কাল যেন কম হয় সেদিকে লক্ষ্য রাকতে হবে। লাইনে ৩ (তিন) ফুট বা কমপক্ষে ২ (দুই) হাত দূরত্ব বজায় রেখে দাঁড়াতে হবে। প্রয়োজনে রেখা টেনে বা গোল চিহ্ন দিতে হবে; 
১৩. সকল পশু একত্রে হাটে প্রবেশ না করিয়ে, হাটের ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী পশু প্রবেশ করাতে হবে;
১৪. হাটের ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে কেনাকাটা করা সম্ভব, এমন সংখ্যক ক্রেতাকে হাটে প্রবেশের সুযোগ দিতে হবে। অবশিষ্ট ক্রেতারা হাটের বাইরে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে অপেক্ষা করবেন। ১টি পশু ক্রয়ের জন্য ১ বা ২ জনের বেশি ক্রেতা হাটে প্রবেশ করবেন না;
১৫. অনলাইনে পশু কেনা-বেচার জন্য জনগণকে উৎসাহিত করা যেতে পারে;
১৬. স্থানীয় প্রশাসন, আইন-শ্রঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং স্বাস্থ্য বিভাগের সাথে সমন্বয় করে সকল কাজ নিশ্চিত করতে হবে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

অসত্য বক্তব্যে সাফাই গাইলেন ড. ইউনূস

প্রকাশ: ০৬:২৯ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail অসত্য বক্তব্যে সাফাই গাইলেন ড. ইউনূস

বয়স শেষ হলেও গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি পদে থাকার জন্য হিলারি ক্লিনটনের দ্বারস্থ হওয়া, পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকসহ উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থায়ন বন্ধে দেনদরবার, ক্লিনটন ফাউন্ডেশনে তিন লাখ ডলার অনুদান এবং আরেকটি ফাউন্ডেশনকে ছয় মিলিয়ন ডলার অনুদানসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের ব্যাখ্যা দিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তার আত্মপক্ষ সমর্থনে দেয়া বক্তব্যগুলো যে সম্পূর্ণ অসত্য সেটি একটু খতিয়ে দেখা যাক।

প্রথমত, ড. ইউনূসের বয়সসীমা পার হয়ে গেলেও তিনি এমডি পদে বহাল থাকতে চান। কিন্তু আইন অনুযায়ী তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি পদে থাকতে পারেন না, সেজন্য সরকারের পক্ষ থেকে তাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়। তিনি পদত্যাগ না করে এই পদে থাকার জন্য তিনি হিলারি ক্লিনটনের দ্বারস্থ হন। হিলারি ক্লিনটনকে দিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করিয়ে অনুরোধ করান তাকে যেন গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি পদে বহাল রাখা হয়। এরপর তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

৬০ বছর বয়স হলেও গ্রামীণ ব্যাংকের এমডির পদ থেকে পদত্যাগ না করে পাল্টা মামলা করার প্রসঙ্গে জবাবে ড. ইউনূসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গ্রামীণ ব্যাংক এমন একটি ব্যাংক যার ৭৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক এর ঋণগ্রহীতারা। একটি আলাদা আইনের মাধ্যমে কিছু অনন্য বৈশিষ্ট্য সন্নিবেশ করে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। ফলে অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের সঙ্গে এর পার্থক্য আছে। গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয় এর পরিচালনা পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত শর্তে একটি চুক্তির অধীনে। এই নিয়োগের জন্য কোনও বয়সসীমা আইনে বা পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তে উল্লেখ ছিল না। বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের নিয়মিত পরিদর্শন প্রতিবেদনগুলির একটিতে এ বিষয়ে পর্যবেক্ষণ দিলে গ্রামীণ ব্যাংক বিষয়টি ব্যাখ্যা করে। পরে ২০১১ সালে পদত্যাগ করতে বলায় গ্রামীণ ব্যাংকের মৌলিক আইনি মর্যাদা রক্ষায় তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেছিলেন। এর সঙ্গে চাকরি ধরে রাখার কোনো সম্পর্ক নেই।

কিন্তু ড. ইউনূসের এই বক্তব্য অসত্য। কারণ ১৯৮৩ সালের গ্রামীণ ব্যাংকের অর্ডিন্যান্স এর ধারা ১৪(১) অনুযায়ী এই ব্যাংকের এমডি'র নিয়োগ চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এমডি পদে প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য একটি সিলেকশন কমিটি থাকে এবং সেই বাছাইয়ের ভিত্তিতে ব্যাংকের বোর্ড এমডি নিয়োগ করে। এই অধ্যাদেশ অনুযায়ী গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যানও নিয়োগ করে সরকার। গ্রামীণ ব্যাংক একটি সংবিধিবদ্ধ সরকারি প্রতিষ্ঠান বলেই আইনে এই নিয়োগের ক্ষমতা সরকারের হাতেই রাখা হয়েছে। তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন করেছিল মূলত এমডি পদে বহাল থাকার জন্য।

হিলারি ক্লিনটনসহ বিশিষ্টজনদের দিয়ে ফোন করানোর বিষয়ে ইউনূস সেন্টারের বলা হয়েছে, গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ড. ইউনূসের অপসারণ বিশ্বব্যাপী সংবাদে পরিণত হয়েছিল। ড. ইউনূসকে ফিরিয়ে আনার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছিলেন না, তারা দেখতে চাইছিলেন গ্রামীণ কর্মসূচিগুলোর অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক। ড. ইউনূসের এই বক্তব্যও সম্পূর্ণ মিথ্যা। বরং হিলারি ক্লিনটন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন দিয়ে ড. ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি পদে বহাল রাখার অনুরোধ জানান।

দ্বিতীয়ত, ক্লিনটন ফাউন্ডেশনসহ আরেকটি ফাউন্ডেশনে দেয়া অনুদান, ব্যক্তিগত হিসেবে ছয় কোটি টাকা নেওয়ার কথা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ সংক্রান্ত ভুল তথ্য দেয়া হয়েছে বলে দাবী করেছেন ড. ইউনূস। এর কোন সঠিক তথ্য-প্রমাণ দিতে পারেননি তিনি। কেবলমাত্র সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন দাবি করে আত্মপক্ষ সমর্থনের একটি ব্যর্থ চেষ্টা করলেন ড. ইউনূস। যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, অনুদান কিংবা কোনো উৎস থেকে টাকা আসলে সেটা প্রকাশ করতে হয়। ক্লিনটন ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী দেখা যায়, ড. ইউনূস ওই ফাউন্ডেশনে অনুদান দেন। কিন্তু বিবৃতি ড. ইউনূস এটি অস্বীকার করেন।

এপির তথ্য অনুযায়ী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালে হিলারি ক্লিনটনের সঙ্গে তিনবার দেখা করেছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং টেলিফোনে কয়েকবার কথা বলেছেন। ওই সময় বাংলাদেশের গ্রামীণ ব্যাংকের দায়িত্ব থেকে মুহাম্মদ ইউনুসকে পদত্যাগের জন্য বাংলাদেশ সরকার চাপ দিচ্ছিল। সে কারণে হিলারি ক্লিনটনের সঙ্গে দেখা করে সাহায্য চেয়েছিলেন মুহাম্মদ ইউনুস। এ সময় গ্রামীণ আমেরিকা, যে সংস্থাটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন ড. ইউনুস, ক্লিনটন ফাউন্ডেশনে এক লাখ থেকে আড়াই লাখ ডলার অনুদান দিয়েছে। গ্রামীণ রিসার্চ নামের আরেকটি প্রতিষ্ঠান,যেটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বেও রয়েছেন ড. ইউনুস, সেই প্রতিষ্ঠান থেকেও ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার ডলার অনুদান দেয়া হয়েছে।

শুধু ক্লিনটন ফাউন্ডেশন নয়, ড. ইউনূস আরও একটি ফাউন্ডেশনকে ছয় মিলিয়ন ডলার অর্থ দেওয়া এবং এক চেকে ছয় কোটি টাকা ব্যক্তিগত হিসাবে নিয়েছে। এর প্রেক্ষিতে এটিকেও সম্পূর্ণ কল্পনাপ্রসূত বলে একই উত্তর দিলেন তিনি, যেখানে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা-প্রমাণ দিতে পারেননি।

তৃতীয়ত, পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধের ষড়যন্ত্রের অভিযোগকে অস্বীকার করেছেন ড. ইউনূস। এই বিষয়ে ড. ইউনূসের পক্ষ থেকে বলা হয়, আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ দুই বন্ধুর খেয়ালখুশি কিংবা একজন পত্রিকা সম্পাদকের সাক্ষাৎ করতে যাওয়ার ওপরও নির্ভর করে না। প্রফেসর ইউনূস পদ্মা সেতু বিষয়ে বিশ্বব্যাংক বা অন্য কোনো সংস্থা বা ব্যক্তির কাছে কখনও কোনো অভিযোগ বা অনু্যোগ জানাননি। সুতরাং বিষয়টি নিতান্তই কল্পনাপ্রসূত।

পদ্মা সেতুর অর্থায়ন বন্ধের জন্য কথিত দুর্নীতির অভিযোগ এনে বিশ্বব্যাংকে চিঠি দেন ড. ইউনূস। সেই সাথে হিলারি ক্লিনটকে দিয়ে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধে চাপও প্রয়োগ করেন তিনি। পদ্মা সেতুর অর্থায়ন বন্ধের পেছনে একটি পত্রিকার সম্পাদককে সাথে নিয়ে ড. ইউনূস যে দেনদরবার করেছেন তা ইতোমধ্যেই প্রমাণিত। এই প্রমাণিত অভিযোগকেও কেবল কল্পনাপ্রসূত বলা ছাড়া আত্মপক্ষ সমর্থনের আর কোন উপায়ও নেই ড. মুহাম্মদ ইউনূসের।

অসত্য বক্তব্যে আত্মপক্ষ সমর্থনে সাফাই গাইতে যেয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষ থেকে কেবল একটিই যুক্তি উঠে এসেছে যে, সকল অভিযোগই 'কল্পনাপ্রসূত'। এছাড়া তিনি আর তেমন কোনো ব্যাখ্যাই দিতে পারেননি। অসত্য বক্তব্য দিয়ে ড. ইউনূস বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করলেও সেখানেও তিনি সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন। কারণ, তার এই বক্তব্যে যে অযৌক্তিক এবং মিথ্যা সেটি ইতোমধ্যে প্রমাণিত।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পদোন্নতি পাওয়া ৩৫ ডিআইজিকে বদলি

প্রকাশ: ০৫:১৬ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail পদোন্নতি পাওয়া ৩৫ ডিআইজিকে বদলি

বাংলাদেশ পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হিসেবে পদোন্নতি পাওয়া ৩৫ জনকে নতুন কর্মস্থলে বদলি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপনে তাদের নতুন কর্মস্থলে বদলি করা হয়েছে।

বদলিকৃতদের অবিলম্বে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বদলিকৃতদের তালিকা দেখতে ক্লিক করুন।

পুলিশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

১,৪০০ বন্যার্ত পরিবারকে বসুন্ধরা গ্রুপের ত্রাণ বিতরণ

প্রকাশ: ০৪:৩১ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail ১,৪০০ বন্যার্ত পরিবারকে বসুন্ধরা গ্রুপের ত্রাণ বিতরণ

বসুন্ধরা ফুড এন্ড বেভারেজ এবং বসুন্ধরা মাল্টি ফুড লি. এর উদ্যোগে এক হাজার ৪০০ বন্যার্ত পরিবারকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। সপ্তাহজুড়ে ৫টি উপজেলায় বানভাসি পরিবারের মধ্যে চাল, ডাল, মুড়ি, বিশুদ্ধ পানি বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। তুমুল বৃষ্টি উপেক্ষা করেও বন্যার্ত মানুষের হাতে ত্রাণ তুলে দেন বসুন্ধরা গ্রুপের কর্মীরা।

স্থানীয়রা জানান, বন্যায় আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে গেছে। কোথাও কাজকর্ম নেই। ত্রাণ পেয়ে বেশ উপকার হয়েছে।

কুড়িগ্রামের উলিপুর ইউনিয়নের সংরক্ষিত আসনের সদস্য কল্পনা বেগম বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন খবরে দেখি বসুন্ধরা গ্রুপের মালিক অসহায় মানুষকে সাহায্য-সহযোগিতা করেন। আমার এলাকার প্রত্যন্ত চরে বসুন্ধরা কর্তৃপক্ষ ত্রাণ পাঠিয়েছে, বিষয়টি খুবই ভালো লাগছে।

এ সময় বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এই জনপ্রতিনিধি।

ব্রহ্মপুত্র নদ অববাহিকার ভারতীয় সীমান্ত এলাকায় অনেকগুলো বন্যাকবলিত এলাকায় বিতরণ করা খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ছিলো চাল, ডাল, তেল, মুড়ি ও বিশুদ্ধ পানি। উল্লেখযোগ্য এলাকাসমূহ হলও সিলেটের জৈন্তাপুর, কোম্পানীগঞ্জ, সুনামগঞ্জের বিষোড়ম্বরপুর, কিশোরগঞ্জের মিঠামইন, কুড়িগ্রামের চিলমারী সহ আরও বন্যাকবলিত স্থান।

ত্রাণ সরবরাহ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা ফুড অ্যান্ড বেভারেজ, প্রোডাক্ট লাইন-বি এর এজিএম মওদুদ আহমেদ (নর্থ বেঙ্গল), ডিএসএম-প্রোডাক্ট লাইন-বি আবুল বাশার (রংপুর বিভাগ), ডিএসএম- প্রোডাক্ট লাইন-বি আতাউর রহমান (ময়মনসিংহ), ডিএসএম- প্রোডাক্ট লাইন-বি দীপঙ্কর রয় (সিলেট) সহ স্থানীয় ডিস্ট্রিবিউটর, ইউপি সদস্যসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বসুন্ধরা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

চার মেট্রোপলিটনে নতুন কমিশনার

প্রকাশ: ০৪:৩১ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail চার মেট্রোপলিটনে নতুন কমিশনার

চট্টগ্রাম, রংপুর, গাজীপুর ও বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশে নতুন চার কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখার উপ-সচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে নতুন কমিশনারদের নিয়োগ দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়কে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, ঢাকা রেঞ্জ কার্যালয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি এবং ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতিপ্রাপ্ত নুরে আলম মিনাকে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার, নৌ-পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি ও ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতিপ্রাপ্ত মোল্যা নজরুল ইসলাম গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার ও চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি এবং ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতিপ্রাপ্ত মো. সাইফুল ইসলামকে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

একই আদেশে রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্যকে ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি ও রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহা. আবদুল আলীম মাহমুদকে রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

জনস্বার্থে এ আদেশ কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

চার মেট্রোপলিটন   নতুন কমিশনার  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন