ইনসাইড বাংলাদেশ

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন কাল, সব প্রস্তুতি সম্পন্ন

প্রকাশ: ১২:১৩ পিএম, ২৪ Jun, ২০২২


Thumbnail পদ্মা সেতুর উদ্বোধন কাল, সব প্রস্তুতি সম্পন্ন

দেশবাসীর স্বপ্নের সেতু উদ্বোধন হতে আর মাত্র একদিনের অপেক্ষা। এই সেতুর মাধ্যমে পদ্মা পাড়ি দেওয়ার অপেক্ষার প্রহর শেষ হতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বপ্নের এ সেতুর উদ্বোধন করবেন, যার মধ্য দিয়ে লাঘব হবে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের আজন্ম কষ্ট। ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সরাসরি এ যোগাযোগব্যবস্থা পুরো অঞ্চলের অর্থনীতিতে বিপ্লব সৃষ্টি করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এরই মধ্যে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। উদ্বোধন শেষে মাওয়া প্রান্তে সুধী সমাবেশ ও মাদারীপুর প্রান্তে জনসভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। পদ্মা সেতুর উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে সারা দেশেই উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

উদ্বোধনের পরদিন অর্থাৎ ২৬ জুন ভোরে যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে বহুল প্রত্যাশিত এ সেতু। এতে ১৩ ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারবে। তবে নসিমন, করিমন, ভটভটি ও সিএনজি অটোরিকশা চলাচল করতে পারবে না। এমনকি হেঁটেও মানুষ যাতায়াত করতে পারবে না। এরই মধ্যে পদ্মা সেতুতে গাড়ি পারাপারে টোল নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। সেতুর নির্মাণকাজ করেছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড (এমবিইসি)। ঠিকাদার তাঁর কাজ শেষ করে সেতু বুঝিয়ে দিয়েছেন সরকারকে। তবে যে কোনো অবকাঠামোর ক্ষেত্রে ছোটখাটো কাজ থাকবে। আগামী এক বছর ধরে তাঁরা সে কাজ ‘ডিফেক্ট লায়াবিলিটি পিরিয়ড’ করবেন।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান ঘিরে দেশজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। স্বপ্ন বাস্তবায়নের এ উৎসব কেন্দ্র করে যেন কেউ কোনো ধরনের নাশকতা চালাতে না পারে সেজন্য বাড়তি সতর্কাবস্থায় রয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। সংশ্লিষ্টরা জানান, পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের দিন প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্য, বিচারপতি, বিশিষ্ট রাজনীতিক ছাড়াও বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। তাঁদের নিরাপত্তায় নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। পদ্মার দুই পাড়েই র‌্যাব-পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্তত ৫ হাজার সদস্য ইউনিফর্মে মোতায়েন থাকবেন। এর বাইরে সাদা পোশাকে বিপুলসংখ্যক সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন ইউনিটের গোয়েন্দা সদস্যরা সেতু ঘিরে দুই পাড়েই তৎপর রয়েছেন। সেতুর দুই প্রান্ত, সমাবেশস্থলসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে র‌্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড সুইপিং করবে। যে কোনো উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে র‌্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, স্পেশাল ফোর্সের কমান্ডো টিম। পাশাপাশি যে কোনো পরিস্থিতিতে র‌্যাব এয়ার উইংয়ের হেলিকপ্টার সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে।

এদিকে, পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের পর মাদারীপুরের বাংলাবাজার ঘাটে জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাই সেতুর আদলেই তৈরি করা হয়েছে মঞ্চ। ১১টি পিলারের ওপর ১০টি স্প্যান বসিয়ে ১৫০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৪০ ফুট প্রস্থের বিশাল মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। মঞ্চের ঠিক সামনে পানিতে ভাসতে থাকবে বিশালাকৃতির একটি নৌকা। দেখে মনে হবে পদ্মা সেতুর পাশ দিয়ে বড় একটি নৌকা চলছে। আগামীকাল ২৫ জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের পর ব্যতিক্রমী এ মঞ্চে উঠবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে ঐতিহাসিক রূপ দিতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। 

প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১০ লাখ মানুষের সমাগম ঘটবে। সভাস্থলে ৫০০ অস্থায়ী শৌচাগার, ভিআইপিদের জন্য আরও ২২টি শৌচাগার, সুপেয় পানির লাইন, তিনটি ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল, নারীদের আলাদা বসার ব্যবস্থা, প্রায় ২ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের সভাস্থলে দূরের দর্শনার্থীদের জন্য ২৬টি এলইডি মনিটর ও ৫০০ মাইকের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ ছাড়া নদীপথে আসা মানুষের জন্য ২০টি পন্টুন তৈরি করা হচ্ছে। মোবাইল অপারেটরগুলো তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ভ্রাম্যমাণ মোবাইল টাওয়ার নির্মাণ করছে। জনসভার মঞ্চ তৈরির কাজ করছে ক্যানভাস বাংলাদেশ ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট। 

প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নকর্মী কবির হোসেন বলেন, ব্যতিক্রমী ওই মঞ্চ তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে। কয়েক দিন ধরে তাঁরা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন। অনেকটা সেতুর আদলেই তৈরি করা হবে উদ্বোধনী মঞ্চ, যাতে কোনো ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে। এ ছাড়া কয়েক স্তরের নিরাপত্তা শেড থাকবে। মঞ্চের সামনে পানি থাকবে। এর ওপর ছোট-বড় বেশ কয়েকটি নৌকা ভাসতে থাকবে। মঞ্চটি পুরো পদ্মা সেতুর আদলে তৈরি হয়েছে। এখন চলছে সাজসজ্জার কাজ। পুরো কাজের প্রায় ৯০ ভাগ শেষ হয়েছে। শনিবারের আগেই কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

জনসভাস্থলের ২ বর্গ কিলোমিটার জায়গা তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পেয়েছে পিয়ার সরদার অ্যান্ড সন্স নামের একটি প্রতিষ্ঠান। ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক মোজ্জামেল হক বলেন, সভাস্থলে ওয়াচ টাওয়ার, এলইডি মনিটরসহ নিরাপত্তাবিষয়ক সব ধরনের কাজ তাঁরা শেষ করেছেন। স্মরণকালের সেরা আয়োজন হবে এখানে। জনসভায় আসা অতিথিদের কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিক চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া সভাস্থলে নারীদের বসার জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভিআইপি অতিথি, বিদেশি অতিথি ও কূটনীতিকদের জন্য আলাদা জোন করা হয়েছে। ৯০ শতাংশ কাজ শেষ। বাকি ১০ ভাগ কাজ নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হয়ে যাবে।

ফায়ার সার্ভিসের ফরিদপুর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সভাস্থল ও নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ১০০ থেকে ১২০ জন ফায়ারম্যান কাজ করবেন। এ ছাড়া বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর (এসএসএফ) নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আশা করছি কোনো সমস্যা হবে না।’

মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নিরাপত্তা পরিকল্পনা গুরুত্ব দিয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে। সব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ চলছে। এরই মধ্যে সাদা পোশাকের নিরাপত্তা বাহিনী মাঠে কাজ করছে।’ 

পদ্মা সেতু উদ্বোধন   পদ্মা সেতু   উদ্বোধন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ফের ৪ কেন্দ্রে ভোট চেয়ে সাক্কুর আবেদন

প্রকাশ: ০৯:২২ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail ফের ৪ কেন্দ্রে ভোট চেয়ে সাক্কুর আবেদন

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন (কুসিক) নির্বাচনের ১০৫ কেন্দ্রের শেষ ৪ কেন্দ্রে ফের ভোট নেওয়ার আবেদন করেছেন মেয়র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু। গত ২৪ জুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর লিখিত আবেদন করেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাবেক মেয়র ও টেবিল ঘড়ি প্রতীকের প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু।

আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়, নগরীর ৪২, ৭৮, ৭৯ ও ৩৭ নম্বর যথাক্রমে- ভিক্টোরিয়া সরকারি বিদ্যালয় (উত্তর পাশের ত্রিতল ভবন), দিশাবন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (নতুন ভবন ও পশ্চিম পাশের পুরাতন ভবন), দিশাবন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (উত্তর পাশের ভবন) ও শালবন বিহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (পূর্ব উত্তর পাশের ভবন) সালমানপুর কেন্দ্রের ফলাফল বাতিল ও গেজেট স্থগিত করে পুনরায় ভোটগ্রহণ করার আবেদন করেন তিনি।

আবেদনে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ১৫ জুন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের দিন ৪টা পর্যন্ত ১০৫টি কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। ৪২, ৭৮, ৭৯ ও ৯৭ এই ৪টি কেন্দ্র ব্যতীত সকল কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এরপর রিটার্নিং কর্মকর্তা অজ্ঞাত টেলিফোন পেয়ে পাঁচ মিনিটের জন্য সময় চান এবং ফলাফল ঘোষণা স্থগিত করে তিনি তার চেয়ার থেকে উঠে যান। আইন ও নিয়ম বহির্ভূতভাবে বাকী ৪ কেন্দ্রের মেয়র প্রার্থীর ফলাফল ঘোষণা স্থগিত করে কাউন্সিলর পদের ফলাফল ঘোষণা করা হবে বললে আমি ও আমার নির্বাচনী এজেন্টরা প্রতিবাদ করেন। এতে রিটার্নিং অফিসার ভোট গণনার ফলাফল প্রায় ৪৫ মিনিট স্থগিত করে রাখেন।

তিনি সর্বশেষ ঘোষিত উক্ত ৪টি কেন্দ্রের ফলাফল ভুয়া ও কাল্পনিক দাবি করে করে লিখেন, আমাকে পরাজিত করার জন্য আলাদাভাবে কেন্দ্র ভিত্তিক ১০২, ১০৩, ১০৪ ও ১০৫ ফলাফল ঘোষণা না করে রিটার্নিং কর্মকর্তা একসাথে ঘোষণা করেন। তারপর আমি টেবিলঘড়ি প্রতীকের প্রার্থীকে ৪৯ হাজার ৯৬৭ ভোট এবং নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী আরফানুল হক রিফাতকে ৫০ হাজার ৩১০ ভোট প্রাপ্ত দেখিয়ে তাকে ৩৪৩ ভোটে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করে। যা সম্পূর্ণ অবৈধ ও বেআইনি।

এ ব্যাপারে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মনিরুল হক সাক্কু বলেন, আমি ২৪ তারিখে আবেদন করেছি। বর্তমানে ঢাকায় আছি। গেজেট প্রকাশের ৩৩ দিনের মধ্যে মামলা করার নিয়ম আছে। আমি প্রস্তুতি নিচ্ছি। যেকোনো সময় মামলা করবো। এই বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহেদুন্নবী চৌধুরী বলেন, এটা নির্বাচন কমিশন দেখবে। এ বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পদ্মা সেতু: টোল প্লাজার ব্যারিয়ারে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কা

প্রকাশ: ০৬:৪১ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail

পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তের টোল প্লাজার বুথের ব্যারিয়ারে একটি যাত্রীবাহী বাস ধাক্কা দিয়েছে। এতে টোল প্লাজার তিন নম্বর বুথের ব্যারিয়ারটি বাঁকা হয়ে যায়। সেতু কর্তৃপক্ষ ওই বাসচালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স রেখে বাসটি ছেড়ে দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) শরীয়তপুর পরিবহনের একটি বাস এই দুর্ঘটনা ঘটায়।

টোল প্লাজার কর্মকর্তারা জানান, সকাল ১০টার দিকে ঢাকাগামী শরীয়তপুর পরিবহনের একটি বাস নিয়ে পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তের টোল প্লাজায় আসেন চালক মো. রানা। টোল দেওয়ার পর তিনি রসিদ না নিয়েই দ্রুত বাসটি নিয়ে বের হতে যান। তখন ৩ নম্বর বুথের ব্যারিয়ারটি বাসের ধাক্কায় বাঁকা হয়ে যায়। তখন সেখানে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা বাসটি কিছুক্ষণ থামিয়ে রাখার পর চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স রেখে বাসটি ছেড়ে দেন।

এ বিষয়ে শরীয়তপুর পরিবহনের পরিচালক আরশাদুজ্জামান বলেন, টোল প্লাজায় কী যেন একটা ঘটনা ঘটেছে। তিনি এখনো বিস্তারিত কিছু জানতে পারেননি।

সেতুর জাজিরা প্রান্তের টোল ব্যবস্থাপক কামাল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, সেতুর সবকিছু স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। টোলের স্লিপ প্রিন্ট না হওয়া পর্যন্ত ব্যারিয়ারটি খুলবে না। সকালের দিকে একটি বাস টোল দেওয়ার জন্য টোল প্লাজার তিন নম্বর বুথে আসে। টোলের টাকা দিয়ে রসিদ প্রিন্ট না হতেই চালক গাড়িটি দ্রুতগতিতে চালিয়ে যান। তখনই ব্যারিয়ারে সজোরে ধাক্কা লাগে।

পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, একটি যাত্রীবাহী বাস টোল প্লাজার বুথের একটি যন্ত্রাংশ ধাক্কা দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এমন খবর পেয়েছেন। লিখিত অভিযোগ না পাওয়ায় কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি।

পদ্মা সেতু  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

লক্ষ্মীপুরে মিথ্যা অভিযোগে আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ


Thumbnail লক্ষ্মীপুরে মিথ্যা অভিযোগে আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ

লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় স্থাপনা নির্মাণে বাধা দেয়ার মিথ্যা অভিযোগ এনে আওয়ামী লীগ নেতা আফজাল হোসেন হাওলাদারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইব্রাহিম নামের এক ব্যক্তি। তিনি উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামের হেদায়েত উল্ল্যাহর ছেলে। আফজাল হোসেন হাওলাদার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। এদিকে, ইব্রাহিমের মিথ্যা অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মাঝে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে। তবে দোকানঘর ভাংচুরের কোনো অস্তিত্ব সেখানে মেলেনি।

জানা যায়, তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের ধর্মপুর এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমিতে জোর করে কিছু ব্যবসায়ী  দোকানঘর নির্মাণ করে। তবে ইব্রাহিম নামের ওই ব্যক্তি ধর্মপুর এলাকায় কোন দোকানঘর না থাকলেও গেলো সোমবার দোকানঘর ভাংচুর ও চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগ এনে আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে। এতে করে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীদের দাবি, সরকারি সম্পত্তি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগে গেলো ৫/৬ বছর আগে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্তা ব্যক্তিরা দোকানঘর ভেঙ্গে ফেলে। কিন্তু মিথ্যা অভিযোগ এনে আফজাল হোসেন হাওলাদারের বিরুদ্ধে এধরনের প্রচারণা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

এ বিষয়ে জানতে ইব্রাহিমের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আফজাল হোসেন জানালেন, সরকারি সম্পত্তিতে স্থাপনা নির্মাণ সম্পূর্ণ বেআইনি কাজ। তিনি কোন চাঁদা বা দোকানঘর ভাংচুরের ঘটনার সাথে জড়িত নয় বলে দাবি করেন।

এখনো ওই স্থানে কয়েকটি দোকানঘর নির্মাণ হলেও কোন লিজ পানি উন্নয়ন বোর্ড দেয়নি বলে দাবি করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ফারুক আহম্মেদ। অতিদ্রুত সরকারি সম্পত্তি উদ্ধারে অভিযান পরিচালনার কথাও জানালেন এই কর্মকর্তা।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পদ্মা সেতু: ২য় দিনে ১ কোটি ৯৭ লাখ টাকার বেশি টোল আদায়

প্রকাশ: ০৬:০১ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail পদ্মা সেতু: ২য় দিনে ১ কোটি ৯৭ লাখ টাকার বেশি টোল আদায়

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর দ্বিতীয় দিন সোমবার ১ কোটি ৯৭ লাখ ৫৬ হাজার ৬০০ টাকা টোল আদায় হয়েছে। সেতু কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ১৫ হাজার ২৭৪টি যানবাহন পার হয়। এসব গাড়ি থেকে ওই টোল আদায় হয়েছে।

এই সময়ে মাওয়া প্রান্ত দিয়ে সেতুতে উঠেছে ৭ হাজার ৫৮৬টি যানবাহন। টোল আদায় হয়েছে ৯৮ লাখ ১৮ হাজার ৫০ টাকা। আর জাজিরা প্রান্ত থেকে যানবাহন উঠেছে ৭ হাজার ৬৮৮টি। টোল আদায় হয়েছে ৯৯ লাখ ৩৮ হাজার ৫৫০ টাকা।

তবে দ্বিতীয় দিন সেতুতে মোটরসাইকেল ওঠা বন্ধ হওয়ায় যানবাহনের সংখ্যা এক-চতুর্থাংশ কমে গেছে। ফলে টোলের পরিমাণ কমেছে পৌনে এক কোটি টাকা।

গত শনিবার পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরদিন রবিবার সকাল ৬টা থেকে যানবাহন চলাচল শুরু হয়। প্রথমদিন  ২৪ ঘণ্টায় ৬১ হাজার ৮৫৬টি যান চলে। মোট টোল আদায় হয় ২ কোটি ৭৫ লাখ ১৩ হাজার ৬০০ টাকা। প্রথম দিন মোটরসাইকেলে সেতুতে ওঠা নিষিদ্ধ ছিল না। প্রতিটি মোটরসাইকেল ১০০ টাকা টোল দিয়ে চলাচল করেছিল। কিন্তু কিছু বিশৃঙ্খলা ও একটি দুর্ঘটনায় দুজনের মৃত্যুর পর সোমবার সকাল ৬টা থেকে সেতুতে  মোটরসাইকেল ওঠা নিষিদ্ধ করা হয়।

এই সেতুতে মোটরসাইকেল চালানোর বিষয়ে আজ মঙ্গলবার নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন- স্পিড গান, সিসিটিভি স্থাপনের পর পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচলের বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

পদ্মা সেতুতে কবে থেকে মোটরসাইকেল চলাচল করতে পারবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‌‘এটা যে অনির্দিষ্টকালীন সিদ্ধান্ত তা নয়। এটা এখন বন্ধ আছে, মোটরবাইক সম্পর্কে যেটা বলা হয়েছে, সেখানে এখন স্পিড গান, সিসিটিভি বসানো হবে। সেগুলো সেটাপের পর হয়তো নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার বাড়াতে হবে: কাদের

প্রকাশ: ০৫:২০ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার বাড়াতে হবে: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উল্লেখ্যযোগ্য হারে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ব্যবহার বাড়াতে হবে। রাখঢাক করার কিছু নেই। দিস ইজ লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আয়োজিত বৈঠকে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন কমিশন দলগুলোর সঙ্গে কারিগরি বিষয়ে ভোটদান নিয়ে আলোচনার আয়োজন করেছে। আমাদের আমন্ত্রণ জানানোয় আওয়ামী লীগে সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আপনাদের ধন্যবাদ।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ মনে করে অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ইসির গ্রহণযোগ্যতা, নিরপেক্ষতা ও সক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া ইসির দায়িত্বশীল নিরপেক্ষ আচরণ, সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত ও ইভিএমে ভোটগ্রহণের পদ্ধতি বৃদ্ধি করতে হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের বক্তব্য লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার। আগেও আমরা ইসিকে এসে বলেছিলাম। এখানে রাখঢাক করার কিছু নেই। আগামী নির্বাচনে উল্লেখযোগ্যহারে ইভিএম বৃদ্ধি করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। এছাড়া তিনি বিতর্কিত কাউকে পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ না দেওয়া, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের রিটার্নিং অফিসার থেকে পোলিং অফিসার নিয়োগসহ একগুচ্ছ দাবির কথা বলেন।

১৩ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করতে আমন্ত্রণপত্র পাঠিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর আগে দুই ধাপে ২৬টি রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল ইসি। গত ১৯ ও ২১ জুন ২৬টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের ইভিএম যাচাই বিষয়ক সভা করেছে সংস্থাটি। তবে এতে বিএনপিসহ আটটি দল সাড়া দেয়নি।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন