ইনসাইড বাংলাদেশ

লক্ষ্মীপুরে মিথ্যা অভিযোগে আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ


Thumbnail লক্ষ্মীপুরে মিথ্যা অভিযোগে আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ

লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় স্থাপনা নির্মাণে বাধা দেয়ার মিথ্যা অভিযোগ এনে আওয়ামী লীগ নেতা আফজাল হোসেন হাওলাদারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইব্রাহিম নামের এক ব্যক্তি। তিনি উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামের হেদায়েত উল্ল্যাহর ছেলে। আফজাল হোসেন হাওলাদার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। এদিকে, ইব্রাহিমের মিথ্যা অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মাঝে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে। তবে দোকানঘর ভাংচুরের কোনো অস্তিত্ব সেখানে মেলেনি।

জানা যায়, তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের ধর্মপুর এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমিতে জোর করে কিছু ব্যবসায়ী  দোকানঘর নির্মাণ করে। তবে ইব্রাহিম নামের ওই ব্যক্তি ধর্মপুর এলাকায় কোন দোকানঘর না থাকলেও গেলো সোমবার দোকানঘর ভাংচুর ও চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগ এনে আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে। এতে করে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীদের দাবি, সরকারি সম্পত্তি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগে গেলো ৫/৬ বছর আগে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্তা ব্যক্তিরা দোকানঘর ভেঙ্গে ফেলে। কিন্তু মিথ্যা অভিযোগ এনে আফজাল হোসেন হাওলাদারের বিরুদ্ধে এধরনের প্রচারণা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

এ বিষয়ে জানতে ইব্রাহিমের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আফজাল হোসেন জানালেন, সরকারি সম্পত্তিতে স্থাপনা নির্মাণ সম্পূর্ণ বেআইনি কাজ। তিনি কোন চাঁদা বা দোকানঘর ভাংচুরের ঘটনার সাথে জড়িত নয় বলে দাবি করেন।

এখনো ওই স্থানে কয়েকটি দোকানঘর নির্মাণ হলেও কোন লিজ পানি উন্নয়ন বোর্ড দেয়নি বলে দাবি করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ফারুক আহম্মেদ। অতিদ্রুত সরকারি সম্পত্তি উদ্ধারে অভিযান পরিচালনার কথাও জানালেন এই কর্মকর্তা।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

কিশোরী হত্যার দায়ে যুবকের মৃত্যুদন্ড

প্রকাশ: ০৮:৫৪ পিএম, ০৭ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail কিশোরী হত্যার দায়ে যুবকের মৃত্যুদন্ড

রংপুরের মিঠাপুকুরে এক কিশোরীকে শ্বাসরোধে হত্যার অপরাধে নাহিদ হাসান নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ওই কিশোরীর সঙ্গে সাজাপ্রাপ্ত যুবকের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।

ওই কিশোরীর সঙ্গে উপজেলার ডলসিংপুর বাউড়া কোর্ট গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে নাহিদ হাসানের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এক পর্যায়ে তারা শারীরিক সম্পর্কেও জড়িয়ে পড়েন। এতে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় তরুণীর স্বজনরা নাহিদকে বিয়ের জন্য চাপ দেন। কিন্তু প্রেমিক নাহিদ বিয়েতে অস্বীকৃতি জানান।

রোববার (৭ আগস্ট) বিকেলে রংপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক তারিখ হোসেন এ রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি নাহিদ হাসান আদালতে উপস্থিত ছিলেন। 

এ ঘটনার কিছু দিন পর ২০২১ সালের ২২ এপ্রিল নাহিদ হাসান কৌশলে ওই কিশোরীকে মোবাইলে ডেকে নিয়ে বাড়ির পাশের একটি ভুট্টাক্ষেতে শ্বাসরোধ হত্যা করেন। দুদিন পর ভুট্টাক্ষেতে মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

পরে কিশোরীর বাবা মতলুব হোসেন বাদী হয়ে মিঠাপুকুর থানায় অজ্ঞাত আসামি উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশি তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামি নাহিদ হাসানকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করেন।

এরপর আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মামলায় ১৪ জনের সাক্ষ্য ও জেরা শেষে বিচারক আসামি নাহিদ হাসানকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আদেশ দেন।

রায়ের ব্যাপারে আসামিপক্ষের আইনজীবী আব্দুল হক প্রামাণিক বলেন, রায়ের কপি হাতে পেলে আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করব। আমরা ন্যায় বিচার পাইনি।


কিশোরী হত্যা   যুবকের মৃত্যুদন্ড   রংপুর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

কৃষিমন্ত্রী বললেন ,যুদ্ধ বন্ধ না হলে আমরা নিঃশেষ হয়ে যাব

প্রকাশ: ০৮:৩৬ পিএম, ০৭ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail কৃষিমন্ত্রী বললেন ,যুদ্ধ বন্ধ না হলে আমরা নিঃশেষ হয়ে যাব

রোববার (৭ আগস্ট) সকালে কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট একটি কর্মশালার আয়োজন করে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক। সেই অনুষ্ঠানে  তিনি বলেন যে  চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ না হলে আমরা নিঃশেষ হয়ে যাব । 

শিল্পকলা একাডেমি হলরুমে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রভাব বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ভারত কিংবা চীন কিংবা যুক্তরাষ্ট্র এদের অর্থনীতি অনেক বড়। তাদের সহ্য করার ক্ষমতা আছে। আমাদের অর্থনীতি ছোট। মাত্র ৪০ বিলিয়ন ডলার। এই টাকা যদি শেষ হয়ে যায় আপনি ওষুধ কোথায় পাবেন? প্রয়োজনীয় যে কাঁচামাল, সেগুলো কোথায় পাবেন? কাজেই সেটাকে সেভিংসের জন্য, দেশটাকে একটা স্বস্তিতে রাখার জন্য এই পদক্ষেপ (জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি) নেওয়া হয়েছে। 

সারের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আমরা সারের দাম তেমন বৃদ্ধি করিনি। শুধু ইউরিয়ার কম ব্যবহারের জন্য ডিএপি ১৬ টাকা করেছি, ডিএপির মধ্যে ১৮ ভাগ ইউরিয়া আছে। সেটা হলেও আমনের ওপর তেমন প্রভাব পড়বে না। বৃষ্টি হলে আমন উৎপাদন সঠিক থাকবে, সবজিতেও প্রভাব পড়বে না। সবজি বহনে ট্রাকের ভাড়া বাড়বে। কিন্তু উৎপাদনে আমার মনে হয় না তেমন একটা প্রভাব পড়বে। আমরা চিন্তিত বোরো নিয়ে।



কৃষিমন্ত্রী   আব্দুর রাজ্জাক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

অর্থপাচার দুর্নীতিসহ সংকটের ৫ কারণ

প্রকাশ: ০৮:০০ পিএম, ০৭ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail অর্থপাচার দুর্নীতিসহ সংকটের ৫ কারণ

সাম্প্রতিক সময়ে দেশে অর্থনৈতিক সংকট ক্রমশ দৃশ্যমান হচ্ছে। সরকার মুখে যাই বলুক না কেন, অর্থনৈতিক সংকট যে বাড়ছে এবং সরকার যে অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে চিন্তিত তার প্রমাণ পাওয়া যায় জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে। আর এই অর্থনৈতিক সংকটের জন্য সরকার বৈশ্বিক পরিস্থিতিকে মূলত চিহ্নিত করছে। সরকার বলছে যে, করোনা এবং করানোর পরপরই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে এবং সে কারণেই বাংলাদেশও সংকট মোকাবেলায় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এজন্যই সরকার লোডশেডিং দিয়েছে, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি হচ্ছে এবং সর্বশেষ জ্বালানি তেলের রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধি হলো।

তবে অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন যে, বৈশ্বিক পরিস্থিতি বর্তমান সঙ্কটের একমাত্র কারণ নয়। বরং দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যে অব্যবস্থাপনা এবং অনিয়মগুলো হচ্ছে তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে সাম্প্রতিক সময়ের সংকটে। বর্তমানে বাংলাদেশে যে অর্থনৈতিক সঙ্কট তার পিছনে ৫টি কারণকে চিহ্নিত করছেন রাজনীতিবিদ এবং অর্থনীতিবিদরা। তার মধ্যে রয়েছে-

১. অর্থপাচার: গত ১২ বছরে বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার হয়েছে এবং সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশীদের রক্ষিত অর্থ গত এক বছরে ৫৫ শতাংশ বেড়েছে। তা এখন প্রায় ১০০ কোটি সুইস ফ্রাঙ্কের কাছাকাছি। বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের অর্থপাচার কি পরিমাণ হয়েছে তার কোনো আনুষ্ঠানিক হিসেব নেই এবং এটি প্রতিরোধের কোনো ব্যবস্থাও নেই। অর্থনীতিবিদরা বলছেন যে, সরকার যদি অর্থপাচার রোধ করতে না পারে তাহলে অর্থনৈতিক সংকটের এই শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হতে পারবে না। কারণ, বাংলাদেশের বিনিয়োগের একটি বিপুল অংশ পাচার হয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার উদ্যোগ নিয়েছেন। কিন্তু সেই উদ্যোগ সফল হয়নি। অনেক অর্থনীতিবিদ মনে করছেন, বাস্তবে এই উদ্যোগ সফল হওয়া সম্ভবও নয়।

২. দুর্নীতি: বাংলাদেশের অর্থনীতিকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে দুর্নীতি। দুর্নীতিগুলোর কোনো বিচারও হচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতির মামলাগুলো পড়ে আছে। পিকে হালদার হাজার হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করে পালিয়ে গেছে, তাকে আইনের আওতায় আনতে পারেনি। এরকম অনেক দুর্নীতির ঘটনারই শেষ পর্যন্ত কোনো যুক্তিসংগত বিচার হয়নি। ফলে দুর্নীতি আমাদের অর্থনীতিকে ক্ষয়িষ্ণু করে দিচ্ছে বলেও অর্থনীতিবিদরা মনে করেন।

৩. ব্যাংকিং খাতে লুটপাট: বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংকটের একটি বড় কারণ হলো ব্যাংকিং খাতে বিপুল পরিমাণ লুটপাট হচ্ছে। হলমার্কের ঘটনা, বিসমিল্লাহ গ্রুপের ঘটনা, বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি; ব্যাংকিং খাতের এই সমস্ত কোনো অনিয়ম লুটপাটের বিচার হয়নি এবং এই টাকাগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। যে কারণে সরকার এখন সংকটে পড়েছে। ব্যাংকিং খাতে যদি সু-ব্যবস্থাপনা হতো, ব্যাংকিং খাতে যদি লুটপাট বন্ধ হতো তাহলে পরিস্থিতি এখন অনেক ভালো থাকতো বলে অনেকেই মনে করেন।

৪. আমলাদের ভুল সিদ্ধান্ত: অনেকেই মনে করেন বাংলাদেশে একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে উন্নয়ন পরিকল্পনা নীতিতে এবং যে সমস্ত সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছে আমলারা। এই সমস্ত ভুল সিদ্ধান্তের কারণে প্রকল্প ব্যয় বারবার করে বেড়েছে, অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে এবং সেই সমস্ত প্রকল্পগুলোতে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির ঘটনা ঘটেছে। যেটি সরকারকে এখন সংকটের মধ্যে ঠেলেছে।

৫. একসাথে অনেকগুলো মেগা প্রকল্প গ্রহণ: সরকারের পক্ষ থেকে একসাথে অনেকগুলো মেগা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। যদি একটির পর একটি মেগা প্রকল্প গ্রহণ করা হতো তাহলে হয়তো বাংলাদেশ এত চাপে পড়তো না। আগামী বছর থেকে বাংলাদেশকে মোটা অঙ্কের ঋণ পরিশোধ করতে হবে। একইসাথে বাংলাদেশ পদ্মা সেতু, কর্ণফুলী টানেল, মেট্রোরেল, রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের মতো মেগা প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এই প্রকল্প গুলো একসাথে গ্রহণ করার ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটা চাপ পড়েছে বলে অনেকে মনে করেন।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

'জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি অশুভ শক্তির হাত শক্তিশালী করবে'

প্রকাশ: ০৭:৫৬ পিএম, ০৭ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি অশুভ শক্তির হাত শক্তিশালী করবে

জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি অশুভ শক্তির হাতকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করছেন বিশিষ্টজনেরা। তাঁরা বলেছেন, মূল্যবৃদ্ধির এ সিদ্ধান্ত জনজীবনে চরম বিপর্যয় ডেকে আনবে। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার করে জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনারও দাবি করেন তাঁরা।

রোববার (৭ আগস্ট) দেয়া এক বিবৃতিতে বিশিষ্টজনেরা এসব কথা বলেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, দীর্ঘ সময় থেকে বৈশ্বিক মহামারি করোনা বিপর্যয়ে এমনিতেই দেশে দেশে প্রাণহানি, উৎপাদন বন্ধ, বাণিজ্য, শিল্প, হতাশা, সামাজিক অবক্ষয়, বেকারত্ব চরম আকার ধারণ করছে। ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধি, খাদ্যসংকটসহ নানা জটিল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। দেশে দেশে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের পাশাপাশি আমাদের দেশেও অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাবে মানুষ নানা সংকটে নিপীড়িত।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই সংকটাপন্ন অবস্থায় জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ন্যূনতম যৌক্তিকতা থাকলেও হঠাৎ পেট্রল-ডিজেল, অকটেন, কেরোসিনের মূল্যবৃদ্ধির অযৌক্তিক ঘোষণা দেশে নৈরাজ্য ডেকে আনবে। ফলে সব ধরনের উৎপাদন, বণ্টন, পরিবহন ক্ষেত্রে নৈরাজ্য বৃদ্ধি পাবে। সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাবে, মানুষ আরও চরম বিপর্যয়ের মুখোমুখি হবে। সমাজে অশুভ শক্তির তৎপরতা বৃদ্ধি পাবে। দেশের অগ্রযাত্রা, স্থিতিশীলতায় বিঘ্ন ঘটবে।

বিবৃতিদাতারা বলেন, দাতা সংস্থার দ্বারস্থ হয়ে সরকার দাতা সংস্থার দেওয়া নির্দেশনাকে প্রাধান্য দিচ্ছে। এর মাধ্যমে দেশকে মানবিক বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। অথচ ইতিমধ্যে জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য কমতে শুরু করেছে। এমতাবস্থায় সরকার ঘোষিত জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার করে সরকার জাতীয় জীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনার দাবি জানাচ্ছি।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সুলতানা কামাল, ঐক্য ন্যাপ সভাপতি পঙ্কজ ভট্টাচার্য, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার, অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধূরী, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি ডা. সারওয়ার আলী, সাম্প্রদায়িকতা জঙ্গিবাদবিরোধী মঞ্চের সদস্যসচিব নূর মোহাম্মদ তালুকদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক এস এম আকাশ, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফৌজিয়া মোসলেম, মানবাধিকারকর্মী খুশী কবির, অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, জোবায়দা নাসরিন, বাংলাদেশ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর, বাংলাদেশ কৃষক সমিতির সভাপতি এম এ সবুর, গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল বারী, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমেদ, সমাজ গবেষক সেলু বাসিত, উঠানের সভাপতি অলক দাশ গুপ্ত, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী পারভেজ হাসেম, আনন্দনের প্রধান সংগঠক এ কে আজাদ, জাতীয় শ্রমিক জোট সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল আমিন, ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন বাংলাদেশের (ইনসাব) সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুর রাজ্জাক, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের তথ্য ও প্রচার সম্পাদক দীপায়ন খীসা, গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠক জীবনানন্দ জয়ন্ত, বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি আবদুল মোতালেব।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ট্রেনের ভাড়া বাড়ানোর আভাস দিলেন রেলমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৭:১৩ পিএম, ০৭ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ট্রেনের ভাড়া বাড়ানোর আভাস দিলেন রেলমন্ত্রী

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কারণে ট্রেনের ভাড়া বাড়াতে হতে পারে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও জানান তিনি। 

রোববার (৭ আগস্ট) এ কথা জানান মন্ত্রী। 

নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ে একটি রাষ্ট্রীয় সংস্থা। তাই ট্রেনের ভাড়া বাড়াতে চাইলে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা নিতে হবে। আমরা এখনও এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি।

রেলমন্ত্রী বলেন, ট্রেন ও বাসের ভাড়ার মধ্যে বিশাল ব্যবধান রয়েছে, যা ট্রেনের ওপর বিশাল চাপ তৈরি করবে। সুতরাং আমাদের ট্রেনের ভাড়া সমন্বয় করতে হতে পারে। কিন্তু আমরা এখনও ট্রেনের ভাড়া বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি।

ট্রেন   ভাড়া   রেলমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন