ইনসাইড বাংলাদেশ

ফের ৪ কেন্দ্রে ভোট চেয়ে সাক্কুর আবেদন

প্রকাশ: ০৯:২২ পিএম, ২৮ জুন, ২০২২


Thumbnail ফের ৪ কেন্দ্রে ভোট চেয়ে সাক্কুর আবেদন

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন (কুসিক) নির্বাচনের ১০৫ কেন্দ্রের শেষ ৪ কেন্দ্রে ফের ভোট নেওয়ার আবেদন করেছেন মেয়র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু। গত ২৪ জুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর লিখিত আবেদন করেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাবেক মেয়র ও টেবিল ঘড়ি প্রতীকের প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু।

আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়, নগরীর ৪২, ৭৮, ৭৯ ও ৩৭ নম্বর যথাক্রমে- ভিক্টোরিয়া সরকারি বিদ্যালয় (উত্তর পাশের ত্রিতল ভবন), দিশাবন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (নতুন ভবন ও পশ্চিম পাশের পুরাতন ভবন), দিশাবন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (উত্তর পাশের ভবন) ও শালবন বিহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (পূর্ব উত্তর পাশের ভবন) সালমানপুর কেন্দ্রের ফলাফল বাতিল ও গেজেট স্থগিত করে পুনরায় ভোটগ্রহণ করার আবেদন করেন তিনি।

আবেদনে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ১৫ জুন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের দিন ৪টা পর্যন্ত ১০৫টি কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। ৪২, ৭৮, ৭৯ ও ৯৭ এই ৪টি কেন্দ্র ব্যতীত সকল কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এরপর রিটার্নিং কর্মকর্তা অজ্ঞাত টেলিফোন পেয়ে পাঁচ মিনিটের জন্য সময় চান এবং ফলাফল ঘোষণা স্থগিত করে তিনি তার চেয়ার থেকে উঠে যান। আইন ও নিয়ম বহির্ভূতভাবে বাকী ৪ কেন্দ্রের মেয়র প্রার্থীর ফলাফল ঘোষণা স্থগিত করে কাউন্সিলর পদের ফলাফল ঘোষণা করা হবে বললে আমি ও আমার নির্বাচনী এজেন্টরা প্রতিবাদ করেন। এতে রিটার্নিং অফিসার ভোট গণনার ফলাফল প্রায় ৪৫ মিনিট স্থগিত করে রাখেন।

তিনি সর্বশেষ ঘোষিত উক্ত ৪টি কেন্দ্রের ফলাফল ভুয়া ও কাল্পনিক দাবি করে করে লিখেন, আমাকে পরাজিত করার জন্য আলাদাভাবে কেন্দ্র ভিত্তিক ১০২, ১০৩, ১০৪ ও ১০৫ ফলাফল ঘোষণা না করে রিটার্নিং কর্মকর্তা একসাথে ঘোষণা করেন। তারপর আমি টেবিলঘড়ি প্রতীকের প্রার্থীকে ৪৯ হাজার ৯৬৭ ভোট এবং নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী আরফানুল হক রিফাতকে ৫০ হাজার ৩১০ ভোট প্রাপ্ত দেখিয়ে তাকে ৩৪৩ ভোটে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করে। যা সম্পূর্ণ অবৈধ ও বেআইনি।

এ ব্যাপারে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মনিরুল হক সাক্কু বলেন, আমি ২৪ তারিখে আবেদন করেছি। বর্তমানে ঢাকায় আছি। গেজেট প্রকাশের ৩৩ দিনের মধ্যে মামলা করার নিয়ম আছে। আমি প্রস্তুতি নিচ্ছি। যেকোনো সময় মামলা করবো। এই বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহেদুন্নবী চৌধুরী বলেন, এটা নির্বাচন কমিশন দেখবে। এ বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

'টাকার ঘাটতি পড়ায় আমরা একটু অসুবিধায় আছি'

প্রকাশ: ০২:০৯ পিএম, ০৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail 'টাকার ঘাটতি পড়ায় আমরা একটু অসুবিধায় আছি'

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন'আমরা বিদ্যুৎ দিয়েছি ঘরে ঘরে। এখন একটু কম, আগামী এক মাসে ক্লিয়ার হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। আমরা একটু অসুবিধার মাঝে আছি, টাকার ঘাটতি পড়ে গেছে। অন্যান্য দেশে যুদ্ধ হচ্ছে। আর এর প্রভাব এসে আমাদের উপর পড়ছে। আমরা সহ্য করে বসে আছি।  ঊর্ধ্বে এক দেড় মাস। সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে।’

মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার এফআইডিবি হলে নিজ তহবিল থেকে আর্থিক অনুদান বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন। 

তিনি বলেন, ‘বন্যায় যাদের ক্ষতি হয়েছে তাদের কষ্ট দূর করার জন্য সরকার চেষ্টা করেছে আরও করবে। সরকার আমাদের সাথে আছে। শেখ হাসিনা যা বলেছেন, তাতে আমি অবাক হয়ে গেছি, যারা অসহায় ভূমিহীন, জমি নাই, ভিটাও নাই তাদের দুই শতক জায়গায় ঘর করে দিবে। আমার জীবনে আমি এর থেকে ভালো কাজ দেখি না।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘এই বারের বন্যায় গরিবের কষ্ট হয়েছে বেশি। কাঁচাঘর, সনের ঘর বন্যার পানি ঠেলে নিয়ে গেছে। সরকার সহায়তা করছে, আরও করবে। আপনাদের কাছে অনুরোধ সরকারকে একটু  সময় দেওয়ার। 

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা গরিবের সরকার। ভোটে সরকার বানিয়েছেন। আপনারা ভোট দিয়েছেন এর জন্যই সরকার হয়েছেন। আবার ভোট দেওয়ার সময় আসবে, মনে হলে ভোট দিবেন না দিলে নাই। আল্লাহ সাক্ষী, ন্যায় বিচারের ভোট দিবেন,  কে আপনার উপকার করছে তাকে ভোট দিবেন। যে উপকার করছে না তাকে ভোট দিবেন না।’

এসময় উপস্থিত ছিলো অনুষ্ঠানে শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান প্রভাষক নুর হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুজ্জামান, পরিকল্পনামন্ত্রীর ব্যক্তিগত রাজনৈতিক সচিব আবুল হাসনাতসহ উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা। একই সময়ে উপজেলার ৪২৮ জনের মাঝে ১২৫০ টাকা করে ৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়।

পরিকল্পনামন্ত্রী   এম এ মান্নান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

কে হচ্ছেন নতুন মুখ্যসচিব?

প্রকাশ: ০২:০৩ পিএম, ০৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail কে হচ্ছেন নতুন মুখ্য সচিব?

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব ড. আহমদ কায়কাউস চলে যাচ্ছেন। আগামী অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক হিসেবে তার যোগদানের কথা। এটি আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের বিশ্বব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক পদের তিন বছরের মেয়াদ ১৮ অক্টোবরের শেষ হচ্ছে। তার জায়গায় সরকার ড. আহমদ কায়কাউসকে বিশ্বব্যাংকের ওই পদের জন্য মনোনীত করেছে বলে সরকারি সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে। ড. আহমদ কায়কাউস চলে গেলে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কে হবেন? প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব নানা কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদ। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে যখন আমলাদের ওপর সরকারি নির্ভরতা অনেক তখন মুখ্যসচিব পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং প্রধানমন্ত্রীর চিন্তাভাবনা নির্দেশনাগুলো মুখ্যসচিবের মাধ্যমে সর্বত্র সঞ্চারিত হয়। এ কারণেই এই পদটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর, গুরুত্বপূর্ণ। ড. আহমদ কায়কাউস মুখ্যসচিবের পদটিকে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করেছেন এবং তিনি তাঁর কাজের জন্য বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হয়েছেন। অনেকের প্রশ্ন যে, ড. আহমদ কায়কাউস চলে গেলে তার শূন্যস্থান কি পূরণ করা সম্ভব। কিন্তু সরকারের নীতিনির্ধারকরা বলছেন যে, কেউই অপরিহার্য নয়। ড. আহমদ কায়কাউসের আগে যারা ছিলেন তারাও যেমন মুখ্য সচিব হিসেবে ভূমিকা পালন করেছেন, সামনে যারা আসবেন তারাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কে হতে পারেন, এ নিয়ে সরকারের মধ্যে নানামুখী আলাপ-আলোচনা চলছে। একাধিক সূত্র বলছে মুখ্যসচিব মনোনীত করার এখতিয়ারটি এককভাবে প্রধানমন্ত্রীর এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বীয় বিবেচনায় যাকে মুখ্যসচিব হিসেবে পছন্দ করবেন তাকে মুখ্যসচিব করা হবে। কারণ, এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সর্বোচ্চ পদ। প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছায়-অনিচ্ছা এখানে শেষ কথা। তবে বিভিন্ন আলোচনায় তিনজনের নাম উঠে আসছে। এই তিন জনের যেকোনো একজন মুখ্যসচিব হতে পারে বলে অনেকেই ধারণা করছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন-

প্রধানমন্ত্রী বর্তমান সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া: তোফাজ্জল হোসেন মিয়া নবম ব্যাচের কর্মকর্তা. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব হিসেবে তিনি কাজ করছেন। প্রধানমন্ত্রীর অত্যন্ত আস্থাভাজন একজন সরকারী কর্মকর্তা এবং মেধা দক্ষতায় তিনিও নিজেকে প্রমাণ করেছেন। যেহেতু প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের এক বছর সময় আগে মুখ্যসচিব পরিবর্তন করতে যাচ্ছেন কাজেই তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার এখানে মুখ্যসচিব হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি বলে অনেকেই মনে করছেন।

কে এম আলী আজম: কে এম আলী আজম বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি ৮৬ ব্যাচের কর্মকর্তা। নভেম্বরে তার চাকরির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। কাজেই, সিনিয়র হলেও তাকে শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব করা হবে কিনা সেটিও একটি প্রশ্ন। অবশ্য এর আগেও মেয়াদের শেষ প্রান্তে এসে ড. কামাল চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন এবং তাকে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিলো।

কবির বিন আনোয়ার: কবির বিন আনোয়ার ৮৫ ব্যাচের একজন কর্মকর্তা। ছাত্রলীগ থেকে উঠে আসা কর্মকর্তাদের মধ্যে যারা এখনো টিকে আছেন তাদের মধ্যে জ্যেষ্ঠতম হলেন কবির বিন আনোয়ার। কবির বিন আনোয়ার একসময় প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার চাকরির মেয়াদও আগামী জানুয়ারিতে শেষ হয়ে যাবে। কাজেই, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে আগে তাকে নিয়োগ দেওয়া হবে কিনা, এ নিয়েও সংশয় রয়েছে।

তবে এগুলো কেবলই আলোচনা মাত্র। শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব কে হবেন, তা নিশ্চিত করতে পারেন শুধুমাত্র স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

তেলের পাশাপাশি বেড়েছে সিমেন্টের দাম

প্রকাশ: ০১:৫৫ পিএম, ০৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail তেলের পাশাপাশি বেড়েছে সিমেন্টের দাম

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে অন্যান্য জিনিসেও । গত শুক্রবার ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রলের দাম সর্বনিম্ন ৩৪ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৪৬ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছে। আর তাতেই গত ৩ দিনে সিমেন্টের দাম বেড়েছে প্রতি বস্তায় ৪০ থেকে ৫০ টাকা। গত তিন দিনে সিমেন্ট খাতের বেশির ভাগ কোম্পানিই দাম বাড়িয়েছে। আর কেউ কেউ তেলের দাম বাড়ার আগে গত সপ্তাহেই দাম বাড়িয়েছিল।

কোম্পানিসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় কাঁচামাল আমদানিতে খরচ ২০ থেকে ২৫ শতাংশ বেড়েছে। তার সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে বাড়তি জ্বালানি খরচ। এ কারণে কোম্পানিগুলো ধীরে ধীরে দাম সমন্বয় করতে শুরু করেছে।

ভবিষ্যতে আরও দাম সমন্বয় করতে হবে বলে জানান কোম্পানিসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। একসঙ্গে বেশি দাম বাড়ালে হঠাৎ করে বিক্রি অনেক কমে যেতে পারে, এ শঙ্কায় ধীরে ধীরে দাম সমন্বয়ের পথে হাঁটছে কোম্পানিগুলো।



সিমেন্ট   দাম বৃদ্ধি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রিমান্ড চেয়ে আদালতে তোলা হবে সেই বাস ডাকাতদের

প্রকাশ: ০১:০৪ পিএম, ০৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail রিমান্ড চেয়ে আদালতে তোলা হবে সেই বাস ডাকাতদের

টাঙ্গাইলে গভীর রাতে চলন্ত বাস জিম্মি করে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১০ জন আসামি‌কে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে র‍্যাব । সোমবার (৮ আগস্ট) রাতে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী রতন হোসেনসহ ১০ আসামিকে ডিবির কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) দুপু‌রে রিমান্ড চে‌য়ে আসামিদের আদাল‌তে পাঠা‌নো হবে।

র‍্যাব  জানায়, বাসের হেলপারের ছদ্মবেশে ২০১৮ সাল থেকে যাত্রীবাহী বাসসহ বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি করে আসছিল রতন হোসেন (২১)। তিনি এ চক্রের দলনেতা। তার অধীনে ১৩ থেকে ১৫ জন সদস্য রয়েছে। ডাকাতির ঘটনায় দুই দফা কারাভোগও করেছেন তিনি। দ্বিতীয় দফায় ৯ মাস কারাভোগের পর জামিনে বের হয়ে আসেন এবং পুনরায় যাত্রীবাহী বাসে ডাকাতি করে দলনেতা হন রতন হোসেন।

টাঙ্গাইল র‌্যাব-১২ এর ৩ নম্বর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান জানান, সোমবার (৮ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে রতনসহ গ্রেপ্তার ১০ জনকে ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলে আনা হয়। এরপর রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাদের ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে রোববার (৭ আগস্ট) তাদের ঢাকা, গাজীপুর ও সিরাজগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার র‌্যাব-১২ ও ১৪।

এদিকে ঈগল এক্সপ্রেস বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী রতনের বাড়ি টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার কুড়ালিয়া ইউনিয়নের ধলপুর গ্রামে। ময়মন‌সিংহ-টাঙ্গাইল আঞ্চ‌লিক মহাসড়‌কের রক্তিপাড়ায় দুর্ঘটনার পর বাস থে‌কে নে‌মে ডাকাতরা ঘটনাস্থল থে‌কে পাঁচ কি‌লো‌মিটার দূ‌রে রত‌নের নানা বে‌লো মিয়ার বা‌ড়ি‌তে যায় ব‌লে জানা গে‌ছে। এরপর সকা‌লেই সেখান থেকে বেরিয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ঘর পরিষ্কার করতে গিয়ে বা‌ড়ির গৃহবধূ জেরিন তিনটি মোবাইলের কভার এবং একটি ছুরি দেখতে পান।

টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হেলাল উদ্দিন বলেন, ডাকা‌তি ও ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতারকৃত ১০ জনকে সোমবার ঢাকায় সংবাদ স‌ম্মেলন শে‌ষে রা‌তে ডি‌বির কাছে হস্তান্তর করেছে র‌্যাব। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আসামিদের দুপু‌রের দি‌কে রিমান্ড চে‌য়ে আদালতে তোলা হবে। এর আগে গ্রেপ্তারকৃত তিনজন কারাগারে রয়েছে। তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।


টাঙ্গাইল   বাস ডাকাতি   আদালত  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মৃত ব্যক্তির নামে ঋণ

প্রকাশ: ১১:২৫ এএম, ০৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail মৃত ব্যক্তির নামে ঋণ

মৃত ব্যক্তির নামেও ঋণ দিয়েছে কৃষি ব্যংক। তাদের রাজবাড়ী শাখায় ঋণ বিতরণে অনিয়মের ঘটনা ধরা  পড়েছে। আবার একজনের কাগজপত্র ব্যবহার করে ঋণ নিয়েছেন আরেকজন।

২০১৫/১৬ বছরে ব্যাংকটির রাজবাড়ী শাখা থেকে ১ হাজার ৬০১ জনকে ঋণ দেওয়া হয়। গত ফেব্রুয়ারিতে ঋণ জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়ে। তাঁদের মধ্যে ৪৫৮ জনের কাছ থেকে ঋণ আদায়ের জন্য বিশেষভাবে উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেয় ব্যাংকের অডিট কমিটি। ওই ঘটনায় ব্যাংকের দুই কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

ব্যাংকের শাখা সূত্রে জানা যায়, ধান, পেঁপে, কলাসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদনের জন্য এসব ঋণ দেওয়া হয়। ঋণের পরিমাণ সর্বনিম্ন ৭ হাজার থেকে শুরু করে ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। তবে বেশির ভাগ ঋণ ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকার মধ্যে। ১ হাজার ৬০১ জনকে ঋণ দেওয়া হয় প্রায় ১০ কোটি টাকা। এক বছরের মধ্যে পরিশোধ করার কথা ছিল। ইতিমধ্যে ৮৬৭ জন ঋণ পরিশোধ করেছেন। বকেয়া টাকার পরিমাণ তিন কোটি টাকার কিছু বেশি। আর ব্যাংকের ওই শাখায় মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১৪ কোটি ২৬ লাখ টাকা।

রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানগঞ্জ ইউনিয়নের বাসুদেবপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন রহিম ধাবক। তিনি বার্ধক্যের কারণে ২০০৫ সালে মারা যান। অথচ তাঁর নামে ২০১৫ সালের ২ আগস্ট ৬০ হাজার টাকা কৃষিঋণ নেওয়া হয়। পরিবারের সদস্যরা এই ঋণের বিষয়ে জানতেন না। গত বছর বাড়িতে নোটিশ আসার পর তাঁরা বিষয়টি জানতে পারেন।

ব্যাংকঋণের জন্য আবেদনকারীকে সশরীর ব্যাংকে উপস্থিত হতে হয়। আবেদনপত্রের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, পাসপোর্ট আকারের ছবি, বাড়ির জমির খাজনা প্রদানের রশিদ, জমিজমার পরচা বা দলিল দিতে হয়। এরপর ব্যাংক কর্মকর্তা বা মাঠকর্মীরা তা সরেজমিনে যাচাইবাছাই করেন। তথ্যের সত্যতা পাওয়ার পর ব্যাংক ব্যবস্থাপকের কাছে প্রতিবেদন আকারে জমা দেন। এরপর ঋণ দেওয়া হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে কোন ধরণের নিয়ম না মেনেই যাকে খুশি তাকে ঋণ দেয়া হয়েছে।

 


কৃষি ব্যংক   ঋণ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন