ইনসাইড বাংলাদেশ

নির্বাচন বানচাল করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার নীলনকশা

প্রকাশ: ০৭:৫৯ পিএম, ২৪ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

বিরোধীদলের আন্দোলনের প্রধান লক্ষ্য হলো আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে না দেয়া। আর বিরোধী দলের আন্দোলনে মদদ দিচ্ছে সুশীল সমাজের একটি অংশ এবং পশ্চিমা কয়েকটি দেশের কূটনীতিকরা। তারা মনে করছে যে, যদি শেষ পর্যন্ত সহিংসতা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে নির্বাচন বানচাল করা যায় তাহলে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসার সুযোগ হবে। এবং যেহেতু এই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কোনো সীমারেখা থাকবে না কাজেই সুশীল নিয়ন্ত্রিত সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার পাঁচ থেকে দশ বছর পর্যন্ত দেশ পরিচালনা করার সুযোগ পাবে। এটি ঠিক এক-এগার যে মাস্টার প্ল্যান তার একটি বর্ধিত সংস্করণ। একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, এই নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে দফায় দফায় বৈঠক হচ্ছে। বাংলাদেশের কয়েকজন আইনজীবী এ বিষয়গুলোর সাংবিধানিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন এবং বিএনপি যেন কোনো অবস্থাতেই আন্দোলন থেকে সরে না আসে এবং তারা যেন সহিংসতা সৃষ্টির চেষ্টা করে সে ব্যাপারে তাদেরকে উৎসাহ যোগানো হচ্ছে।

বাংলাদেশে আবার একটি অনির্বাচিত সরকার আনার জন্য এই নীলনকশার নীরব বাস্তবায়ন চলছে। উল্লেখ্য যে, এক-এগারতে যে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছিল সেটি কতদিন ক্ষমতায় থাকবে এই নিয়ে এক সাংবিধানিক জটিলতা সৃষ্টি হয়েছিল। এই সময়ে সুপ্রিমকোর্টে ড. কামাল হোসেন বলেছিলেন যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মেয়াদ যেহেতু উত্তীর্ণ হয়ে গেছে কাজেই তারা কতদিন থাকবে এ নিয়ে সংবিধানে কোন ব্যাখ্যা নেই। কাজেই তারা অনেক দিন ইচ্ছা থাকতে পারে যতক্ষণ পর্যন্ত একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকায় সাংবিধানিক কোনো বাধা নেই। এখন ড. কামাল হোসেন ওই তত্ত্ব নিয়ে আবার হাজির হচ্ছেন। বিএনপি থেকে বলা হচ্ছে যে, নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া তারা কোনো নির্বাচনে যাবে না। আর বিএনপির এই বক্তব্যের পাল্টা হিসেবে আওয়ামী লীগ বলছে যে, নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কোনো সাংবিধানিক বিধি-বিধান নাই। সংবিধানের বাইরে কোনো কিছু করা যাবে না। আর এ কারণেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন না হয় সেটি এখন বিএনপিসহ কিছু বিরোধী দল, সুশীল সমাজ এবং কয়েকটি পশ্চিমা দেশের প্রধান লক্ষ্য, এ লক্ষ্যে তারা কাজ করছে। আর এ কারণেই পশ্চিমা দেশের কয়েকজন কূটনীতিক বাংলাদেশের সুশাসন, গণতন্ত্র, মানবাধিকার ইত্যাদি বিষয়গুলোকে সামনে নিয়ে আসছেন। এই নীল নকশার পাঁচটি ধাপ রয়েছে- 

প্রথম ধাপে বিএনপি সরকার বিরোধী আন্দোলন করবে এবং এই আন্দোলনকে আস্তে আস্তে উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে নিয়ে যাওয়া হবে। এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করা হবে যেন দেশে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা এবং সহিংসতা সৃষ্টি হয়। দ্বিতীয় ধাপটি হলো, সুশীল সমাজ দেশের অর্থনৈতিক সংকট ও সুশাসনের অভাব সহ নানা ইস্যু গুলোকে সামনে নিয়ে আসবে এবং সুশীল নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যমে সেটি ব্যাপকভাবে প্রচার প্রচারণা করা হবে। ফলে জনগণের মধ্যে এক ধরনের ভীতি অনাস্থা তৈরি হবে। উদাহরণ হিসেবে দেখা যায় যে, প্রথমে ব্যাংকের রিজার্ভ নেই বলে গুজব ছড়ানো হলো, তারপর দেশের শীর্ষস্থানীয় সুশীল নিয়ন্ত্রিত একটি দৈনিক পত্রিকা প্রতিদিন ব্যাংকিং খাতের নানা দুর্বলতা নিয়ে প্রতিবেদন করছে। অর্থাৎ জনগণের মধ্যে ব্যাংকিং খাত সম্পর্কে অনাস্থা সৃষ্টির জন্যই এটি করা হচ্ছে। এভাবে আস্তে আস্তে সরকারকে অজনপ্রিয় করার একটি নীরব পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যেন অসাংবিধানিক কোন শক্তি ক্ষমতা গ্রহণ করলেও জনগণ খুব একটা অসুখি না হয়।

তৃতীয় ধাপে, আন্তর্জাতিক মহল সরকারের ওপর নানারকম চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র র‌্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। আগামী ডিসেম্বরে আরও নিষেধাজ্ঞা আসছে এমন খবর শোনা যাচ্ছে। এই সমস্ত নিষেধাজ্ঞা দিয়ে সরকারকে কোণঠাসা করার একটা প্রচেষ্টা চলছে। চতুর্থ ধাপে, গণমাধ্যমগুলোকে আস্তে আস্তে সরকারের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হচ্ছে। আর সর্বশেষ পঞ্চম ধাপে আওয়ামী লীগের যে সমস্ত জোটগুলো আছে সেগুলোকে নিষ্ক্রিয় করে আওয়ামী লীগকে একা করা হচ্ছে, যেন সব রাজনৈতিক দলই আগামী নির্বাচন বয়কটের দিকে যায়। কারণ নির্বাচন বয়কট করলে রাজনীতিতে একটি সহিংসতা সৃষ্টি হবে এবং অধিকাংশ রাজনৈতিক দল নির্বাচন বর্জন করলেই অসাংবিধানিক শক্তি ক্ষমতায় আসার পথ তৈরি হবে।

নির্বাচন বানচাল   তত্ত্বাবধায়ক সরকার   নীলনকশা   বিএনপি   সুশীল সমাজ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

দোহারে নেইমার ভক্তের সঙ্গে সেলফি নিতে আসেন ব্রাজিলিয়ান ভক্তরা!

প্রকাশ: ০৮:২৭ পিএম, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

বিশ্বজুড়ে চলছে কাতার ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনা। বিশ্বকাপ কাতারে হলেও এর উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে সারাবিশ্বে। প্রিয় দলের সমর্থন জানাতে একের পর এক নানা কাণ্ড ঘটিয়ে আলোচনার জন্ম দিচ্ছেন ভক্তরা। তাদেরই একজন ঢাকার দোহারের জনসেবা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ক্লিনিকের রেডিওলজিস্ট আকরাম হোসেন।

বিশ্বকাপের শুরু থেকেই তিনি তার প্রিয় দলের প্রতি সমর্থন জানাতে কত কিছুই না করেছেন। এবার প্রিয় খেলোয়াড় নেইমারের মতো চুলের কাট দিয়ে নেইমারের প্রতি ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ জানালেন ৫০ বছর বয়সী আকরাম হোসেন। তার দলের জয়ে যেমন উল্লাসিত হন আবার দলের পরাজয়ে কান্নায় ভেঙে পরেন এই ব্রাজিলিয়ান ভক্ত। আকরাম হোসেনের সঙ্গে এখন সেলফি নিতে অনেক ব্রাজিলিয়ান ভক্তরা আসেন তার কাছে।

আকরাম হোসেম বলেন, ব্রাজিল ও নেইমারের ভক্ত আমি ৷ নেইমারের পায়ের জাদু দেখতে কার না ভালো লাগে। সেই প্রিয় খেলোয়াড়ের চুলের কাটিং দেখে আমিও চুল কেটেছি। আশা করি ব্রাজিল এবার বিশ্বকাপ জিতবে। আজ রাতেও গোল উৎসবে সেই উত্তাপ ছড়াবে প্রিয় দল ব্রাজিল।

কাতার বিশ্বকাপ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পুলিশের বিশেষ অভিযানে রাজধানীতে আটক আরও ২৫৫

প্রকাশ: ০৭:১৬ পিএম, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

পুলিশের বিশেষ অভিযানে ঢাকা মহানগর এলাকা থেকে আরও ২৫৫ জনকে আটক করা হয়েছে।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগ।

ডিএমপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া পুলিশের বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে সোমবার মোট ২৫৫ জনকে আটক করা হয়েছে।

এর আগে, ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া পুলিশের বিশেষ অভিযানে রবিবার পর্যন্ত (৪ দিনে) ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ৪৭২ জনকে আটকের কথা জানানে হয়েছিল। ফলে গত ৫ দিনে মোট ৭২৭ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানা যায়।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

১০ ডিসেম্বর নিয়ে অবশেষে স্বস্তিতে সরকার

প্রকাশ: ০৬:০০ পিএম, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিভাগীয় গণসমাবেশ করবে বিএনপি। গত ৮ অক্টোবর বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ আমান প্রথম ১০ ডিসেম্বর সরকার পতনের কথা বলেন। এরপর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানিসহ আরও কয়েকজন নেতাও একই কথা বলেন এবং তাঁরা বলেন যে, ১০ ডিসেম্বরের পর বাংলাদেশ চলবে খালেদা জিয়ার কথায়। কয়েকজন বিএনপি নেতার এই ধরণের বক্তব্যের প্রেক্ষিতেই রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে ১০ ডিসেম্বর। যদিও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন যে, ১০ ডিসেম্বর কিছুই হবে না। যদিও ১০ ডিসেম্বরকে ঘিরে বিএনপি একটি নীলনকশা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারকে অস্বস্তিতে ফেলতে চেয়েছিল। কিন্তু অবশেষে সরকারের কৌশলের কাছে হেরে গেছে বিএনপি।

১০ ডিসেম্বর রাজনৈতিক পরিস্থিতি সহিংস করার লক্ষেই মূলত নয়াপল্টনে গণসামাবেশ করতে চায় বিএনপি। কিন্তু ডিএমপির পক্ষ থেকে বলা হয় যে, রাস্তায় নয় উন্মুক্ত খোলা মাঠে গণসমাবেশ করতে হবে। কিন্তু বিএনপি জানায় যে তাঁরা নয়াপল্টনেই মহাসমাবেশ করবে এবং সেই সিদ্ধান্তে তাঁরা অনড় অবস্থানে থাকে। এতে বিএনপির নীলনকশার স্বরূপ উন্মোচিত হয়। এরপর সরকার ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে। সহিংসতা কিংবা কোনো ধরণের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে ১ থেকে ১৫ ডিসেম্বর বিশেষ অভিযানের ঘোষণা দেয় পুলিশ। পুলিশের এই অভিযানের ইতিবাচক ফলাফল আসতে শুরু করেছে। পুলিশের এই কঠোর অবস্থানের ফলে ১০ ডিসেম্বর নিয়ে বিএনপির যে পরিকল্পনা ছিলো তা অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়ে গেছে।

পাশাপাশি ১০ ডিসেম্বর নিয়ে কূটনৈতিক অঙ্গনেও চাপে পড়েছে বিএনপি। বিএনপি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ছেড়ে কেন রাস্তায় সমাবেশ করতে চায় এনিয়েও তার উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছে। গত কয়েক মাস ধরে কূটনৈতিক অঙ্গনে বিএনপি যে তৎপরতা চালিয়েছে তা এই ১০ ডিসেম্বরে বিএনপির এই কর্মকাণ্ডের কারণে শেষ হয়ে যেতে পারে বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা। আর তাই ১০ ডিসেম্বরের সহিংস পরিকল্পনা থেকে বিএনপি সরে এসেছে বল জানা যায়। বিএনপি এখন বলছে, অন্যান্য বিভাগীয় সমাবেশের মতো ঢাকারটিও সাধারণ একটি সমাবেশ।

এদিকে বিএনপির মধ্যে হঠকারী একটি অংশ এমন দাবি করেছিল যে, দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক তারেক রহমান লন্ডন থেকে দেশে ফিরবেন। তাদের কেউ কেউ বলছেন, খালেদা জিয়াও ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে উপস্থিত হবেন। কিন্তু সরকারের কৌশল এবং কূটনৈতিক চাপ, সব মিলিয়ে বিএনপির মধ্যে যে অংশটি একটি সহিংস পরিস্থিতি তৈরি করার পাঁয়তারা করছিলো তারাও এখন চুপসে গেছে। ফলে ১০ ডিসেম্বর নিয়ে এখন স্বস্তিতে আছে সরকার।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত জাপান সফর নিয়ে কাজ করছি: রাষ্ট্রদূত

প্রকাশ: ০৫:৪৭ পিএম, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাপান সফর যত দ্রুত সম্ভব এ সফর আয়োজনে দুই দেশ কাজ করছে। কারণ এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ সফর। আগে কিংবা পরে এ সফরে আয়োজন করা হবে বলে আমি প্রত্যাশা করছি।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ কথা বলেন।

ইতো নাওকি বলেন, বাংলাদেশে আমার খুবই চমৎকার কিছু স্মৃতি আছে। বাংলাদেশের মানুষ খুবই সদয়। তারা জাপানের প্রতি অনুরক্ত। তারা খুবই আতিথেয়তাপ্রবণ।

তিনি বলেন, আমি সিলেট, সুন্দরবন এলাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বরিশাল, পাহাড়পুরসহ বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি। সেখানে তাদের কাছ থেকে বেশ সমাদর পেয়েছি। তারা খুবই বন্ধুত্বপ্রবণ। জাপান-বাংলাদেশ পরীক্ষিত বন্ধু দেশ। আমরা নিজেদের মধ্যকার অংশীদারত্ব নতুন স্তরে নিয়ে যেতে চাই।

তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, জাপান-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য তথ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছি। চলতি বছরে জাপান-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পঞ্চাশ বছরে পা দিয়েছে। বছরটি উদযাপনে আমরা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করেছি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা   জাপান সফর   ইতো নাওকি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রাস্তায় সমাবেশের অনুমতি পাবে না বিএনপি: ডিএমপি কমিশনার

প্রকাশ: ০৫:৩৩ পিএম, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বলেছেন, রাস্তায় সমাবেশ করার অনুমতি পাবে না বিএনপি। তবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বাদে অন্য কোনো স্থানের নাম এখনো প্রস্তাব করেনি বিএনপি।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নাকি নয়াপল্টন, বিএনপিকে কোথায় সমাবেশ করতে দেওয়া হবে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সোমবার (৫ ডিসেম্বর)  ডিএমপি কমিশনার এসব কথা বলেন। 

এর আগে গতকাল রোববার বিকেলে সমাবেশের ভেন্যুর বিষয়ে আলোচনা করতে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল ডিএমপি কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করে।

ওই বৈঠক শেষে ডিএমপির সদরদপ্তরের প্রধান ফটকের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান বলেছিলেন, আমরা প্রথম থেকেই বলে আসছি নয়াপল্টনে সমাবেশ করবো। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে আমাদের একাধিকবার আলোচনা হয়েছে।

এর মধ্যে পুলিশ আমাদের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি দিয়ে চিঠি দিয়েছে। আমরা এ বিষয়ে আজ (রোববার) আলোচনা করতে এসেছিলাম। বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তাকে আলোচনা করে এ বিষয়ে ঠিক করতে বলা হয়েছে। ভেন্যুর বিষয়ে আলোচনা তারা করবেন। আগামীকাল (সোমবার) থেকেও এ আলোচনা চলতে পারে। এরপরই ভেন্যু চূড়ান্ত হবে।

তবে ১০ ডিসেম্বরের গণসমাবেশ নয়াপল্টনেই করার দলীয় সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর শাহজাহানপুরে নিজ বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আব্বাস বলেন, খালেদা জিয়ার বাড়ির সামনে পুলিশের তল্লাশি চৌকি, নেতাকর্মীদের গ্রেফতার-হয়রানি, আমার বাসা ঘেরাও সবই একইসূত্রে গাঁথা। বাসা ঘেরাও করে ১০ ডিসেম্বরের গণসমাবেশ দমানো যাবে না। সমাবেশ বানচাল করতে ভয় পেয়ে সরকার এসব করছে।

গতকাল রোববার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে ১০ ডিসেম্বরের ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশের অনুমতি না পেয়ে বিএনপি এখন সমাবেশের জন্য নতুন ভেন্যু খুঁজছে।

তিনি বলেন, ডিএমপির পক্ষ থেকে বিএনপিকে নতুন ভেন্যুর প্রস্তাব দেয়নি। আমরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুমতি দিয়েছি। তারাই নতুন ভেন্যুর কথা বলছে। তবে আমরা আশা করি, বিএনপি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই তাদের সমাবেশটি করবে।

তিনি আরও বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কারণ, আমাদের দৃষ্টিকোণ থেকে উদ্যানটি নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বেশি নিরাপদ। আমরা বিএনপিকে অনুরোধ করেছি, ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে করার জন্য। ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশকে কেন্দ্র করে যত ধরনের নিরাপত্তা সহযোগিতা করার দরকার সব পদক্ষেপ আমরা নেবো।

নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ করার অনুমতি চেয়ে গত ১৫ নভেম্বর পুলিশ কমিশনারকে চিঠি দেয় বিএনপি। তবে যানজট ও নাগরিক দুর্ভোগ সৃষ্টির কারণ দেখিয়ে গত ২৯ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি দেয় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। বিএনপিকে দেওয়া অনুমতিপত্রে সমাবেশের জন্য ২৬টি শর্ত জুড়ে দেয় ডিএমপি। তবে বিএনপির নয়াপল্টনেই সমাবেশ করবে বলে নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকে।

গতকাল রোববার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ছাড়া ঢাকার ভেতরে সমাবেশের জন্য বিকল্প ভেন্যুর প্রস্তাব পেলে তা বিবেচনা করা হবে।

বিএনপি   ১০ ডিসেম্বর   ডিএমপি কমিশনার  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন