ইনসাইড বাংলাদেশ

আ'লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করলো ময়মনসিংহ

প্রকাশ: ০৭:৩৫ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

আর একদিন পরেই ময়মনসিংহে দীর্ঘ ৬ বছর পর ৩ ডিসেম্বর  অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন। এ নিয়ে ময়মনসিংহের আওয়ামী নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনা এবং উৎসবের আমেজ পরিলক্ষিত হচ্ছে। রাজনীতির মাঠ রয়েছে সরগরম। সব মহলে বয়ছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় চলছে শেষ মূহর্তের চুলচেরা বিশ্লেষণ কাদের কাঁধে যাবে আগামী ৩ বছরের দল পরিচালনার দায়িত্বভার।

ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী সার্কিট হাউস মাঠের প্রবেশদ্বারসহ বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ এবং তাদের অনুসারীদের পোস্টার প্যানায় শহর ছেয়ে গেছে। আগামী ৩ ডিসেম্বর সার্কেট হাউজ মাঠের আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনকে ঘিরে ইতিমধ্যে সভায় জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে মঞ্চ এবং অন্যান্য কাজ। সম্মেলন কে ঘিরে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী শনিবার সার্কিট হাউজ মাঠের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এম.পি।

নির্বাচন সামনে রেখে এই সম্মেলনকে এবং এ সময় গঠিত সম্ভাব্য জেলা ও মহানগর কমিটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

বিশেষতঃ বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তৃণমূলে দলকে গোছানো এবং আগামীর নির্বাচনে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে জিতিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে হবে এ কমিটিকে। ময়মনসিংহে নেতাকর্মীদের সাথে আলাপকালে কমিটির কাছে এমনটিই প্রত্যাশা করছেন তৃণমূলের নেতৃবৃন্দ। সেই সাথে তাদের প্রচার প্রচারণায় জেলা কমিটির সভাপতি পদে বর্তমান কমিটির সভাপতি জহিরুল হক খোকা,জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক জ্বালাল উদ্দিন খান এবং জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ফারুক আহমেদ খান এর নাম শোনা যাচ্ছে। বর্তমান সভাপতি জহিরুল হক খোকা দক্ষতার সাথেই দল পরিচালনা করেছেন বলে অনেক নেতা-কর্মী মনে করছেন। বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ হিসেবে নেতাকর্মীদের কাছে তার আলাদা গ্রহণযোগ্যতাও। জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে বর্তমান সম্পাদক এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এ কুদ্দুস, সাংগঠনিক সম্পাদক আহাম্মদ আলী আকন্দ,সাধারণ সম্পাদক শওকত জাহান মুকুল,সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ হাসান অনু,জেলা কমিটির অন্যতম নেতা আহসান মোঃ আজাদ,মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহিতুর রহমান শান্ত,জেলা কমিটির যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক রেজাউল হাসান বাবু এর নাম নেতাকর্মীদের প্রচার
প্রচারণায় পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়াও বর্তমান গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী বলে গুঞ্জণ রয়েছে। অনেকর মতে ভাষা সৈনিক ও সাবেক এমপি মরহুম শামসুল হকের পুত্র হিসেবে দল পরিচালনায় শরীফ আহমেদেরও নেতাকর্মীদের কাছে একটি পৃথক অবস্থান রয়েছে।

মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের দাবি বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল এর নেতৃত্বে সমন্বয়ের ঘাটতি থাকলেও একজন ত্যাগী ও কারানির্যাতিত নেতা হিসেবে তারও নেতাকর্মীদের কাছে পৃথক অবস্থান রয়েছে । তবে,জেলার সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী নেতাদের অনেকের বিরূদ্ধেই এলাকার সাথে যোগাযোগ না রাখার বিষয়টি উঠে এসেছে। দলীয় প্রয়োজনে সময় না দেওয়ার এবং এমনকি,কারো কারো নামে দলকে দ্বিধাবিভক্ত করার অভিযোগও নেতাকর্মীদের করতে দেখা গেছে। এছাড়াও,প্রার্থীদের কারো করো বিরূদ্ধে আর্থিক অনিয়ম,চোরাচালান এবং মাদক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকারও অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে বর্তমান কমিটির সভাপতি এহতেশামুল আলম,ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মোঃ ইকরামুল হক টিটু,জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সাদেক খান মিল্কী টজু এর নাম প্রচার প্রচারণায় পাওয়া গেছে। শহরে ৩ জন প্রার্থীই সরব প্রচার প্রচারণায় চলছে। তবে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ
মহানগর এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের অধিকাংশ নেতৃবৃন্দ ইকরামুল হক টিটুকে সভাপতি হিসেবে দেখতে চান- প্যনা পোস্টারে এমন প্রচারণা চালাতে দেখা যাচ্ছে।

মহানগরের সভাপতি প্রার্থীদের কারো কারো নামে স্ত্রী ও সন্তানকে ব্যবহার করে আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে রাজনৈতিক সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও কারো কারো নামে দীর্ঘ সময় রাজনীতির মাঠে অনুপস্থিতি,নেশাগ্রস্থ থাকা এবং বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার বিষয়টি নেতা-কর্মীদের সাথে আলাপকালে উঠে এসেছে। মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদের প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন- বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি গোলাম ফেরদৌস জিল্লু,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মীর শহীদ উদ্দিন,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসাইন জাহাঙ্গীর বাবু,সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ারুল হক রিপন,কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপকমিটির সদস্য সাইদুল আরেফিন রাসেল,৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মসিকের প্যানেল মেয়র ০২ মোঃ মাহবুবুর রহমান দুলাল এবং মহানগর আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির নেতা লিটন পাল। তবে তৃণমূলের প্রত্যাশা আগামীর কমিটিতে এমন নেতা নির্বাচিত হবেন যিনি সার্বক্ষণিক সময় দিয়ে দলকে সংগঠিত করবেন। সবার বিশ্বাস- আওয়ামী লীগ সভানেত্রী এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব বিষয় যাচাই বাছাই করেই আগামীর নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন।

এ প্রসঙ্গে ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি পদ প্রত্যাশী সিটি মেয়র ইকরামুল হক টিটু বলেন,সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড প্রান্তিক পর্যায়ে দলের মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন ষড়যন্ত্র,অপচেষ্টা মোকাবিলায় সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে। এ ধরনের কাজ যারা স্বরান্বিত করতে পারবেন,আমি আশাবাদী এমন নেতাদের কাঁধে দলের গুরু দ্বায়ীত্ব উঠবে।

মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এহতেশামুল আলম বলেন,ইতোমধ্যে ২১টি ওয়ার্ডের সম্মেলন হয়েছে। ১২টি কমিটি দেওয়া হয়েছে,বাকিগুলোও দেওয়া হবে। তবে যারা ত্যাগী: দীর্ঘদিন দলের রাজনীতি করেছেন; এমন নেতারাই নেতৃত্বে আসবে বলে মনে করছেন তিনি।

মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্তর মতে,তার বাবা যেভাবে ২৭ বছর আওয়ামী লীগকে আগলে রেখেছিলেন,বাবার দেখানো পথ অনুসরণ করেই আওয়ামী লীগকে আগলে রাখবেন তিনি। এ তরুণ নেতা মনে করেন তাঁর বাবার সময় দলে কোন্দল ছিল না। তার কাঁধে নেত্রী দায়িত্ব দিলে দলের ভিতরের সকল বিভেদ দূর করে দলকে শক্তিশালী করে গড়তে সকল পদক্ষেপ নিয়ে দলকে সুসংগঠিত করবেন তিনি।

কমিটি প্রসঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল বলেন,সম্মেলনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সব পর্যায়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পাওয়ার পর দলকে সংগঠিত করতে সঠিকভাবে কাজ করেছেন এবং ভবিষ্যতেও করে জাবেন। তিনি আরও বলেন,দলের স্বার্থে নেত্রী আমাকে যেখানেই চাইবেন,আমি  সেখানেই থাকতে চাই।

ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

‘ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের জবাব দিতে’ ফেসবুক লাইভে হিরো আলম

প্রকাশ: ০৯:৫৫ পিএম, ০৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

জাতীয় সংসদকে খাটো করতে বিএনপি মো. আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলমকে উপনির্বাচনে প্রার্থী করেছিল- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যকে ‘ঘৃণ্য মন্তব্য’ দাবি করেছেন হিরো আলম।

শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্যের জবাব দেন এই স্বতন্ত্র প্রার্থী।

হিরো আলম বগুড়া-৬ আসনে জামানত হারালেও বগুড়া-৪-এ তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছিলেন। ১৪-দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জাসদের এ কে এম রেজাউল করিম তানসেনের কাছে ৮৩৪ ভোটে হেরে যান তিনি। এরপর হিরো আলম অভিযোগ করেন, ভোটের ফলাফলে কারচুপি করে তাঁকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে আজ বিকেলে কামরাঙ্গীরচর সরকারি হাসপাতাল মাঠে ‘বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, নৈরাজ্য, অপরাজনীতি ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের’ বিরুদ্ধে ‘শান্তি সমাবেশ’ করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ।

এতে বক্তব্য দিতে গিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের একটি বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ফখরুল সাহেব বললেন, রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে হিরো আলমকে হারানো হয়েছে। হায়রে মায়া! হিরো আলমের জন্য এত দরদ উঠল তাঁর। তিনি ভেবেছিলেন, হিরো আলম জিতে যাবে। কিন্তু হিরো আলম এখন জিরো হয়ে গেছে। হিরো আলমকে বিএনপি নির্বাচনে দাঁড় করিয়েছে। তারা সংসদকে ছোট করার জন্য হিরো আলমকে প্রার্থী করেছে। অবশেষে ফখরুলের স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছে।’

ওবায়দুল কাদের   হিরো আলম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মেয়র আইভীর ওপর হামলাকারী সেই অস্ত্রধারী নিয়াজুল হলেন ওয়ার্ড সভাপতি

প্রকাশ: ০৯:২৪ পিএম, ০৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১২ নম্বর ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হলেন মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর ওপর হামলাকারী সেই অস্ত্রধারী নিয়াজুল ইসলাম। তিনি আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত।

শুক্রবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ বার একাডেমি স্কুলে সিটি করপোরেশনের ১১ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলনে ১২ নম্বর ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নিয়াজুল নির্বাচিত হন। এ ওয়ার্ডে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হন জাহাঙ্গীর আলম। এদিকে সম্মেলনে ১১ নম্বর ওয়ার্ডে সভাপতি পদে একাধিক নাম থাকায় কারও নাম ঘোষণা করা হয়নি

১২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহা।

ফুটপাত হকারমুক্ত রাখতে ২০১৮ সালের ১৬ জানুয়ারি মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর নেতৃত্বে নগর ভবন থেকে পদযাত্রা বের করলে শামীম ওসমানের সমর্থক ও হকাররা মেয়রের ওপর হামলা চালান। সেখানে নিয়াজুল ও শাহ নিজামকে অস্ত্র নিয়ে গুলি করতে দেখা যায়। আইভীর সমর্থকেরা এ সময় আইভীর সমর্থকরা মানব ঢাল তৈরি করে তাকে রক্ষা করেন। 

এ ঘটনার পাঁচদিন পর আইভীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে নিয়াজুলসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করতে যান সিটি করপোরেশনের আইন কর্মকর্তা আবদুস সাত্তার। কিন্তু সে সময় পুলিশ মামলা নেয়নি। পরে আদালতের নির্দেশে ২০১৯ সালের ৪ ডিসেম্বর মামলা নেয় পুলিশ।

এদিকে নিয়াজুল ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মনোনীত হওয়ায় দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

মেয়র আইভী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

যে চারটি দেশে সফর করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৮:০৩ পিএম, ০৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

চলতি বছর চারটি দেশে সফর করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইতোমধ্যে দেশগুলোতে সফরের প্রস্তুতি চলছে। এর বাইরেও প্রধানমন্ত্রী আরও দুই/একটি দেশ সফর করতে পারেন। তবে সেসব দেশ সফর এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাতার, জাপান, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র সফরকে কেন্দ্র করে কাজ করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এসব সফর ঘিরে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে।

যে দেশগুলোতে সফরের বিষয় চূড়ান্ত হয়েছে সেগুলো হল: কাতার, জাপান, ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

কাতার: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলতি বছরের প্রথম বিদেশ সফরে কাতার যাচ্ছেন। আগামী ৫-৯ মার্চ কাতারে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর ৫ম জাতিসংঘ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। বিশ্বের ৪৬ স্বল্পোন্নত দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান এই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন।

জাপান: আগামী এপ্রিল মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাপান সফরের প্রস্তুতি চলছে। গত বছর ২৯ নভেম্বর বাংলাদেশ-জাপান কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছরপূর্তিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টোকিও সফরে যাওয়ার কথা ছিল। তবে জাপানে কোভিড-১৯ বেড়ে যাওয়া ও রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হওয়ার ফলে প্রধানমন্ত্রীর সে সফর স্থগিত করা হয়। এখন নতুন করে জাপান সফরের প্রস্তুতি চলছে।

ভারত: আগামী ৯-১০ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যোগ দেবেন। জি-২০’র এই সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ইতোমধ্যেই আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জি-২০ সম্মেলনে ৯টি দেশকে অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। এর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: ভারত সফরের পরেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের ৭৮তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাবেন। প্রতিবছরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দেয়৷ এবারও এর ব্যতিক্রম হবে না বলে আশা করা হচ্ছে। চলতি বছর ২৪-৩০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।

অন্যান্য দেশ: বর্তমান সরকারের মেয়াদের শেষ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও দুই/একটি দেশে সফরে যেতে পারেন। আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর আলজেরিয়া সফরেরও প্রস্তুতি চলছে। তবে সে সফরটির দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত হয়নি।


প্রধানমন্ত্রী   বিদেশ সফর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

‘নভেম্বরে সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা’

প্রকাশ: ০৭:২৯ পিএম, ০৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

আগামী ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ অথবা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে এবং নভেম্বর মাসে তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান।

এছাড়া ৫০ থেকে ৭০টি আসনে ইভিএমএ পদ্ধতিতে নির্বাচন হতে পরে বলেও জানান তিনি।

শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ভোটে আস্থা সৃষ্টি করা আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। আগের ভোটগুলোতে আস্থার সংকট সৃষ্টি হয়েছিল। সে সংকট থেকে উত্তরণের জন্য আমরা চেষ্টা করছি। সম্প্রতি উপনির্বাচনে ঠাকুরগাঁওয়ে ৪৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। তীব্র শীত উপেক্ষা করে মানুষ ভোট দিয়েছে। এটা আমাদেরকে উৎসাহিত করেছে। মানুষ ভোটে ফিরে আসছে।

আনিছুর রহমান বলেন, ভোটারদের ভোট দিতে উৎসাহিত করতে পারবো এ আশা নিয়েই আগামী নির্বাচনের আয়োজন করতে যাচ্ছি। আরও কিছু নতুন পদক্ষেপ নিয়ে কমিশন চিন্তা করছে। এখনই এগুলো জনসম্মুখে প্রকাশ করছি না। যথাসময়ে জানতে পারবেন। আমার বিশ্বাস বড় সব দল নির্বাচনে অংশ নেবে। অবাধ সুষ্ঠু অংশগ্রহণ মূলক নির্বাচন করতে যা যা করা দরকার সবই আমরা করবো।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসান, পুলিশ সুপার সাইফুল হক, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সোহেল সামাদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সুশীল সমাজের নেতা, সাংবাদিক ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।  

অনুষ্ঠানে বীরমুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দের হাতে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র তুলে দিয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন কমিশনার আনিছুর রহমান। মাসব্যাপী বিভিন্ন ইউনিয়নে ক্যাম্প করে সাধারণ ভোটারের মাঝে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানানো হয় অনুষ্ঠানে।


সংসদ নির্বাচন   তফসিল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ধান উৎপাদনে যান্ত্রিকীকরণের উপর গুরুত্ব দিতে হবে: কৃষি সচিব

প্রকাশ: ০৭:২৪ পিএম, ০৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ওয়াহিদা আক্তার।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ওয়াহিদা আক্তার বলেছেন, ‘ধান উৎপাদনে যান্ত্রিকীকরণের উপর গুরুত্ব দিতে হবে। ধান আমাদের প্রধান খাদ্য এবং খাদ্য নিরাপত্তা বলতে আমরা ধান বা চালের নিরাপত্তাকেই বুঝি। তাই ধান উৎপাদনে ব্রি কৃষিযন্ত্র নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে যান্ত্রিকীকরণ প্রক্রিয়াকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’ 

শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি ) বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে চলমান “যান্ত্রিক পদ্ধতিতে ধান চাষাবাদের লক্ষ্যে খামার যন্ত্রপাতি গবেষণা কার্যক্রম বৃদ্ধিকরণ (এসএফএমআরএ)”- শীর্ষক প্রকল্পের মধ্যবর্তী কর্মশালায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আউশের আবাদ ও উৎপাদন বাড়ানোর উপরও গুরুত্বারোপ করেন।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এসএফএমআরএ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এ কে এম সাইফুল ইসলাম। মূল প্রবন্ধে ড. এ কে এম সাইফুল ইসলাম বলেন, এই প্রকল্পের আওতায় এখন পর্যন্ত চারটি কৃষিযন্ত্র যেমন- ব্রি বীজ বপন যন্ত্র, ব্রি হোল ফিড কম্বাইন হারভেস্টার, ব্রি সোলার লাইট ট্র্যাপ ও ব্রি দড়ি পাকানোর যন্ত্র উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ  করা হয়েছে। এছাড়া ব্রি ম্যানুয়াল রাইস ট্রান্সপ্লান্টার, পাওয়ার উইডারসহ আরো প্রায় ৮টি যন্ত্রপাতি তৈরির কাজ চলমান রয়েছে। প্রকল্পের আওতায় উদ্ভাবিত ও উন্নয়নকৃত যন্ত্রপাতির কার্যক্রম বিস্তারিত তুলে ধরেন। এসএফএমআরএ প্রকল্পের আওতায় রয়েছে দেশের সাতটি বিভাগের ১২টি জেলার ১২টি উপজেলায় এ প্রকল্প চলমান রয়েছে। এবং এই প্রকল্পের বাস্তবায়নের মেয়াদ ০১ জুলাই ২০১৯ হতে ৩০ জুন ২০২৪। 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রসারণ) রবীন্দ্রশ্রী বড়ুয়া বলেন, পৃথিবীর প্রেক্ষাপট মাথায় রেখে ব্যবহারিক দিককে গুরুত্ব দিয়ে কৃষি যন্ত্রপাতি প্রস্তুত করতে হবে। আমদানী নির্ভরশীলতা কমিয়ে নিজের যে বিশাল বাজার তা নিজেরাই ব্যবহার করতে হবে। তাহলে কৃষি যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারক, দেশীয় উদ্যোক্তা ও ব্যবহারকারী কৃষক সকলেই লাভবান হবেন।

সভাপতির বক্তব্যে ব্রির মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর এসএফএমআরএ প্রকল্পের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এই প্রকল্পের সুফল কৃষকের দৌড়গোড়ায় পৌছে দিতে পারলে আগামীতে কৃষি যান্ত্রিকীকরণে বিপ্লব ঘটবে। এসএফএমআরএ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো টেকসই ধান চাষাবাদের লক্ষ্যে লাগসই কৃষি যন্ত্রপাতি উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের জন্য খামার যন্ত্রপাতি গবেষণা কার্যক্রম জোরদারকরণ।

গাজীপুরে ব্রি সদর দপ্তরের প্রশিক্ষণ ভবনে এ কর্মশালাটির আয়োজন করে ব্রির খামার যন্ত্রপাতি ও ফলনোত্তর প্রযুক্তি বিভাগ। ব্রির মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর কর্মশালায় সভাপতিত্ত্ব করেন। কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) এর নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর মহাপরিচালক ড. দেবাশীষ সরকার, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা অনুবিভাগ) মো. মাহবুবুল হক পাটওয়ারী, অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রসারণ) রবীন্দ্রশ্রী বডুয়া, ব্রির পরিচালক (গবেষণা) ড. মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান, উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা সমন্বয়কারী ড. মুন্নুজান খানমসহ ব্রির সকল বিভাগীয় প্রধান ও জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানীগণ। 


কৃষি মন্ত্রণালয়   সচিব   ওয়াহিদা আক্তার   ব্রি   কর্মশালা  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন