ইনসাইড বাংলাদেশ

শেষমেশ পুলিশ প্রটোকলে বিদায় ইউএনও মাশফাক

প্রকাশ: ১২:৩৭ পিএম, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

শেষমেশ পুলিশ প্রটোকলে বিদায় নিতে হয়েছে রাঙ্গাবালীর নানা খাতের সরকারী অর্থ আত্মসাৎ এবং একাধিক ঘটনায় বিতর্কিত রাঙ্গাবালী ইউএনও মাশফাকুর রহমান। গত শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাঙ্গাবালী উপজেলা চত্বর থকে পুলিশ প্রটোকলে তাকে বিদায় নিতে হয়েছে। এমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছরিয়ে পরেছে। 

এর আগে ইউএনও মাশফাক শরিয়তপুরের এডিসি হিসেবে পদন্নোতি পেলেও নানা কারণে তাকে অবমুক্ত করেনি পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন। 

অপরদিকে গত ২১ সেপ্টেম্বর ইউএনওকে নিয়ে একটি র্শীষগনমাধ্যমে অনিয়ম-দুর্নীতি প্রকাশ হলে ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের এপিডি অনুবিভাগে ন্যস্ত করা হয়। 

কিন্তু ইউএনও যথাযথ ভাবে দায়িত্ব হস্তান্তরে ব্যর্থ হওয়ায় তিনি অবমুক্ত হয়নি। সর্বশেষ ১ ডিসেম্বর তাকে অবমুক্ত করেন ডিসি মোহাম্মদ কামাল হোসেন। 

এদিকে র্দীঘদিন রাঙ্গাবালী উপজেলায় ইউএনও ও এ্যাসিল্যান্ডের দায়িত্ব পালন করেও পুলিশ প্রটোকলে বিদায় নেয়ার ঘটনা অস্বাভাবিক মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। 

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টরা বলেন-রাঙ্গাবালী উপজেলার ৯টি হাট-বাজারের বিপরীতে খাস টোল আদায়কৃত তিন বছরের অন্তত চার কোটি টাকা কোষাগারে জমা না দিয়ে ইউএনও তার সাঙ্গপাঙ্গরা আত্মসাৎ করেন।

এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর নির্মান না করে অর্থ আত্মসাৎ, নিজ কার্যালয়ের কর্মচারীকে মারধোরসহ নানা অভিযোগের ঘটনায় তদন্তে সত্যতা পেয়েছে জেলা প্রশাসন। 

এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন মন্ত্রী পরিষদ বিভাগে পাঠায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন। 

ইউএনও কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগে ডিসির পাঠানো ওই সুপারীশ প্রতিবেদনে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার সুপারিশ করেছেন বলে নিশ্চিৎ করেন জেলা প্রশাসন। ডিসির পাঠানো ওই প্রতিবেদনে আরও একাধিক অভিযোগ উল্লেখ করেছেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন। 

অপরদিকে মুজিব বর্ষের ঘর নির্মানে ইউএনওর নিয়োগ ঠিকাদার মাইদুল ইসলাম শাওনের অভিযোগ সংক্রান্ত ঘটনায় নিস্পত্তি করতে পারেনি জেলা প্রশাসন। ডিসির কাছে শাওনের দেয়া অভিযাগের ঘটনায় একাধিকবার সাক্ষ্য নিয়েও জেলা প্রশাসনের ব্যর্থতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

অপরদিকে অনুসন্ধানে জানা গেছে-মুজিব বর্ষের ঘর নির্মানের কাজ দিতে রাঙ্গাবালী উপজেলা ছোটবাইশদা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মিন্টুর কাছ থেকে এক গনমাধ্যমকর্মীর মাধ্যমে ১০ লাখ টাকা নেয় ইউএনও। যে টাকা ফেরত দেয়ার কথা বলে দেয়নি। বড়বাইশদা ইউনিয়নের সাকুর মৃধা বলেন-মুজিব বর্ষের ঘর পেতে এলাকার দুস্থ্য পরিবারের কাছ থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা তুলে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবু হাসনাত আব্দুল্লাহর মাধ্যমে ইউএনওকে দেন তিনি। ঘর না পেয়ে ভুক্তভোগীরা আমাকে টাকার জন্য চাপ দিলেও ইউএনও এরকাছ থেকে তিনি ওই টাকা উঠাতে পারেনি। 

বড়বাইশদা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবু হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন,মুজিব বর্ষের ঘর বাবদ ইউএনওর কাছে ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা পাওয়া ছিল। রাঙ্গাবালী থেকে বিদায় নেয়ার আগমূহুর্তে তিনি ২০ হাজার টাকা হাতে ধরিয়ে বাকি টাকা পরে শোধ করবে বলে করেনি। 

অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আবুল কালাম আজাদ বলেন,রাঙ্গাবালীর বাহেরচর বাজারে খাস জমিতে তার একটি মেরামতযোগ্য দোকানঘর ছিল। ওই জমির ডিসিআর নিতে ইউএনওকে এক লাখ টাকা দেন তিনি। কিন্তু ইউএনও তাকে ডিসিআর দেয়নি এবং টাকাও ফেরত দেয়নি। টাকা ফেরত দেয়ার কথা বলে তিনি শুক্রবার পুলিশ প্রটোকলে রাঙ্গাবালী থেকে বিদায় নেন ইউএনও। 

চরমোন্তাজ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবু হানিফ মিয়ার ছেলে রিপন মিয়া বলেন,মুজিব বর্ষের ঘর দেয়া কথা বলে তার বাবার কাছ থেকে ইউএনও দুই লাখ টাকা নেয়। পরে ঘরও দেয়নি,টাকাও ফেরত দেয়নি। 

রাঙ্গাবালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের মটরসাইকেল চালক হিরন হাওলাদার বলেন,মুজিব বর্ষের ঘর নির্মান বাবদ ইউএনওর ১ লাখ ৫৮ টাকা পেতেন। শুক্রবার ইউএনও চলে যাওয়ার সময় ওই টাকা চাইলে অফিসের নাজির মিরাজুল ইসলাম পরিশোধ করবে বলে হিরনকে আশস্থ  করেন ইউএনও। 

রাঙ্গাবালী থানার ওসি নুরুল ইসলাম মজুমদার বলেন,উপজেলা পরিষদের একটি মাত্র গাড়ী,যেটা নিয়ে এ্যাসিল্যান্ড মহোদরে কাছে। ইউএনও মহোদয় উপজেলা পরিষদ থেকে মটরসাইকেল যোগে কোড়ালিয়া লঞ্চঘাটে রওনা দিয়েছেন। তাই আমি তাকে আমার গাড়ীতে তাকে পৌছে দিয়েছি। পুলিশ প্রটোকলে বিদায় নিয়েছেন এটা সত্য নয়। রাঙ্গাবালী এ্যাসিল্যান্ড সালেক মুহিদ বলেন,এখানে একটি মাত্র গাড়ী। সেটা সাময়িক ভাবে বিকল থাকায় চালক আমার সঙ্গে রয়েছে। তাই ইউএনও স্যার গাড়ী দিতে পারিনি। পুলিশ প্রটোকলে বিদায় নেয়ার কথা গুজব। 

এদিকে র্দীঘদিন একই স্থানে চাকুরি করার পরও ইউএনও মাশফাকুর রহমানকে নিয়ে কোনো বিদায়ী সংবর্ধনা হয়নি। তার বিদায় বেলাতে উপজেলা চত্বরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছিল বলে দাবি উপজেলা পরিষদের একধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী। 

ইউএনও  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মেহেরপুরে হবে মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বিল পাস

প্রকাশ: ০৯:৪০ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকদের কোনো উদ্ভাবন, মেধাস্বত্ব আবিষ্কার এবং বাণিজ্যিকভাবে বাজারজাতে সহযোগিতা করার বিধান রেখে ‘মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয়, মেহেরপুর বিল ২০২৩’ পাস করেছে জাতীয় সংসদ।

বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) সংসদ অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ‘মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয়, মেহেরপুর বিল-২০২৩’ পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

বিলটি পাসের আগে তা জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা। তবে তাদের প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। এরপর বিলের ওপর আনীত সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

বিলে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আদেশ-১৯৭৩ এর বিধান পরিপালন করতে হবে। রাষ্ট্রপতি হবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য। আচার্য নির্ধারিত শর্তে স্বনামধন্য একজন শিক্ষাবিদকে চার বছরের জন্য উপাচার্য পদে নিয়োগ করবেন। কোনো ব্যক্তি একাধিক্রমে বা অন্য কোনোভাবে উপাচার্য হিসেবে দুই মেয়াদের বেশি সময়ের জন্য নিয়োগ লাভের যোগ্য হবেন না। আচার্য যে কোনো সময় উপাচার্যের নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

বিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরির শর্তাবলী নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো বেতনভোগী শিক্ষক ও কর্মচারী যদি, সংসদ সদস্য বা স্থানীয় সরকারের কোনো পদে নির্বাচিত হতে প্রার্থী হতে চাইলে নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে চাকরি থেকে ইস্তফা দেবেন।

বিলে আরও বলা হয়েছে, প্রয়োজনে আচার্যের অনুমোদন নিয়ে ‘বিজনেস ইনকিউবেটর’ প্রতিষ্ঠা করতে পারবে বিশ্ববিদ্যালয়। বিজনেস ইনকিউবেটর হলো বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক স্থাপিত বা পরিচালিত কোনো বিজনেস ইনকিউবেটর, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষে প্রাথমিক পর্যায়ে সব সহযোগিতা প্রদান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বা শিক্ষার্থী কর্তৃক কোনো উদ্ভাবন, মেধাস্বত্ব, আবিষ্কার বা প্রক্রিয়া, বাজারজাত এবং বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য সহযোগিতা প্রদান করবে।


মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয়   সংসদ   বিল পাস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

২০৪১ সালের মধ্যে দেশ হবে উন্নত: আইনমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯:২৩ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে উপনীত হয়েছে, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক।

তিনি বলেন, বিশ্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। এগিয়ে যাবে দেশ, কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না।  

বৃহস্পতিবার (০২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নাটোর জেলা আইনজীবী সমিতির নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   প্রধানমন্ত্রীর অনুদানে এ ভবনটি নির্মাণ করা হয়।

আইনমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন দেশে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংবিধান উপহার দেন। এর মাধ্যমে তিনি দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রথম বৃক্ষ রোপণ করেছেন। বঙ্গবন্ধুকে অনুসরণ করে তার যোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা বিচার ব্যবস্থার উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, করোনাকালে শুরুতেই মাত্র সাতদিনে ভার্চ্যুয়াল আদালত আইনের প্রবর্তন করেন। প্রবর্তিত ভার্চ্যুয়াল আদালতে দেড় লক্ষাধিক মামলার নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়েছিল। ভার্চ্যুয়াল আদালতে তিন লাখ ৫৯ হাজার ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর হওয়ায় কারাগারগুলোর বন্দি ধারণ ক্ষমতা সহনীয় পর্যায়ে রাখা সম্ভব হয়েছিল।

আনিসুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে দ্রুততম সময়ের মধ্যে করোনার টিকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মহামারি প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে। এ পর্যন্ত মাত্র ২৯ হাজার মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষকে এক লাখ ৮৩ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা দিয়েছেন। কেউ না খেয়ে ছিল না। অথচ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডার মতো উন্নত দেশগুলো এ মহামারিতে হিমশিম খেয়েছে।  

নাটোর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন তালুকদার টগরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন নাটোর-২ (নাটোর সদর ও নলডাঙ্গা) আসনের সংসদ সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম শিমুল, নাটোর-১ (লালপুর ও বাগাতিপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম বকুল, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, জেলা ও দায়রা জজ শরীফ উদ্দীন, জজ কোর্টের পিপি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, নাটোর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শরিফুল ইসলাম রমজান এবং নাটোর পৌরসভার মেয়র উমা চৌধুরী জলি। পরে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে নাটোরে কর্মরত বিচারকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।


আইনমন্ত্র   ২০৪১  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বিএনপির নির্বাচনে আসা উচিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৮:৩২ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘রাজনীতিবিদ হিসেবে বলব বিএনপির নির্বাচনে আসা উচিত। তবে তারা যদি নির্বাচন বর্জন করে সেটি তাদের নিজস্ব ব্যাপার। তবে নির্বাচন ছাড়া দেশে ক্ষমতার পরিবর্তন হবে না।’

বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয়ে ‘হ্যালো পুলিশ মানিকগঞ্জ’ উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি যদি ষড়যন্ত্র বা অন্য কোনো উপায়ে ক্ষমতায় আসতে চায় তাহলে তা অসম্ভব। কারণ ভোট ছাড়া আর কোনো উপায় নেই এ দেশের শাসনভার নেওয়ার।’


বিএনপিকে বাধা দেওয়া হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘কোথায় বাধা দিয়েছি? তারা প্রতিটি জেলা ও বিভাগে সভা করছে। এখন আবার মানুষের রাস্তাঘাট বন্ধ করে পদযাত্রা শুরু করেছে।’

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘বিএনপি রাজনৈতিক কর্মকান্ড করুক তাতে কোনো অসুবিধা নেই। কিন্তু মানুষের অসুবিধা সৃষ্টি করলে, ধ্বংসাত্মক কিছু করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ খানের সভাপতিত্বে মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য নাঈমুর রহমান দুর্জয়, মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম, ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম প্রমুখ।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   আসাদুজ্জামান খান কামাল   বিএনপি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সাজা শেষে ভারত থেকে ফিরলেন ৯ বাংলাদেশি নারী

প্রকাশ: ০৭:৫৪ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

বিভিন্ন মেয়াদে সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরেছেন ভারতে পাচার হওয়া ৯ বাংলাদেশি নারী। বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরেছেন তারা। ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে তাদের হস্তান্তর করে। 

তারা হলেন- আঁখি খাতুন, প্রিয়া দাস, রিয়া বিশ্বাস,শান্তি দাস, মিঠু বেগম, সনিয়া আক্তার শিরিনা আক্তার, বিথি খাতুন, বানু খাতুন।এদের বাড়ি ঢাকা, যশোর, নড়াইল, সাতক্ষীরা ও পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন এলাকায়। 

ফিরে আসা সোনিয়া খাতুন বলেন, ‘আমরা দালালদের মাধ্যমে বিভিন্ন সীমান্ত পথে ভালো কাজের আশায় ভারতে পাড়ি জমাই। এরপর ভারতের হায়দারাবাদে বাসাবাড়িতে কাজ করার সময় ভারতীয় পুলিশের হাতে আটক হই। সেখান থেকে একটি এনজিও সংস্থা তাদের ছাড়িয়ে সংস্থার নিজস্ব শেল্টার হোমে রাখেন।ওই শেল্টার হোম থেকে আজ দেশে ফিরেছি। শেল্টারহোমে আমাদের বয়সী অনেক বাংলাদেশি নারী আছেন। তারা দেশে আসার অপেক্ষার প্রহর গুনছেন।’

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ভারত সরকারের বিশেষ ট্রাভেল পারমিটে ফেরত আসা বাংলাদেশি নারীদের ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে এনজিও সংস্থা জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার ৬ জনকে এবং মহিলা আইন সমিতি ৩ জনকে গ্রহণ করে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে।

যশোর জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার মুহিত হোসেন বলেন, ফেরত আসাদের যশোর জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার ৬ জন ও মহিলা আইনজীবি সমিতি ৩ জনকে নিজস্ব শেল্টারহোমে রাখবে । এরপর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

হজ কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি পেল ৭৪৭ এজেন্সি

প্রকাশ: ০৭:৪৩ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

চলতি বছর হজ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রথম পর্যায়ে ৭৪৭টি এজেন্সিকে অনুমতি দিয়েছে সরকার। বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) অনুমোদিত হজ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়, প্রত্যেক হজযাত্রীর সঙ্গে হজ এজেন্সির লিখিত চুক্তি নিশ্চিত করতে হবে।

প্রত্যেক এজেন্সি এবার সর্বোচ্চ ৩০০ জন এবং সর্বনিম্ন ১০০ জন হজযাত্রী পাঠানো পারবেন। প্রত্যেক হজ এজেন্সিকে মিনা, আরাফাহ ও মুজদালিফায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক হজকর্মী নিয়োগ করতে হবে।

অনিবন্ধিত কোনো ব্যক্তিকে হজযাত্রী হিসেবে হজে নেওয়া যাবে না। যদি কোনো এজেন্সি এ ধরনের উদ্যোগ নেয় তাহলে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই লাইসেন্স বাতিলসহ অন্যান্য আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালিকা প্রকাশের পর কোন হজ এজেন্সির তথ্য ভুল বা অসত্য প্রমাণিত হলে এবং কোন অভিযোগ পাওয়া গেলে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কোন কারণ দর্শানো ছাড়া সংশ্লিষ্ট এজেন্সির নাম তালিকা থেকে বাতিলের অধিকার সংরক্ষণ করে বলেও তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, যেসব এজেন্সির লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে এবং এ পর্যন্ত হালনাগাদ কাগজপত্রাদি মন্ত্রণালয়ে দাখিল করেনি, বিভিন্ন অভিযোগে শাস্তি/জরিমানা প্রাপ্ত, সৌদি আরবে কালো তালিকাভুক্ত এবং অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে সেই সব এজেন্সির নাম তালিকায় প্রকাশ করা হয়নি।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে চলতি বছরের ২৭ জুন (৯ জিলহ্জ) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। সৌদি আরবের সঙ্গে হজচুক্তি অনুযায়ী, এবার বাংলাদেশ থেকে এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ করতে পারবেন। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৫ হাজার জন ও অবশিষ্ট এক লাখ ১২ হাজার ১৯৮ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ করার সুযোগ পাবেন।

এবার সরকারিভাবে হজ পালনে খরচ হবে ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৮ টাকা এবং বেসরকারিভাবে এজেন্সির মাধ্যমে হজ পালনে সর্বনিম্ন খরচ ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৭২ হাজার ৬১৮ টাকা। ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে হজযাত্রীদের নিবন্ধন শুরু হবে।


হজ প্যাকেজ   হজ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন