ইনসাইড বাংলাদেশ

সারাদেশের মতো সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশেও নিরাপত্তা দেবে: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৬:৩১ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘আমাদের সরকার দেশে কাউকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেবে না। আমাদের নেতাকর্মীদেরও কর্তব্য আছে। ১০ ডিসেম্বর কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালালে আমাদের নেতাকর্মীরা দেশের মানুষকে সাথে নিয়ে তাদেরকে প্রতিহত করবে। সরকার সারাদেশে তাদের সমাবেশে নিরাপত্তা দিয়েছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেও দেবে।’ 

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে বিএনপির ঢাকার সমাবেশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সব কথা বলেন। 

মন্ত্রী বলেন, ‘পুলিশের সাথে আলোচনাকালে বিএনপি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান চেয়েছিল, বরাদ্দও হয়েছে। কিন্তু তারা এখন রাস্তার বদলে রাস্তায় চেয়ে বেড়াচ্ছে। যে ময়দান থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ডাক দিয়েছেন, যে ময়দানে পাকিস্তানিরা আত্মসমর্পন করেছিল, যেখানে তারাও অতীতে অনেক জনসভা করেছে, আমরা তো নিয়মিতভাবেই করি, সেখানে তাদের যেতে এতো অস্বীকৃতি, অনীহা কেন। তারা শুধু রাস্তায় জনসভা করতে চায়, গাড়ি-ঘোড়া ভাংচুর করতে চায়, জনজীবনে বিপত্তি ঘটাতে চায়।’ 

ড. হাছান বলেন, ‘সাংবাদিকরা এবং শহরের সাধারণ নাগরিকরা রাস্তায় জনসভার বিরুদ্ধে। কারণ এতে মানুষের ভোগান্তি হয়। সমাবেশের জন্য মাঠের বিকল্প হিসেবে বিএনপি আরেকটা মাঠের কথা বলতে পারে। সোহরাওয়ার্দীতে না চাইলে তারা বাণিজ্য মেলার মাঠ বা আরো বড় বিশ্ব ইজতেমার মাঠ যেখানে ২০ লাখ মানুষ ধরে, না হলে কামরাঙ্গির চরের মাঠেও যেতে পারে। তারা সেটা বলে না, বলে এই রাস্তা না হয় ঐ রাস্তা। মতিঝিলের রাস্তা যেখানে অনেক ব্যাংক, বীমা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে, সেটি কেন তাদের এতো পছন্দ। এটির পেছনেও গভীর ষড়যন্ত্র, দুরভিসন্ধি আছে। প্রকৃতপক্ষে তারা কোনো জনসভা করতে চায় না, এটিকে ইস্যু বানাতে চায় এবং দেশে একটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টায় তারা আছে।’ 

বিএনপি নেতা ইশরাক এবং রুহুল কবীর রিজভীর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘আগুনসন্ত্রাসীরা তো বিএনপির নেতাকর্মী। আগুনসন্ত্রাস করার জন্য বিএনপির নেতারাই নির্দেশ এবং অর্থ দিয়েছিল। সেসবের অডিও রেকর্ডও আমাদের কাছে আছে। বিএনপি নেতাদের হাতে আগুন এবং মানুষের রক্ত লেগে আছে। আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দিয়েছে, এখন পুলিশ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘টেলিভিশনে যারা বড় গলায় কথা বলছে তাদের হাতে মানুষের রক্ত এবং আগুন। তাদের বিরুদ্ধে মামলা আছে এবং যাদের জামিন আদালত বাতিল করেছে, তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এখানে সরকারের কোনো হাত নেই। তবে জনগণ মনে করে শুধু আগুনসন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধেই নয়, আগুনসন্ত্রাসের হোতাদের অর্থাৎ তাদেরকে যারা নির্দেশ দিয়েছে, পরিচালনা করেছে এবং অর্থ দিয়েছে, তাদের গ্রেপ্তার করা এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।’ 

বিএনপি নেতারা ঘনঘন কূটনীতিকদের সাথে বৈঠক করছেন এমন প্রসঙ্গে মন্ত্রী হাছান বলেন, ‘এ দেশের মালিক জনগণ। এ দেশে কে ক্ষমতায় থাকবে, কে থাকবে না সেটা জনগণ নির্ধারণ করবে। এখানে কূটনীতিকদের বেশি কথা বলার কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য বিএনপি ক্ষণে ক্ষণে কূটনীতিকদের কাছে ছুটে যায়। তাদেরকে কোলে করে কেউ ক্ষমতায় বসাবে না। এ দেশে কূটনীতিকরা কাউকে ক্ষমতায় বসানোর ক্ষমতা রাখে না। সুতরাং কূটনীতিকদের কাছে বারবার ছুটে গিয়ে বরং তারা নিজেদের দেউলিয়াত্ব প্রমাণ করছে। বিদেশি কূটনীতিকরা যখন আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কথা বলে, আমি মনে করি তখন সেটি আমাদের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের ক্ষেত্রে অনেক সময় হস্তক্ষেপ হয়ে দাঁড়ায় যেটি সমীচীন নয়। এজন্য কোনো রাজনীতিবিদের বা কোনো রাজনৈতিক দলের কূটনীতিকদের প্রোভোক করা উচিত নয়।’ 

কপ-২৭ প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি : ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরামের সাথে মতবিনিময়

এর আগে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরামের সাথে কপ-২৭ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি বিষয়ে মতবিনিময় করেন মন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ফোরামের সভাপতি কাওসার রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক মাসুদ উল হক, সদস্য সাজু রহমান, হাবিব রহমান প্রমুখ সভায় অংশ নেন। পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মির্জা শওকত আলী মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

পরিবেশবিদ ড. হাছান এ সময় বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা করার জন্য আমরা যে বৈশ্বিক চুক্তিতে উপনীত হয়েছি, তা বাস্তবায়নে অগ্রগতি পর্যালোচনা, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তৈরি এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে একটা বৈশ্বিক ঐক্যমত তৈরি করার লক্ষ্যেই কপ সম্মেলনগুলো হয়। পরিবেশ পরিবর্তনজনিত ‘লস এন্ড ড্যামেজ’ এর জন্য বিশেষ তহবিল গঠনের দাবি আমাদের বহুদিনের। শেষ পর্যন্ত প্যারিস এগ্রিমেন্টের ৮ নম্বর অনুচ্ছেদে এটিকে স্বীকার করে নেওয়া হলেও কোনো অগ্রগতি হচ্ছিল না। মিশরে কপ-২৭ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীসহ বিশ্বের প্রায় একশ’ রাষ্ট্রপ্রধান-সরকার প্রধানরা গিয়েছিলেন এবং এবারের অন্যতম অগ্রগতি হলো যে, বিশ্ব সম্প্রদায় ‘লস এন্ড ড্যামেজ’ বিষয়টাকে গুরুত্ব দিয়েছে। 

মন্ত্রী জানান, কপ-২৭ সম্মেলনে অনেকেই কার্বন নিঃসরণ কমানোর জন্য আগের চেয়ে বেশি কমিটমেন্ট করেছে। আমাদের সরকারও ২০৪১ সালের মধ্যে মোট জ্বালানির ৪০% নবায়নযোগ্য জ্বালানি অর্থাৎ সোলার, গ্রিনপাওয়ার, জলবিদ্যুৎ ব্যবহারের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এসবের জন্য একটা প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে। এটি খুব ভালো দিক। ভাবনার বিষয় এতোকিছুর পরও বিশ্বের তাপমাত্রা ১৮৮০ সালের ভিত্তি তাপমাত্রা থেকে ৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে, এখন ১.১ ডিগ্রি বেড়েছে। আর তাতেই সার্বিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকায় দাবানল, পাকিস্তানে যারা পানির সাথে খুব বেশি পরিচিত নয়, সেখানে বন্যা দেখা যাচ্ছে।

তথ্যমন্ত্রী   ড. হাছান মাহমুদ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সাজা শেষে ভারত থেকে ফিরলেন ৯ বাংলাদেশি নারী

প্রকাশ: ০৭:৫৪ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

বিভিন্ন মেয়াদে সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরেছেন ভারতে পাচার হওয়া ৯ বাংলাদেশি নারী। বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরেছেন তারা। ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে তাদের হস্তান্তর করে। 

তারা হলেন- আঁখি খাতুন, প্রিয়া দাস, রিয়া বিশ্বাস,শান্তি দাস, মিঠু বেগম, সনিয়া আক্তার শিরিনা আক্তার, বিথি খাতুন, বানু খাতুন।এদের বাড়ি ঢাকা, যশোর, নড়াইল, সাতক্ষীরা ও পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন এলাকায়। 

ফিরে আসা সোনিয়া খাতুন বলেন, ‘আমরা দালালদের মাধ্যমে বিভিন্ন সীমান্ত পথে ভালো কাজের আশায় ভারতে পাড়ি জমাই। এরপর ভারতের হায়দারাবাদে বাসাবাড়িতে কাজ করার সময় ভারতীয় পুলিশের হাতে আটক হই। সেখান থেকে একটি এনজিও সংস্থা তাদের ছাড়িয়ে সংস্থার নিজস্ব শেল্টার হোমে রাখেন।ওই শেল্টার হোম থেকে আজ দেশে ফিরেছি। শেল্টারহোমে আমাদের বয়সী অনেক বাংলাদেশি নারী আছেন। তারা দেশে আসার অপেক্ষার প্রহর গুনছেন।’

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ভারত সরকারের বিশেষ ট্রাভেল পারমিটে ফেরত আসা বাংলাদেশি নারীদের ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে এনজিও সংস্থা জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার ৬ জনকে এবং মহিলা আইন সমিতি ৩ জনকে গ্রহণ করে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে।

যশোর জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার মুহিত হোসেন বলেন, ফেরত আসাদের যশোর জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার ৬ জন ও মহিলা আইনজীবি সমিতি ৩ জনকে নিজস্ব শেল্টারহোমে রাখবে । এরপর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

হজ কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি পেল ৭৪৭ এজেন্সি

প্রকাশ: ০৭:৪৩ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

চলতি বছর হজ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রথম পর্যায়ে ৭৪৭টি এজেন্সিকে অনুমতি দিয়েছে সরকার। বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) অনুমোদিত হজ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়, প্রত্যেক হজযাত্রীর সঙ্গে হজ এজেন্সির লিখিত চুক্তি নিশ্চিত করতে হবে।

প্রত্যেক এজেন্সি এবার সর্বোচ্চ ৩০০ জন এবং সর্বনিম্ন ১০০ জন হজযাত্রী পাঠানো পারবেন। প্রত্যেক হজ এজেন্সিকে মিনা, আরাফাহ ও মুজদালিফায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক হজকর্মী নিয়োগ করতে হবে।

অনিবন্ধিত কোনো ব্যক্তিকে হজযাত্রী হিসেবে হজে নেওয়া যাবে না। যদি কোনো এজেন্সি এ ধরনের উদ্যোগ নেয় তাহলে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই লাইসেন্স বাতিলসহ অন্যান্য আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালিকা প্রকাশের পর কোন হজ এজেন্সির তথ্য ভুল বা অসত্য প্রমাণিত হলে এবং কোন অভিযোগ পাওয়া গেলে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কোন কারণ দর্শানো ছাড়া সংশ্লিষ্ট এজেন্সির নাম তালিকা থেকে বাতিলের অধিকার সংরক্ষণ করে বলেও তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, যেসব এজেন্সির লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে এবং এ পর্যন্ত হালনাগাদ কাগজপত্রাদি মন্ত্রণালয়ে দাখিল করেনি, বিভিন্ন অভিযোগে শাস্তি/জরিমানা প্রাপ্ত, সৌদি আরবে কালো তালিকাভুক্ত এবং অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে সেই সব এজেন্সির নাম তালিকায় প্রকাশ করা হয়নি।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে চলতি বছরের ২৭ জুন (৯ জিলহ্জ) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। সৌদি আরবের সঙ্গে হজচুক্তি অনুযায়ী, এবার বাংলাদেশ থেকে এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ করতে পারবেন। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৫ হাজার জন ও অবশিষ্ট এক লাখ ১২ হাজার ১৯৮ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ করার সুযোগ পাবেন।

এবার সরকারিভাবে হজ পালনে খরচ হবে ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৮ টাকা এবং বেসরকারিভাবে এজেন্সির মাধ্যমে হজ পালনে সর্বনিম্ন খরচ ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৭২ হাজার ৬১৮ টাকা। ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে হজযাত্রীদের নিবন্ধন শুরু হবে।


হজ প্যাকেজ   হজ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পার্বতীনগর ইউনিয়নে চলছে পরিষদ কার্যক্রম

প্রকাশ: ০৭:৩৩ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

বছর না পেরুতেই নানা অনিয়ম আর দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অহিদুর রহমান। এতে নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত হন ওই ইউনিয়নের বাসিন্দারা। এসব অভিযোগ আমলে নিয়ে শুরু হয় তদন্ত। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বরখাস্ত হন চেয়ারম্যান অহিদুর রহমান। স্থানীয় বাসিন্দা ও ইউপি সদস্যরা একত্রিত হয়ে প্যানেল চেয়ারম্যান মাইন উদ্দিন ময়ূরকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিতে জোর দাবি জানান। ইউপি সদস্যদের মতামত দেখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান হোসেন প্যানেল চেয়ারম্যান মাইন উদ্দিন ময়ূরকে দায়িত্ব দেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে।

তবে বরখাস্তকৃত অহিদ চেয়ারম্যানের প্রেতাত্মা ভর করে ওই ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো: কামরুজ্জামানের উপর। নিজেকে প্যানেল ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পরিচয় দিয়ে চালান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ নানা প্রচার প্রচারণা। এতে ক্ষিপ্ত হয় স্থানীয় এলাকাবাসীসহ জনপ্রতিনিধিরাও। বৃহস্পতিবার স্থানীয়দের তোপের মুখেও পড়েন এই জনপ্রতিনিধি।

এদিকে ইউপি সদস্য মো: কামরনুজ্জামান বলেন, বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যান অহিদুর রহমানের আমলে প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে মাইন উদ্দিন ময়ূর নির্বাচিত হলেও সেখানে চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর ছিলো না।

লক্ষ্মীপুরের পাবর্তীনগর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাইন উদ্দিন ময়ূর বলেন, ইউএনও তাকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দিয়েছেন। জনগণকে সাথে নিয়ে ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মতামতের ভিত্তিতে একটি সুন্দর পরিষদ গঠন করতে চান তিনি।

তবে অনেকদিনের জটিলতার অবসান হওয়ায় প্রতিদিনই সেবা গ্রহীতারা ইউনিয়ন পরিষদে সেবা পেতে ভিড় করছেন। নাগরিক সেবায় ভোগান্তি কমায় ও তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করছেন অনেকেই।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

তথ্যমন্ত্রীর পিতার মৃত্যুবার্ষিকী, ঢাকা ও চট্টগ্রামে দোয়া অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ০৭:২৯ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail তথ্যমন্ত্রীর পিতার মৃত্যুবার্ষিকী, ঢাকা ও চট্টগ্রামে দোয়া অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, চট্টগ্রাম বার এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ও বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলার পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আলহাজ্ব এডভোকেট নুরুচ্ছফা তালুকদারের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বাদ আছর ঢাকায় তার জ্যেষ্ঠপুত্র তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের মিন্টো রোডের বাসভবনে কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। 

পাশাপাশি একই সময়ে মরহুমের শহর চট্টগ্রামের মৌসুমী এলাকার আলিফ মিম জামে মসজিদ, চট্টগ্রাম কোর্ট বিল্ডিং জামে মসজিদ এবং রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় মরহুমের গ্রামের বাড়ি ও গোচরা চৌমুহনী জামে মসজিদে কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল হয়। 


পরিবারের সদস্যদের সাথে এডভোকেট নুরুচ্ছফা তালুকদার স্মৃতি সংসদ' ও 'চট্টগ্রামস্থ রাঙ্গুনিয়া সমিতি'র সদস্যরা দোয়ায় অংশ নেন এবং মরহুমের আত্মার শান্তি ও তার সততা ও দেশপ্রেমের আদর্শ সকলের মধ্যে সঞ্চারের জন্য প্রার্থনা করেন।

আইনপেশায় একনিষ্ঠতা পাশাপাশি সমাজসেবার মানসে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার সুখবিলাস উচ্চ বিদ্যালয়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাকারী ও শিক্ষক হিসেবে নুরুচ্ছফা তালুকদার তার সমাজ ও কর্মক্ষেত্রে সর্বজনশ্রদ্ধেয় হয়ে রয়েছেন।      


তথ্যমন্ত্রী   পিতা   মৃত্যুবার্ষিকী   ঢাকা   চট্টগ্রাম   দোয়া  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ফুটপাত দখল: নার্সারি ব্যবসায়ীকে ১৫ দিনের জেল

প্রকাশ: ০৭:২০ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail ফুটপাত দখল: নার্সারি ব্যবসায়ীকে ১৫ দিনের জেল।

ফুটপাত দখল করে জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল সংলগ্ন এলাকার এক নার্সারি ব্যবসায়ীকে ১৫ দিনের জেল দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ঢাদসিক)।

বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে করপোরেশনের অঞ্চল-১ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মেরীনা নাজনীন এই দণ্ডাদেশ প্রদান করে আসামিকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। সরকারি কর্মচারী কর্তৃক যথাযথভাবে জারিকৃত আদেশ অমান্য করায় দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ১৮৮ নম্বর ধারায় আসামিকে এই দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। 

দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামির নাম নূরুল হাওলাদার। দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামিরল বরিশাল জেলার সদর উপজেলার সাহেবের হাট এলাকার ফয়জুদ্দিন হাওলাদারের ছেলে।

অভিযানে খবরে এ সময় সেখানকার অন্যান্য ব্যবসায়ীরা দোকান রেখে সটকে পড়ে। পরে সেখান থেকে ১ ট্রাক গাছের চারা এবং চেয়ার, টেবিল ও মাটি সরানো হয়। 

অভিযান প্রসঙ্গে অঞ্চল-১ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মেরীনা নাজনীন বলেন, "অমর একুশে বইমেলা আমাদের প্রাণের মেলা। এই মেলা আমাদের মননশীলতার এক উর্বর ক্ষেত্র। মেলায় আসা বইপ্রেমী মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে আজ আমরা কার্জন হল সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেছি। অভিযানে ফুটপাত দখল করে জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করায় এক ব্যক্তিকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।" 

 মেরীনা নাজনীন আরও বলেন, "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল সংলগ্ন এলাকাটি অত্যন্ত ব্যস্ততম। সেখানকার ফুটপাতে যাতে নার্সারি বসিয়ে জনগণের চলাফেরায় বিঘ্ন সৃষ্টি না করা হয়, সেজন্য তাদেরকে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছে। তারা সতর্কবার্তায় গুরুত্ব দেননি। তাই আমরা অভিযান পরিচালনায় অনেকটা বাধ্য হয়েছি।"

অভিযানকালে করপোরেশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারী ছাড়াও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর নারগিস মাহতাব ও শিরিন গাফফার উপস্থিত ছিলেন।


ফুটপাত দখল   নার্সারি ব্যবসায়ী   জেল   ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন