ইনসাইড বাংলাদেশ

কাল কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধনের অপেক্ষায় ২৮ প্রকল্প

প্রকাশ: ১০:০২ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল বুধবার (৭ ডিসেম্বর) কক্সবাজার আসছেন। এদিন উখিয়ার ইনানীতে আন্তর্জাতিক নৌমহড়া পরিদর্শন শেষে তিনি ২৮টি প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। পাশাপাশি ৫টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

বুধবার বেলা ৩ টায় শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন সরকার প্রধান ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা। জনসভায় ভাষণ দেওয়ার পূর্বে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে কক্সবাজারের ২৮টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৫টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। 

এ জনসভায় ৫ লাখ লোকের সমাগমে জনসভাকে জনসমুদ্রে পরিণত করতে প্রস্তুতি নিয়েছে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ। প্রধানমন্ত্রী ইতিপূর্বে ২০১৭ সালের ৬ মে একই স্থানে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ প্রদান করেছিলেন।

এর পূর্বে সকালে কক্সবাজার মেরিনড্রাইভ সড়কের ইনানী সৈকত এলাকায় অনুষ্ঠিতব্য তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক নৌ-শক্তি প্রদর্শন মহড়ার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যেখানে বিশ্বের ২৮টি দেশের ৪৩টি যুদ্ধ জাহাজ অংশ নিবে।

কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, শেখ কামাল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় ৫ লাখ লোকের সমাগমে জনসভাকে জনসমুদ্রে পরিণত করতে প্রস্তুতি নিয়েছে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ। কক্সবাজারে ইতিমধ্যে তিনটি বড় মেগাপ্রকল্পসহ ৭৭ টি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। যেখানে ব্যয় হবে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ কোটি টাকা। তারমধ্যে মহেশখালীর মাতারবাড়ী কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্প, দোহাজারী রামু হয়ে কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্প ও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উন্নয়ন কাজ অন্যতম।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী ২৮টি প্রকল্প উদ্বোধন ও ৫টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে প্রশাসনিকভাবে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে সকল প্রকার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

কক্সবাজার   প্রধানমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রেলের ২৮১৭ একর জমি বেদখল: রেলমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯:০৪ পিএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন সংসদে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের মোট জমির পরিমাণ ৫৮ হাজার ৪৬৯ দশমিক ৯১৪৯ একর। রেলের এসব জমির মধ্যে লিজ দেওয়া আছে ১৫ হাজার ৮৯ দশমিক ২২১৩ একর। এছাড়া রেলের বেদখলকৃত জমির পরিমাণ ২ হাজার ৮১৭ দশমিক ১২৩ একর। 

রোববার (২৯ জানুয়ারি) স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের ২১তম অধিবেশনে সরকারি দলের এমপি হাবিব হাসানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান। 

বেদখলকৃত এসব জমিতে দোকান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বস্তি, ঘরবাড়ি, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির, বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান এবং ক্লাব ইত্যাদি রয়েছে।

সংসদে দেওয়া রেলপথ মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ রেলওয়ের মোট জমির পরিমাণ ৫৮ হাজার ৪৬৯ দশমিক ৯১৪৯ একর বা ২৩ হাজার ৬৭১ দশমিক ৮৩৫ হেক্টর। রেলের মোট জমির মধ্যে লিজ দেওয়া আছে ১৫ হাজার ৮৯ দশমিক ২২১৩ একর বা ৬ হাজার ১০৮ দশমিক ৯৭৪ হেক্টর। আর বেদখলকৃত জমির পরিমাণ ২ হাজার ৮১৭ দশমিক ১২৩ একর বা ১ হাজার ১৪০ দশমিক ৫৩ হেক্টর।বেদখলকৃত রেলভূমির মধ্যে পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় রয়েছে ৯৬ দশমিক ৪৩২ হেক্টর এবং পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় রয়েছে ১ হাজার ৪৪ দশমিক ১০৩ হেক্টর। 

পরে রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন জানান, নিয়মিত রেলভূমি অবৈধ দখলমুক্ত করার জন্য উচ্ছেদ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়। 

ঢাকা হয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন চালুর সম্ভাব্যতা সমীক্ষা হচ্ছে: একই এমপির অপর এক প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকা হয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন (ওভারহেড ক্যাটেনারী ও সাব স্টেশন নির্মাণসহ) চালুর জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিকল্পনা কমিশন ২০২১ সালের ১২ অক্টোবর অনুমোদিত হয়েছে। পরামর্শক নিয়োগের কাজ চলছে।

এমপি আবদুল মান্নানের অপর এক প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে ৪৩টি জেলায় রেলপথ রয়েছে। আগামী ৩০ বছর মেয়াদী রেলওয়ের মাস্টার প্লান (২০১৬-২০৪৫) বাস্তবায়ন হলে সব জেলা রেল নেটওয়ার্কে আসবে।

রেলমন্ত্রী   নূরুল ইসলাম সুজন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

এনার্জি কমিশন বিলের বিরোধিতা করে সংসদ থেকে মোকাব্বিরের ওয়াক আউট

প্রকাশ: ০৭:০৮ পিএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

‘বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০২৩’ বিলকে জনস্বার্থ বিরোধী আখ্যায়িত করে জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াক আউট করেছেন গণফোরামের সংসদ সদস্য মুকাব্বির খান। এই বিল পাস হলে আবারও বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

রোববার (২৯ জানুয়ারি) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) বিল, ২০২৩ পাসের জন্য সংসদে উপস্থাপন করা হলে মোকাব্বির খান ওয়াকআউটের ঘোষণা দেন। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সংসদে সভাপতিত্ব করেন।

এর আগে, মোকাব্বির খান বিলটি জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করেন। এর পক্ষে তিনি বক্তব্য রাখেন এবং বক্তব্যে বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের রক্ষার জন্য ইনডেমিনিটি (দায় মুক্তি) দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।
এরপর মোকাব্বির খান বলেন, যেহেতু বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতমিন্ত্রী বিলটি প্রত্যাহার করেননি, তাই আমি জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিলাম, আমি ওয়াকআউট করলাম।

গণফোরাম   মুকাব্বির খান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রংপুরের শীতার্ত মানুষের পাশে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ নেতৃবৃন্দ

প্রকাশ: ০৬:০১ পিএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

রংপুরের বাবুপাড়া এলাকার শতাধিক  শীতার্ত মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। 

রোববার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে নগরীর রংপুর বিএম কলেজ প্রাঙ্গনে এসব শীতবস্ত্র বিতরণ করেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান বিশিষ্ট সাংবাদিক সুশান্ত ভৌমিক।  



দেশের শীর্ষ শিল্প প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় ও সামাজিক সংগঠন পরিপ্রেক্ষিত এর সহযোগিতায এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের আয়োজনে এসব শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। শীতবস্ত্র বিতরণকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ রংপুর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান মিজান,  রংপুর মহানগর কমিটির সাধারন সম্পাদক মোঃ কামাল হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ মহিদুল ইসলাম প্রমুখ। 

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ডের ভাইস চেয়ারম্যান সুশান্ত ভৌমিক জানান,প্রথম পর্য্যায়ে রোববার শতাধিক শীতার্ত মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।  এরপর পর্যায়ক্রমে আরও শীতার্ত মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে। আমরা ধনাঢ্য ব্যক্তিদের সহযোগিতা নিয়ে রংপুরের হতদরিদ্র ও শীতার্ত মানুষের পাশে দাড়াতে চাই। সকলকে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান সংগঠনের ভাইস চেয়ারম্যান সুশান্ত ভৌমিক।  

রংপুর   শীতার্ত মানুষ   মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ   পরিপ্রেক্ষিত   বসুন্ধরা গ্রুপ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বছরের শুরু থেকেই রাজধানীর বায়ু ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’

প্রকাশ: ০৫:৫৫ পিএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail রাজধানীর বায়ু ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’। ফাইল ছবি

২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসের ২৯ দিন চলে গেলো। ক্যালেন্ডারের পাতায় এ মাস শেষ হতে আর বাকি ২ দিন। চলতি বছরের প্রথম মাসে এখন পর্যন্ত একদিনও বিশুদ্ধ বাতাসে নিঃশ্বাস নিতে পারেননি ঢাকাবাসী। প্রতিদিনই ধুলোয় আচ্ছন্ন বিষে ভরা বাতাস নাকে ঢুকছে নগরবাসীর। এতে শিশু থেকে বৃদ্ধ, নারী-পুরুষের স্বাস্থ্যগত সমস্যাও বাড়ছে। 

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুদূষণ পরিমাপকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স-এর (এআইকিউ) হিসাবমতে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রায় প্রতিদিন বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। রোববার (২৯ জানুয়ারি) বিকেল পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহর ছিল রাজধানী ঢাকা।

এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) বলছে, রেবাবার বিকেল পর্যন্ত ঢাকায় বাতাসের মান ছিল ২১৩, যা ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। মূলত গত ৩০ ডিসেম্বরের পর থেকেই শহরটির বাতাস অস্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠেছে। এর মধ্যে গত ২৬ জানুয়ারি রাজধানী ঢাকার বাতাসে ছিল সবচেয়ে বেশি দূষণ। সেদিন এ অঞ্চলের বাতাসে পিএম ২.৫-এর মাত্রা ছিল ২৬৩ দশমিক ১ এবং বাতাসের মান ছিল ৩১৩।

এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) সূচক অনুসারে, বায়ুদূষণের মাত্রা ০ থেকে ৫০ পিএম২.৫ হলে সেটি ভালো, ৫১ থেকে ১০০ হলে তা সহনীয়, ১০১ থেকে ১৫০ বিশেষ শ্রেণির জন্য অস্বাস্থ্যকর, ১৫১ থেকে ২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর, ২০১ থেকে ৩০০ খুবই অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০০-এর বেশি হলে তা মানবস্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক বলে বিবেচিত হয়।

একিউআই এক পূর্বাভাস বলছে, আগামী ছয়দিনও ঢাকায় বাতাসের মানে কোনো উন্নতির সম্ভাবনা নেই। অর্থাৎ আগামী সপ্তাহেও এ শহরের বায়ু থাকবে অস্বাস্থ্যকর।

গত বছরের নভেম্বরে বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, দেশে উচ্চমাত্রার বায়ুদূষণের কারণে প্রতি বছর মারা যাচ্ছেন প্রায় ৮০ হাজার মানুষ। একই সঙ্গে মোট দেশজ উৎপাদন-জিডিপির ক্ষতি হচ্ছে ৩ দশমিক ৯ থেকে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ। বায়ুদূষণে উল্লেযোগ্যভাবে বাড়ছে শ্বাসকষ্ট, কাশি, নিম্ন শ্বাসনালীর সংক্রমণ এবং বিষণ্নতার ঝুঁকি। অন্যান্য স্বাস্থ্যগত হুমকি বাড়ার কারণে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু, বয়স্ক এবং সহজাত রোগে আক্রান্তরা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছেন। এদের মধ্যে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ বা শ্বাসযন্ত্রের রোগে আক্রান্তরা অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, ঢাকা শহরে বড় নির্মাণ এবং ক্রমাগত যানবাহন চলাচলের এলাকায় বায়ুদূষণের মাত্রা সবচেয়ে বেশি। ঢাকায় বায়ুদূষণ এয়ার কোয়ালিটি নির্দেশিকা থেকে গড়ে ১৫০ শতাংশ বেশি। বায়ুদূষণের দিক থেকে পরের অবস্থানে বৃহত্তর ঢাকার ইটভাটার পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলো। সেখানে সহনীয় মাত্রার চেয়ে ১৩৬ শতাংশ বেশি বাযুদূষণ হচ্ছে।

ওয়ার্ল্ড এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স প্রজেক্টের (একিউআইসিএন) তথ্যমতে, প্রধানত নভেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত ঢাকায় বায়ুদূষণ বেশি হয়ে থাকে। বছরের বাকি সাত মাস শহরটির বায়ু তুলনামূলক নিরাপদ।

চার্টের তথ্য হিসাব করে দেখা যায়, ২০২০ সালের নভেম্বরে ঢাকায় দৈনিক বায়ুদূষণের মাত্রা ছিল গড়ে ১৬৩ দশমিক ২২ পিএম২.৫। পরের মাসে তা আরও বেড়ে দাঁড়ায় ২৩১ দশমিক ৬৭। ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে রাজধানীতে বায়ুদূষণের মাত্রা ছিল আগের কয়েক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। ওই মাসে দৈনিক গড় বায়ুদূষণ দাঁড়িয়েছিল ২৬১ দশমিক ৫৪ পিএম২.৫। ওই বছরের ফেব্রুয়ারিতে দূষণের পরিমাণ ছিল ২৩৯ দশমিক ৬৪ এবং মার্চে ২১১ দশমিক ৪১। সেই তুলনায় পরের মাসগুলোতে ঢাকার বায়ু তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর দেখা যায় এবং এই দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি ঘটছে প্রতি বছরই।

নভেম্বর থেকে মার্চ এই পাঁচ মাস বায়ুদূষণের মাত্রা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ড. তৌহিদা রশিদ জানান, এই সময়টা শুষ্ক মৌসুম, তখন বৃষ্টি হয় না। তাই দূষণের মাত্রা বেশি থাকবে, এটিই স্বাভাবিক। বৃষ্টির সঙ্গে দূষিত কণাগুলো ভূপৃষ্ঠে এসে জমা হয়। যখন বৃষ্টি হয় না, সেগুলো বাতাসে ভেসে বেড়ায়। শীতের সময় যে পারিপার্শ্বিক অবস্থা হয়, সেখানে বিভিন্ন পদার্থের পরিমাণ বেড়ে যায়। এ কারণে বায়ুদূষণের মাত্রাও বেড়ে যায়।


রাজধানী   বায়ু   খুব অস্বাস্থ্যকর   জানুয়ারি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

দায়িত্ব নিলেন বিজিবির নতুন মহাপরিচালক নাজমুল হাসান

প্রকাশ: ০৫:১৩ পিএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail বিজিবির নতুন মহাপরিচালক নাজমুল হাসান। ফাইল ছবি

বিজিবির নতুন মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছে মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসান। রোববার (২৯ জানুয়ারি) বিজিবি সদরদপ্তরে তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

দায়িত্ব নেওয়ার পর তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ইউনিট প্রধানরা।

গত ১৭ জানুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বিজিবির নতুন মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসানকে। এ জন্য তার চাকরিও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়। 

মেজর জেনারেল একেএম নাজমুল হাসান বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। 

বিজিবি মহাপরিচালক   নাজমুল হাসান  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন