ইনসাইড বাংলাদেশ

প্রথম রোজায় নিম্ন আয়ের মানুষের সাথে ইফতার করলেন মেয়র আতিক

প্রকাশ: ০৮:৫৪ পিএম, ২৪ মার্চ, ২০২৩


Thumbnail প্রথম রোজায় নিম্ন আয়ের মানুষের সাথে ইফতার করলেন মেয়র আতিক।

ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলামের উদ্যোগে মাহে রমজানে মাসব্যাপী নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ইফতারের আয়োজন করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)। গুলশানস্থ নগরের ভবনের সম্মুখস্থলে এই আয়োজন করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ মার্চ) প্রথম রোজায় এই ইফতার আয়োজনে নিম্ন আয়ের মানুষের সঙ্গে ইফতার করেন ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। ইফতারের কিচ্ছুক্ষণ পূর্বে মেয়র আতিকুল ইসলাম উপস্থিত সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের সাথে বসে গল্প করেন। এসময় শিশুরাও মেয়রের সাথে গল্পে আনন্দে মেতে উঠেন। 

মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘সীমিত আয়ের মানুষের কথা চিন্তা করেই এই উদ্যোগ নিয়েছি। এখানে পুরো রমজান মাসব্যাপী ইফতারের ব্যবস্থা থাকবে। তবে শুধু নিম্ন আয়ের মানুষই নয় সবার জন্যই এটি উন্মুক্ত। যে কেউ এসে এখানে ইফতার করতে পারবেন।’

মেয়র আরও বলেন, ‘আজকে প্রথম রোজায় হয়তো নিজের পরিবারের সাথে ইফতার করলে ভালো লাগতো। কিন্তু এখানে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার, সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের সাথে ইফতার করতে এসে আরও বেশি ভালো লাগছে। এটি তাদের মুখে হাসি ফুটানোর একটি ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। এটি অত্যন্ত আনন্দের, ভালো লাগার। রমজান মাসে সবার প্রতি অনুরোধ থাকবে আসুন প্রতিষ্ঠান কিংবা ব্যক্তিগত যেভাবেই হোক, সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াই।’

এ সময় অন্যান্যের সাথে ১৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. মফিজুর রহমান, ১৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. ইসহাক মিয়া, সংরক্ষিত আসনের নারী কাউন্সিলর আমেনা বেগম এবং অঞ্চল-৩ এর  আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল বাকী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।   


প্রথম রোজা   নিম্ন আয়   মানুষ   ইফতার   মেয়র আতিক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মার্কিন ভিসানীতি: প্রশাসনে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে

প্রকাশ: ০৬:০০ পিএম, ৩০ মে, ২০২৩


Thumbnail

মার্কিন ভিসানীতির প্রভাব প্রশাসনের পড়তে শুরু করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার নতুন ভিসানীতিতে বলেছে, যে সমস্ত ব্যক্তি নির্বাচনে বাধা দেবে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে এবং সুষ্ঠু ভোটগ্রহণকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইবে তাদেরকে মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যাক্টের ২১২ ধারা অনুযায়ী ভিসা দেয়া হবে না। শুধু তাই নয়, তাদের স্ত্রী এবং পুত্রদেরও ভিসা প্রদানের নিষেধাজ্ঞা দেয়া হতে পারে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখেই এই ভিসানীতি ঘোষণা করেছে। গত ২৪ মে আনুষ্ঠানিকভাবে ভিসানীতি ঘোষণা করা হয়। যদিও এ ভিসানীতি গৃহীত হয়েছে ৩ মে। ওই সময়ই তারা সরকারকে এটা জানিয়েছে বলেও নতুন ভিসানীতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। মার্কিন এই ভিসা নীতির প্রভাব কী হবে তা নিয়ে বিভিন্ন মহল আলোচনা করছে। তবে সকলেই একটি ব্যাপারে একমত। প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিরা এই ভিসানীতির ফলে প্রভাবিত হতে পারেন এবং তারা একটি নিরপেক্ষ অবস্থানে চলে যেতে পারেন। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারা সরকারকে জেতানো বা নির্বাচনকে পক্ষপাত করার মতো কোনো কার্যক্রম করবেন না বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা। এটি নতুন ভিসানীতির একটি অন্যতম লক্ষ্য। এর ফলে নির্বাচনের আগে প্রশাসনকে নিরপেক্ষ অবস্থানে নিয়ে আসার একটি চেষ্টা করা হয়েছে বলেই রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন। আর ইতিমধ্যেই এর প্রভাবে প্রশাসনের উপর পরতে শুরু করেছে।

প্রশাসনে কিছুদিন আগেও যারা অতি আওয়ামী লীগার ছিলেন, আওয়ামী লীগকে কিভাবে নির্বাচনে জয়ী করা যায়, কিভাবে আওয়ামী লীগ সহজেই চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায় আসবে ইত্যাদি বিষয় নিয়ে যারা নানারকম পরামর্শ দিতেন এবং মতামত দিতেন, তারা এখন অনেকটাই চুপচাপ হয়ে গেছেন। প্রশাসনের মধ্যে যারা দায়িত্বপ্রাপ্ত তাদের মধ্যে এক ধরনের নিরপেক্ষতার আবহাওয়া দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে সর্বোচ্চ প্রশাসনে যারা আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর প্রভাবশালী হয়ে উঠেছেন, তারা এখন খোল পাল্টাতে শুরু করছেন। তারা বরং নিজেদের নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন।

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে বর্তমানে যারা সচিব রয়েছে তাদের অর্ধেকেরই পুত্র বা নিকটাত্মীয়রা বিদেশে লেখাপড়া করেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-কানাডায় এদের নানারকম সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। আর এই কারনেই নতুন ভিসানীতি তাদেরকে আতঙ্কিত করেছে। আগে যারা নিজেদেরকে আওয়ামী লীগ হিসেবে প্রমাণের জন্য ব্যস্ত থাকতেন, তারা এখন নিজেদের নিরপেক্ষ প্রমাণ করতে চাইছেন। সরকারের অনেক স্পর্শকাতর বিষয় তারা এড়িয়ে যাচ্ছেন এমন খবরও পাওয়া যাচ্ছে।

তবে এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে নতুন ভিসানীতির প্রভাব দেখা যায়নি। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীরও অনেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তবে তাদের ভূমিকায় এখন পর্যন্ত নতুন ভিসারনীতির প্রভাব পড়েনি। তবে নির্বাচনের সময় এই ভিসানীতির ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কেউ কেউ যে নিরপেক্ষ হয়ে যাবেন তা সহজেই ধারণা করা যায়। এর ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে উদ্দেশ্যে এই ভিসা নীতি প্রয়োগ করেছিল সেই উদ্দেশ্য কিছুটা হলেও সফল হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 



মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

কোনো পক্ষপাতমূলক নির্বাচন হবে না: খুলনায় সিইসি

প্রকাশ: ০৫:৪৯ পিএম, ৩০ মে, ২০২৩


Thumbnail প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, ‘খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা হবে। সবার সমান সুযোগ থাকবে। নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে। কোনো পক্ষপাতমূলক নির্বাচন হবে না। কোনো ভোটারকে বাধা প্রদান করা যাবে না। কোনোভাবে ভোটারদের অধিকার খর্ব করা যাবে না। সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং করা হবে।’

মঙ্গলবার (৩০ মে দুপুরে) খুলনা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল।

সিইসি বলেন, ‘নির্বাচনে সবাই নির্বাচিত হন না। কেউ নির্বাচিত, কেউ পরাজিত হবেন। পরাজয় মেনে নিতে হবে। গাজীপুরে সুন্দর, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে। আমাদের দেশে প্রত্যাশিত মাত্রায় নির্বাচনী সংস্কৃতি গড়ে ওঠেনি। তবে নির্বাচন সংস্কৃতির উন্নয়ন হয়েছে। গাজীপুরে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী পরাজয় মেনে নিয়েছেন, অভিনন্দন জানিয়েছেন। এটা একটি ভালো সংস্কৃতি।’

প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আচরণবিধি মেনে চলুন। আচরণবিধি প্রতিপালনের দায়িত্ব আপনার। আচরণবিধি ভাঙলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচন ভোটারের অধিকার বঞ্চিত করবেন না। ভোটাররা কেন্দ্রে আসবে, তাদের ভোট প্রয়োগ করতে দিতে হবে। তারা নির্ভয়ে তাদের ভোট দেবেন; কাকে ভোট দেবেন সেটা তাদের ব্যাপার। আমাদের দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে ভোটারদের ভোট প্রয়োগের সুযোগ করে দেওয়া। ভোটের দিন সক্রিয় হবেন। প্রতিটা বুথে এজেন্ট নিয়োগ দেবেন।’

ইভিএম সম্পর্কে প্রার্থীদের নানা প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা ইভিএমে ভোট করছি। ইভিএমের ফলাফল পরিবর্তনের ন্যূনতম কোনো সুযোগ নেই। ইভিএম মেশিনে ফলাফল পরিবর্তন সম্ভব না। এমন হলে গাজীপুর ও কুমিল্লায় আমাদের কাছে অভিযোগ আসতো, আদালতে যেত। কেউ তো আদালতে যায়নি। গাজীপুরে একজন ভোটারও ভোট না দিয়ে ফিরে যাননি। এই নির্বাচনে প্রশাসনের আন্তরিকতা ও সহযোগিতা পেয়েছি।’

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আহসান হাবিব খান (অব.) ও নির্বাচন কমিশন সচিব মো. জাহাংগীর আলম। সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. জিল্লুর রহমান চৌধুরী।

সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন, রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মাসুদুর রহমান ভূঁঞা, খুলনা রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি মো. মইনুল হক, খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মো. মাহবুব হাসানসহ ১০ জন সরকারি রিটার্নিং অফিসার।

মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক, জাতীয় পার্টি মনোনীত মেয়র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মধু, ইসলামী আন্দোলন মনোনীত মেয়র প্রার্থী মো. আব্দুল আউয়াল, জাকের পার্টি মনোনীত মেয়র প্রার্থী এস এম সাব্বির আহমেদ ও স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী এস এম শফিকুর রহমান। 


প্রধান   নির্বাচন কমিশনার   কাজী হাবিবুল আউয়াল   খুলনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

‘বন্ধু’ ট্রান্সজেন্ডার জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে অসাধারণ কাজ করে যাচ্ছে: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৫:৩২ পিএম, ৩০ মে, ২০২৩


Thumbnail সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি।

সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, ‘বন্ধু সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি (বন্ধু) সমাজের বঞ্চিত, নিপীড়িত, নির্যাতিত ট্রান্সজেন্ডার বা হিজড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে অসাধারণ কাজ করে যাচ্ছে। যারই অংশ হিসাবে মানবিক এ সংগঠনটি ইউএস-এইডের অর্থায়নে ‘সমতা’ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করেছে যেটির আজ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হলো। এ মহতী উদ্যোগের অংশীদার হতে পেরে আমি আনন্দিত। সেজন্য বন্ধু’কে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।’

মঙ্গলবার (৩০ মে) সকালে রাজধানীর গুলশানস্থ হোটেল আমারি’তে বন্ধু সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি আয়োজিত ইউএসএইড এর অর্থায়নে সংগঠনটির সমতা বা ইক্যুয়ালিটি প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথি বলেন, ‘আমার নির্বাচনী এলাকা মুক্তাগাছার ট্রান্সজেন্ডার জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করতে চাই। কিন্তু সমস্যা হলো তারা একত্রিত বা সংগঠিত হতে চায় না। এ বিষয়ে বন্ধু’র সহযোগিতা কামনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তাগাছাকে ট্রান্সজেন্ডার জনগোষ্ঠীর জন্য একটি মডেল উপজেলা হিসাবে গড়ে তুলতে চাই।’ 

তিনি বলেন, ‘তাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে চাই যেখানে বন্ধু চাইলে অর্থায়ন করতে পারে অথবা আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে অর্থায়নের ব্যবস্থা করবো।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন ইউএস-এইড মিশন বাংলাদেশ এর পরিচালক ক্যাথরিন ডি. স্টিভেন্স (Kathryn D. Stevens)। সম্মানিত অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ এর সম্মানিত ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ও ইউএন-এইডস এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. সায়মা খান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বন্ধু সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’র নির্বাহী পরিচালক সালেহ আহমেদ। সমাপনী বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পপুলেশন কাউন্সিলের সাবেক কান্ট্রি ডিরেক্টর ও বন্ধু’র টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্য ড. ওবায়দুর রব। 

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ট্রান্সজেন্ডার অ্যাক্টিভিস্ট শোভা সরকার ও মাহমুদা আক্তার মনীষা। ‘সমতা’ প্রজেক্ট সম্পর্কে অডিও-ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা করেন প্রজেক্টের টিম লিডার একেএম মাহবুবুল ইসলাম। 

অনুষ্ঠানের শুরুতে লিঙ্গ বৈচিত্র্যময় কমিউনিটির নৃত্যদল ‘এসেন্স অব সোল’ মনোমুগ্ধকর ও হৃদয়গ্রাহী নৃত্য পরিবেশন করে। 



সংস্কৃতি   প্রতিমন্ত্রী   কে এম খালিদ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সরকারের লক্ষ্য স্মার্ট বাংলাদেশ ও মানবিক রাষ্ট্র: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৫:০৯ পিএম, ৩০ মে, ২০২৩


Thumbnail আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ ও মানবিক রাষ্ট্র গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে।’

মঙ্গলবার (৩০ মে) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং এ- টেকনোলজি অনুষদের ডিন এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু গ্রন্থিত ‘স্বপ্নের স্মার্ট বাংলাদেশ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’ বইয়ের প্রকাশনা উৎসবে অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। ৩৯২ পৃষ্ঠার এ বইটির ২৩টি অধ্যায়ে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার বিভিন্ন দিক বিধৃত হয়েছে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন,‘প্রথমত তিনটি শিল্প বিপ্লব থেকে আমরা বহু বছর পিছিয়ে ছিলাম কিন্তু প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এবং প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ধারণা থেকে আমরা চতুর্থ শিল্প বিপ্লব অর্থাৎ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, রবোটিক্স, আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স এগুলোর সাথে অত্যন্ত ঠিক সময়ে বাংলাদেশকে সম্পৃক্ত করতে সক্ষম হয়েছি এবং ঠিক এ জন্যই আমরা ২০০৮ সালে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ শ্লোগান দিয়েছিলাম, মানুষের সামনে উপস্থাপন করেছিলাম।’

ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সুবিধার উদাহরণ তুলে ধরে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘২০২০ সালে করোনা মহামারি দেখা দেওয়ার পর যখন সমগ্র পৃথিবীর জনজীবন থমকে গিয়েছিলো, অর্থনৈতিক কর্মকান্ড স্থবির হয়ে গিয়েছিলো, তখন বাংলাদেশ থমকে যায়নি, সরকার পরিচালনা থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীদের পাঠদানসহ সবকিছু চালু ছিলো।’ 

তিনি বলেন, ‘সেই কারণে ২০২০-২১ অর্থবছরে বিশ্বের ধ্বনাত্মক জিডিপি অর্জনকারী মাত্র ২০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ তৃতীয়। সেই অর্থবছরেই আমরা মাথাপিছু আয়ে ভারতকে ছাড়িয়েছি। নিক্কি ইনস্টিটিউট এবং ব্লুমবার্গের যৌথ জরিপে করোনা মহামারি মোকাবিলার ক্ষেত্রেও বিশ্বে আমরা পঞ্চম, উপমহাদেশে প্রথম। ডিজিটাল বাংলাদেশ রচনা এবং প্রত্যন্ত জনপদের মানুষের কাছেও ইন্টারনেট সুবিধা পৌঁছার ফলেই এগুলো সম্ভবপর হয়েছে।’ 

হাছান মাহমুদ এ সময় গ্রন্থকারকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘সরকার পরিচালনায় ডিজিটাল প্রযুক্তি সর্বোতভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। সেই প্রেক্ষাপটে আমরা আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে যে নতুন ধারণা মানুষের সামনে উপস্থাপন করতে চাই সেটি হচ্ছে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে স্মার্ট নাগরিক, স্মার্ট সমাজ, স্মার্ট সরকার এবং স্মার্ট ব্যবসা দরকার। সেই চারটি মূল প্রতিপাদ্য বিষয়ের ওপর গ্রন্থটির রচয়িতা অধ্যাপক ড. হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবুকে ধন্যবাদ জানাই।’ 

একই সাথে মন্ত্রী তার বক্তৃতায় নিজেকে একজন নাগরিক হিসেবে তুলে ধরে বলেন, ‘বিশ্বায়নের এই যুগে মানুষ নিজের জন্য, খ্যাতির জন্য, বিত্তের জন্য ছুটছে, কোনো ফুরসত নাই। এতে করে মানুষের মানবিকতা, মনুষ্যত্ব, মমত্ববোধ যেন হারিয়ে না যায়, সে দিকেও নজর রাখতে হবে। মানুষের গুণ হারিয়ে যাচ্ছে। দেশ, সমাজ রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের পারিবারিক, সামাজিক মূল্যবোধগুলো যেন টিকে থাকে এবং আরো সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়ায় সে বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া একান্ত প্রয়োজন।’

গ্রন্থকার ড. হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবুর সভাপতিত্বে একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্যসচিব কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম মাকসুদ কামাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভুঁইয়া এবং জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন।  


আওয়ামী লীগ   যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক   ড. হাছান মাহমুদ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মধ্যপাড়া পাথর খনির শ্রমিকদের সন্তানদের জিটিসি’র শিক্ষা উপবৃত্তি


Thumbnail

দেশের একমাত্র দিনাজপুরের পার্বতীপুরে মধ্যপাড়া পাথর খনির সামনে খনি এলাকাবাসীদের জন্য জার্মানীয়া ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি)’র সমাজ কল্যাণ সংস্থা জিটিসি চ্যারিটি হোম কার্যালয়ে খনির শ্রমিকের সন্তানদের উচ্চ শিক্ষায় অধ্যায়নরত ৫২ শিক্ষার্থীকে মাসিক শিক্ষা উপবৃত্তি প্রদান করেছে।

মঙ্গলবার (৩০ মে) মঙ্গলবার বেলা আড়াই টায় মাসিক শিক্ষা উপবৃত্তির অর্থ উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের হাতে তুলে দেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জিটিসি’র নির্বাহী পরিচালক আলহাজ্ব মোঃ জাবেদ সিদ্দিকী এর পক্ষে উপ-মহাব্যবস্থাপক মোঃ জাহিদ হোসেন। 

পরে সদ্য এমপিওভুক্ত মধ্যপাড়া মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মচারীদের জন্য বিগত মাসগুলোর আর্থিক সহায়তার ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে চলতি মে মাসের জন্য কলেজ অধ্যক্ষ মোঃ ওবায়দুর রহমানের হাতে আর্থিক অনুদানের অর্থও প্রদান করা হয়। 

মধ্যপাড়া পাথর খনির ব্যবস্থাপনা, রক্ষনাবেক্ষণ এবং উৎপাদন কাজে নিয়োজিত দেশীয় একমাত্র মাইনিং কোম্পানী জার্মানীয়া কর্পোরেশন লিমিটেড ও বেলারুশ কোম্পানী ট্রেস্ট এস এস এর যৌথ প্রতিষ্ঠান জার্মানীয়া ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি) তাদের অধীনে কর্মরত খনি শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসীর মাঝে সেবামূলক এবং সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে শ্রমিকদের উচ্চ শিক্ষায় অধ্যায়নরত সন্তানদের মাঝে মাসিক শিক্ষা উপবৃত্তি কার্যক্রম এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শ সেবা প্রদান সহ মধ্যপাড়া পাথর খনির এলাকাবাসীর জন্য  বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে সমাজ কল্যাণ সংস্থা “জিটিসি চ্যারিটি হোম” স্থাপন করেছে। খনি এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে অংশ গ্রহণ বাড়াতে এলাকার বিভিন্ন মহলের সহযোগিতা কামনা করেছে। জিটিসি’র স্থাাপিত চ্যারিটি হোমে একজন পুরুষ ও একজন মহিলা অভিজ্ঞ এমবিবিএস ডাক্তার দ্বারা সপ্তাহে ৫ দিন খনি এলাকার সর্ব সাধারনের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরামর্শ সেবা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

মধ্যপাড়া পাথর খনির   জিটিসি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন