ইনসাইড বাংলাদেশ

নরসিংদীতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আরও এক জনের মৃত্যু

প্রকাশ: ০৪:৪০ পিএম, ২৬ মে, ২০২৩


Thumbnail নিহত ছাত্রদল কর্মী আশরাফুল।

নরসিংদীতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ছাত্রদল কর্মী আশরাফুল (২২) নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৬ মে) সকাল সাড়ে ৮টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মৃত্যু হয় তার।

আশরাফুলকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা আকাশ জানান, গতকাল নরসিংদী জেলা ছাত্রদলের বঞ্চিত নেতাকর্মীদের মোটরসাইকেল শোডাউনের সময় সংঘর্ষে আশরাফুল ও সাদেকুর রহমান সাদেক নামে দুই জন গুলিবিদ্ধ হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৫ মে) সাদেকুর রহমান সাদেক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। আর আজ শুক্রবার (২৬ মে) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০২ নম্বর ওয়ার্ডের দুই নাম্বার বেডে মারা যায় আশরাফুল। 

ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সাদেকুর রহমান। 

আকাশ আরও জানায়, নিহত সাদেকুর রহমান সাদেকের মাথায় ও পিঠে গুলি লেগেছিল এবং আশরাফুলের পেটে গুলি লাগে।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, নরসিংদী থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুইজনকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়েছিল। আনার সাথে সাথেই চিকিৎসক সাদেকুর রহমান নামে একজনকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর আজ সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আশরাফুল নামে আরো এক যুবকের মৃত্যু হয়।


নরসিংদী   ছাত্রদল   দুই গ্রুপ   সংঘর্ষ   মৃত্যু  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বাংলা ইনসাইডারের স্টাফ রিপোর্টার হাবিবকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রকাশ: ১১:২৩ পিএম, ১৭ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

সংবাদ প্রকাশের জের ধরে দৈনিক যুগান্তর ও বাংলা ইনসাইডারের স্টাফ রিপোর্টার হাবিব সরোয়ার আজাদের বাসায় ডুকে হামলা চেষ্টা ও সপরিবারের হত্যার হুমকির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানবন্ধন কর্মসূচি পালন করলেন সংক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী।

সোমবার (১৬ জুলাই) বিকেলে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের বাদাঘাট কলেজ রোডে ওই প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
 
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গেল ১১ ও ১২ জুলাই  দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় অনলাইন ও প্রিন্ট ভাসর্নে এবং এরপর বাংলা ইনসাইডারে ইউএনও’র বদলি সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর সংবাদ প্রকাশের জের ধরে ১২ জুলাই শুক্রবার বিকেল ৫.৩০ মিনিটে দৈনিক যুগান্তর ও বাংলা ইনসাইডারের স্টাফ রিপোর্টার হাবিব সরোয়ার আজাদের সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের বাদাঘাট কলেজ রোডের বাসায় অনধিকার পূর্বক প্রবেশ করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিন তার দলবল নিয়ে।

এরপর সাংবাদিক আজাদকে ডেকে তালাবন্ধ কেচি গেইটের ভেতরে থাকা অবস্থায় ইউএনও, জাদুকাটা নদী সেতু, ভূমিমন্ত্রীর বক্তব্য সংবলিত জাদুকাটা নদীতে ড্রেজার জব্দ ও ড্রেজার মালিকদেও গ্রেফতারের নির্দেশ, বাদাঘাট বাজারে ভারতীয় বিড়ি জব্দ করণ, কলাগাঁও সীমান্ত ছড়া নদীর বালু উক্তোলন সংক্রান্ত প্রতিবেদন যুগান্তরের প্রকাশের কারন জানতে চেয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান তার সাথে থাকা দলবল কেচি গেইট খুলে হামলার অপচেষ্টা করে।

ভবিষ্যতে যুগান্তরে কোন ধরণের সংবাদ প্রকাশ কিংবা তথ্যের জন্য থানার ওসি -ইউএনওকে ফোন করলে পরিবারের সকল সদস্য সহ সাংবাদিক আজাদকে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে চেয়ারম্যান আফতাব লোকজন জড়ো হতে দেখে তার দলবল নিয়ে বাসার গেইটের সামনে থেকে চলে যায়।

এরপর থেকেই চেয়ারম্যান আফতাব ও তার দলবলের হুমকির মুখে সাংবাদিক আজাদ ও তার সহধর্মীনী সপ্রাবি শিক্ষক প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বাসায় অবরুদ্ধ হয়ে আছেন।

এটি স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ দাবি করে বক্তারা বলেন, হুমকিদাতাদের আইনের আওতায় নিয়ে এসে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক, যাতে করে কোন দুর্বৃত্তদের দল ভবিষ্যতে সংবাদ প্রকাশের জের ধরে সাংবাদিক-শিক্ষক দম্পতিকে সপরিবারে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে বাসায় অবরুদ্ধ করে রাখার অপচেষ্টা থেকে সরে আসে।

মানববন্ধনে বক্তারা সাংবাদিক আজাদ ও তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা জোরদার করা ও অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে বের করে আনার দাবি তুলেন সরকার প্রধান ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, এলাকাবাসীর পক্ষে সমাজসেবক সামসু মিয়া, ব্যবসায়ী আবুল হোসেন, সারোয়ার হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান আলীম উদ্দিন, জাহাঙ্গীর আলম, সাংবাদিক এম এ রাজ্জাক, হাসান বশির, রাহাদ হাসান মুন্না, আব্দুল মান্নান, রোকন উদ্দিন, সাবজল হোসাইন প্রমুখ।

উপজেলার কামড়াবন্দ, বাদাঘাটবাসী সহ উপজেলার একাধিক গ্রাম থেকে আসা মানুষজন, সাংবাদিক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্ধ উপস্থিত হয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনের প্রতি সহমত পোষণ করেন।  

উল্লেখ্য, ইউএনও’র বদলি সংক্রান্ত প্রতিবেদন ছাড়াও এর পূর্বে ধারাবাহিকভাবে দৈনিক যুগান্তরে ও বাংলা ইনসাইডারে ‘জাদুকাটা নদীর ওপর নির্মাণাধীন সেতুতে ড্রেজারের ধাক্কায় প্রায় ৬ কোটি টাকার ক্ষয়-ক্ষতি, ড্রেজার মেশিন জব্দ ও ড্রেজার মালিকদের গ্রেফতারে ভূমিমন্ত্রীর নির্দেশ, বাদাঘাট বাজারে ভারতীয় বিড়ির চালান জব্দ, কলাগাঁও সীমান্ত ছড়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উক্তোলন এবং নৌপথে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন ও প্র্রতিবাদ সমাবেশের একাধিক ভিডিও সহ একাধিক প্রতিবেদন দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায়  ও বাংলা ইনসাইডারে প্রকাশিত হয়। এরপর থেকে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আফতাব নিজেই মুঠোফোন এবং বিভিন্ন সময় তার লোকজন দিয়ে বিভিন্নভাবে সাংবাদিক হাবিব সরোয়ার আজাদকে আর কোন ধরণের প্রতিবেদন যুগান্তর কিংবা বাংলা ইনসাইডারে প্রকাশ ও ওসি-ইউএনও সহ  সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে উপজেলার বিভিন্ন নৌকাঘাটের, হাটবাজার ইজারা সংক্রান্ত তথ্য না নেওয়ার জন্য হুমকি ধামকি প্র্রদান করেন।

বুধবার দুপুরে উপজেলার সপ্রাবি শিক্ষক, প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সাংবাদিক আজাদের সহধর্মীনী জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতার মুখেও অদৃশ্য শক্তির প্রভাবে গেল শুক্রবার বিকেলের পর থেকেই আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা নিরাপক্তাহীনতায় মধ্যে বাসায় অবরুদ্ধ অবস্থায় আছি।

উল্লেখ ঘটনার পর রাতেই সাংবাদিক আজাদ নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপক্তা চেয়ে এবং উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আফতাব সহ তার দলবলে থাকা অজ্ঞাতনামাদের ব্যাপারে থানায় জিডি করেন।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রাবিতে ১২ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে উপাচার্যকে উদ্ধার

প্রকাশ: ১১:১৪ পিএম, ১৭ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার মাধ্যমে ১২ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর উদ্ধার করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে। এ সময় উপাচার্যের সঙ্গে থাকা ৩৫ জন ফ্যাকাল্টিকে নিরাপদে অ্যাডমিন বিল্ডিং থেকে বের করে তাদের বাসভবনে পৌঁছে দেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

বুধবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় টিয়ারশেল, রাবার বুলেট ও সাউন্ড গ্রেনেড মেরে আন্দোলনকারীদের প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে ছত্রভঙ্গ করে দেয় আইনশৃঙ্খলারক্ষা বাহিনীর সদস্যরা। পরে প্রশাসন ভবন থেকে উপাচার্যকে উদ্ধার করে তার বাসভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ক্যাম্পাসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদসদের মোতায়েন করা হয়েছে। 

শুরুতে পুলিশ এরপর র‍্যাব ও বিজিবির অভিযানে অংশ নেয়। এ সময়ে রাবি উপাচার্য গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন, ‘এর আগে শিক্ষার্থীদের সাথে একাধিকবার আলোচনায় বসা হয়েছে। আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু শিক্ষার্থীরা তাদের দাবিতে অনড় থাকায়, বাধ্য হয়ে প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করেছে। এখন সবকিছুই প্রশাসনিকভাবে দেখা হবে।’

এর আগে, পাঁচ দফা দাবিতে দুপুর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছিল কোটা পদ্ধতি সংস্কারে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। দাবি আদায়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল তারা।

কোটা আন্দোলন   রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

আগামীকাল কি হতে যাচ্ছে?

প্রকাশ: ১১:০০ পিএম, ১৭ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পরপর শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। আগামীকাল তারা ‘কমপ্লিট শাটডাউনের’ ঘোষণা দিয়েছে। ফলে কোটা সংস্কার নিয়ে সারা দেশ ব্যাপী যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি, তার অবসান ঘটতে যাচ্ছে না। বরং আগামীকাল শেষ কর্মদিবসে কী হবে বা হতে পারে তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানামুখী আলাপ আলোচনা চলছে।

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলছেন, তারা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অর্থাৎ কোটা সংস্কারের ব্যাপারে সংসদে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা আইন প্রণয়ন ছাড়া তারা আন্দোলন থেকে ফিরে যাবে না। অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বিষয়টি এখন আপিল বিভাগে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় আছে। কাজেই আপিল বিভাগ যে সিদ্ধান্ত দেবে সেই সিদ্ধান্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু গত কয়েকদিনের ঘটনাপ্রবাহ এমন এক জায়গায় চলে গেছে যা সহিংস পরিস্থিতির দিকে দেশকে নিয়ে গেছে। ইতোমধ্যে ছয় জনের মৃত্যু ঘটেছে। আজও পুলিশের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের দফায় দফায় সংঘাতের খবর পাওয়া গেছে। তাছাড়া কোটা আন্দোলন শিক্ষার্থীদের একক আন্দোলন নয়। এই আন্দোলনের সঙ্গে আছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো যুক্ত হয়ে গেছে। এই আন্দোলনে তারা রসদ জোগাচ্ছে, অর্থ জোগাচ্ছে এবং এই আন্দোলনের সঙ্গে ছাত্রদল এবং ছাত্রশিবির সরাসরি সম্পৃক্ত হয়ে গেছে।

বিভিন্ন সূত্র বলছে, আন্দোলনের কর্তৃত্ব এখন তাদের (বিএনপি, ছাত্রদল, ছাত্রশিবির) হাতে। তারা এই সহিংস পরিস্থিতি অব্যাহত রেখে সরকারকে চাপে ফেলতে চায় না। আর অন্যদিকে সরকার এই পরিস্থিতিতে আগে সামাল দিতে চাই। সহিংসতা বন্ধ করতে চাই। আগামীকাল কমপ্লিট শাটডাউন বা যে কোনও ধরনের নাশকতামূলক কর্মসূচির বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থান রয়েছে বলে সরকারের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছে। ইতোমধ্যে ঢাকা শহরে বিজিপি এবং আনসার মোতায়েন করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের জানমালের যেন ক্ষতি না হয় তা নিশ্চিত করার জন্য রাত থেকেই বিজিপিকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মোতায়েন করা হবে। 

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে যে কোনও ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি করতে দেওয়া হবে না। ইতোমধ্যে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও রাতের মধ্যে খালি হয়ে যাবে বলে সরকার আশা করছে। অন্যদিকে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে আগামিকাল কমপ্লিট শাটডাউন শেষ পর্যন্ত কতটুকু সফল হবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। 

তবে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা আশাবাদী। তারা মনে করছে যে, সাধারণ মানুষের সমর্থন তাদের আছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমর্থন তাদের আছে। বিভিন্ন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ১৬ জুলাই থেকে এই আন্দোলনে জড়িত হয়েছে। এটি হলো আশঙ্কার কথা। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কখনোই হলে থাকে না। তারা বাসায় থাকে এবং আগামীকাল যদি তারা রাজপথে বেরিয়ে যান তাহলে কোথাও কোথাও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। 

তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে ফেলার ফলে এখন আন্দোলন আগামী দু একদিনের মধ্যে আস্তে আস্তে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আসবে এবং পরিস্থিতি সামাল দেয়া সম্ভব হবে। তবে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা বলছেন যে সরকারই এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। তারা যে কোনও প্রক্রিয়ায় আন্দোলন চালিয়ে যাবে। আগামীকাল তারা চেষ্টা করবে বিভিন্ন সড়কে অবস্থান করার জন্য। সরকার মনে করছে যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যদি বন্ধ রেখে দ্রুত আদালতে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা যায় তাহলে এই সমস্যার একটি ইতিবাচক সমাধান হতে পারে। কিন্তু সাধারণ মানুষের মধ্যে আগামীকাল নিয়ে এক ধরনের উদ্বেগ উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ১৬ জুলাইয়ের ঘটনার পর সাধারণ জনগণের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে।









কোটা আন্দোলন   কমপ্লিট শাটডাউন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

যাত্রাবাড়ীতে দফায় দফায় সংঘর্ষ, মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার টোল প্লাজায় আগুন

প্রকাশ: ১০:৪৬ পিএম, ১৭ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছে। এ সময় মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের টোল প্লাজায় আগুন দেওয়া হয়েছে। 

বুধবার (১৭ জুলাই) রাত ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে এই সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে যাচ্ছে অতিরিক্ত পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানা থেকে কুতুবখালি পর্যন্ত মহাসড়ক বন্ধ রয়েছে। যাত্রাবাড়ী থানার সামনে প্রস্তুত রয়েছে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, কিছুক্ষণের মধ্যে তারা অ্যাকশনে যাবে। অন্যদিকে হানিফ ফ্লাইওভারের কুতুবখালী টোলপ্লাজায় মোটরসাইকেল ও সিএনজি পুড়িয়ে দিয়েছে আন্দোলনকরীরা। এর আগে যাত্রাবাড়ী থানায় হামলার ঘটনা ঘটে।

এদিকে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ তার ফেসবুক পোস্টে নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত ও এক দফা দাবিতে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

যাত্রাবাড়ী   সংঘর্ষ   মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার   টোল প্লাজা   আগুন   কোটা আন্দোলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রাজধানীর শনিরআখড়ায় পুলিশের গুলিতে বিদ্ধ ৬

প্রকাশ: ১০:৩১ পিএম, ১৭ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

রাজধানীর শনিরআখড়ায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে ছয়জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। গুরুতর অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছে। বুধবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধরা হলেন- সবজি বিক্রেতা মো. বাবলু (৪০), তার দুই বছরের ছেলে রোহিত, মনিরুল ইসলাম (২০), মো. ফয়সাল (২৭), নবম শ্রেণির ছাত্র মাহিন আহমেদ পিয়াস (১৫) ও মো. সোহাগ (২৮)।

জানা গেছে, সকাল ১০টার দিকে শনিরআখড়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা। সন্ধ্যা পর্যন্ত তারা এই মহাসড়কটি অবরোধ করে রাখে। সন্ধ্যার দিকে পুলিশ অবরোধকারী শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দিতে গেলে সংঘর্ষ বাঁধে। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় এলোপাতাড়ি গুলিতে তারা আহত হন। 

কোটা আন্দোলন   সংঘর্ষ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন