ইনসাইড বাংলাদেশ

লক্ষীপুর বশিকপুর ইউনিয়নে মাদক ও আধিপত্য বিস্তারে এখন কারা?

প্রকাশ: ১১:১৪ এএম, ২১ নভেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

লক্ষ্মীপুরের বশিকপুরে চলছে খুনের রাজনীতি। প্রতি পক্ষকে ঘায়েল করতে চলছে একের পর এক হত্যা।এসব হত্যায় জড়িতদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আটকের পূর্বেই একটি সক্রিয় গ্রুপ সন্দেহজনক বাড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিপক্ষের লোকজন সন্দেহে তুলে এনে মারধর করে। পরে গ্রুপের সদস্য স্বীকারোক্তি দেয়ার প্রতিশ্রম্নতিতে তুলে দেয়া হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে। সম্প্রতি বশিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানের বিরুদ্ধে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এর জন্য আধিপত্য বিস্তার ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণকেই দুষছেন স্থানীয়রা।

 

অনুসন্ধানে জানা যায়, জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বশিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানের ছোট ভাই আবদুল্লাহ আল নোমান ও তার সফরসঙ্গী ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা রাকিব ইমাম নিজ এলাকায় রাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে খুন হন। এর আগে ও পরে ঘটনা জানতে অনুসন্ধান করে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা যায় রাকিব ইমাম হত্যার  প্রতিশোধ নিতে রাকিব ইমামের আপন বড় ভাই রুবেল নাগের হাট. নদীগ্রাম. কমলাপুর. গাজীপুর এবং কর পাড়া. বালাইশ পুর.পথ ধর্মপুর. রোকেনপুর. বিরাইম পুর.শেয়ারপুর.রসিদপুর.রামনগর.বড় আউলিয়া. উষারকান্দি. কাশিপুর দত্তপাড়া   গড়ে তুলেছেন আরেকটি নতুন বাহিনী এইসব বাহিনীর নেতৃত্ব রাকিব ইমামের আপন বড় ভাই রুবেল প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে পরিচালনা করেন । এরা এলাকায় চাঁদাবাজি করছে হরদম চালিয়ে যাচ্ছেন মাদক ব্যবসা। এদের বাহিনীতে সদস্য সংখ্যা প্রায় ১২০ থেকে১৫০ জন। এরা ১০ জন ১৫ জন করে এক একজন এক একটি এলাকার নিয়ন্ত্রণ করেন।  এদের মধ্যেই উল্লেখযোগ্য ১১থেকে ১২ জন প্রধান  একএকজন একএকটি এলাকা  কন্ট্রোল করেন।এরা  মাহফুজ চেয়ারম্যানের  সুরা কমিটির  সক্রিয়  সদস্য।  এদের কন্ট্রোল করেন বশিকপুর ইউনিয়নে   সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত রাকিব ইমামের বড় ভাই রুবেল। 

 

মুরাদ নন্দীগ্রাম সিরাজ উল্ল্যার ছেলে. ছোট নিশান রশিদপুরের শাহাবুদ্দিন ছেলে. মান্না রায়পুর দাড়া রফিকউল্লাহর ছেলে.জাবেদ ওয়াজী উল্ল্যা ছেলে.বরকত সুলতান আহমেদের ছেলে. রাকিব হোসেন (ওরফে লম্বা রাকিব) মাসুদের ছেলে.মাহাফুজুর রহমান সুমন(ওরফে বেরাইজ্জা সুমন)আবুল কাশেমের ছেলে.পিচ্চি ইউসুফ বদিউজ্জামান খোকনের ছেলে। এরা ২০১২ সাল থেকে মাছুম বিল্লা প্রকাশ লাদেন বাহিনীর সদস্য হয়ে এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণ করতো।লাদেন মাছুম পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে  গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।আর তখন  লাদেন বাহিনীর হাল ধরেন লক্ষীপুর জেলা যুবলীগের  নবনির্বাচিত সাবেক  সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নমান।

 

উল্লেখ্য, গত ২৫ এপ্রিল রাতে সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের পোদ্দার বাজারে জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ  সম্পাদক নোমান ও ছাত্রলীগ নেতা রাকিবকে দুর্বৃত্তরা  গুলি করে হত্যা করে। এ সময় তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও মোবাইল নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয় লোকজন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা নোমানকে মৃত ঘোষণা করেন। ছাত্রলীগ নেতা রাকিবকে সংকটাপন্ন অবস্থায় ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যান। নোমান হত্যা ঘটনা কে কেন্দ্র করে বশিকপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান বাদী হয়ে আবুল কাশেম জিহাদী কে প্রধান আসামি  করে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। কাশেম জিহাদী  পুলিশের গ্রেফতারের ভয়ে এলাকা থেকে সরে যাওয়ার পরে এরা পুরো বশিকপুর ইউনিয়ন ও চাটখিল এরিযা চন্দ্রগঞ্জ থানা এরিয়া কন্ট্রোল করেন শালীস-  নালীশ এমন কি ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন  ইয়াবা ব্যবসাসহ সব ধরনের মাদক ব্যবসা কন্ট্রোল করেন।  একটি অনুসন্ধানে গিয়ে রুবেলের বিরুদ্ধে আরো কিছু তথ্য আমাদের কাছে আসে। স্থানীয়দের কথা রাকিব ইমামের বড় ভাই  রুবেল এত বেপরোয়া আগে ছিল না ভাই হত্যার পর থেকেই সেই এখন বশিকপুর ইউনিয়নে দিবালোকে তার সহযোগী সন্ত্রাসীদেরকে নিয়ে মোটরসাইকেলে অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেয় এলাকার আনাচে কানাচে। স্থানীয়রা জানান  রুবেল কে কন্ট্রোল করেন নবনির্বাচিত বশিকপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান।

 

সম্প্রতি ১৫ নভেম্বর বুধবার রাত আনুমানিক ২ টা.  ৭ নং বশিকপুর ইউনিয়নে প্রত্যেকটি পয়েন্টে দুর্বৃত্তরা পাকা গুলি ও ককটেল ফাটানোর মহা উৎসব মেতে উঠেছে. জনশ্রুত রয়েছে তারা বশিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের অনুসারী। 

 

এদিকে ১৫ নভেম্বর রাতের ঘটনা জানতে চাইলে চেয়ারম্যান মাফুজ  জানান ওটা প্রশাসন ভালো বলতে পারে। তবে আমি পাবলিসিটি করতে মসজিদের  মুয়াজ্জিনদের কে  নির্দেশ দিয়েছি। চেয়ারম্যান মাফুজ বলেন ককটেলের  শব্দ শুনেছি। গোলাগুলি হয়নি।  প্রশাসনের কাছে তথ্য ছিল ডাকাতির একটা প্রিপারেশন ছিল। 

 

এদিকে চন্দ্রগঞ্জ থানার এইচআই বেলায়েত হোসেন জানান কাশীপুর এবং বড় আউলিয়া একটা গোপন সংবাদ পেয়েছি ডাকাত প্রবেশ করছে এই কারণে আমরা মহড়া দিছি।

 

নৌকা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নিজ দলের কমীর্দের স্বেচ্ছাচারিতায় নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহফুজুর রহমানের কাছে একাধিকবার জয়ী চেয়ারম্যান আবুল কাশেম জেহাদী হেরে যান। পরে কোণঠাসা হয়ে কাশেম জেহাদি সক্রিয়ভাবে আওয়ামীলীগের রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাতে জেলা শহরে বসবাস শুরু করেন। এ সুযোগে  বশিকপুরে গড়ে উঠে মাদক ব্যবসার নিরাপদ কেন্দ্র। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল ও নিশ্চিহৃ করতে চলে নানামুখী পরিকল্পনা। এরই অংশ হিসেবে জোড়া খুনের ঘটনা ঘটে, দাবি স্থানীয়দের।


লক্ষ্মীপুর   মাদক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মাদারীপুরে এসপি-ডিসি অফিস ভাঙচুর

প্রকাশ: ০৮:২৬ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

মাদারীপুরে কোটা বাতিলের দাবিতে আন্দোলনকারী, পুলিশ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সাথে দফায় দফায় ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ও ছাত্রলীগের ধাওয়া খেয়ে শকুনী লেকের পানিতে পড়ে  দীপ্ত দে নামে নামে এক আন্দোলনকারী কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস নিহতের লাশ উদ্ধার করেছে। পুলিশ লাশ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ উভয়পক্ষের আহত হয়েছেন অন্তত ৫০ জন। আন্দোলনকারীরা পুলিশের একটি গাড়ির সামনের কাচ ভেঙে ফেলেছে। ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়েছে ছয় জনকে।

এদিকে, মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগ অফিস ভাঙচুর করেছে কোটা আন্দোলনকারীরা। এছাড়াও মাদারীপর শহরের লঞ্চঘাট পুলিশ ফাঁড়িতে অগ্নি সংযোগ এবং এসপি অফিস, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ও ভাঙচুর করেছে আন্দোলনকারীরা। প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক সূত্র এ খবর নিশ্চিত করেছে।


মাদারীপুর   এসপি   ডিসি   অফিস   ভাঙচুর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

যেভাবে কোটা সংস্কার নিয়ে সংকটের সমাধান হতে পারে

প্রকাশ: ০৮:১০ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

কোটা সংস্কার নিয়ে উত্তপ্ত গোটা দেশ। অচল হয়ে পড়েছে রাজধানী ঢাকাসহ সারা বাংলাদেশ। এরকম পরিস্থিতিতে সরকার বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে। একটি গণতান্ত্রিক সরকারের এ রকম সংকটে যা করা উচিত তাই করেছে সরকার। আইনমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে কোটা সংস্কার নিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আজকে যদি তারা চায় তাহলে আজকে আলোচনায় বসবে। পাশাপাশি তিনি সুনির্দিষ্ট কিছু সুপারিশ করেছেন। 

তবে সবচেয়ে বড় কথা হল আইনমন্ত্রী সরকারের পক্ষ থেকে বলেছেন যে সরকার ও কোটা সংস্কার চায়। আর এই প্রেক্ষিতেই প্রশ্ন উঠেছে, বর্তমান সংকট থেকে মুক্তির পথ কি, কিভাবে এই অচলাবস্থা থেকে উত্তীর্ণ হওয়া যাবে এবং কিভাবে সংকট কাটবে? 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সংকটের সুনির্দিষ্ট কিছু সমাধান রয়েছে এবং খুব সহজেই সংকটের সমাধান হতে পারে। এই সংকটের সমাধানের জন্য কয়েকটি ধাপ রয়েছে। প্রথম ধাপ হল সরকার এবং কোটা সংস্কার পন্থী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা। প্রথম ধাপে সরকারকে কোটা সংস্কার পন্থী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। এই আলোচনায় উভয়পক্ষকেই আগ্রহী থাকতে হবে। দুই পক্ষের মধ্যে যারা মতলববাজ আছে তাদেরকে বাদ দিতে হবে। বিশেষ করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এখন জুটে গেছে ছাত্রশিবির এবং ছাত্রদল, যাদের অন্য কোনও উদ্দেশ্য আছে। তাদেরকে বাদ দিয়ে আলোচনার টেবিলে শুধুমাত্র কোটা সংস্কারের ইস্যুটিকে প্রাধান্য দিতে হবে এবং এই নিয়ে আলোচনা করে একটি সমাধান আলোচনা করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, আপিল বিভাগে দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আপিল বিভাগ আগামী ৭ আগস্ট কোটা সংস্কার নিয়ে শুনানির দিন ধার্য করেছেন। আজ আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, অ্যাটর্নি জেনারেলকে বলা হবে যে, শুনানি এগিয়ে আনার জন্য। ইতোমধ্যে আজকে দুইজন শিক্ষার্থী আপিল বিভাগে লিভ টু আপিলে পক্ষভুক্ত হয়েছেন। ফলে এই আপিলের সূত্র ধরেই আপিল বিভাগ আগামী রোববার থেকে এই বিষয়টি নিয়ে শুনানি করতে পারে এবং এই শুনানি দ্রুত নিষ্পত্তির ফলে সংকটের সমাধানের পথ উন্মুক্ত হতে পারে। 

তৃতীয়ত, কমিশন গঠন। আপিল বিভাগের রায়ের প্রেক্ষিতে আপিল বিভাগ যেভাবে দিকনির্দেশনা দেয় তার প্রেক্ষিতে সরকার সকল পক্ষকে নিয়ে একটি কোটা সংস্কারের কমিশন গঠন করতে পারে, যে কমিশনে শিক্ষার্থী প্রতিনিধিবৃন্দ, শিক্ষক প্রতিনিধিবৃন্দ এবং পাবলিক সার্ভিস কমিশনকে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। এই কমিশন দ্রুত সময়ের মধ্যে বর্তমান কোটা ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাস করে একটি পূর্ণাঙ্গ এবং আধুনিক বাস্তবতা পূর্ণ গোটা ব্যবস্থাপনা চালু করতে পারে। আর এটি যদি চালু করা যায় তাহলে এই সংকটের সমাধান হবে। 

তবে এই সংকটের ক্ষেত্রে সবচেয়ে স্পর্শকাতর যে বিষয়টি এখন সকলের সামনে রয়েছে, তা হল এটি এখন আর কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেই। এটির মধ্যে এক ধরনের রাজনৈতিক অভিলাষ ঢুকে গেছে। প্রধানমন্ত্রী গতকাল জাতির উদ্দেশ্য ভাষণে ও উচ্চাভিলাষীদের অভিসন্ধির কথা বলেছেন। এখন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদেরকে এই বাস্তবতা অনুধাবন করতে হবে এবং যারা এটির ভেতর অন্য মতলবে ঢুকে পড়েছে, যারা বিভিন্ন স্থানে গাড়ি ভাঙচুর করছে, অগ্নি সন্ত্রাস করছে এবং সহিংসতা করছে তাদেরকে আন্দোলন থেকে বিচ্যুত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের যে আন্দোলন সে আন্দোলনকে তাদের স্থির থাকতে হবে এবং সেই আন্দোলনে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করতে হবে। আর এখানে সরকারেরও একগুয়েমি বা অনড় অবস্থানের কোন সুযোগ নেই। সরকারকে ছাড় দিতে হবে। কোটা সংস্কার নিয়ে আপাতত শিক্ষার্থীরা যেভাবে চায় সেভাবে সংস্কারের পথে এগোতে হবে। তাহলেই বর্তমান অচলাবস্থার অবসান ঘটতে পারে।

কোটা আন্দোলন   সংকট   আপিল বিভাগ   শুনানি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বিটিভির মূল ভবনে ভয়াবহ আগুন, সম্প্রচার বন্ধ

প্রকাশ: ০৭:৫৮ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

রাজধানীর রামপুরায় বিটিভি ভবনে আন্দোলনকারীদের দেওয়া আগুন ছড়িয়ে পড়ায় রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) সম্প্রচার বন্ধ হয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিটিভিতে কর্মরত একাধিক সাংবাদিক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তারা জানান, বিটিভির মূল ভবনের নিচতলায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে মূল স্ক্রিনে তারা কালো দাগ দেখতে পান। পরবর্তীতে বাধ্য হয়েই সম্প্রচার বন্ধ করে দিতে হয়েছ।

অবশ্য এর আগে বিটিভির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য সহযোগিতা কামনা করে পোস্ট দেওয়া হয়। এতে বলা হয়েছে, ‘বিটিভিতে ভয়াবহ আগুন। দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত সহযোগিতা কামনা করছি। ভেতরে আটকা পড়েছেন অনেকে।’


বাংলাদেশ   টেলিভিশন   সম্প্রচার   বন্ধ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

কোটা আন্দোলনে নিহতের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন: তথ্য অধিদপ্তর

প্রকাশ: ০৭:৪৭ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

কোটাবিরোধী আন্দোলনে সব মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের নেতৃত্ব বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৬ জুলাই দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত ঘটনায় ছয় জন নিহত হওয়া এবং সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ঘটনা তদন্তের জন্য এক সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে। বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামান এই কমিশনের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। কমিশন আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সরকারের নিকট তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে।  বিজ্ঞপ্তি।।




কোটা আন্দোলন   নিহত   তথ্য অধিদপ্তর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রণক্ষেত্র রংপুর, আ. লীগ ছাত্রলীগৈর অফিস ভাঙচুর

প্রকাশ: ০৭:৩৪ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

রংপুরের বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর চালিয়েছেন কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীরা। এসময় ট্রাফিক সিগন্যাল বাতি, সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর করেন আন্দোলনকারীরা।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে শহরের জাহাজ কোম্পানির মোড়, শাপলা চত্বর, বেরোবি সংলগ্ন পার্ক মোড়, তাহহাট থানা মোড়সহ বিভিন্ন স্থানে এ ঘটনাগুলো ঘটে।

এছাড়াও এদিন পৌনে ৬টার দিকে জাহাজ কোম্পানি মোড়ের পাশে বাটার গলিতে জেলা ছাত্রলীগের কার্যালয় এবং জেলা মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ভাঙচুর আসবাবপত্রে আগুন দেওয়া হয়।

সময় সাংবাদিকদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন আন্দোলনকারীদের। এতে আহত হয়েছেন তিন সাংবাদিক। 

এর আগে সকাল থেকে দফায় দফায় নগরীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে রংপুর জিলা স্কুল মোড়ে জড়ো হতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। পরে সেখান থেকে দুপুর ১ টায় বিশাল মিছিল বের করেন আন্দোলনকারীরা। হয়। মিছিলে সংহতি জানিয়ে অভিভাবক সরকারবিরোধী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

এরপর নগরীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে বোরোবি সংলগ্ন পার্ক মোড় হয়ে মডার্ন মোড়ে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে অবস্থান নেন। সেখান থেকে তাজহাট থানা ঘেরাও করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। সময় আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পুলিশ।

এদিকে সন্ধ্যা ৬টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাকর্মীরা বিশাল মিছিল বের করেন। নগরীর সিটি পার্ক মার্কেট থেকে মিছিলটি শুরু হয়। মিছিল থেকে কোটাবিরোধী আন্দোলন নিহত শিক্ষার্থীদের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা। 


আন্দোলন   রণক্ষেত্র   ভাঙচুর   অগ্নি সংযোগ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন