ইনসাইড বাংলাদেশ

প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে ২০১৪ সালেই চাকরিচ্যুত হন ড্রাইভার আবেদ আলী

প্রকাশ: ০২:১৭ পিএম, ১০ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীকে ঘিরে উঠে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য। এমনকি পিএসসির মতো সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠানকে জড়িয়ে তিনি যেসব কথা বলছেন সেগুলোর কোনো ভিত্তি নেই বলেও দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটির একাধিক সূত্র।

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ২০১৪ সালে নন-ক্যাডারের প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পিএসসির চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয় আবেদ আলীকে। কমিশনের এক অফিস আদেশ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২২ এপ্রিল শিক্ষা প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়েরসহকারী মেইন্টেইনেন্স ইঞ্জিনিয়ারপদে লিখিত পরীক্ষার ৪টি উত্তরপত্র জনৈক এক ব্যক্তিকে সরবরাহের অভিযোগে আবেদ আলী বরখাস্ত হয়েছিলেন। ২০১৪ সালের জুলাই কর্ম কমিশন সচিবালয় স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে বরখাস্ত করা হয়।

স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, "শিক্ষা প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়েরসহকারী মেইন্টেইনেন্স ইঞ্জিনিয়ারপদে লিখিত পরীক্ষার টি লিখিত উত্তরপত্র সরবরাহের জন্য ২৮১ নং অফিস আদেশের মাধ্যমে আপনাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।" একইসঙ্গে সরকারী কর্মচারী (শৃংখলা আপীল) বিধিমালা ১৯৮৫ এর (বি) (ডি) বিধি অনুযায়ী আবেদ আলীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা (মামলা নং-০৩/২০১৪) দায়েরে বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়।

সূত্রমতে জানা যায়, আদেশের কপি আবেদ আলীর বাড়ির স্থায়ী ঠিকানায় ডাকযোগে প্রেরণ করা হলেও ঠিকানাটি ভুয়া থাকায় সেটি আবার ফেরত চলে আসে। পরে বিষয়ে সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হলেও সেখান থেকে আবেদ আলী প্রদত্ত স্থায়ী ঠিকানা ভুয়া বলে প্রতিবেদন দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে কমিশন সচিবালয়ের কাছে সিরাজগঞ্জে তার ঠিকানা যাচাইয়ের পর ২০১৪ সালের ১৮ নভেম্বর ঠিকানাটি যে ভুয়া সেটি উল্লেখ করে জেলা প্রশাসকের অফিস থেকে চিঠিও আসে বলে ওই অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়।

আদেশে আরও বলা হয়, এর আগে ১৯৯৭ সালে কর্মকমিশন সচিবালয়ে গাড়ী চালক হিসেবে আবেদ আলী চাকরি লাভ করেন। সেসময় চাকরির সার্কুলারে ঢাকা বিভাগের জন্য কোন পদ বরাদ্দ ছিল না। কিন্তু রাজশাহী বিভাগের জন্য টি পদ চাকরির সার্কুলারে উল্লেখ থাকায় আবেদ আলী চাকরিতে আবেদনের জন্য তার মূল ঠিকানা মাদারীপুরের পরিবর্তে তার বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলায় অবস্থিত দেখিয়ে ভুয়া ঠিকানা উল্লেখ করে চাকরিতে আবেদন করেন।

পরে স্থায়ী ঠিকানার জালিয়াতির বিষয়টি নিয়ে তদন্ত কর্মকর্তা এস এম মাসুদুল হক কমিশনের পক্ষ থেকে তদন্ত করলেও একই তথ্য বেরিয়ে আসে। ওই কর্মকর্তাও ঠিকানা জালিয়াতির বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ভুয়া বলে ২০১৫ সালের ১২ আগস্ট প্রতিবেদন দাখিল করেন। 

বিষয়ে আবেদ আলীর কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হলে জবাবে সাবেক ড্রাইভার আবেদ আলীর দেওয়া জবাব কমিশনের কাছে গ্রহনযোগ্য হয়নি বলেও জানা যায় ওই অফিস আদেশ সূত্রে।

এদিকে ২০১৪ সালের পর থেকে আবেদ আলী পিএসসি কোন চেয়ারম্যানের ড্রাইভার পদে আর কর্মরত ছিলেন না। এমনকি বরখাস্তের পর সেটির কোনও সুযোগ ছিল না বলেও জানায় পিএসসি।  

বর্তমানে ব্যক্তি আবেদ আলীর এমন অপকর্মের বিষয়ে পিএসসি মতো সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠানকে জড়িয়ে প্রচারণা চালানো সমীচিন নয় বলেও কমিশনের একাধিক সূত্রের বরাতে জানানো হয়। এদিকে  সৈয়দ আবেদ আলীর বিরুদ্ধে বহু বেআইনি কর্মকান্ডের অভিযোগ থাকার পাশপাশি তিনি নানা অভ্যাসগত অপকর্মের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে তথ্য উঠে এসেছে।


প্রশ্নফাঁস   অভিযোগ   চাকরিচ্যুত   ড্রাইভার   আবেদ আলী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

যুব সমাজকে মাছ উৎপাদনে নজর দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৪:৩৪ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

মৎস্য শিল্পে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সহায়তা দেওয়া হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের যুব সমাজকে মাছ উৎপাদনে নজর দিতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ ইন্ট্যারন্যাশনাল অ্যাকুয়াকালচার অ্যান্ড সিফুড শো-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ক্ষমতায় আসার পর থেকে মৎস্য সম্পদের টেকসই উন্নয়ন ব্যবস্থাপনার জন্য প্রচেষ্টা জানিয়ে যাচ্ছি। আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য এই খাতটা অবদান রাখতে পারে সেই ব্যবস্থাটাও আমরা নিয়েছি।


যুব   সমাজ   মাছ   উৎপাদন   নজর   প্রধানমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ আগেই ফাঁস হয়ে গিয়েছিল?

প্রকাশ: ০৪:৩১ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

গতকাল প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। প্রায় সাড়ে সাত মিনিটের এ ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন এবং ১৬ জুলাইয়ের ঘটনায় যারা নিহত হয়েছেন, তাদের ব্যাপারে নির্মোহ তদন্তের নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ধৈর্য্য ধরার পরামর্শ দিয়ে বলেন, আদালতের আপিল বিভাগে নিশ্চয়ই শিক্ষার্থীরা ন্যায় বিচার পাবেন।

কিন্তু একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে, প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষণ আগেই আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। কে বা কারা প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষণ ফাঁস করেছিল তা নিয়ে তোলপাড় চলছে। 

একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বলছে যে, এই ভাষণটি আগে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা পাওয়ার কারণে তারা শুরু থেকেই এটির জবাব তৈরি করেছিল এবং প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে তারা এই ভাষণকে প্রত্যাখ্যান করে তাদের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়।



সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের ভাষণ তৈরি করার ক্ষেত্রে গোপনীয়তা বজায় রাখা হয়। বিশেষ করে সরাসরি সম্প্রচারের ভাষণের কোনও তথ্যই আগে প্রকাশ করার কোনও রেওয়াজ রীতি নেই। এই ভাষণটি কীভাবে কোটা আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের কাছে চলে গেল তা নিয়ে বিভিন্ন মহলের প্রশ্ন উঠেছে। 

সাম্প্রতিক সময়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির এক ভাইয়ের বিভিন্ন ফেসবুক স্ট্যাটাস নিয়েও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে নিয়োগ প্রাপ্ত স্পর্শকাতর দায়িত্বপ্রাপ্ত ওই ব্যক্তির ভাইয়ের ফেসবুক স্ট্যাটাস এখন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাদের হাতে হাতে। সেই সমস্ত ফেসবুকের পোস্টগুলোতে কোটা আন্দোলনকে শুধু সমর্থনই করা হয়নি, রীতিমতো আওয়ামী লীগকে তুলোধোনা করা হয়েছে, সরকারের সমালোচনা করা হয়েছে। 



প্রশ্ন উঠেছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কোন ব্যক্তির আত্মীয়রাই যদি এই ধরনের বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিতে থাকেন তাহলে অন্যরা কি করবে?

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যারা স্পর্শকাতর পদে আছেন তাদের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা অত্যন্ত জরুরি। তাদের শুধু আনুগত্যই নয়, বরং তাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক সময়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দু একজনের স্বচ্ছতা তাদের রাজনৈতিক এবং পারিবারিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ নিয়ে এখন আওয়ামী লীগের মধ্যেই তোলপাড় চলছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সিরাজগঞ্জে মহাসড়ক অবরোধ, ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

প্রকাশ: ০৪:২৬ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

সারা দেশে ‘'কমপ্লিট শাটডাউনের'’ অংশ হিসেবে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম মহাসড়ক আড়াই ঘণ্টা ধরে অবরোধ করে রেখেছিলেন কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীরা। এ সময় উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার সড়ক যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

 

এদিকে সিরাজগঞ্জ শহরের ইবি রোড এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে।

 

আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই') সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম মহাসড়কের কামারখন্দ উপজেলার ঝাঐল ওভারব্রিজ এলাকায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জড়ো হন।

 

এরপর টায়ার জ্বালিয়ে মহাসড়কের ঢাকা থেকে উত্তরাঞ্চলগামী রুট অবরোধ করেন তাঁরা। 

এ সময় তারা লাঠিসোঁটা হাতে ‘তুমি কে আমি কে রাজাকার রাজাকার’ এবং পুলিশের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আন্দোলনকারীদের দমনের চেষ্টা করে। পরে টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে দুপুর ২টার দিকে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়।'

 

এদিকে দুপুর ১২টার দিকে সিরাজগঞ্জ শহরের ইবি রোড এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। ঘণ্টাখানেক পর সংঘর্ষ থেমে গেলেও বিএনপি নেতাকর্মীদের নবদিপুর এলাকায় জমায়েত হয়ে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। এ সময় আশপাশের এলাকায় সতর্ক বস্থায় রয়েছে পুলিশ।  

 

সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার মো. আরিফুর রহমান মণ্ডল বাংলা ইনসাইডার কে জানান, যারা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নতা ঘটানোর চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নাশকতা এড়াতে সিরাজগঞ্জ শহর ও মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।


সড়ক যোগাযোগ   যান চলাচল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সরকারের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরে: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

প্রকাশ: ০৪:০৮ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলন নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের আলোচনার প্রস্তাবের পর সেই বিষয়ে মতামত জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে আইনমন্ত্রীর আলোচনার প্রস্তাবের পর গণমাধ্যমকে মতামত জানান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম।

তিনি বলেন, ‘কোটা সংস্কারের বিষয়ে সরকারের আলোচনার প্রস্তাবের বিষয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা চলছে, পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’

এর আগে মন্ত্রী বলেন, আন্দোলনকারীদের আলোচনার প্রস্তাবকে স্বাগত জানায় সরকার। আমাকে ও শিক্ষামন্ত্রীকে দায়িত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ওরা চাইলে আমরা আজকেই আলোচনায় বসতে রাজি। 


সরকার   প্রস্তাব   আলোচনা   বিষয়   সিদ্ধান্ত   বৈষম্য   বিরোধী   ছাত্র   আন্দোলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পটুয়াখালীতে কোটা আন্দোলনকারীদের সাথে ছাত্রলীগ-যুবলীগের সংঘর্ষ, আহত ২০


Thumbnail

বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনকারীদের ডাকা কমপ্লিট শাটডাউন সফল করতে বাউফল -পটুয়াখালী সড়কের মুরাদিয়া বোর্ড অফিস ব্রিজের উপরে বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা অবস্থান নিলে অতর্কিত হামলা চালায় ছাত্রলীগ, যুবলীগ নেতাকর্মী ও পুলিশ। এতে প্রায় ২০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। 

 

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল দশটার দিকে দুমকি আজিজ আহম্মেদ ডিগ্রি কলেজ, জয়গুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহ অন্যান্য স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা কোটা বিরোধী নানা শ্লোগান দিয়ে রাস্তা অবরোধ করে।

 

পরে ছাত্রলীগ যুবলীগ নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল যোগে সেখানে গিয়ে লাঠিসোটা নিয়ে তাদের ধাওয়া করে। একইসাথে হামলা চালায় পুলিশ।

এতে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। ত্রিমুখী সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ২০ জন আহত হয়। আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এদের মধ্যে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক হাসান শিকদার এবং মুরাদিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ ফারুককে আহত অবস্থায় দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করা হয়েছে।


কোটা আন্দোলন   পুলিশ   আন্দোলনকারী  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন