ইনসাইড বাংলাদেশ

সরকারের প্রথম ছয় মাসে অনুজ্জ্বল মন্ত্রীরা

প্রকাশ: ০৬:০১ পিএম, ১০ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

আওয়ামী লীগ সরকার টানা চতুর্থবারের মতো দায়িত্ব গ্রহণ করে ছয় মাস সময় অতিবাহিত করল। এই ছয় মাস সময় ছিল নির্বিঘ্ন। নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের সবাই যে ভালো কাজ করতে পেরেছেন এমনটা নয়। এই ছয় মাসে অনেক মন্ত্রী ছিলেন সপ্রতিভ এবং তারা নতুন কিছু করতে চেয়েছেন। আবার অনেকে ছিলেন একেবারেই ম্রিয়মাণ অনুজ্জ্বল।

যে সমস্ত মন্ত্রীদেরকে গত ছয় মাসে সক্রিয় দেখা যায়নি তাদের মধ্যে রয়েছেন-

১. নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন

নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। কিন্তু দ্বিতীয়বারের মতো শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করে তিনি নিজেকে উজ্জ্বলভাবে উপস্থাপন করতে পারেননি। বরং স্থানীয় রাজনীতির ক্ষেত্রে নানারকম বিতর্কে জড়িয়ে তিনি নিজেই একটি বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে পড়েছিলেন। শিল্প মন্ত্রণালয়কে একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় হিসাবে টেনে তোলার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান নয়।

২. ড. মো. আব্দুস শহীদ

কৃষিমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদকে। দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে অভিজ্ঞ উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়ে নতুন ধারার সূচনা করবেন এমনটাই প্রত্যাশিত ছিল। বিশেষ করে এই মন্ত্রণালয়টি আওয়ামী লীগের হৃদপিণ্ড হিসাবে বিবেচিত হয়। অতীতে বেগম মতিয়া চৌধুরী এবং ড. আব্দুর রাজ্জাক এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থেকে কৃষি খাতকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন।

বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তার একটি প্রধান উৎস হলো কৃষির উপর গুরুত্ব আরোপ করা এবং কৃষি খাতকে এগিয়ে নিয়ে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন। তবে কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করে আব্দুস শহীদকে আড়ষ্ট-ইতস্তত লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের আগের কৃষি মন্ত্রীদের মতো মন্ত্রণালয়ের উপর তার পুরোপুরি দখলও লক্ষণীয় নয়। বিভিন্ন ক্ষেত্রে তিনি এখন পর্যন্ত খোলস ছেড়ে বেরোতে পারেননি।

৩. আব্দুস সালাম

আব্দুস সালামকে এবার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিলো পরিকল্পনা মন্ত্রী হিসেবে। কিন্তু দায়িত্ব নিয়ে অসুস্থতাজনিত কারণে তিনি সপ্রতিভভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারেননি। সরকারের জন্য অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করে তাকে যেভাবে সক্রিয় দেখার কথা ছিল তেমনটি সক্রিয় তিনি হতে পারেননি। তবে এই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অত্যন্ত তৎপর। আর এ কারণেই শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এখন পর্যন্ত ভালো কাজ করে যাচ্ছে।

৪. আ ক ম মোজাম্মেল হোসেন

আ ক ম মোজাম্মেল হোসেন আওয়ামী লীগ সরকারের জ্যেষ্ঠতম মন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর পরেই ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সে তার অবস্থান রয়েছে। কিন্তু টানা দ্বিতীয়বারের মতো মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী হয়ে আ ক ম মোজাম্মেলকে তেমন কোনও সক্রিয় তৎপরতার মধ্যে দেখা যাচ্ছে না। বরং নিজেকে গতবারের চেয়ে তিনি বেশ খানিকটা গুটিয়ে নিয়েছেন।

৫. ইয়াফেস ওসমান

ইয়াফেস ওসমান টানা তৃতীয়বারের মতো মন্ত্রী হয়েছেন। দীর্ঘ মেয়াদে মন্ত্রী থাকার এক নতুন রেকর্ড করেছেন। কিন্তু অন্য দুবার যেমন তিনি নিষ্প্রভ, নিষ্ক্রিয়, পর্দার আড়ালে ছিলেন; এবারও তিনি সেই একই পন্থা অবলম্বন করছেন। তাকে খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। শুধু রাজনৈতিক বিষয় নয়, এমনকী মন্ত্রণালয়ের বিষয়েও তিনি পর্দার আড়ালেই থাকছেন।

৬. নাজমুল হাসান

নাজমুল হাসান প্রথমবারের মতো এবার যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। অনেকে প্রত্যাশা করেছিলেন যে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতির অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি যুব এবং ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের একটি নতুন যুগের সূচনা করবেন। তবে বাস্তবে এমনটি হচ্ছে না। বরং বাংলাদেশের ক্রিকেটের উপর্যুপরি ব্যর্থতাসহ নানারকম ঝুট ঝামেলার কারণে নাজমুল হাসান অনুজ্জ্বল মন্ত্রী হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন নিজেকে।

৭. ডা. দীপু মনি

ডা. দীপু মনি শিক্ষামন্ত্রী থেকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। এবার সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তাকে একেবারে আড়ষ্ট এবং গুটিয়ে থাকা মন্ত্রী হিসাবে দেখা যাচ্ছে। এই মন্ত্রণালয়টি নানা কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই মন্ত্রণালয়ে অনেক কাজ করার আছে। কিন্তু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর এখন পর্যন্ত তাকে তার মন্ত্রণালয়কেন্দ্রিক উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়নি।


আওয়ামী লীগ সরকার   রাজনীতি   মন্ত্রী   মন্ত্রণালয়  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

‘নিজেকে রাজাকার বলে স্লোগান দেওয়া রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল’

প্রকাশ: ০৫:২৭ পিএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার, রাজাকার’-স্লোগান দেওয়া মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রতি গভীর অসম্মান প্রদর্শন। এ ধরনের স্লোগানধারীদের অবিলম্বে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’।

সোমবার (১৫ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান শাহীন এ কথা বলেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‌‘নিজেকে রাজাকার, রাজাকার স্লোগান দেয়া-মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা রাজাকার হিসেবে কাজ করেছে তাদের পক্ষে দাঁড়ানো এবং মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশের শামিল। এই ধরনের কার্যকলাপ রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল, কারণ এটি জাতির সংহতি এবং মূল্যবোধের ওপর আঘাত হানে।’

তারা বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান ও আইন অনুযায়ী, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি এবং রাজাকারদের সমর্থনকারী কার্যকলাপ আইনত অপরাধ হিসেবে বিবেচিত। এজন্য সরকার এবং আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলির উচিত এই ধরনের কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং জাতীয় সংহতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া।

নেত্রবৃন্দ বলেন, ‘আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি বেশ কিছুদিন যাবত কোটাবিরোধী আন্দোলনের নামে ৭১’ এর পরাজিত শক্তির প্রেতাত্মা গোষ্ঠী মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৩০ লাখ শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদেরকে পরিবারকে নানা ভাবে অপমান অপদস্থ করছে। বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নজরে এলে তিনিও এ বিষয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন।’

কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জায়গায় থেকে রাতের আঁধারে পরিত্যক্ত ও প্রত্যাখ্যাত রাজনৈতিক গোষ্ঠীর ছত্রচ্ছায়ায় কতিপয় বিভ্রান্ত শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শবিরোধী বালখিল্য কর্মকাণ্ড এবং রাজাকার রাজাকার স্লোগান আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে। এরা সময়ে-অসময়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করে জাতিকে বিভক্ত করছে, ঐতিহাসিক ভাবে মীমাংসিত বিষয়কে অমিমাংসিত করার চেষ্টা করছে। এখানে আমরা দেশের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র দেখতে পাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন নেতৃবৃন্দ। 

মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা অবিলম্বে রাজাকারের তালিকা প্রণয়ন করে এদের পরবর্তী প্রজন্মকে সরকারি-বেসরকারি সকল চাকরিতে নিষিদ্ধ করার দাবি জানান।’

আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান   রাজাকার   কোটা আন্দোলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

নতুনবাজার ছেড়েছে শিক্ষার্থীরা, যানচলাচল স্বাভাবিক

প্রকাশ: ০৫:০১ পিএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে রাজধানীর নতুন বাজার এলাকায় রাস্তা অবরোধ করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা। এতে নতুন বাজার থেকে রামপুরাগামী রাস্তায় যান চলা চলাচল বন্ধ হয়ে যায় ঐ রাস্তায়।

তবে বিকেল ৪টার দিকে রাস্তা ছেড়ে চলে যান শিক্ষার্থীরা। এতে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা বিকেল সাড়ে ৪টার পর থেকে রাস্তা ছেড়ে চলে যায়। এরপর নতুন বাজার থেকে রামপুরাগামী রাস্তায় আবারো যান চলাচল শুরু হয়েছে।

এর আগে বিকেলে ৪টা থেকে নতুন বাজার থেকে কুড়িল বিশ্বরোডগামী রাস্তায় যান চলাচল শুরু হয়। দীর্ঘক্ষণ ধরে আটকে থাকা যানবাহন ধীরে ধীরে কুড়িল বিশ্বরোডগামী রাস্তার দিকে এগোচ্ছে। 


কোটা আন্দোলন   বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়   সড়ক অবরোধ   যানচলাচল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ক্যাম্পাসের পরিবেশ নষ্ট করতে চাইলে প্রতিহত করবে ইবি ছাত্রলীগ


Thumbnail

ক্যাম্পাসে রাজাকার বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল ছাত্র সমাবেশ করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রলীগ। কেউ ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করতে চাইলে তাদের প্রতিহত করা হবে বলে ঘোষণা দেন ছাত্রলীগ নেতারা।

সোমবার (১৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় দলীয় টেন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে নেতাকর্মীরা। মিছিলটি নিয়ে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সড়ক কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে শিক্ষার্থীরা।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে দলীয় টেন্টে এসে সমবেত হয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। পরে সেখানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয়ের নেতৃত্বে তিন শতাধিক নেতাকর্মী সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয় বলেন, দেশের পবিত্র মাটিতে গতকাল রাতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মুষ্টিমেয় কিছু শিক্ষার্থী নিজেদেরকে রাজাকার দাবি করে স্লোগান দিয়েছে। এতে পুরো ছাত্র সমাজ ব্যথিত হয়েছে। আজ থেকে এই পবিত্র বাংলায় কেউ রাজাকার রাজাকার স্লোগান দিলে তাদেরকে যোগ্য জবাব দেওয়া হবে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাটিতে কেউ যদি আর একবার তুমি কে? আমি কে? রাজাকার, রাজাকার স্লোগান দেয় তাহলে তাদেরকে সমূলে উৎপাটন করা হবে। 

শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত বলেন, যারা সামনে থেকে ধরণের স্লোগান দিবে তাদেরকে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যারা নিজেদেরকে রাজাকার দাবি করে তারা স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি। তারা ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করতে চাই। আগামীতে কেউ ধরনের ধৃষ্টতা দেখালে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে ছাত্রলীগ তা প্রতিহত করবে।

এদিকে সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উক্তি ঘিরে রোববার রাতে ক্যাম্পাসে তুমি কে? আমি কে? রাজাকার, রাজাকার স্লোগানে বিক্ষোভ মিছিল করে শিক্ষার্থীরা। এরই প্রতিবাদে শাখা ছাত্রলীগ বিক্ষোভ মিছিল ছাত্র সমাবেশ করেছে।


কোটা আন্দোলন   ইবি   ছাত্রলীগ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

অবৈধ অনুপ্রবেশের সময় বিজিবির হাতে আটক ১

প্রকাশ: ০৪:৩২ পিএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

যশোরের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে মনির হোসেন (২৮) নামে এক বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বিজিবির সদস্যরা।

 

সোমবার (১৫ জুলাই) সকালে যশোরে শার্শা গোগা সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক মনির হোসেন শার্শার গোগা গ্রামের নুর হোসেনের ছেলে।

 

খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে: কর্নেল মোহাম্মাদ খুরশিদ আনোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

তিনি জানান, বিনা পাসপোর্টে ভারতে কাজের উদ্দেশ্যে প্রবেশকালে কর্তব্যরত বিজিবি টহল সদস্যরা তাকে আটক করে।

আটক মনির হোসেনের বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশ আইনে মামলা দিয়ে শার্শা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


অবৈধ অনুপ্রবেশ   বিজিবি   আটক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ঢাবিতে আন্দোলনকারী-ছাত্রলীগ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র ক্যাম্পাস, আহত অনেকে

প্রকাশ: ০৩:৩৯ পিএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল পাড়ায় আন্দোলনকারী-ছাত্রলীগের মুখোমুখি সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে ক্যাম্পাস। এসময় আহত হয় অনেকে। 

সোমবার (১৫ জুলাই) বিকেল ৩টা থেকে মুখোমুখি অবস্থান নেয় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এসময় দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে।

ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ফলে মুহূর্তেই রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে ঐ এলাকা। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর ৩টার দিকে বিজয় একাত্তর হলের সামনে মাইকিং করতে শুরুর করলে হল শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ধাওয়া দেন। এরপর কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরাও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের পাল্টা ধাওয়া দেন।

এক পর্যায়ে ধাওয়া খেয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিজয় একাত্তর হলে অবস্থান নেন। পরে তারা হলের তালা লাগিয়ে ভেতর থেকে ইট ছুড়তে থাকেন। শিক্ষার্থীরাও হলের দেয়ালের ওপর দিয়ে পাল্টা ইট ছুড়তে থাকেন। অন্যদিকে ছাত্রলীগের আরেকটি দলকে হেলমেট পরে একাত্তর গেটের কাছাকাছি অবস্থান করতে দেখা গেছে।

এদিকে আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ শেষ হওয়ার আধাঘণ্টা পর ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। তবে সংঘর্ষ চলাকালে ছাত্রলীগ ও আন্দোলনকারী ছাড়া ক্যাম্পাসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো কার্যকর উপস্থিতি চোখে পড়েনি।

এর আগে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, ‘আন্দোলনের রিমোট কন্ট্রোল এখন শিক্ষার্থীদের হাতে নেই, এটি অন্য কেউ নিয়ন্ত্রণ করছে।’ 

এছাড়াও যারা নিজেদের রাজাকার বলে স্লোগান দিচ্ছে তাদের শেষ দেখে নেয়ারও হুশিয়ারি দেন তিনি। 


কোটা আন্দোলন   ঢাবি   ছাত্রলীগ   আন্দোলনকারী  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন